খুঁজুন
                               
, ,
           

নারীদের জন্য ঢাকায় চালু হচ্ছে বিশেষ ‘পিংক বাস’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ
নারীদের জন্য ঢাকায় চালু হচ্ছে বিশেষ ‘পিংক বাস’

নারীদের গণপরিবহনে যাতায়াত আরও নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন করতে রাজধানীতে চালু হচ্ছে বিশেষ ‘মহিলা বাস সার্ভিস’। গোলাপি রঙের এসব বাসে চালক ও কন্ডাক্টর—দুই দায়িত্বেই থাকবেন নারী কর্মীরা।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিআরটিসি ঢাকা ট্রাক ডিপো প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বাস সার্ভিসের উদ্বোধন করা হবে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রুটে ১০টি বাস চলাচল করবে। একইসঙ্গে ঢাকার বাইরে বগুড়ায় দুটি এবং চট্টগ্রামে দুটি বাস এই সেবার আওতায় যুক্ত হবে।

প্রথম দিন উদ্বোধনের পর বিকেলে যাত্রী পাওয়া সাপেক্ষে বাস চলাচল করবে। বুধবার (১৯ আগস্ট) থেকে নির্ধারিত রুটে পুরোদমে ‘মহিলা বাস সার্ভিস’ চালু হওয়ার কথা রয়েছে।

রাজধানীতে নতুন বাজার (কোকাকোলা)-মতিঝিল, তালতলা-মতিঝিল, ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার-জিপিও, মিরপুর-১০-মতিঝিল, মিরপুর-মতিঝিল, মিরপুর-১২-মতিঝিল, মোহাম্মদপুর-মতিঝিল ও আব্দুল্লাহপুর-মতিঝিলসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি রুটে এসব বাস চলাচল করবে। এছাড়া গাজীপুর-বিমানবন্দর রুটেও বিশেষ বাস রাখা হয়েছে।

ঢাকার বাইরে বগুড়ার শেরপুর-মাটিডালি এবং চট্টগ্রামের কালুরঘাট-পতেঙ্গা রুটে নারী চালক ও কন্ডাক্টর পরিচালিত বাস চলবে।

বিআরটিসি বলছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে গণপরিবহনে নারীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য বাড়ানোর পাশাপাশি পরিবহন খাতে নারীদের কর্মসংস্থান ও অংশগ্রহণও বাড়বে। যাত্রীদের চাহিদা ও প্রয়োজন বিবেচনায় ভবিষ্যতে বাসের সংখ্যা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

যুদ্ধের অর্থনৈতিক ক্ষতির কথা বলায় পদ হারিয়েছেন রাশিয়ার শীর্ষ অর্থনীতিবিদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ
যুদ্ধের অর্থনৈতিক ক্ষতির কথা বলায় পদ হারিয়েছেন রাশিয়ার শীর্ষ অর্থনীতিবিদ

ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার অর্থনীতি বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে—এমন সমালোচনামূলক বক্তব্য দেওয়ার পর পদ হারিয়েছেন দেশটির শীর্ষস্থানীয় অর্থনীতিবিদ আন্দ্রে ক্লেপাচ। তিনি রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন ব্যাংক ভিইবির প্রধান অর্থনীতিবিদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

ক্লেপাচের একটি স্পর্শকাতর বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার মাত্র দুই দিনের মধ্যে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসও নিশ্চিত করেছে, ক্লেপাচ এখন আর ভিইবির প্রধান অর্থনীতিবিদ পদে নেই। তবে তাঁকে কেন সরানো হয়েছে, সে বিষয়ে সরকারিভাবে কোনো কারণ জানানো হয়নি।

রুশ সংবাদপত্র ‘দ্য মস্কো টাইমস’ অর্থনীতিবিদদের ফোরাম নিকিৎস্কি ক্লাবে দেওয়া ক্লেপাচের বক্তব্যের কিছু অংশ প্রকাশ করার পরই তাঁর পদচ্যুতির ঘটনা ঘটে।

ওই বক্তব্যে ক্লেপাচ সতর্ক করে বলেন, বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতায় রাশিয়া পিছিয়ে পড়ছে। পশ্চিমা দেশগুলোর আর্থিক সহায়তা পাওয়া ইউক্রেনের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে রাশিয়ার জয় পাওয়া কঠিন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, দেশটি একটি সামাজিক সংকটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

ইউক্রেন যুদ্ধের স্থায়িত্ব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন ক্লেপাচ। তাঁর মতে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের চালানো ‘গ্রেট প্যাট্রিয়টিক ওয়ার’-এর চেয়েও ইউক্রেন যুদ্ধ দীর্ঘ হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে এই যুদ্ধ শেষ হওয়ার স্পষ্ট কোনো লক্ষণও তিনি দেখতে পাচ্ছেন না।

