খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

সবুজ, নিরাপদ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ণ
সবুজ, নিরাপদ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সম্মিলিত দায়িত্বশীলতা, কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ও জনসচেতনতার মাধ্যমে একটি সবুজ, নিরাপদ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ, খাল খননের মাধ্যমে জলাধার সৃষ্টি, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, সবুজ নগরায়ণ, পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’

শুক্রবার (০৫ জুন) ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। দিবসের এ বছরের মূল প্রতিপাদ্য- ‘জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা’।

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন আজ বৈশ্বিক বাস্তবতা। এর বিরূপ প্রভাবে বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়ের মতো ঘনঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অতিরিক্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধি, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও পরিবেশের ভারসাম্যহীনতা দেশের জনজীবন, জীববৈচিত্র্য ও অর্থনীতিতে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

তিনি বলেন, জলবায়ু ও পরিবেশের সংকট মোকাবিলা করা সরকার বা কোনো একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে দুরূহ। এটি সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিষয়। আমার বিশ্বাস, সরকারি ও বেসরকারি খাত, গবেষক, সুশীল সমাজ এবং সাধারণ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।

তিনি পরিবেশ দূষণরোধ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য সংরক্ষণে কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (ইউএনইপি)-এর উদ্যোগে ৫ জুন যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হচ্ছে জেনে আনন্দ প্রকাশ করেন এবং এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান।

রাষ্ট্রপতি বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ঈদের পর স্বস্তি সবজির বাজারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১২:২১ অপরাহ্ণ
ঈদের পর স্বস্তি সবজির বাজারে

ঈদুল আজহার পর রাজধানীর খুচরা বাজারে বেশিরভাগ সবজির দাম কিছুটা কমেছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় ক্রেতারা স্বস্তি পেলেও মাছ ও মাংসের বাজারে তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের আগে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় অনেক পণ্যের দাম বাড়লেও এখন বাজারে সরবরাহ বাড়ায় সবজির দাম কমতে শুরু করেছে।

শুক্রবার (৫ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

রাজাধানীর যাত্রাবাড়ীতে প্রতি কেজি কাঁকরোল বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ঢেঁড়শ ৬০ টাকা, উচ্ছে ৬০ টাকা, কচুর চারা ৭০ টাকা, লতি ৬০ টাকা, ঝিঙে ৬০ টাকা, লম্বা বেগুন ৮০ টাকা, গোল বেগুন ৬০ টাকা এবং পেঁপে ৬০ টাকায়। এ ছাড়া লেবু প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়।

ঈদের আগের তুলনায় প্রতিটি সবজির দাম ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।

সবজি বিক্রেতারা জানান, ঈদের আগে পরিবহন ব্যস্ততা ও বাড়তি চাহিদার কারণে অনেক পণ্যের দাম বেড়েছিল। এখন বিভিন্ন জেলা থেকে নিয়মিত সবজি আসতে শুরু করায় দাম কিছুটা কমেছে।

রাজধানীর শনিরআখড়া কাঁচাবাজারের বিক্রেতা সোহেল বলেন, ঈদের আগে অনেক সবজির দাম ১০ থেকে ২০ টাকা বেশি ছিল। এখন সরবরাহ ভালো থাকায় দাম কমেছে। আগামী সপ্তাহেও সরবরাহ ঠিক থাকলে আরও কিছু সবজির দাম কমতে পারে।

তবে মাছের বাজারে তেমন স্বস্তি নেই। বাজারে চাষের রুই মাছ প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা, পাঙ্গাস ২২০ টাকা এবং চাষের শিং মাছ ৩৮০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০-১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের দাবি, মাছের উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বেশি থাকায় দাম কমার সুযোগ কম।

ডিমের বাজারেও দাম প্রায় স্থিতিশীল রয়েছে। ফার্মের ডিম প্রতি ডজন ১২০ টাকা এবং দেশি ডিম ৩০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

গরুর মাংসের দাম আগের মতই ৮০০-৮৫০ টাকা, খাসির মাংসের দাম ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা। তবে বিক্রেতারা বলছেন কোরবানির পরে মাংসের বেচাকেনা কম।

বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ঈদের পর সবজির দাম কিছুটা কমায় স্বস্তি লাগছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে সবজি কিনতে বেশি খরচ হচ্ছিল। তবে মাছ, ডিম ও মাংসের দাম এখনও সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আসেনি।

আরেক ক্রেতা রুমানা আক্তার বলেন, সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি মিললেও পরিবারের দৈনন্দিন খরচ খুব একটা কমেনি। মাছ ও অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম আগের মতোই রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মৌসুমী সবজির সরবরাহ আরও বাড়লে বাজারে দামের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তবে মাছ, ডিম ও মাংসের বাজারে স্বস্তি ফিরতে হলে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যয় কমানোর পাশাপাশি বাজার ব্যবস্থাপনায় আরও নজরদারি প্রয়োজন।

ঈদের পর রাজধানীর বাজারে সবজির দামে যে স্বস্তি ফিরেছে, তা ভোক্তাদের জন্য ইতিবাচক হলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় অন্যান্য খাদ্যপণ্যের উচ্চ মূল্য এখনও তাদের উদ্বেগের কারণ হয়ে রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপ-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৯ পূর্বাহ্ণ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপ-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় পিকআপ ভ্যান ও সিএনজি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও তিনজন।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিক হতাহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

 

বিস্তারিত আসছে…

কালের আলো/এসআর/এএএন

ঢাকার বাতাস আজ ‘সংবেদনশীলদের জন্য অস্বাস্থ্যকর’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
ঢাকার বাতাস আজ ‘সংবেদনশীলদের জন্য অস্বাস্থ্যকর’

আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস। সাপ্তাহিক ছুটির এই দিনে ঢাকার একিউআই স্কোর ১২৭, যা সংবেদনশীলদের জন্য অস্বাস্থ্যকর।

শুক্রবার (১২ মে) বেলা ১১টায় আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী রাজধানী ঢাকার বায়ুর মান সূচক বা একিউআই স্কোর হলো ১২৭, বাতাসের মান ‘সংবেদনশীলদের জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অন্যদিকে ১৬৭ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে কঙ্গোর কিনশাসা শহর।

একই সময়ে দূষিত শহরের তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে জাকার্তা, যার স্কোর ১৬৫। এছাড়া ১৩৪ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে উগান্ডার কামপালা। এই দুটি শহরের বাতাসের মানও অস্বাস্থ্যকর।

দূষিত বাতাসে শীর্ষ দশে থাকা অন্য শহরগুলোর বাতাসের মানের স্কোর ১০১ থেকে ১৩৪-এর মধ্যে।

বায়ুমানের আন্তর্জাতিক সূচক অনুযায়ী, একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ হলে তা ‘ভালো’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোরকে ‘মাঝারি’ এবং ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরকে সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। এ ছাড়া ১৫১ থেকে ২০০ স্কোর হলে তা সাধারণভাবে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়।

একিউআই স্কোর ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে হলে সেটিকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে পৌঁছালে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ধরা হয়। এমন অবস্থায় শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের ঘরের ভেতরে থাকা এবং অন্যদের বাইরের কার্যক্রম সীমিত রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি