খুঁজুন
                               
, ,
           

বসুন্ধরায় অভিনেত্রী রিধিকা রিধির মরদেহ উদ্ধার

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩৫ অপরাহ্ণ
বসুন্ধরায় অভিনেত্রী রিধিকা রিধির মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে অভিনেত্রী রিধিকা রিধির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ছয়টার দিকে সিলিং ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়। পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এটি আত্মহত্যার ঘটনা হতে পারে।

ওসি মাজহারুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে রিধিকার মরদেহ পায়। এ সময় তাঁর মা ও পরিবারের সদস্যরা থানায় ছিলেন।

পরিবারের সদস্যদের দেওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, একজনের সঙ্গে রিধিকার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। আজ ভোরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে ভিডিও কলে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ভিডিও কলে থাকা অবস্থাতেই রিধিকা আত্মহত্যা করেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশকে জানানো হয়েছে।

এ ঘটনায় পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে আইনগত প্রক্রিয়া ও তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।

কালের আলো/এসএ

৩০০ উইকেটের আনন্দ ম্লান হ্যাজলউডের,চোখ এখন দলের ঘুরে দাঁড়ানোর দিকে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২০ অপরাহ্ণ
৩০০ উইকেটের আনন্দ ম্লান হ্যাজলউডের,চোখ এখন দলের ঘুরে দাঁড়ানোর দিকে

জশ হ্যাজলউডের জন্য দিনটি হওয়ার কথা ছিল বিশেষ। অস্ট্রেলিয়ার নবম বোলার হিসেবে টেস্টে ৩০০ উইকেটের মাইলফলক ছুঁয়েছেন তিনি। এর সঙ্গে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে নিয়েছেন ৬ উইকেট। কিন্তু ব্যক্তিগত এমন সাফল্যও মন খুলে উদ্‌যাপন করতে পারছেন না অস্ট্রেলিয়ার এই পেসার। কারণ ডারউইন টেস্টে তাঁর দল এখনো বেশ চাপে।

তৃতীয় দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৬১ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের ৪২৬ রানের চেয়ে এখনো ৬৭ রানে পিছিয়ে তারা। হাতে নেই কোনো স্বীকৃত ব্যাটসম্যানের জায়গা ছাড়া মাত্র চার উইকেট।

হ্যাজলউডও তাই ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে দলের অবস্থানকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত সাফল্য আনন্দের হলেও এই মুহূর্তে দলের পরিস্থিতি ও ম্যাচের প্রেক্ষাপটই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে ৫৩ ওভারে ১৯৮ রানে অস্ট্রেলিয়াকে অলআউট করেছিল বাংলাদেশ। এরপর নিজেদের প্রথম ইনিংসে ১৩৮ ওভার ব্যাট করে ৪২৬ রান করে স্বাগতিকেরা। দীর্ঘ সময় ফিল্ডিং করার কারণে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের ওপরও চাপ তৈরি হয়।

হ্যাজলউড জানান, ডারউইনের উইকেটে নতুন বল হাতে পেসারদের জন্য শুরুর সময়টাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

তাঁর ভাষায়, শুরুর ৮ থেকে ১০ ওভারে বোলারদের সুযোগ কাজে লাগাতে হয়। এরপর বল পুরোনো ও নরম হয়ে গেলে বোলিং করা কঠিন হয়ে পড়ে।

বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার বোলিং নিয়ে কিছুটা আফসোসও আছে তাঁর। হ্যাজলউড মনে করেন, আরও বেশি চাপ তৈরি করতে পারলে বাংলাদেশের রান তোলার গতি কমানো যেত।

তৃতীয় দিনের শেষে অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংসে ১৬১ রান তুলেছে ৪ উইকেটে। হ্যাজলউডের মতে, উইকেট এখনো ব্যাটিংয়ের জন্য যথেষ্ট ভালো। ফলে বাংলাদেশের মতো অস্ট্রেলিয়ার বোলারদেরও ব্যাটসম্যানদের ভুল করতে বাধ্য করার কৌশল নিতে হবে।

হ্যাজলউড বলেন, রান তোলার গতি কমিয়ে ব্যাটারদের ভুল করতে বাধ্য করাই এখন উইকেট পাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায়। পাশাপাশি নতুন বলের সুবিধাও পুরোপুরি কাজে লাগাতে হবে।

এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বোলারদের প্রশংসাও করেছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে শুরুতেই দুটি দ্রুত উইকেট তুলে নেওয়ার পর নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে রান আটকে রেখেছে বাংলাদেশ।

হ্যাজলউডের মতে, বলের শক্ত ভাব কমে গেলে এই উইকেট থেকে খুব বেশি সুবিধা পাওয়া যায় না। তাই বাংলাদেশ যেভাবে নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে রান আটকে সাফল্য পেয়েছে, সেটিই এই উইকেটে এগিয়ে যাওয়ার সঠিক পথ।

অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে এখন দলের আশা মূলত ক্যামেরন গ্রিন ও অ্যালেক্স ক্যারিকে ঘিরে। তৃতীয় দিন শেষে গ্রিন ৪৩ এবং ক্যারি ১৯ রানে অপরাজিত।

হ্যাজলউডের চাওয়া, এই দুজন যেন আগামীকাল যতটা সম্ভব দীর্ঘ সময় ব্যাট করেন এবং অস্ট্রেলিয়াকে লিড এনে দেন।

তবে ডারউইনের উইকেট শেষ দিনে কেমন আচরণ করবে, সেটি নিয়ে নিশ্চিত নন তিনি। কিছু বল অসমান বাউন্স করছে বলে জানিয়েছেন হ্যাজলউড।

তবু ম্যাচ থেকে অস্ট্রেলিয়া জয় পাওয়ার আশা ছাড়েনি। তাঁর পরিকল্পনা পরিষ্কার—আগামীকাল পুরো দিন ব্যাটিং করে লিড নেওয়া, এরপর শেষ দিনে বাংলাদেশের ১০ উইকেট তুলে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা।

অর্থাৎ ৩০০তম উইকেটের মাইলফলক ছোঁয়ার দিনেও হ্যাজলউডের চোখ ব্যক্তিগত রেকর্ডে নয়; বরং অসম্ভব কঠিন জায়গা থেকে অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনার দিকে।

কালের আলো/এসএ

প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ
প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: আইনমন্ত্রী

ন্যায়বিচারে মানুষের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা মানবাধিকার নিশ্চিত করারই অংশ বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, প্রত্যেক মানুষের কিছু অবিচ্ছেদ্য, সহজাত ও সর্বজনীন অধিকার রয়েছে। নাগরিকরা যাতে এসব অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

শনিবার (১৫ আগস্ট) গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরে ব্র্যাক-সিডিএমে ‘অ্যাক্সেলারেটিং ডিজিটাল লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পের দুই দিনব্যাপী সমন্বয় সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে ডিজিটাল আইনি সহায়তা কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ লক্ষ্যে নয়টি জেলার ৫৭টি উপজেলা লিগ্যাল এইড কমিটি এবং ৪১৩টি ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটির কার্যক্রম আরও কার্যকর ও সমন্বিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।

আইনমন্ত্রী বলেন, লিগ্যাল এইড কমিটিগুলোকে তৃণমূল পর্যায়ে আইনি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এর মাধ্যমে দরিদ্র, নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও অন্যান্য সুবিধাবঞ্চিত মানুষ সহজে আইনি পরামর্শ ও সহায়তা পাবেন। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আদালতে যাওয়ার আগেই মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগও তৈরি হবে।

তিনি বলেন, ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার শুধু বিরোধ নিষ্পত্তি বা মধ্যস্থতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর মূল লক্ষ্য প্রত্যেক নাগরিকের মানবাধিকার সংরক্ষণ, সুরক্ষা ও নিশ্চিত করা। গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিরও আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার রয়েছে এবং রাষ্ট্রকে সেই অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

বিচারকদের উদ্দেশে আইনমন্ত্রী বলেন, শুধু আইনের কালো অক্ষরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। মামলার বাস্তবতা, সামাজিক প্রেক্ষাপট ও ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য বিবেচনায় নিয়ে আইনের ব্যাখ্যা করতে হবে। বিচারিক কর্মকর্তাদের সর্বোপরি জনগণের সেবা করতে হবে।

দেশে বর্তমানে প্রায় ৪৫ লাখ বিচারাধীন মামলা রয়েছে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে মামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে। এ ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইড, মধ্যস্থতা, ডিজিটাল প্রযুক্তি ও বিচারিক কার্যক্রমের সমন্বিত ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ডিজিটাল প্রযুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে আইনি সহায়তা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি আবেদন গ্রহণ, মামলার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ ও বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ আরও সহজ করা সম্ভব। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের সম্ভাব্য ঝুঁকিও বিবেচনায় নিতে হবে।

