খুঁজুন
                               
, ,
           

টানা বৃষ্টির প্রভাব বাজারে : প্রায় সব সবজি ও মাছের দাম বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৩:৪৩ অপরাহ্ণ
টানা বৃষ্টির প্রভাব বাজারে : প্রায় সব সবজি ও মাছের দাম বেড়েছে

গত কয়েকদিন ধরে দেশজুড়েই বৃষ্টি ঝরছে। টানা ভারী বর্ষণ ও বিভিন্ন স্থানে পানি জমে যাওয়ায় ঢাকার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অনেকটা স্থবির। এর প্রভাব পড়েছে বাজারেও। টানা বৃষ্টির কারণে একদিকে বাজারে ক্রেতা উপস্থিতি কম, অন্যদিকে সরবরাহ কমে যাওয়ায় বেশ কিছু সবজি ও মাছের দাম বেড়েছে। বিশেষ করে কাঁচামরিচের দাম একলাফে কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা করে বেড়েছে। এ ছাড়া ডিমের দামেও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। তবে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে মুরগি।

সোমবার (১৩ জুলাই) রাজধানীর মালিবাগ ও রামপুরা কাঁচাবাজার এসব তথ্য জানা যায়। প্রায় সব বাজারেই কিছু দোকানপাট খোলা ছিল, কিছু ছিল বন্ধ।

বিক্রেতারা বলছেন, দেশজুড়ে টানা বৃষ্টির ফলে ফসলের ক্ষেত নষ্ট হয়েছে। ঢাকার সঙ্গে যাতায়াত ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটায় ঢাকায় সবজি সরবরাহ কমেছে। ফলে বাজারে সবজির দাম কিছুটা বেড়েছে। ক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টির অজুহাতে সরবরাহ কমার কথা বলা হলেও বাজারে কোনো সবজির ঘাটতি নেই, তবু বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে।

বাজারে দেখা যায়, কেজি দরে করলা ৬০ থেকে ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পটল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, কচুরমুখী ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বরবটি ৬০ থেকে ৮০ টাকা, বেগুন প্রকারভেদে ৮০ থেকে ১২০ টাকা, কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, হাইব্রিড ধুন্দল ৬০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। টমেটো প্রকারভেদে প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২২০ টাকা, প্রতি পিস ফুলকপি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, বাঁধাকপি ৬০ টাকা এবং লাউ ৬০ থেকে ৮০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

এর বাইরে কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া পেঁপে ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, দেশি শসা ১০০ টাকা এবং হাইব্রিড শসা ৬০ টাকা, আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

এক হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকায়। দেশি ধনে পাতা ২৫০ টাকা এবং হাইব্রিড ধনেপাতা ১৮০ কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, চাল কুমড়া ৫০ থেকে ৬০ টাকা পিস দরে বিক্রি হচ্ছে। আঁটি প্রতি লাল শাক ১৫ থেকে ২০ টাকা, লাউ শাক ৪০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা এবং দুই আঁটি ডাটা শাক ও কলমি শাক ৩০ ও ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের মতোই সোনালি কক মুরগি ৩৩০ থেকে ৩৪০ টাকা এবং সোনালি হাইব্রিড মুরগি ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে এবং খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১৩০০ টাকা কেজি দরে।

স্বস্তি নেই মাছের বাজারেও। বিক্রেতাদের দাবি, সরবরাহ কমে যাওয়ায় গত সপ্তাহের তুলনায় প্রায় সব ধরনের মাছের দাম বেড়েছে। বাজারে সরবরাহ ঘাটতি থাকায় প্রতি কেজিতে মাছের দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বড় তেলাপিয়া ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা, ছোট তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২২০ টাকা, রুই সাইজ ভেদে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাঙাশ ২০০ টাকা, কৈ মাছ ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া অন্যান্য মাছের মধ্যে টেংরা ও শিং ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং পাবদা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। বোয়াল মাছ প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, চিংড়ি আকারভেদে ৮০০ থেকে ১২০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছ কেজি দরে ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা এবং ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছ কেজি দরে ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

গুড়িগুড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে অল্পসংখ্যক ক্রেতা এসেছেন বাজারে। বুলবুল নামের এক ক্রেতা বলেন, বাসায় মাছ-মুরগি নেই। তাই বৃষ্টির মধ্যে বাজারে এসেছি। গত সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগি কিনেছি ১৭০ টাকা কেজিতে কিন্তু আজ ১৯০ টাকা কেজি দরে নিতে হয়েছে। মাছের দামও কেজি প্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা করে বেড়েছে।

