খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

নৌবাহিনীর লজিস্টিক ও অপারেশনাল সক্ষমতায় নতুন মাত্রা যোগ করলো বিএনএফসি ‘বলীয়ান’ 

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১০:১২ অপরাহ্ণ
নৌবাহিনীর লজিস্টিক ও অপারেশনাল সক্ষমতায় নতুন মাত্রা যোগ করলো বিএনএফসি ‘বলীয়ান’ 

নানা কারণে ২০০২ সালে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল দেশের প্রথম ডকইয়ার্ড, নারায়ণগঞ্জের ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড (ডিইডব্লিউ)। ২০০৬ সালে বাংলাদেশ নৌবাহিনী দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশের সবচেয়ে লাভজনক ডকইয়ার্ডগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে এটি। ভারতীয় উপমহাদেশে জাহাজ নির্মাণশিল্পের অন্যতম প্রাচীন এই প্রতিষ্ঠানটিকে আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। এবার ডিইডব্লিউ দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মাণ করেছে ৭০ টন ক্ষমতাসম্পন্ন অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন বিএনএফসি ‘বলীয়ান’। বিএনএফসি ‘বলীয়ান’ নৌবাহিনীর লজিস্টিক ও অপারেশনাল সক্ষমতায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) নারায়ণগঞ্জের বন্দরে নৌবাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ড এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডের (ডিইডব্লিউ) নির্মিত এই ক্রেন আনুষ্ঠানিকভাবে নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান বলেন, ‘প্রতিরক্ষা শিল্পে নিজস্ব কারিগরি দক্ষতায় বাংলাদেশ বড় আকারের যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের সক্ষমতা অর্জন করছে।’ তিনি বলেন, ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নীতিতে দেশীয় শিল্প গড়ে তোলার যে কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে, এই ফ্লোটিং ক্রেন প্রকল্প তারই একটি সফল অংশ। ডিইডব্লিউ লিমিটেডকে একটি স্বনির্ভর শিপইয়ার্ডে রূপান্তর করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

জানা যায়, প্রাচ্যের ডান্ডিখ্যাত নারায়ণগঞ্জের বাণিজ্যিক ঐতিহ্যের সঙ্গে ডিইডব্লিউ’র ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। ১৯২২ সালে ব্রিটিশ সরকার নারায়ণগঞ্জের সোনাকান্দা এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীতীরে ডকইয়ার্ডটি গড়ে তোলে। শুরুতে নামকরণ হয় নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড। স্থানীয়ভাবে সোনাকান্দা ডকইয়ার্ড নামে পরিচিত। ১৯৫৬ সালে ডকইয়ার্ডটির নাম পাল্টে ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার ওয়ার্কস লিমিটেড করা হয়। বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরোনো এই ডকইয়ার্ড ২০২২ সালে শতবর্ষপূর্তি উদযাপন করে। ‘নিরাপত্তাই প্রথম’ স্লোগান নিয়ে কাজ করা ডিইডব্লিউ আন্তর্জাতিক মান রক্ষা করে সব ধরনের নৌযান তৈরি করছে। নারায়ণগঞ্জের ইতিহাস বইয়ের তথ্যমতে, ‘স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে কুয়েতে চারটি মালবাহী জাহাজ রপ্তানির মধ্য দিয়ে নারায়ণগঞ্জ থেকে জাহাজ রপ্তানি শুরু করেছিল শতবর্ষী ডিইডব্লিউ।’

বাংলাদেশকে জাহাজ নির্মাণে স্বনির্ভর করতে  সরকার আন্তরিক

জাহাজ নির্মাণ শিল্পে বিদেশি নির্ভরশীলতা কমিয়ে দেশীয় প্রযুক্তির বিকাশ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশকে জাহাজ নির্মাণে স্বনির্ভর করেত সরকার আন্তরিক বলে মন্তব্য করেন বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। তিনি বলেন, বন্ধুপ্রতিম বিভিন্ন রাষ্ট্রের সঙ্গে প্রযুক্তি হস্তান্তরের (ট্রান্সফার অব টেকনোলজি) মাধ্যমে যৌথভাবে জাহাজ নির্মাণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

