খুঁজুন
                               
, ,
           

মানুষের বদলে এআই এনে ফোর্ডের শত কোটি ডলার লোকসান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
মানুষের বদলে এআই এনে ফোর্ডের শত কোটি ডলার লোকসান

প্রযুক্তির উৎকর্ষের এই যুগে যখন বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-এর জয়গান চলছে, ঠিক তখনই ভিন্ন এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছে মার্কিন গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফোর্ড মোটর কোম্পানি।

উৎপাদন ও গুণগত মান নিয়ন্ত্রণে মানুষের পরিবর্তে ব্যাপকভাবে এআই ব্যবহারের ফলে প্রতিষ্ঠানটি বিপুল আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে গত তিন বছরে ৩৫০-এরও বেশি অভিজ্ঞ ও প্রবীণ প্রকৌশলীকে পুনরায় নিয়োগ দিয়েছে ফোর্ড।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট এবং মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

ফোর্ড কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছে, জটিল প্রকৌশলগত সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে মানুষের সূক্ষ্ম বিচারবুদ্ধি ও দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার বিকল্প এখনো এআই হতে পারে না।

পুনর্নিয়োগ পাওয়া এসব অভিজ্ঞ প্রকৌশলীকে অভ্যন্তরীণভাবে ‘গ্রে বিয়ার্ডস’ নামে অভিহিত করা হচ্ছে। তারা মূলত উৎপাদনের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছানোর আগেই যন্ত্রাংশ ও নকশাগত ত্রুটি শনাক্ত করছেন। পাশাপাশি, ফোর্ডের বর্তমান এআই সিস্টেম উন্নত করতে এবং সঠিক তথ্য দিয়ে প্রশিক্ষণ দিতেও সহায়তা করছেন।

ফোর্ডের চিফ অপারেটিং অফিসার কুমার গালহোত্রা বলেন, ‘গুণগত মান বজায় রাখতে আমরা অতিরিক্তভাবে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে ফেলেছিলাম, যার ফলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায়নি। তাই আমরা আবার কারিগরি বিশেষজ্ঞদের ফিরিয়ে এনেছি।’

ফোর্ডের ভেহিকল হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট চার্লস পুন বলেন, ‘এআই একটি শক্তিশালী হাতিয়ার, তবে এটি ততটাই কার্যকর যতটা ভালো ডেটা দিয়ে এটিকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। আমরা ভেবেছিলাম শুধু এআই ব্যবহার করলেই উচ্চমানের পণ্য তৈরি সম্ভব হবে, কিন্তু বাস্তবে অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাকে আমরা যথেষ্ট গুরুত্ব দিইনি।’

অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের পুনরায় যুক্ত করার পর ফোর্ডের গুণগত মানে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। ‘জে.ডি. পাওয়ার ইনিশিয়াল কোয়ালিটি সার্ভে’ অনুযায়ী, ফোর্ড এবার মূলধারার গাড়ি নির্মাতাদের মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে—যা গত ১৬ বছরের মধ্যে প্রথম।

তবে কোম্পানির পুরোনো কিছু মডেলে এখনো মানগত সমস্যা রয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি গাড়ি রিকল (বাজার থেকে ফেরত নেওয়া) করা নির্মাতাদের তালিকায় ফোর্ড এখনো শীর্ষে রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহীরা মনে করছেন, এর পেছনে অতীতে অতিরিক্ত অটোমেশন নির্ভর সিদ্ধান্তই দায়ী।

এই ঘটনা প্রযুক্তি বিশ্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অনেক প্রতিষ্ঠানই এখন বুঝতে পারছে, সব ক্ষেত্রে এআই-এর ওপর পূর্ণ নির্ভরতা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। ফোর্ডের এই কৌশলগত পরিবর্তন দেখাচ্ছে—আধুনিক প্রযুক্তির যুগেও মানুষের সৃজনশীলতা ও দীর্ঘ অভিজ্ঞতা শিল্পের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ফোর্ড জানিয়েছে, তারা এআই-এর ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করছে না। বরং অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের তত্ত্বাবধানে সমন্বিতভাবে প্রযুক্তিটি আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৩:০৮ পূর্বাহ্ণ
অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনা

টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠল আর্জেন্টিনা। পিছিয়ে পড়েও ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে শিরোপার লড়াইয়ে তারা।

ইংল্যান্ডের কাছে গোল হজমের পর একাধিক সুযোগ নষ্ট হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত গোল শোধ দিলো আর্জেন্টিনা। ৮৫ মিনিটে এনজো করেন সমতা ফেরানো গোল। তারপর ইনজুরি টাইমে লাউতারো মার্টিনেজ গোল করলেন। ৯২ মিনিটে ২-১ গোলে এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা।