সভায় আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ২০২৬ সালের সংশোধনীর আলোকে অনলাইন বিরোধ নিষ্পত্তি বা ওডিআর ব্যবস্থা প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ এবং মধ্যস্থতার সঙ্গে ডিজিটাল আইনি সহায়তা ব্যবস্থার সমন্বয় নিয়েও আলোচনা হয়।

এ ছাড়া লিগ্যাল এইড কর্মকর্তাদের উৎসাহিত করতে দেশের আটটি বিভাগ থেকে একজন করে মোট আটজন ‘সেরা লিগ্যাল এইড অফিসার’ নির্বাচন করে স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান আইনমন্ত্রী। একইভাবে অসাধারণ কর্মসম্পাদনের জন্য সারাদেশের ২০ জন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগের কথাও জানান তিনি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

মার্ভেলের নতুন ‘এক্স-মেন’-এ ‘রোগ’ চরিত্রে ‘অবসেশন’খ্যাত অভিনেত্রী ইন্ডি নাভারেটি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩১ অপরাহ্ণ
মার্ভেলের নতুন ‘এক্স-মেন’-এ ‘রোগ’ চরিত্রে ‘অবসেশন’খ্যাত অভিনেত্রী ইন্ডি নাভারেটি

মার্ভেল স্টুডিওসের বহুল প্রতীক্ষিত ‘এক্স-মেন’ রিবুটে জনপ্রিয় চরিত্র ‘রোগ’ হিসেবে যুক্ত হয়েছেন ‘অবসেশন’খ্যাত অভিনেত্রী ইন্ডি নাভারেটি। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় ডি২৩ ইভেন্টে তাঁর কাস্টিংয়ের খবর আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।

‘এক্স-মেন’ ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রথম দিকের চারটি সিনেমায় রোগ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন আনা পাকুইন। এবার সেই চরিত্রে দেখা যাবে নাভারেটিকে।

নতুন ‘এক্স-মেন’ সিনেমায় অভিনয়ের আগে মার্ভেল স্টুডিওসের প্রধান কেভিন ফাইগের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা জানিয়েছিলেন ইন্ডি নাভারেটি। এর আগে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যায়, অভিনেত্রীর আগ্রহ ছিল ‘মিস্টিক’ চরিত্রে অভিনয়ের প্রতি।

তবে শেষ পর্যন্ত মিস্টিক নয়, রোগ চরিত্রের জন্যই তাঁকে চূড়ান্ত করেছে মার্ভেল।

নাভারেটির পাশাপাশি ডি২৩ ইভেন্টে নতুন সিনেমার আরও বেশ কয়েকজন অভিনয়শিল্পীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে এমা ফ্রস্ট চরিত্রে সামারা উইভিং, জিন গ্রে চরিত্রে স্যাডি সিঙ্ক, সাইক্লপস চরিত্রে কিট কনর, স্টর্ম চরিত্রে মায়া বয়েড, প্রফেসর এক্স চরিত্রে ক্রিস্টোফার অ্যাবট এবং মিস্টার সিনিস্টার চরিত্রে থাকছেন অ্যাডাম ড্রাইভার।

নতুন ‘এক্স-মেন’ সিনেমাটি পরিচালনা করবেন ‘থান্ডারবোল্টস’খ্যাত জেক শ্রেয়ার। ছবিটির চিত্রনাট্য নতুন করে সংস্কারের কাজ করছেন ‘বিফ’-এর লি সাং জিন ও ‘দ্য বেয়ার’-এর জোয়ানা ক্যালো।

এখনো সিনেমাটির বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের জন্য অভিনয়শিল্পী বাছাই চলছে। আগামী দিনগুলোতে আরও কয়েকজন অভিনেতা-অভিনেত্রীর নাম ঘোষণা করা হতে পারে।

মার্ভেল স্টুডিওসের এই নতুন ‘এক্স-মেন’ রিবুটটি ২০২৮ সালের মে মাসে বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

নতুন সিনেমাটির মাধ্যমে মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সে এক্স-মেনদের আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন অধ্যায়ে প্রবেশের পথ তৈরি হবে। ফলে কাস্টিং ঘোষণার পর থেকেই ভক্তদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।

কালের আলো/এসএ