রাশিয়ার অর্থনীতির ওপর যুদ্ধের বিভিন্ন প্রভাবও তুলে ধরেন এই অর্থনীতিবিদ। তাঁর মতে, ইউক্রেনের হামলায় রুশ অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এবং দেশের অভ্যন্তরে উচ্চ সুদের হার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করছে।

বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়ার বিভিন্ন অবকাঠামো ও স্থাপনায় ইউক্রেনের বিমান হামলা বেড়েছে। এসব হামলার অন্যতম উদ্দেশ্য রুশ জনগণ ও ব্যবসায়ী মহলকে যুদ্ধের অর্থনৈতিক ও বাস্তব ক্ষতি সম্পর্কে আরও সচেতন করা এবং সরকারের ওপর যুদ্ধ বন্ধের জন্য চাপ তৈরির পরিস্থিতি সৃষ্টি করা—এমন ধারণাও রয়েছে।

ক্লেপাচের আকস্মিক অপসারণ রাশিয়ায় যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলার ঝুঁকিও সামনে এনেছে। একই সঙ্গে এটি দেখিয়ে দিয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে সরকারের নীতির সমালোচনা করা রাশিয়ার কর্মকর্তাদের জন্য কতটা স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে।

কালের আলো/এসএ

দুই ইস্যুতে ভারতের অবস্থান জানতে চায় বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ
দুই ইস্যুতে ভারতের অবস্থান জানতে চায় বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে আলোচনা চললেও এখনো সফরের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ।

ঢাকা ও দিল্লির সরকারি সূত্রের বরাতে জানা গেছে, দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠনকে গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার বিষয়ে দিল্লির অবস্থান কী—তা স্পষ্টভাবে জানতে চায় ঢাকা।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানিয়েছেন, ভারতীয় পক্ষের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ। ভারতের জবাব পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফরের সময়সূচি ও পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ভারতে যাবেন না—এমন কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। বরং শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ এবং বাংলাদেশে আলোচিত একটি হত্যা মামলার অভিযুক্ত ব্যক্তির প্রত্যর্পণসহ দুটি বিষয়ে ভারতের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এসব বিষয়ে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করার পরই প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে পরবর্তী আলোচনা এগিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে এখন দিল্লির আনুষ্ঠানিক জবাবের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে ঢাকা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

ওমানে বোমা হামলার হুমকি ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ
ওমানে বোমা হামলার হুমকি ট্রাম্পের

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টায় ওমান ‘বাধা হয়ে দাঁড়ালে’ দেশটিতে ব্যাপক বোমা হামলার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পারস্য উপসাগরের মিত্র দেশটিকে এর আগেও একই ধরনের হুমকি দিয়েছিলেন তিনি।

সোমবার (১৭ আগস্ট) ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধ বন্ধের পথে ওমান বাধা সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্ধে ‘ব্যাপক বোমা হামলা’ চালানো হবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করে। প্রায় ছয় মাস ধরে চলা এই সংঘাত শেষ করতে ট্রাম্প প্রশাসন নানা উদ্যোগের কথা বললেও এখন পর্যন্ত যুদ্ধ বন্ধে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা যায়নি। ট্রাম্প অবশ্য বারবার দ্রুত যুদ্ধ শেষ করা এবং একটি স্থায়ী শান্তিচুক্তির সম্ভাবনার কথা বলে আসছেন।

চলমান সংঘাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে হরমুজ প্রণালি। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহপথ হিসেবে পরিচিত এই জলপথ দিয়ে যুদ্ধের আগে সমুদ্রপথে পরিবাহিত বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ যেত। যুদ্ধ শুরুর পর ইরান প্রণালিটির চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিলে জ্বালানি পরিবহন ব্যাপকভাবে কমে যায়।

হরমুজ প্রণালির উত্তরে ইরান এবং দক্ষিণে ওমানের অবস্থান। প্রণালিটির ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। সম্প্রতি ইরান জানিয়েছে, হরমুজ ব্যবস্থাপনা নিয়ে ওমানের সঙ্গে একটি চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

ওমানকে এর আগেও হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। গত মে মাসে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে তিনি অনানুষ্ঠানিকভাবে বলেছিলেন, ‘সঠিক আচরণ’ না করলে ওমানকে ‘উড়িয়ে দেওয়া’ হবে।

এদিকে গত শুক্রবার এক বক্তৃতায় ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড’ ঘোষণা করার হুমকি দেন। তাঁর এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ইরান। পাল্টা হুমকি দিয়ে তেহরান বলেছে, হরমুজ দখলের চেষ্টা করা হলে ট্রাম্পের ‘পা ভেঙে দেওয়া’ হবে।

কালের আলো/এসএ