৬৪ মিনিটে লিয়ান্দ্রো পারেদেসের বদলি নেমেই ম্যাচে ছাপ রাখেন গঞ্জালেজ। পরের মিনিটে ডান দিক থেকে আসা একটি লম্বা বল হেড করেছিলেন। কিন্তু ইংল্যান্ড বিপদমুক্ত করে।

৬৯ মিনিটে ডানদিক থেকে মেসির ক্রসে দারুণ এক হেড করেছিলেন গঞ্জালেজ। কিন্তু পিকফোর্ড নিচু ডাইভে অবিশ্বাস্য সেভে আর্জেন্টিনাকে হতাশ করেন।

৭২ মিনিটে আর্জেন্টিনা তিনটি পরিবর্তন আনে। সিমিওনে,  মলিনা ও লিসান্দ্রো মার্টিনেজকে উঠিয়ে দে পল, মোন্তিয়েল ও ওতামেন্দিকে নামান স্কালোনি।

চার মিনিট পর দে পলের বাড়ানো ক্রসে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের হেড গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে। পরের মিনিটে গঞ্জালেজের হেড গোলবারের পাশ দিয়ে যায়। লাইন্সম্যান ততক্ষণে অফসাইডের পতাকা ওড়ান।

৮৪ মিনিটে এনজোর শট গোলপোস্টের ওপর দিয়ে মাঠের বাইরে পাঠান পিকফোর্ড। পরের মিনিটে কর্নার থেকে মেসির বাড়ানো বলে ২৫ গজ দূর থেকে শট নেন তিনি। বল পিকফোর্ডের নাগালের বাইরে দিয়ে জালে জড়ায়।

কালের আলো/এম/এএইচ

২-১ গোলে এগিয়ে গেলো আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৩:০২ পূর্বাহ্ণ
২-১ গোলে এগিয়ে গেলো আর্জেন্টিনা

অবশেষে দ্বিতীয়ার্ধে গোলের দেখা মিলেছে। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিতে ৫৫ মিনিটে গোল করে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। গোলটি করেন অ্যান্থনি গর্ডন। তবে ৮৫ মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজের গোলে সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা। গোলটিতে অ্যাসিস্ট করেছেন মেসি। তার পর ৯০+২ মিনিটে লাউতারো মার্টিনেজের গোলে স্কোর ২-১ করেছে আর্জেন্টিনা।

দলীয় আক্রমণের মাধ্যমে যার সূচনা করেন হ্যারি কেইন। মাঝমাঠে নেমে মরগান রজার্সকে বল বাড়ানোর চেষ্টা করলেও দুর্দান্ত অ্যাক্রোবেটিক ক্লিয়ারেন্সে তা প্রতিহত করেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। তবে বিপদ কাটাতে পারেনি আর্জেন্টিনা। ফিরতি বল কুড়িয়ে নিয়ে ডেকলান রাইস সেটি বাড়ান রজার্সের কাছে। ইংলিশ উইঙ্গারের নিখুঁত ক্রসে বক্সে দারুণভাবে জায়গা করে নেন অ্যান্থনি গর্ডন। এরপর এক ছোঁয়ায় এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে পরাস্ত করে বল জড়িয়ে দেন জালে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আর্জেন্টিনা একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোল করেছে ইংল্যান্ডই।

প্রথমার্ধ গোলশূন্যতে শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোলের খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। ৪৭ মিনিটে গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের লম্বা ক্লিয়ারেন্স থেকে দুর্দান্তভাবে বল নামিয়ে দেন জুলিয়ানো সিমিওনে। সেখান থেকে বল পেয়ে ডিজেড স্পেন্সকে কাটিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন হুলিয়ান আলভারেজ।

তার জোরালো শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন ইংল্যান্ড গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড। তবে বিপদ তখনও কাটেনি। ফিরতি বল আবারও পেয়ে যান আলভারেজ। কিন্তু তার দ্বিতীয় প্রচেষ্টা ইংল্যান্ডের এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা পায় থ্রি লায়ন্স।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ইংল্যান্ডকে গোল শোধ দিলো আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ২:৫৬ পূর্বাহ্ণ
ইংল্যান্ডকে গোল শোধ দিলো আর্জেন্টিনা

স্রেফ মারামারির একটি খেলা প্রত্যক্ষ করছে ফুটবল সমর্থকরা। যে ম্যাচে প্রথমার্ধে কোনো গোল হলো না। তবে দ্বিতীয়ার্দের ১০ মিনিট যেতে না যেতেই আর্জেন্টিনার জালে বল প্রবশে করালো ইংল্যান্ড। ডানপ্রান্ত থেকে মরগ্যান রজার্সের দারুণ একটি ক্রস বাম কোন দিয়ে আলতো টোকায় আর্জেন্টিনার জালে জড়ান অ্যান্থোনি গর্ডন।

বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে প্রত্যাশিতভাবেই জমে উঠেছে ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনার মহারণ। তবে গোলের দেখা মেলেনি প্রথম ৪৫ মিনিটে। আটলান্টার মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়ামে গোলশূন্য প্রথমার্ধে দুই দলই একে অপরকে চাপে রাখলেও শেষ পর্যন্ত রক্ষণভাগের দৃঢ়তা ভাঙতে পারেনি কেউ।

বরং প্রথমার্ধজুড়ে আলোচনায় ছিল একের পর এক শক্ত ট্যাকল, উত্তেজনা, হলুদ কার্ড এবং লিওনেল মেসিকে ঘিরে ইংল্যান্ডের কড়া মার্কিং।

খেলা শুরুর পর থেকেই দুই দল শারীরিক লড়াইয়ে নেমে পড়ে। মাত্র দ্বিতীয় মিনিটেই জুদ বেলিংহ্যামকে ট্যাকল করে ফাউল করেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস। এরপর মেসি, বেলিংহ্যাম, অ্যান্ডারসন ও এনজো ফার্নান্দেজকে ঘিরে মাঝমাঠে কয়েকবার উত্তেজনা তৈরি হয়।

 

প্রথম ১০ মিনিটেই আর্জেন্টিনা চারটি ফাউল করে, যা চলতি বিশ্বকাপে কোনো দলের প্রথম ১০ মিনিটে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ফাউলের রেকর্ড।

প্রথমার্ধের বড় একটি সময় দুই দলই একে অপরকে আটকে রাখে মাঝমাঠে। ২০ মিনিট পেরিয়ে গেলেও কোনো দলই উল্লেখযোগ্য শট নিতে পারেনি।

 

ইংল্যান্ড কিছুটা বেশি সংগঠিত ফুটবল খেললেও হ্যারি কেইন কার্যত ম্যাচের বাইরে ছিলেন। প্রথম ২৮ মিনিটে ইংলিশ অধিনায়কের বল স্পর্শের সংখ্যা ছিল মাত্র চারটি, যা মাঠের সব খেলোয়াড়ের মধ্যে সবচেয়ে কম।

ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার এলিয়ট অ্যান্ডারসন পুরো প্রথমার্ধে মেসিকে ছায়ার মতো অনুসরণ করেন। কয়েকবার বল কেড়ে নেওয়ার পাশাপাশি শক্ত ট্যাকলও করেন তিনি।

৩৭ মিনিটে মেসি ড্রিবল করে কয়েকজনকে কাটিয়ে এগোতেই অ্যান্ডারসনের করা ট্যাকলে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। সঙ্গে সঙ্গে দুই দলের খেলোয়াড়রা রেফারিকে ঘিরে ধরেন। কিছুক্ষণ উত্তেজনা চললেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন রেফারি ইসমাইল এলফাথ। এই ফাউলের জন্য ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন অ্যান্ডারসন।

৩২ মিনিটে জুদ বেলিংহ্যামের দুর্দান্ত দৌড়ে পাওয়া ফ্রি-কিক থেকে ইংল্যান্ড প্রায় এগিয়েই গিয়েছিল। ডেকলান রাইসের দারুণ ভাসানো বলে জন স্টোনস লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে পরাস্ত করে হেড করেন। তবে বল জালের পাশ ঘেঁষে বাইরে চলে যায়।

অন্যদিকে ৩৯ মিনিটে আর্জেন্টিনার সেরা সুযোগ আসে মেসির বুদ্ধিদীপ্ত ফ্রি-কিক থেকে। ছোট পাসে খেলা শুরু করে পারেদেসের কাছ থেকে বল ফেরত পান মেসি। তার শট হ্যারি কেইনের গায়ে লেগে ফিরে আসে এনজো ফার্নান্দেজের কাছে। দূরপাল্লার জোরালো শটে গোলের খুব কাছাকাছি পৌঁছে যান তিনি, কিন্তু বল অল্পের জন্য পোস্টের ওপর দিয়ে বাইরে চলে যায়।

৪২ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে উঠতে থাকা মর্গান রজার্সকে টেনে থামিয়ে দেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। এতে ম্যাচে আর্জেন্টিনার প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে হলুদ কার্ড দেখেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই ডিফেন্ডার।

প্রথমার্ধে গোল না হলেও উত্তেজনার কোনো কমতি ছিল না। দুই দলই রক্ষণে ছিল দারুণ শৃঙ্খলাবদ্ধ, তবে আক্রমণে শেষ মুহূর্তের ধারালো স্পর্শের অভাব ছিল স্পষ্ট। রেফারি তিন মিনিট অতিরিক্ত সময় যোগ করলেও সেই সময়েও গোলের দেখা মেলেনি। ফলে বিরতিতে গোলশূন্য সমতায় মাঠ ছাড়ে দুই বিশ্বশক্তি।

এখন দ্বিতীয়ার্ধে একটি গোলই বদলে দিতে পারে ম্যাচের ভাগ্য, আর বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে যেতে পারে যে কোনো দল।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি