খুঁজুন
                               
, ,
           

নরওয়েকে কখনো হারাতে পারেনি ব্রাজিল 

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ
নরওয়েকে কখনো হারাতে পারেনি ব্রাজিল 

গ্রুপ পর্ব ও রাউন্ড-৩২ পেরিয়ে ব্রাজিলের সামনে এবার কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠার মিশন। তবে এ লক্ষ্যে সেলেসাওদের সামনে এবার অপেক্ষা করছে এমন এক প্রতিপক্ষ, যাদের বিপক্ষে ফুটবলের ইতিহাসে কখনো কোনো জয়ের রেকর্ড নেই তাদের। শেষ আটে যেতে হলে ব্রাজিলকে এবার ভাঙতে হবে দীর্ঘ ৩৬ বছরের এক গেরো।

রোববার শেষ ষোলোর লড়াইয়ে নরওয়ের মুখোমুখি হবে কার্লো আনচেলত্তির। আজ আইভরি কোস্টকে ২–১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে নরওয়ে।

ফুটবল ইতিহাসে নরওয়ে একমাত্র দেশ, যারা একাধিক ম্যাচ খেলেও ব্রাজিলের বিপক্ষে পরাজয়ের স্বাদ পায়নি। ১৯৮৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ৪ ম্যাচে মুখোমুখি হয়ে প্রতিবার অপরাজিত থেকেই মাঠ ছেড়েছে নরওয়ে। এর মধ্যে তারা জিতেছে দুইটি আর ড্র হয়েছে বাকি দুই ম্যাচ।

১৯৮৮ প্রথমবার ফিফা প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয় ব্রাজিল ও নরওয়ে। সেবার ১-১ গোলে ড্র হয় তাদের লড়াই। পরে ১৯৯৭ সালে আরেকটি প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিলের মুখোমুখি হয়ে ৪-২ গোলের অবিস্মরণীয় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে নরওয়ে।

দুটি প্রীতি ম্যাচের পর ১৯৯৮ বিশ্বকাপে প্রথমবার প্রতিযোগিতামূলক লড়াইয়ে দেখা যায় ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচ। যেখানে বেবেতোর গোলে ব্রাজিল লিড নিলেও তরে আন্দ্রে ফ্লো ও জেতিল রেকডালের গোলে ম্যাচ জিতে নেয় নরওয়ে।

চলতি বিশ্বকাপের আগে সেবারই সবশেষ বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পেয়েছিল নরওয়ে। প্রায় ২৮ বছর পর আবার ব্রাজিলের মুখোমুখি হচ্ছে নরওয়ে। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে দুই দল মুখোমুখি হয়েছিল গ্রুপ পর্বে। আর এবার নকআউটের লড়াইয়ে খেলবে তারা।

১৯৯৮ বিশ্বকাপের পর আবার ২০০৬ সালে প্রীতি ম্যাচে মাঠে ব্রাজিল ও নরওয়ে। দানিয়েল কারভালহো ও মর্তেন পেডারসেন একটি করে গোল করলে ১-১ গোলে ড্র হয় সেই ম্যাচ। প্রায় ২০ বছর পর এবার বিশ্বকাপের মঞ্চে মাঠে নামার অপেক্ষায় দুই দল।

চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত চার ম্যাচ খেলে ৩টি জিতেছে নরওয়ে। ইরাক ও সেনেগালকে হারিয়ে শেষ ৩২ নিশ্চিত করার পর ফ্রান্সের সামনে পাত্তাই পায়নি তারা। তবে নকআউট পর্বে প্রথম ম্যাচ আইভরি কোস্টকে হারিয়েই শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছেন মার্টিন ওডেগার্ড, আর্লিং হলান্ডরা।

অন্য দিকে মরক্কোর বিপক্ষে ড্র দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করলেও স্কটল্যান্ড-হাইতির বিপক্ষে জিততে কোনো সমস্যা হয়নি ব্রাজিলের। পরে রাউন্ড অব ৩২-র ম্যাচে জাপানের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তের গোলে দারুণ জয়েই পরের রাউন্ডের টিকিট পায় কার্লো আনচেলত্তির দল।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি 

তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান

তুরস্কে পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে শনিবার (২৫ জুলাই) দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সফরকালে সেনাবাহিনী প্রধান তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসার গুলের, তুর্কি জেনারেল সেলচুক বায়রাকতারোগলু, তুর্কি ল্যান্ড ফোর্সের কমান্ডার জেনারেল মেটিন টোকেল এবং ইস্তাম্বুল নেভাল শিপইয়ার্ডের পরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল রেসেপ এরডিনক ইয়েটকিন-এর সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেন।

