খুঁজুন
                               
, ,
           

টানা বৃষ্টি আর কতদিন?

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
টানা বৃষ্টি আর কতদিন?

গত তিন দিন ধরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হালকা থেকে ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য তিন জেলাসহ কয়েকটি জেলায় টানা ভারি বৃষ্টি এবং নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালেও ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহসহ দেশের অধিকাংশ জেলায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের সবশেষ বার্তা অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বেশিরভাগ জায়গায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ আরও বেড়েছে। এ সময়ে চট্টগ্রামের আমবাগান স্টেশনে সব থেকে বেশি বৃষ্টিপাত ৩২৯ মিলিমিটার রেকর্ড করা হয়েছে

এছাড়া কুতুবদিয়ায় ৩০০ মিলিমিটার, চট্টগ্রামে ২৪৯ মিলিমিটার, বান্দরবানে ২৩৫ মিলিমিটার, রাঙামাটিতে ১৩০ মিলিমিটার, তেতুঁলিয়ায় ১২২ মিলিমিটার, গোপালগঞ্জে ১৪২ মিলিমিটার, কক্সবাজারে ১২৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ভারি বৃষ্টি হতে পারে। ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত এখনও বহাল রাখা হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস বলছে, বাংলাদেশের ওপর এখনো মৌসুমি বায়ু সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে এটি প্রবল অবস্থায় রয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে আরও অন্তত দুইদিন টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

সবশেষ আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবারেও ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রামসহ দেশের অন্তত ছয়টি বিভাগে অতি ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পরবর্তী পাঁচ দিনের বর্ধিত আবহাওয়া পূর্বাভাসে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

ব্যাংক খাতে নির্ভরতা বেড়েছে সরকারের

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ
ব্যাংক খাতে নির্ভরতা বেড়েছে সরকারের

রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি এবং অভ্যন্তরীণ আয় কমে যাওয়ায় পরিচালনা ব্যয় মেটাতে ব্যাংক খাতের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে সরকারের। এক বছরের ব্যবধানে বেসরকারি খাতে ঋণ বেড়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৭৫৩ কোটি টাকা। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও অনিশ্চয়তার কারণে দেশের প্রধান রপ্তানি খাত, বিশেষ করে তৈরি পোশাক ও চামড়াশিল্পের চাহিদা বহির্বিশ্বে কমে গেছে।

জানা যায়, বেসরকারি খাতে যেখানে প্রয়োজনীয় পুঁজির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, সেখানে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের অর্থ তুলে নেওয়ার হার আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে। গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকার ব্যাংক খাত থেকে মোট ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। এই অঙ্ক কেবল বিশালই নয়, বরং অর্থ বছরের শুরুতে সরকারের লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও প্রায় ৩০ হাজার ৫৭১ কোটি টাকা বেশি।

এমনকি গত এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার হার বেড়েছে প্রায় ৭৭ শতাংশ। এই তথ্য উঠে এসেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে। বিশ্লেষণ বলছে, রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের স্থবিরতা এবং অন্য খাত থেকে কাঙ্ক্ষিত অর্থ সংগ্রহ করতে না পারার কারণে সরকারকে তার দৈনন্দিন ও পরিচালন ব্যয় মেটাতে বাধ্য হয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছে যেতে হচ্ছে।

নতুন অর্থবছরেও সরকারের ব্যাংক নির্ভরতার চিত্রে কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়নি। বরং চলতি অর্থবছরের প্রথম ১৩ দিনের মধ্যেই সরকার ব্যাংক খাত থেকে অতিরিক্ত ৯ হাজার ২০৯ কোটি টাকা তুলে নিয়েছে। শুরুতেই এত পরিমাণ ঋণ নেওয়ার প্রবণতা নির্দেশ করে, সরকারের ট্রেজারি ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি প্রকট আকার ধারণ করেছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর সরকারের নির্ভরতা হুট করে বাড়েনি। দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে বেশ কিছু সংকট তৈরি হওয়ার কারণেই সরকার ব্যাংক খাত থেকে অতিরিক্ত ঋণ নিতে বাধ্য হচ্ছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

নেত্রকোনায় আগুন নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করেছে বিজিবি

নেএকোনা প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ণ
নেত্রকোনায় আগুন নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করেছে বিজিবি

নেত্রকোনার বড় বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয়টি দোকান ও একটি বসতবাড়ি পুড়ে গেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি উদ্ধার ও নিরাপত্তা কার্যক্রমে সহযোগিতা করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

শনিবার (৮ আগস্ট) বিজিবি সদর দপ্তর থেকে জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন

শুক্রবার রাতে দিকে নেত্রকোনা সদর উপজেলার বড় বাজারের খাসিমহল এলাকায় মজুমদার ইলেকট্রনিক্সসহ আশপাশের কয়েকটি দোকানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

বিজিবি জানায়, আগুন লাগার খবর পেয়ে নেত্রকোনা ব্যাটালিয়ন (৩১ বিজিবি) অধিনায়ক তাৎক্ষণিকভাবে এক প্লাটুন বিজিবি সদস্যকে ঘটনাস্থলে পাঠান।

পরে বিজিবি, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রাত ২টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

অগ্নিকাণ্ডের সময় বিজিবি সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তার পাশাপাশি আশপাশের দোকান, স্থাপনা ও মালামালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন এবং উদ্ধার কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন।

আগুনে মজুমদার ইলেকট্রনিক্স, সুচিত্রা খেলনা ঘরসহ মোট ছয়টি দোকান ও একটি বসতবাড়ি পুড়ে গেছে। তবে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের কোনও তথ্য জানানো হয়নি।

বর্তমানে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে: আইনমন্ত্রী

ঝিনাইদহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ণ
ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে: আইনমন্ত্রী

সকল সেক্টরের সকল সিন্ডিকেট ভেঙে প্রান্তিক কৃষক যাতে লাভবান হয় আমরা সেদিকে এগিয়ে যাব বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, বাজারগুলোতে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে কৃষকদের জিম্মি করে ফেলেছে। আমরা এই সিন্ডিকেট ভাঙতে কাজ করছি।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকূপায় পাট ও পেঁয়াজের পাইকারি হাট ও আড়ত পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রয়োগ করা হবে। ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মজুতদারির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। সুতরাং যারা মজুতদারি করবেন তারা ভেবেচিন্তে করবেন।’

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কৃষক ঘাম ঝরিয়ে ফসল ফলিয়ে ন্যায্য দাম পান না। বাজারে আসার পরে কৃষকরা সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েন। এক মণ পাট বা পেঁয়াজে অতিরিক্ত ২ কেজি করে তোলা দিতে হতো। এরপরে আবার বাজারের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও হিজড়ারা কৃষকের কাছ থেকে তোলা নেয়। ফলে দেখা গেছে, এক মণে কৃষক দিচ্ছে ৪৫ কেজি। এটা অন্যায্য।’

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘বাজারের এই সিন্ডিকেট আমরা ভেঙে দেব। এরই মধ্যে সকল হাট ও বাজারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিয়ম লঙ্ঘন করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

আইনমন্ত্রীর বাজার পরিদর্শনকালে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজসহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