খুঁজুন
                               
, ,
           

বাবার ‘রক্তের’ প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি মোজতবা খামেনির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
বাবার ‘রক্তের’ প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি মোজতবা খামেনির

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা ও বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যার চূড়ান্ত প্রতিশোধ নেওয়ার দৃঢ় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। তিনি স্পষ্ট করে জানান, এই প্রতিশোধ নেওয়া শুধু তার পরিবারের সিদ্ধান্ত নয়, বরং এটি সমগ্র ইরানি জাতির ইচ্ছা ও দাবি।

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফনের পর প্রথমবারের মতো দেওয়া লিখিত বিবৃতিতে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। শনিবার (১১ জুলাই) দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বিবৃতিটি প্রচার করা হয়।

বিবৃতিতে খামেনি বলেন, ‘আমরা সেই অপরাধী ও কলঙ্কিত হত্যাকারীদের কাছ থেকে শহীদ নেতা (আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি) এবং দুটি যুদ্ধের সকল শহীদের ‘নিষ্পাপ রক্তের’ প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করছি। এই প্রতিশোধ ‘অবশ্যই’ এবং ‘অনিবার্যভাবে’ কার্যকর করা হবে।”

এই প্রতিশোধের মিশন কোনো নির্দিষ্ট কর্মকর্তার বেঁচে থাকা বা না থাকার ওপর নির্ভর করে না— উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বেঁচে থাকি বা না থাকি, এই লক্ষ্য অর্জিত হবেই।’

বিবৃতিতে বাবার শেষকৃত্য ও জানাজায় ইরান ও ইরাক জুড়ে কোটি কোটি মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সমাগমের জন্য তাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মোজতবা খামেনি।

তিনি বলেন, ‘ইরান ও ইরাক জুড়ে, বিশেষ করে তেহরান, কোম, নজফ, কারবালা এবং মাশহাদে লক্ষ লক্ষ মানুষের এই অবিশ্বাস্য, শত্রু-বিধ্বংসী ও ঐতিহাসিক সমাবেশের জন্য আমি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।’

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনে মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। একই হামলায় গুরুতর আহত হলেও মোজতবা খামেনি দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

তবে নিরাপত্তাজনিত চরম ঝুঁকির কারণে এবং ইসরায়েলি হামলার আশঙ্কায় ৫৬ বছর বয়সী এই নেতা শুরু থেকেই সম্পূর্ণ আড়ালে রয়েছেন এবং সময়ে সময়ে শুধু লিখিত বিবৃতি দিয়ে আসছেন। এমনকি মাশহাদে ইমাম রেজার মাজারে অনুষ্ঠিত বাবার দাফন ও সপ্তাহব্যাপী শেষকৃত্য অনুষ্ঠানেও তিনি সশরীরে উপস্থিত হতে পারেননি।

সূত্র: রয়টার্স, আলজাজিরা

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দুইদিনে ডিএমপির ২৮৩৬ মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৮:৫২ অপরাহ্ণ
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দুইদিনে ডিএমপির ২৮৩৬ মামলা

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। বৃহস্পতিবার (৯ জুলােই) ও শুক্রবার (১০ জুলাই) রাজধানীজুড়ে পৃথক এসব অভিযানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে মোট ২ হাজার ৮৩৬টি মামলা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে অভিযানে মোট ৮৩৪টি গাড়ি ডাম্পিং ছাড়াও ৩১৭টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে গত ২ দিনে ৭টি বাস ও ৪টি কাভার্ডভ্যান ছাড়াও ২৭টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ৩৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৪৭টি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ট্রাফিক-রমনা বিভাগ। পাশাপাশি এই সময়ে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে ৬টি বাস ও ১১টি ট্রাক ছাড়াও একটি কাভার্ডভ্যান, ৩৭টি সিএনজি ও ১৪২টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৩৯টি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগ।

এদিকে ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে একই অপরাধে ১৩টি বাস, ২১টি কাভার্ডভ্যান, ৩৩টি সিএনজি ও ১৩৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৫৬টি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। পাশাপাশি ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে গত ২ দিনে ৫৮টি বাস, ৭৭টি ট্রাক, ৭২টি কাভার্ডভ্যান, ১৪৭টি সিএনজি ও ২৭৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৮৫৭টি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

অন্যদিকে গত ২ দিনে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে ২২টি বাস, ৬টি ট্রাক, ১৮টি কাভার্ডভ্যান, ৪৭টি সিএনজি ও ১০১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৭৪টি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগ। পাশাপাশি এই সময়ে ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগ কর্তৃক ৩৬টি বাস, ৯টি ট্রাক, ৩৬টি কাভার্ডভ্যান, ৯৬টি সিএনজি, ২৮১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৫২৭টি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

এছাড়াও গত ২ দিনে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে ২৫টি বাস, ১০টি ট্রাক, ৫টি কাভার্ডভ্যান, ৬৩টি সিএনজি ও ৯২টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৯৯টি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগ। পাশাপাশি এই সময়ে ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ২১টি বাস, ৩টি ট্রাক, ১৭টি কাভার্ডভ্যান, ৫২টি সিএনজি ও ৬৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৩৭টি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

রাজধানীর ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফেরাতে ভবিষ্যতেও এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।