এছাড়াও তিনি তুরস্কের ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি এজেন্সির প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করেন। তার্কিশ ল্যান্ড ফোর্সের সদরদপ্তর পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধানকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সামরিক প্রশিক্ষণ, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ মতবিনিময় হয়।

উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে পেশাগত সম্পর্ক, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সফরের অংশ হিসেবে সেনাবাহিনী প্রধান তুরস্কের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন প্রতিরক্ষা শিল্প ও সামরিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে তিনি এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যবস্থা, গবেষণা ও উন্নয়ন, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবনী কার্যক্রম, প্রতিরক্ষা উৎপাদন সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হন।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রসমূহ নিয়েও আলোচনা করেন।

সেনাবাহিনী প্রধানের এ সফর বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা শিল্প, সামরিক প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ এবং সক্ষমতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সফরকালে তুরস্কে সেনাবাহিনী প্রধান সেদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম রাষ্ট্রপতি মুস্তাফা কামাল আতাতুর্কের সমাধিসৌধ আনিতকাবির-এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ছাত্র ইউনিয়ন থেকে মেঘমল্লার বসুর পদত্যাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ
ছাত্র ইউনিয়ন থেকে মেঘমল্লার বসুর পদত্যাগ

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু পদত্যাগ করেছেন। একই সঙ্গে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মাঈন আহমেদের পদত্যাগপত্রও গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া একই প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি নাজিফা জান্নাতকে ছাত্র ইউনিয়নের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শিমুল কুম্ভকারের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদ সম্প্রতি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় তারা ছাত্র ইউনিয়নের দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন।

একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের নীতিনির্ধারণী দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈততা বা স্বার্থের সংঘাত (কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট) তৈরি হতে পারে, যা উভয় সংগঠনের কার্যক্রম ও দায়বদ্ধতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে তারা পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন।

ছাত্র ইউনিয়ন জানায়, তাদের পদত্যাগের কারণ ও বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান পর্যালোচনা করে কেন্দ্রীয় কমিটি পদত্যাগপত্র গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই ধরনের সাংগঠনিক বাস্তবতার কারণে কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি নাজিফা জান্নাতকেও সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সংগঠনের আদর্শ, নীতি ও সাংগঠনিক স্বচ্ছতা বজায় রাখার স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ছাত্র ইউনিয়নের সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী, একই সময়ে একাধিক রাজনৈতিক সংগঠনের নীতিনির্ধারণী দায়িত্ব পালন সংগঠনের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

ছাত্র ইউনিয়ন বিদায়ী নেতাদের সাংগঠনিক অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনের সাফল্য কামনা করেছে।

একই সঙ্গে সংগঠনটি জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে শিক্ষার অধিকার, অসাম্প্রদায়িকতা, গণতন্ত্র, সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রাম এবং বৈষম্যহীন সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার যে আদর্শ নিয়ে তারা কাজ করে আসছে, ভবিষ্যতেও সেই লক্ষ্য অর্জনে একই দৃঢ়তা নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি 

উত্তরের ৬ জেলার নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, দিলেন নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ
উত্তরের ৬ জেলার নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, দিলেন নির্দেশনা

সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর ইতোমধ্যে কেটে গেছে পাঁচ মাস। সরকারি কাজে ব্যস্ত থাকায় সংগঠনের দিকে তেমন মনোযোগ দিতে পারেননি বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এবার তিনি মনোযোগ দিয়েছেন সাংগঠনিক কাজে। ধারাবাহিকভাবে বসছেন বিভিন্ন অঞ্চলের নেতাদের সঙ্গে।

ধারাবাহিক বৈঠকের অংশ হিসেবে এবার রংপুর বিভাগের মাঠ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় গুলশানে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, এটা  একটি ধারাবাহিক বৈঠক। তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী রাখতেই এই মতবিনিময় সভা করছেন দলের চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান। তিনি তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনের খোঁজ-খবর নিচ্ছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দিচ্ছেন।

বৈঠকে রংপুর মহানগর, রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট জেলার নেতারা অংশ নেন। দলের প্রধান তারেক রহমান তাদের কথা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

বৈঠকে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুদু, সহ-সাংগঠনিক সস্পাদক আবদুল খালেক উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ২০ জুলাই  দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় জেলার তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে এমন বৈঠক করেছিলেন তারেক রহমান।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি