খুঁজুন
                               
, ,
           

বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৭ জরুরি নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৭ জরুরি নির্দেশনা

দেশের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং দুর্গত এলাকায় জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে সাতটি জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

শনিবার (১১ জুলাই) অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে দেশের সব বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক, সিভিল সার্জন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের এই নির্দেশনা পাঠানো হয়।

এতে বলা হয়, সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে একটি জরুরী ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ যুক্ত ছিলেন।

এছাড়াও সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন), অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন), পরিচালক (প্রশাসন), সকল বিভাগীয় পরিচালক, সকল জেলার সিভিল সার্জন উপস্থিত ছিলেন।

সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচাল অনুমোদনক্রমে ৭টি সিদ্ধান্তসমূহ গৃহীত হয়। এগুলো বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

সিদ্ধান্ত সমুহ

বন্যা আক্রান্ত সকল উপজেলা, জেলা এবং বিভাগীয় পর্যায়ে ফোকাল পারসন মনোয়ন প্রদান করতে হবে।

ফোকাল পারসন কন্ট্রোল রুম এবং অধিদপ্তরের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয় রক্ষা করবেন। প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও সমন্বয়ের জন্য ফোকাল পারসনের মোবাইল নম্বর সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও ব্যক্তিদের সরবরাহ করতে হবে।

বন্যা দুর্গত জনগোষ্ঠীর জরুরী স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সদস্যদের সমন্বয়ে বন্যা আক্রান্ত সকল উপজেলা ও জেলায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক মেডিকেল টিম গঠন করতে হবে।

বন্যা দুর্গতদের জরুরী স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের লক্ষ্যে গৃহীত সকল কার্যক্রম সম্পর্কে ফোকাল পারসন নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং, প্রেস নোট প্রদানের মাধ্যমে গণমাধ্যমকে অবহিত করবেন। রোববার (১২ জুলাই) তারিখে বন্যা দুর্গতদের স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের লক্ষ্যে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করণের জন্য জরুরী প্রেস ব্রিফিং আয়োজন করতে হবে।

বন্যা আক্রান্ত সকল উপজেলায় জরুরী স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতের জন্য সকল প্রকার জরুরি ঔষধ, ওআরএস/স্যালাইন এবং পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট এর পর্যাপ্ত মজুদ ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

বন্যা আক্রান্ত সকল উপজেলায় সাপের কামড়ে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা প্রদানের জন্য পর্যাপ্ত অ্যান্টি-স্নেক ভেনম মজুদ রাখতে হবে। প্রয়োজনে পার্শ্ববর্তী স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান থেকে সমন্বয়ের মাধ্যমে সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

বন্যা আক্রান্ত সকল উপজেলায় গর্ভবতী মহিলা ও শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। প্রযোজনীয় ক্ষেত্রে সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রসূতিকে হাসপাতালে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সাথে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করতে হবে।

বন্যা আক্রান্ত সকল উপজেলা এবং জেলায় নিরবচ্ছিন্ন স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের জন্য সকল স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক, নার্স, মিডওয়াইফ এবং অন্যান্য সকল কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে ছুটি বাতিলসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

আইসিবিএস বিলিং সফটওয়্যারে কমবে ভুতুড়ে বিল, বাড়বে স্বচ্ছতা : বিআরইবি সদস্য শফিকুর রহমান

মোঃ শামসুল আলম খান:
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫৬ অপরাহ্ণ
আইসিবিএস বিলিং সফটওয়্যারে কমবে ভুতুড়ে বিল, বাড়বে স্বচ্ছতা : বিআরইবি সদস্য শফিকুর রহমান

বিদ্যুৎ বিলিং ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, নির্ভুল ও স্বচ্ছ করতে সারাদেশে ধাপে ধাপে চালু হচ্ছে ইন্টিগ্রেটেড কনজ্যুমার বিলিং সিস্টেম (আইসিবিএস)। এই সফটওয়্যার পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে ভুতুড়ে বিলের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে এবং গ্রাহকসেবার মান আরও উন্নত হবে বলে জানিয়েছেন আরপিসিএলের পরিচালক ও বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সদস্য (বিতরণ ও পরিচালন) মোঃ শফিকুর রহমান।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে ময়মনসিংহের ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ আয়োজিত ‘আইসিবিএস বিলিং সফটওয়্যার বাস্তবায়ন বিষয়ক’ দুই দিনব্যাপী ওরিয়েন্টেশন ও প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ শফিকুর রহমান আরও বলেন, আইসিবিএস বিলিং সফটওয়্যার সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক একটি আধুনিক বিলিং ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল প্রণয়ন, তথ্য সংরক্ষণ, বিল সংশোধন ও সেবাপ্রদান প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও নির্ভুল হবে। একই সঙ্গে বিল সংক্রান্ত যেকোনো অসঙ্গতি দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, “ভুতুড়ে বিল নিয়ে বিভিন্ন সময় নানা অভিযোগ উঠে আসে। আইসিবিএস চালু হলে এ ধরনের সমস্যার পরিমাণ অনেকাংশে কমে যাবে। সফটওয়্যারে প্রতিটি কার্যক্রমের ডিজিটাল রেকর্ড সংরক্ষিত থাকবে। ফলে কোথায়, কীভাবে এবং কার মাধ্যমে ভুল হয়েছে, তা সহজেই শনাক্ত করা যাবে। এতে যেমন জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে, তেমনি গ্রাহকদের অপ্রয়োজনীয় হয়রানিও কমে আসবে। আমরা কখনোই গ্রাহককে হয়রানি করতে চাই না। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে দ্রুত, স্বচ্ছ ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা।”

তিনি আরও জানান, ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ হলো দেশের ৩৮তম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, যেখানে আইসিবিএস সফটওয়্যার বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি রয়েছে এবং প্রতি মাসে গড়ে চারটি সমিতিতে আইসিবিএস চালু করা হচ্ছে। এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে আগামী বছরের জুলাই মাসের মধ্যে দেশের সব পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি আইসিবিএসের আওতায় চলে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নতুন প্রযুক্তি বাস্তবায়নে দক্ষ জনবল তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “যেকোনো প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। সে কারণেই প্রতিটি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা দক্ষতার সঙ্গে আইসিবিএস পরিচালনা করতে পারেন এবং গ্রাহকদের আরও উন্নত সেবা দিতে সক্ষম হন।”

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩-এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মোঃ গোলাম মোস্তফা। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে আইসিবিএস একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এই সফটওয়্যার চালুর মাধ্যমে বিলিং ব্যবস্থা আরও আধুনিক, দ্রুত, নির্ভুল ও স্বচ্ছ হবে। পাশাপাশি গ্রাহকসেবার মান বৃদ্ধি, সেবা প্রদানের সময় কমানো এবং প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের প্রশিক্ষণ ভবিষ্যতে সেবার গুণগত মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩-এর এজিএম (প্রশাসন) সদর দপ্তরের শাইখ মাহমুদ। অনুষ্ঠানে আইসিবিএস সফটওয়্যারের বিভিন্ন কার্যক্রম, প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে ভিডিও উপস্থাপনা করেন প্রকল্প ব্যবস্থাপক মাহফুজুল আলম। তিনি সফটওয়্যারের বিভিন্ন সুবিধা তুলে ধরে অংশগ্রহণকারীদের বাস্তবভিত্তিক ধারণা প্রদান করেন।

দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে আইসিবিএস বিলিং সফটওয়্যারের ব্যবহার, গ্রাহক তথ্য ব্যবস্থাপনা, বিল প্রস্তুত ও সংশোধন, অভিযোগ নিষ্পত্তি, অনলাইন সেবা প্রদান, তথ্য নিরাপত্তা এবং সফটওয়্যার পরিচালনার বিভিন্ন বিষয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণে বাস্তব অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রশ্নোত্তর পর্ব এবং ব্যবহারিক অনুশীলনেরও আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩-এর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, প্রকৌশলী, কারিগরি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

হামের উপসর্গে গেত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা) দেশে আরও তিনজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৭৮৬ জন।

শনিবার (১১ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে সারাদেশে ৬৬০ জন এবং নিশ্চিত হামে ৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৫৩ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৯৩ হাজার ৪৯১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৮৯ হাজার ৭৬২ জন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বাবার ‘রক্তের’ প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি মোজতবা খামেনির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
বাবার ‘রক্তের’ প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি মোজতবা খামেনির

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা ও বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যার চূড়ান্ত প্রতিশোধ নেওয়ার দৃঢ় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। তিনি স্পষ্ট করে জানান, এই প্রতিশোধ নেওয়া শুধু তার পরিবারের সিদ্ধান্ত নয়, বরং এটি সমগ্র ইরানি জাতির ইচ্ছা ও দাবি।

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফনের পর প্রথমবারের মতো দেওয়া লিখিত বিবৃতিতে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। শনিবার (১১ জুলাই) দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বিবৃতিটি প্রচার করা হয়।

বিবৃতিতে খামেনি বলেন, ‘আমরা সেই অপরাধী ও কলঙ্কিত হত্যাকারীদের কাছ থেকে শহীদ নেতা (আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি) এবং দুটি যুদ্ধের সকল শহীদের ‘নিষ্পাপ রক্তের’ প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করছি। এই প্রতিশোধ ‘অবশ্যই’ এবং ‘অনিবার্যভাবে’ কার্যকর করা হবে।”

এই প্রতিশোধের মিশন কোনো নির্দিষ্ট কর্মকর্তার বেঁচে থাকা বা না থাকার ওপর নির্ভর করে না— উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বেঁচে থাকি বা না থাকি, এই লক্ষ্য অর্জিত হবেই।’

বিবৃতিতে বাবার শেষকৃত্য ও জানাজায় ইরান ও ইরাক জুড়ে কোটি কোটি মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সমাগমের জন্য তাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মোজতবা খামেনি।

তিনি বলেন, ‘ইরান ও ইরাক জুড়ে, বিশেষ করে তেহরান, কোম, নজফ, কারবালা এবং মাশহাদে লক্ষ লক্ষ মানুষের এই অবিশ্বাস্য, শত্রু-বিধ্বংসী ও ঐতিহাসিক সমাবেশের জন্য আমি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।’

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনে মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। একই হামলায় গুরুতর আহত হলেও মোজতবা খামেনি দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

তবে নিরাপত্তাজনিত চরম ঝুঁকির কারণে এবং ইসরায়েলি হামলার আশঙ্কায় ৫৬ বছর বয়সী এই নেতা শুরু থেকেই সম্পূর্ণ আড়ালে রয়েছেন এবং সময়ে সময়ে শুধু লিখিত বিবৃতি দিয়ে আসছেন। এমনকি মাশহাদে ইমাম রেজার মাজারে অনুষ্ঠিত বাবার দাফন ও সপ্তাহব্যাপী শেষকৃত্য অনুষ্ঠানেও তিনি সশরীরে উপস্থিত হতে পারেননি।

সূত্র: রয়টার্স, আলজাজিরা

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