নৌবাহিনী প্রধান বলেন, ‘দীর্ঘমেয়াদে স্বনির্ভরতা অর্জনের জন্য জাহাজ নির্মাণ শিল্পে ব্যবহৃত কাঁচামাল ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি দেশে উৎপাদনের কোনো বিকল্প নেই। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারকে অবহিত করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘নৌবাহিনীর সার্বিক অপারেশনাল ও লজিস্টিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবেই এই ফ্লোটিং ক্রেন নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছিল। এর সংযোজনের মাধ্যমে নৌবাহিনীর বিভিন্ন জাহাজের মেরামত, উদ্ধার ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

ফ্লোটিং ক্রেনটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১০ দশমিক ৫ মাইল গতিতে চলতে সক্ষম 

নৌবাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ড এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডের (ডিইডব্লিউ) এই ইয়ার্ডে ভবিষ্যতে বড় আকারের শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ করা সম্ভব হবে। এটি দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত ৪৫ মিটার দৈর্ঘ্য, ১৫ মিটার প্রস্থ এবং ৩ মিটার গভীরতা বিশিষ্ট এই ফ্লোটিং ক্রেনটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১০ দশমিক ৫ মাইল গতিতে চলতে সক্ষম। ৭০ টন ওজন উত্তোলন ক্ষমতার এই ক্রেনটি জেটি এবং সমুদ্রে অবস্থানরত নৌবাহিনীর জাহাজসমূহের জটিল মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমে বৈপ্লবিক সহায়তা প্রদান করবে। পাশাপাশি এটি ভারী যন্ত্রপাতি ও নৌ-উপকরণ স্থানান্তরে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে কাজ করবে।

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে ২০২৪ সালের ৩০ জুন এই নির্মাণ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে নির্মিত এই ক্রেনটি দেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পের ক্রমবর্ধমান সক্ষমতার এক উজ্জ্বল প্রতিফলন। অনুষ্ঠানে ডিইডব্লিউ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ফয়জুল হক, নৌবাহিনী সদর দপ্তরের পিএসও এবং ডিইডব্লিউ ও নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

 

ভিনির জোড়া গোলে এগিয়ে বিরতিতে ব্রাজিল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৪:৫৯ পূর্বাহ্ণ
ভিনির জোড়া গোলে এগিয়ে বিরতিতে ব্রাজিল

মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে আজ স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে শুরু থেকেই দাপট দেখাচ্ছে ব্রাজিল। ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘সি’-এর এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের জোড়া গোলে ২-০ তে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যাত সেলেসাওরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুর্দান্ত ছন্দে দেখা গেছে ব্রাজিলকে। খেলা শুরুর মাত্র ৭ মিনিটের মাথায় আক্রমণভাগের দারুণ সমন্বয়ে গোল আদায় করে নেন ভিনিসিয়ুস। সতীর্থের বাড়ানো নিখুঁত পাসে স্কটিশ রক্ষণভাগকে পরাস্ত করে বক্সের ভেতর থেকে জোরালো শটে বল জালে জড়ান এই তারকা ফরোয়ার্ড।

লিড নেওয়ার পরও ব্রাজিলের আক্রমণের ধার একটুও কমেনি। ভিনিসিয়ুস, লুকাস প্যাকেতা ও কুনহার সম্মিলিত আক্রমণ বারবার কাঁপিয়ে তুলছে স্কটল্যান্ডের রক্ষণভাগ। বিপরীতে, গোল হজম করার পর ম্যাচে ফেরার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে স্কটল্যান্ড। তবে ব্রাজিলের সুসংগঠিত রক্ষণভাগ ও মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকায় প্রতিপক্ষ খুব একটা সুবিধা করতে পারছে না।

উল্টো ম্যাচের ২২ মিনিটে আবার গোলের দেখা পায় সেলেসাওরা। স্কটিশ তারকা জ্যাক হেনড্রি অ্যাঙ্গাস গানকে একটি জঘন্য ব্যাক পাস দেন এবং ভিনি সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করে স্কোর ২-০ করেন। তবে ভার চেকে ভিনির ফাউল ধরা পরলে গোলটি বাতিল করা হয়। এরপর হাইড্রেশন বিরতির পর কিছুটা বদলে গেছে স্কটল্যান্ডের খেলা। ব্রাজিলের চাপ সামলে এবার নিজেরাও আক্রমণে উঠতে শুরু করেছে স্টিভ ক্লার্কের দল।

৩০ মিনিটে প্রথম কর্নার পায় স্কটল্যান্ড। প্রাথমিক ডেলিভারি ক্লিয়ার হলেও ডান দিক থেকে জন ম্যাকগিন বাঁ পায়ে দারুণ বল তোলেন বক্সে। ম্যাকেনা হেড করতে উঠলেও ঠিকমতো লক্ষ্য রাখতে পারেননি, শেষ পর্যন্ত বিপদ কাটায় ব্রাজিল।

এরপর আরেকটি কর্নার থেকেও সুবিধা নিতে পারেনি স্কটল্যান্ড। বক্সের ভেতর ব্রুনো গিমারায়েস পড়ে গেলে ফাউলের বাঁশি বাজান রেফারি, ফলে চাপ কাটিয়ে ওঠে ব্রাজিল। শেষ কয়েক মিনিটে স্কটল্যান্ড অন্তত ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেয়। তবে ম্যাচের প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ফের ভিনির গোলে ব্যবধান বাড়ায় সেলেসাওরা। বাকি সময়ে আর কোনও অঘটন না হলে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ব্রাজিল।

কালের আলো/এসআর/এএএন

রাজশাহীতে তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

রাজশাহী মহানগরীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪৯ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় ইসকাফ সিরাপ ও ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) পুলিশ কমিশনারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় পরিচালিত অভিযানে বিশেষ মাদকবিরোধী টিম, মতিহার থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ টিম মঙ্গলবার রাতে এ অভিযান চালায়।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- মতিহার থানার সাতবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মোজাম্মেল হকের ছেলে সাগর আলী, মোয়াজ্জেম আলীর ছেলে রাজিব আলী এবং মৃত সাঈদের ছেলে শিহাব আলী। এ মামলার পলাতক আসামি হলেন মতিহার থানাধীন চরসাতবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মোজাহার আলীর ছেলে কামরুল ইসলাম এবং ইব্রাহিম আলী।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে মতিহার থানার জাহাজঘাট-দাশমারী এলাকা থেকে সাগর আলীকে এবং চরসাতবাড়িয়া এলাকা থেকে রাজিব আলী ও শিহাব আলীকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পলাতক দুই আসামির বাড়িতে অভিযান চালানো হলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যায়।

অভিযানের সময় গ্রেপ্তার আসামিদের দেহ তল্লাশি এবং পলাতক আসামিদের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৪৯ বোতল ভারতীয় ইসকাফ সিরাপ ও তিনটি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসায় ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

আরএমপি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া পলাতক দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

লিবিয়া থেকে ফিরেছেন ১৭০ বাংলাদেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
লিবিয়া থেকে ফিরেছেন ১৭০ বাংলাদেশি

অনিয়মিত পথে ইউরোপ যেতে ইচ্ছুক ১৭০ বাংলাদেশি লিবিয়া থেকে ঢাকায় ফিরেছেন। বুধবার (২৪ জুন) ভোর ৫টা ২০ মিনিটে বুরাক এয়ারের বিশেষ ফ্লাইটযোগে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, লিবিয়ার বেনগাজীস্থ গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার এবং ত্রিপোলিস্থ তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি ছিলেন এই ১৭০ বাংলাদেশি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানায়, প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের অধিকাংশই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তাগণ প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান।

জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাদের এই দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে বিনিময় করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাদের অনুরোধ জানানো হয়। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসনকৃত প্রত্যেককে পথ খরচ, কিছু খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, লিবিয়ায় বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থা একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