কালের আলো/এসএকে

আইসিবিএস বিলিং সফটওয়্যারে কমবে ভুতুড়ে বিল, বাড়বে স্বচ্ছতা : বিআরইবি সদস্য শফিকুর রহমান

মোঃ শামসুল আলম খান:
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫৬ অপরাহ্ণ
আইসিবিএস বিলিং সফটওয়্যারে কমবে ভুতুড়ে বিল, বাড়বে স্বচ্ছতা : বিআরইবি সদস্য শফিকুর রহমান

বিদ্যুৎ বিলিং ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, নির্ভুল ও স্বচ্ছ করতে সারাদেশে ধাপে ধাপে চালু হচ্ছে ইন্টিগ্রেটেড কনজ্যুমার বিলিং সিস্টেম (আইসিবিএস)। এই সফটওয়্যার পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে ভুতুড়ে বিলের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে এবং গ্রাহকসেবার মান আরও উন্নত হবে বলে জানিয়েছেন আরপিসিএলের পরিচালক ও বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সদস্য (বিতরণ ও পরিচালন) মোঃ শফিকুর রহমান।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে ময়মনসিংহের ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ আয়োজিত ‘আইসিবিএস বিলিং সফটওয়্যার বাস্তবায়ন বিষয়ক’ দুই দিনব্যাপী ওরিয়েন্টেশন ও প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ শফিকুর রহমান আরও বলেন, আইসিবিএস বিলিং সফটওয়্যার সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক একটি আধুনিক বিলিং ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল প্রণয়ন, তথ্য সংরক্ষণ, বিল সংশোধন ও সেবাপ্রদান প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও নির্ভুল হবে। একই সঙ্গে বিল সংক্রান্ত যেকোনো অসঙ্গতি দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, “ভুতুড়ে বিল নিয়ে বিভিন্ন সময় নানা অভিযোগ উঠে আসে। আইসিবিএস চালু হলে এ ধরনের সমস্যার পরিমাণ অনেকাংশে কমে যাবে। সফটওয়্যারে প্রতিটি কার্যক্রমের ডিজিটাল রেকর্ড সংরক্ষিত থাকবে। ফলে কোথায়, কীভাবে এবং কার মাধ্যমে ভুল হয়েছে, তা সহজেই শনাক্ত করা যাবে। এতে যেমন জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে, তেমনি গ্রাহকদের অপ্রয়োজনীয় হয়রানিও কমে আসবে। আমরা কখনোই গ্রাহককে হয়রানি করতে চাই না। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে দ্রুত, স্বচ্ছ ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা।”

তিনি আরও জানান, ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ হলো দেশের ৩৮তম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, যেখানে আইসিবিএস সফটওয়্যার বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি রয়েছে এবং প্রতি মাসে গড়ে চারটি সমিতিতে আইসিবিএস চালু করা হচ্ছে। এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে আগামী বছরের জুলাই মাসের মধ্যে দেশের সব পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি আইসিবিএসের আওতায় চলে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নতুন প্রযুক্তি বাস্তবায়নে দক্ষ জনবল তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “যেকোনো প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। সে কারণেই প্রতিটি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা দক্ষতার সঙ্গে আইসিবিএস পরিচালনা করতে পারেন এবং গ্রাহকদের আরও উন্নত সেবা দিতে সক্ষম হন।”

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩-এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মোঃ গোলাম মোস্তফা। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে আইসিবিএস একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এই সফটওয়্যার চালুর মাধ্যমে বিলিং ব্যবস্থা আরও আধুনিক, দ্রুত, নির্ভুল ও স্বচ্ছ হবে। পাশাপাশি গ্রাহকসেবার মান বৃদ্ধি, সেবা প্রদানের সময় কমানো এবং প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের প্রশিক্ষণ ভবিষ্যতে সেবার গুণগত মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩-এর এজিএম (প্রশাসন) সদর দপ্তরের শাইখ মাহমুদ। অনুষ্ঠানে আইসিবিএস সফটওয়্যারের বিভিন্ন কার্যক্রম, প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে ভিডিও উপস্থাপনা করেন প্রকল্প ব্যবস্থাপক মাহফুজুল আলম। তিনি সফটওয়্যারের বিভিন্ন সুবিধা তুলে ধরে অংশগ্রহণকারীদের বাস্তবভিত্তিক ধারণা প্রদান করেন।

দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে আইসিবিএস বিলিং সফটওয়্যারের ব্যবহার, গ্রাহক তথ্য ব্যবস্থাপনা, বিল প্রস্তুত ও সংশোধন, অভিযোগ নিষ্পত্তি, অনলাইন সেবা প্রদান, তথ্য নিরাপত্তা এবং সফটওয়্যার পরিচালনার বিভিন্ন বিষয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণে বাস্তব অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রশ্নোত্তর পর্ব এবং ব্যবহারিক অনুশীলনেরও আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩-এর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, প্রকৌশলী, কারিগরি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

হামের উপসর্গে গেত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা) দেশে আরও তিনজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৭৮৬ জন।

শনিবার (১১ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে সারাদেশে ৬৬০ জন এবং নিশ্চিত হামে ৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৫৩ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৯৩ হাজার ৪৯১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৮৯ হাজার ৭৬২ জন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