মাছ বিক্রেতা মোহাম্মদ আলী বলেন, বৃষ্টির কারণে মাছের সরবরাহ কম। এ কারণে দাম বেড়েছে। গত সপ্তাহের তুলনায় প্রতি কেজি মাছ প্রকারভেদে ৩০ থেকে ৫০ টাকা করে বেশি দামে বিক্রি করছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস আমদানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ণ
ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস আমদানি

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবহারের জন্য বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস শেল আমদানি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় চালানটি বন্দর থেকে খালাস করে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ভারতের নরেন্দ্র এক্সপ্লোসিভ লিমিটেড ১৪৫টি কাঠের বাক্সে করে টিয়ার গ্যাস শেলের চালানটি বাংলাদেশে পাঠায়। চালানটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সিনসিয়ার ইন্টারন্যাশনাল।

খালাস শেষে ঢাকা মেট্রো-ন-১৯-৩৭৫৩ নম্বরের একটি কাভার্ড ভ্যানে করে চালানটি যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়। সেখানে সংরক্ষণের পর আগামী ৯ আগস্ট ঢাকার উদ্দেশে পাঠানোর কথা রয়েছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক রুহুল আমিন বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবহারের জন্য ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস শেল বেনাপোল বন্দরে এসেছে। বন্দরে পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় শুল্ক ও আনুষ্ঠানিকতা দ্রুত সম্পন্ন করে চালানটি খালাস দেওয়া হয়েছে। এটি যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়েছে। আগামী ৯ আগস্ট সেখান থেকে ঢাকায় নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, রোববার চালানটি গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরে বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানায় (বিওএফ) পাঠানো হবে।

চালানটির নিরাপত্তায় বেনাপোল বন্দর থেকে শার্শা পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। পরে শার্শা থেকে যশোর সেনানিবাস পর্যন্ত নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দল।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

বাঁশখালীতে বন্যায় ঘর হারানো ১০০ পরিবারকে ঘর দেবেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ণ
বাঁশখালীতে বন্যায় ঘর হারানো ১০০ পরিবারকে ঘর দেবেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সাম্প্রতিক বন্যায় ঘর হারানো ১০০টি পরিবারকে নতুন ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে সরকার। আগামী রোববার বাঁশখালী সফরে গিয়ে এসব পরিবারের হাতে ঘরের চাবি তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে উপজেলার বাহারছড়া সমুদ্রসৈকত সংলগ্ন এলাকায় প্রস্তুতি চলছে। সেখানে দুটি হেলিপ্যাড নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি মঞ্চ ও প্যান্ডেল নির্মাণসহ অনুষ্ঠানস্থলের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা অনুষ্ঠানস্থল, হেলিপ্যাড, নিরাপত্তা-ব্যবস্থা ও নির্মাণাধীন ঘরগুলো পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক সাংবাদিকদের বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার মধ্যে বাঁশখালী বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে জেলে সম্প্রদায়সহ মাটির ঘরে বসবাসকারী অনেক পরিবারের ঘর সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে। এসব পরিবারকে পুনর্বাসনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নতুন ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, বাঁশখালী পৌরসভা ও উপজেলার নয়টি ইউনিয়ন থেকে ১০০টি পরিবারকে ঘর দেওয়ার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। যেসব পরিবারের ঘর বন্যায় বিধ্বস্ত হয়েছে এবং নতুন করে ঘর নির্মাণের সামর্থ্য নেই, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

প্রতিটি ঘরের দৈর্ঘ্য ১৮ ফুট ও প্রস্থ ১২ ফুট। এতে দুটি কক্ষ থাকবে। এর সঙ্গে পাঁচ ফুট দৈর্ঘ্য ও পাঁচ ফুট প্রস্থের একটি সংযুক্ত শৌচাগার নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ঘর নির্মাণে আরসিসি পিলার, কাঠ ও টিন ব্যবহার করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক বলেন, ঘরের নকশা, প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও নির্মাণ ব্যয়ের হিসাব তৈরি করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। বরাদ্দ পাওয়ার পর দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু হয়। কাজের মান নিশ্চিত করতে ঘরগুলো তদারকির জন্য আলাদা দল গঠন করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় এবং জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ের কর্মকর্তারা নির্মাণকাজ পর্যবেক্ষণ করছেন। জেলা প্রশাসকও কয়েক দিন ধরে নির্মাণাধীন ঘর ও প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করছেন।

জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, শুধু ঘর নির্মাণ করে দেওয়াই লক্ষ্য নয়, উপকারভোগীরা যেন এসব ঘরে দীর্ঘদিন নিরাপদে বসবাস করতে পারেন, সেটিও নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ জন্য প্রতিটি ঘরের নির্মাণকাজ আলাদাভাবে তদারকি করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে স্বামীহারা এক নারীর হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দেবেন। সন্তান নিয়ে বসবাস করা ওই নারীর হাতে চাবি তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে প্রতীকীভাবে ১০০টি পরিবারের কাছে ঘর হস্তান্তর কার্যক্রম শুরু হবে।

এছাড়া সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ১৫ জন প্রতিবন্ধী শিশু ও ব্যক্তিকে আর্থিক সহায়তার চেক দেওয়া হবে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত আরও ২০০ পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর হেলিকপ্টার অবতরণের জন্য বাঁশখালীর একাধিক স্থান পরিদর্শন করা হয়েছিল বলে জানান জেলা প্রশাসক। বিমানবাহিনীর প্রতিনিধিরাও সম্ভাব্য স্থানগুলো পর্যবেক্ষণ করেন। তবে বন্যায় বিভিন্ন সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং প্রয়োজনীয় খোলা জায়গার অভাবে সেসব স্থান উপযুক্ত বিবেচিত হয়নি। পরে বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন এলাকাটি নির্বাচন করা হয়।

সেখানে পাশাপাশি দুটি হেলিপ্যাড নির্মাণ করা হয়েছে। হেলিপ্যাড থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ঘর হস্তান্তরের নির্ধারিত স্থানে নেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের মধ্য দিয়ে বাহারছড়া সমুদ্রসৈকত নতুনভাবে পরিচিতি পাবে বলে তারা আশা করছেন। সৈকতটি দেশ-বিদেশে পরিচিত হলে জেলে সম্প্রদায়-অধ্যুষিত এলাকার মানুষের জীবনযাত্রা ও স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

বাঁশখালীর কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রীর বাবুনগর মাদরাসায় যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে মাদরাসার শিক্ষক ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। এরপর হাটহাজারীতে গিয়ে কবর জিয়ারত এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

হাটহাজারীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩০টি পরিবারকে ঘর নির্মাণের জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মধ্যেও সহায়তা বিতরণ করা হবে। এরপর প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম নগরে দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, মঞ্চ, প্যান্ডেল, হেলিপ্যাড ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ সব প্রস্তুতি শনিবার দুপুরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো কাজ করছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেপ্তার ৪১৪

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ণ
ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেপ্তার ৪১৪

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন অভিযোগে ৪৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ২৭ জন, লালবাগ বিভাগে ২২ জন, ওয়ারী বিভাগে ৪৮ জন, মতিঝিল বিভাগে ৭২ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৪৫ জন, মিরপুর বিভাগে ১১২ জন, গুলশান বিভাগে ৩৫ জন এবং উত্তরা বিভাগে ৫৩ জন রয়েছেন।

অভিযানকালে গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে একটি বিদেশি রিভলবার, তিন রাউন্ড গুলি, ৩০ কেজি ৫৪০ গ্রাম গাঁজা, ১০ হাজার ২৮৭টি ইয়াবা ট্যাবলেট, প্যাথোডিন ইনজেকশন গ্রহণের ১৮টি সিরিঞ্জ, ২৪টি সিরিঞ্জের সুই, ইয়াবা সেবনের আটটি ফয়েল পেপার, দুটি গ্যাস লাইট, দুটি বোতলের কর্ক, চার হাজার ২২ প্যাকেট সিগারেট, ১৩টি মোবাইল ফোন, পাঁচটি নিষিদ্ধ লিফলেট, দুটি কার্ড, একটি পুরাতন বই, একটি খাতা, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের জাল নোট, একটি গাঁজা সেবনের কলকী, একজন ভিকটিম, একটি ট্রাক, একটি প্রাইভেটকার, দুটি সিএনজি এবং ৩০টি চেতনানাশক অ্যান্টিভেন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।

নিয়াজ মেহেদী আরও জানান, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে এসব আসামিকে গ্রেপ্তার এবং আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি