খুঁজুন
                               
, ,
           

নেটফ্লিক্সে ‘দ্য লাস্ট হাউস’-এর ঝড়, তিন দিনে ২ কোটি ৭৫ লাখ ভিউ

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৭ অপরাহ্ণ
নেটফ্লিক্সে ‘দ্য লাস্ট হাউস’-এর ঝড়, তিন দিনে ২ কোটি ৭৫ লাখ ভিউ

নেটফ্লিক্সে মুক্তির পরপরই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে থ্রিলার সিনেমা ‘দ্য লাস্ট হাউস’। মুক্তির প্রথম তিন দিনে সিনেমাটি পেয়েছে ২ কোটি ৭৫ লাখ ভিউ। ৩ থেকে ৯ আগস্টের এক সপ্তাহের হিসাবে নেটফ্লিক্সের সবচেয়ে বেশি দেখা কনটেন্টের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে গ্রেটা লি ও ওয়াগনার মৌরা অভিনীত সিনেমাটি।

শুধু ইংরেজি ভাষার সিনেমার তালিকাতেই নয়, ওই সপ্তাহে নেটফ্লিক্সের সব ধরনের কনটেন্টের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা হয়েছে ‘দ্য লাস্ট হাউস’। ফলে মুক্তির পরপরই এটি প্ল্যাটফর্মটির অন্যতম আলোচিত সিনেমায় পরিণত হয়েছে।

‘দ্য লাস্ট হাউস’-এর গল্প আবর্তিত হয়েছে একটি বাড়িকে ঘিরে। বাইরে অবিরাম বৃষ্টি। দরজা খোলা যাচ্ছে না, জানালাও নয়। ফোন ও ইন্টারনেটও স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে না। চারজন মানুষ ধীরে ধীরে বুঝতে পারে, তারা শুধু নিজেদের বাড়িতেই আটকা পড়েনি; সম্ভবত পুরো পৃথিবী থেকেই বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

সিনেমার মূল ভয় কোনো ভূত বা অতিপ্রাকৃত প্রাণীকে ঘিরে নয়। বরং বাড়ি থেকে বের হওয়ার কোনো পথ না থাকাটাই হয়ে ওঠে আতঙ্কের প্রধান কারণ। এই ধারণার ওপর দাঁড়িয়ে তৈরি হয়েছে সিনেমাটির রহস্য ও উত্তেজনা।

৭ আগস্ট মুক্তির পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিটি নিয়ে আলোচনা চলছে। দর্শকদের একাংশ এর অস্বস্তিকর পরিবেশ ও রহস্য ধরে রাখার কৌশলের প্রশংসা করেছেন। অন্যদিকে কেউ কেউ মনে করছেন, চমৎকার একটি ধারণাকে শেষ পর্যন্ত দুর্বল চিত্রনাট্যের কারণে পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারেনি সিনেমাটি।

নেটফ্লিক্স ‘দ্য লাস্ট হাউস’-কে সায়েন্স ফিকশন, হরর ও থ্রিলারের মিশ্রণ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে। তবে সমালোচকদের একটি অংশের মতে, ছবিটি ভয় দেখানোর চেয়ে পরিবারের ভেতরের সম্পর্ক ও মানসিক চাপকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে।

বাইরের অজানা বিপদের পাশাপাশি চার চরিত্রের পারস্পরিক সম্পর্কও গল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। ক্ষুধা, ভয়, অনিশ্চয়তা ও দীর্ঘদিনের বন্দিত্ব ধীরে ধীরে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কেও চাপ তৈরি করে।

সন্তানদের সামনে শক্ত থাকার চেষ্টা করতে গিয়ে মা-বাবাকে নিজেদের ভয় ও উদ্বেগ লুকিয়ে রাখতে হয়। ফলে বাড়িটি একসময় শুধু বাইরের বিপদ থেকে নিরাপদ আশ্রয় থাকে না, বরং চারজন মানুষের জন্য মানসিক বন্দিশালায় পরিণত হয়।

‘দ্য লাস্ট হাউস’-এর অন্যতম বড় আকর্ষণ গ্রেটা লি। ‘পাস্ট লাইভস’ সিনেমার মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত এই অভিনেত্রী ছবিতে রাইলি চরিত্রে অভিনয় করেছেন। রাইলি একজন মা, যাকে সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক সামলাতে এবং নিজের ভয় নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।

চরিত্রটিতে বড় কোনো অ্যাকশন দৃশ্যের চেয়ে মুখের অভিব্যক্তি, নীরবতা ও আতঙ্ক প্রকাশের বিষয়টিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

অন্যদিকে ব্রাজিলিয়ান অভিনেতা ওয়াগনার মৌরা অভিনয় করেছেন জেসন চরিত্রে। ‘নার্কোস’-এ পাবলো এসকোবার চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক দর্শকের কাছে পরিচিতি পাওয়া এই অভিনেতা এখানে এমন এক বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যিনি শুরুতে পরিস্থিতির ব্যাখ্যা খুঁজতে চান। কিন্তু সময় যত গড়ায়, বাস্তবতার সঙ্গে তাঁর লড়াই তত কঠিন হয়ে ওঠে।

সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন লুই লেতেরিয়ের। বড় বাজেটের অ্যাকশন ও ফ্যান্টাসি সিনেমা পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘দ্য ইনক্রেডিবল হাল্ক’, ‘নাউ ইউ সি মি’ ও ‘ফাস্ট এক্স’।

তবে ‘দ্য লাস্ট হাউস’-এ তিনি বড় অ্যাকশন সেটের পরিবর্তে প্রায় পুরো গল্পকে একটি বাড়ির মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখেছেন। সীমিত পরিসরের মধ্যেই রহস্য, আতঙ্ক ও পারিবারিক টানাপোড়েন তৈরি করার চেষ্টা করেছেন পরিচালক।

বিশ্বজুড়ে দর্শকের কাছ থেকে ভালো সাড়া পেলেও সমালোচকদের একটি বড় অংশ সিনেমাটির চিত্রনাট্য নিয়ে হতাশ। সিনেমাবিষয়ক সাইট ডিসাইডার ছবিটিকে দুর্বল সায়েন্স ফিকশন থ্রিলার হিসেবে মূল্যায়ন করেছে। তাদের মতে, শক্তিশালী অভিনয়শিল্পীদের ব্যবহার করেও সিনেমাটি চরিত্রগুলোর যথেষ্ট বিকাশ ঘটাতে পারেনি।

রহস্যময় ঘটনাগুলোর ব্যাখ্যা এবং গল্পের শেষ অংশ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কয়েকজন সমালোচকের মতে, প্রথম দিকে যে রহস্য ও উত্তেজনা তৈরি করা হয়, দ্বিতীয়ার্ধে গিয়ে তার অনেকটাই হারিয়ে যায়। শুরুতে তৈরি হওয়া প্রশ্নগুলোর উত্তরও শেষ পর্যন্ত দর্শকের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।

তারপরও নেটফ্লিক্সে মুক্তির পর দর্শকদের বিপুল আগ্রহ প্রমাণ করছে, রহস্য, বন্দিত্ব ও পারিবারিক টানাপোড়েনের এই মিশ্রণ দর্শকদের কৌতূহল তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।

কালের আলো/এসএ

সন্ধ্যার মধ্যে ৬ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩৬ অপরাহ্ণ
সন্ধ্যার মধ্যে ৬ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ৬ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানায় আবহাওয়া অধিদফতর।

আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চল সমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

এসময় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আরএমপি কমিশনারের নির্দেশনায় কিশোর গ্যাংয়ের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
আরএমপি কমিশনারের নির্দেশনায় কিশোর গ্যাংয়ের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

রাজশাহী মহানগর পুলিশের কমিশনারের নির্দেশনায় কিশোর গ্যাংয়ের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে বোয়ালিশা থানা পুলিশ।  রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানা এলাকায় এক অনার্স পড়ুয়া ছাত্রীকে যৌন হয়রানি, ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে কিশোর গ্যাংয়ের ওই তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ঘটনার ভিডিওটি রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবিরের নজরে আসার পর তাঁর নির্দেশনায় এক ঘণ্টার মধ্যে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—বোয়ালিয়া থানার কালুমিস্ত্রির মোড় এলাকার মো. জিয়াদের ছেলে মো. রিয়াজন (২০), মো. বাবুর ছেলে মো. বান্টি হাসান (১৮) ও মো. এনামুল হকের ছেলে মো. তাসিন লাবিব (১৯)। পুলিশ জানায়, পূর্ববিরোধের জেরে অভিযুক্তরা ওই ছাত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিলেন।

গত ২ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কালুমিস্ত্রির মোড় এলাকায় ওই ছাত্রীর ভাড়া বাসার সামনে গিয়ে তাঁকে যৌন হয়রানি, অশালীন কথাবার্তা ও অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় তাঁকে রাজশাহীতে পড়াশোনা ও অবস্থান করতে না দেওয়ারও হুমকি দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় ১৪ আগস্ট বোয়ালিয়া থানায় মামলা হওয়ার পর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে অভিযান চালিয়ে কালুমিস্ত্রির মোড় এলাকা থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কিশোর গ্যাং, ইভটিজিং, যৌন হয়রানি, ভয়ভীতি ও হুমকিসহ যেকোনো অপরাধের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে রাজশাহী মহানগর পুলিশ।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

সরকারি কর্মকর্তা সেজে চাকরির নামে প্রতারণা, বাবলু কাজী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:২৬ অপরাহ্ণ
সরকারি কর্মকর্তা সেজে চাকরির নামে প্রতারণা, বাবলু কাজী গ্রেপ্তার

সরকারি কর্মকর্তার সিল ও স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া নিয়োগপত্র, যোগদানপত্র ও প্রজ্ঞাপন তৈরি করে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে প্রতারক চক্রের মূলহোতাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওয়ারী বিভাগ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. বাবলু কাজী (৬০)। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর পল্লবী থানাধীন মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

শনিবার (১৫ আগস্ট) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) নিয়াজ মেহেদী জানান, বাবলু কাজী ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা পরিচয়ে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন। তারা উপসচিবের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া নিয়োগপত্র, যোগদানপত্র ও প্রজ্ঞাপন তৈরি করে চাকরিপ্রার্থীদের দিতেন।

পুলিশ জানায়, গত ২৫ জুন থেকে ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে ফরিদপুরের নগরকান্দা এলাকার মো. সবুজ সরকারের কাছ থেকে সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১৩ লাখ টাকা নেয় চক্রটি। এ ঘটনায় অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তে নেমে বাবলু কাজীর সংশ্লিষ্টতা শনাক্ত করে ডিবি।

গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে বাংলাদেশ সরকারের সিলযুক্ত ও জাল স্বাক্ষর করা ভুয়া নিয়োগ আদেশ, যোগদানপত্র, প্রজ্ঞাপন এবং নকল হাজিরা খাতা উদ্ধার করা হয়েছে।

ডিবি জানায়, চক্রটি সরকারি অফিসে সাধারণ মানুষের আনাগোনাকে কাজে লাগিয়ে প্রতারণা করত। চক্রের একজন নিজেকে উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এবং অন্যরা তার গাড়িচালক বা অফিস সহকারী হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সরকারি অফিসে চলাফেরা করত। এতে চাকরিপ্রার্থীদের কাছে তারা নিজেদের সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলত।

কোনো পরীক্ষা ছাড়াই সরকারি চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হতো। এমনকি চাকরিতে যোগদানের পর টাকা পরিশোধের সুযোগ দেওয়ার কথাও বলা হতো। ভুক্তভোগীদের বিশ্বাস অর্জনের পর তাদের হাতে ভুয়া নিয়োগপত্র ও প্রজ্ঞাপন তুলে দেওয়া এবং নকল হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করানো হতো।

প্রতারণাকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করতে চাকরিতে যোগদানের পর প্রথম এক-দুই মাস নিজেদের পকেট থেকে কিছু টাকা ‘বেতন’ হিসেবেও দেওয়া হতো। পরে বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে যোগাযোগ বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যেত চক্রের সদস্যরা।

এ ঘটনায় রাজধানীর পল্লবী থানায় একটি নিয়মিত মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার বাবলু কাজীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি