খুঁজুন
                               
, ,
           

আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচ ‘সর্বোচ্চ ঝুঁকির’ সতর্ক এফবিআই

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৪:০০ অপরাহ্ণ
আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচ ‘সর্বোচ্চ ঝুঁকির’ সতর্ক এফবিআই

ফুটবল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই ম্যাচটিকে টুর্নামেন্টের ‘সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই।

ফলে, ম্যাচটিকে ঘিরে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য মিরর-এর তথ্য অনুযায়ী, এফবিআই, ফিফা, স্থানীয় পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠক করে ম্যাচটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন।

তাদের মতে, দুই দেশের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিরোধ ও ফুটবলীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এই উদ্বেগের অন্যতম কারণ ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ (আর্জেন্টিনার ভাষায় মালভিনাস দ্বীপপুঞ্জ) নিয়ে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বিরোধ।

১৯৮২ সালে এই দ্বীপপুঞ্জের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল। যুদ্ধ শেষ হলেও দ্বীপটির মালিকানা নিয়ে দুই দেশের অবস্থান এখনো বিপরীত।

নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে স্টেডিয়ামে দুই দলের সমর্থকদের আলাদা রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে ম্যাচ চলাকালে বা ম্যাচ শেষে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের ফুটবল প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইতিহাসও বেশ সমৃদ্ধ। বিশ্বকাপে এর আগে চারবার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। ১৯৬৬ ও ২০০২ সালে জিতেছিল ইংল্যান্ড এবং ১৯৮৬ ও ১৯৯৮ সালে জয় পেয়েছিল আর্জেন্টিনা।

বিশেষ করে ১৯৮৬ সালের কোয়ার্টার ফাইনাল ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় ম্যাচ। ওই ম্যাচেই কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনা করেছিলেন বিতর্কিত ‘ঈশ্বরের হাত’ দিয়ে গোল এবং পরে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোল হিসেবে স্বীকৃত ‘শতাব্দীর সেরা গোল।’

প্রায় ২১ বছর পর আবার বিশ্বকাপে মুখোমুখি হচ্ছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। এবার ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে থামানো। ৩৯ বছর বয়সী এই মহাতারকার বিপক্ষে বিশ্বকাপে এবারই প্রথম খেলবে ইংলিশরা।

রাজনৈতিক ইতিহাস, তীব্র ফুটবলীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং দুই দেশের বিপুল সমর্থকগোষ্ঠীর উপস্থিতি সব মিলিয়ে এই সেমিফাইনালটি কেবল মাঠের লড়াই নয়, নিরাপত্তার দিক থেকেও এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে স্পর্শকাতর ম্যাচ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

বাঁশখালীতে বন্যায় ঘর হারানো ১০০ পরিবারকে ঘর দেবেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ণ
বাঁশখালীতে বন্যায় ঘর হারানো ১০০ পরিবারকে ঘর দেবেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সাম্প্রতিক বন্যায় ঘর হারানো ১০০টি পরিবারকে নতুন ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে সরকার। আগামী রোববার বাঁশখালী সফরে গিয়ে এসব পরিবারের হাতে ঘরের চাবি তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে উপজেলার বাহারছড়া সমুদ্রসৈকত সংলগ্ন এলাকায় প্রস্তুতি চলছে। সেখানে দুটি হেলিপ্যাড নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি মঞ্চ ও প্যান্ডেল নির্মাণসহ অনুষ্ঠানস্থলের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা অনুষ্ঠানস্থল, হেলিপ্যাড, নিরাপত্তা-ব্যবস্থা ও নির্মাণাধীন ঘরগুলো পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক সাংবাদিকদের বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার মধ্যে বাঁশখালী বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে জেলে সম্প্রদায়সহ মাটির ঘরে বসবাসকারী অনেক পরিবারের ঘর সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে। এসব পরিবারকে পুনর্বাসনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নতুন ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, বাঁশখালী পৌরসভা ও উপজেলার নয়টি ইউনিয়ন থেকে ১০০টি পরিবারকে ঘর দেওয়ার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। যেসব পরিবারের ঘর বন্যায় বিধ্বস্ত হয়েছে এবং নতুন করে ঘর নির্মাণের সামর্থ্য নেই, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

প্রতিটি ঘরের দৈর্ঘ্য ১৮ ফুট ও প্রস্থ ১২ ফুট। এতে দুটি কক্ষ থাকবে। এর সঙ্গে পাঁচ ফুট দৈর্ঘ্য ও পাঁচ ফুট প্রস্থের একটি সংযুক্ত শৌচাগার নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ঘর নির্মাণে আরসিসি পিলার, কাঠ ও টিন ব্যবহার করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক বলেন, ঘরের নকশা, প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও নির্মাণ ব্যয়ের হিসাব তৈরি করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। বরাদ্দ পাওয়ার পর দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু হয়। কাজের মান নিশ্চিত করতে ঘরগুলো তদারকির জন্য আলাদা দল গঠন করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় এবং জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ের কর্মকর্তারা নির্মাণকাজ পর্যবেক্ষণ করছেন। জেলা প্রশাসকও কয়েক দিন ধরে নির্মাণাধীন ঘর ও প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করছেন।

জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, শুধু ঘর নির্মাণ করে দেওয়াই লক্ষ্য নয়, উপকারভোগীরা যেন এসব ঘরে দীর্ঘদিন নিরাপদে বসবাস করতে পারেন, সেটিও নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ জন্য প্রতিটি ঘরের নির্মাণকাজ আলাদাভাবে তদারকি করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে স্বামীহারা এক নারীর হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দেবেন। সন্তান নিয়ে বসবাস করা ওই নারীর হাতে চাবি তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে প্রতীকীভাবে ১০০টি পরিবারের কাছে ঘর হস্তান্তর কার্যক্রম শুরু হবে।

এছাড়া সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ১৫ জন প্রতিবন্ধী শিশু ও ব্যক্তিকে আর্থিক সহায়তার চেক দেওয়া হবে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত আরও ২০০ পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর হেলিকপ্টার অবতরণের জন্য বাঁশখালীর একাধিক স্থান পরিদর্শন করা হয়েছিল বলে জানান জেলা প্রশাসক। বিমানবাহিনীর প্রতিনিধিরাও সম্ভাব্য স্থানগুলো পর্যবেক্ষণ করেন। তবে বন্যায় বিভিন্ন সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং প্রয়োজনীয় খোলা জায়গার অভাবে সেসব স্থান উপযুক্ত বিবেচিত হয়নি। পরে বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন এলাকাটি নির্বাচন করা হয়।

সেখানে পাশাপাশি দুটি হেলিপ্যাড নির্মাণ করা হয়েছে। হেলিপ্যাড থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ঘর হস্তান্তরের নির্ধারিত স্থানে নেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের মধ্য দিয়ে বাহারছড়া সমুদ্রসৈকত নতুনভাবে পরিচিতি পাবে বলে তারা আশা করছেন। সৈকতটি দেশ-বিদেশে পরিচিত হলে জেলে সম্প্রদায়-অধ্যুষিত এলাকার মানুষের জীবনযাত্রা ও স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

বাঁশখালীর কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রীর বাবুনগর মাদরাসায় যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে মাদরাসার শিক্ষক ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। এরপর হাটহাজারীতে গিয়ে কবর জিয়ারত এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

হাটহাজারীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩০টি পরিবারকে ঘর নির্মাণের জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মধ্যেও সহায়তা বিতরণ করা হবে। এরপর প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম নগরে দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, মঞ্চ, প্যান্ডেল, হেলিপ্যাড ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ সব প্রস্তুতি শনিবার দুপুরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো কাজ করছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেপ্তার ৪১৪

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ণ
ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেপ্তার ৪১৪

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন অভিযোগে ৪৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ২৭ জন, লালবাগ বিভাগে ২২ জন, ওয়ারী বিভাগে ৪৮ জন, মতিঝিল বিভাগে ৭২ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৪৫ জন, মিরপুর বিভাগে ১১২ জন, গুলশান বিভাগে ৩৫ জন এবং উত্তরা বিভাগে ৫৩ জন রয়েছেন।

অভিযানকালে গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে একটি বিদেশি রিভলবার, তিন রাউন্ড গুলি, ৩০ কেজি ৫৪০ গ্রাম গাঁজা, ১০ হাজার ২৮৭টি ইয়াবা ট্যাবলেট, প্যাথোডিন ইনজেকশন গ্রহণের ১৮টি সিরিঞ্জ, ২৪টি সিরিঞ্জের সুই, ইয়াবা সেবনের আটটি ফয়েল পেপার, দুটি গ্যাস লাইট, দুটি বোতলের কর্ক, চার হাজার ২২ প্যাকেট সিগারেট, ১৩টি মোবাইল ফোন, পাঁচটি নিষিদ্ধ লিফলেট, দুটি কার্ড, একটি পুরাতন বই, একটি খাতা, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের জাল নোট, একটি গাঁজা সেবনের কলকী, একজন ভিকটিম, একটি ট্রাক, একটি প্রাইভেটকার, দুটি সিএনজি এবং ৩০টি চেতনানাশক অ্যান্টিভেন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।

নিয়াজ মেহেদী আরও জানান, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে এসব আসামিকে গ্রেপ্তার এবং আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

রাজশাহীতে চোর সন্দেহে দুই তরুণকে গাছে বেঁধে নির্যাতন নির্যাতনকারীকে ছুরিকাঘাত

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে চোর সন্দেহে দুই তরুণকে গাছে বেঁধে নির্যাতন  নির্যাতনকারীকে ছুরিকাঘাত

রাজশাহীতে চোর সন্দেহে দুই তরুণকে গাছে বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। নির্যাতনকারীকে ওই সময় ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। পরে দুই তরুণকে পুলিশে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নগরের গৌরহাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে নগরের বোয়ালিয়া থানায় ওই দুই তরুণসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

নির্যাতনের শিকার দুই তরুণ হলেন নগরের বোয়ালিয়া থানার জোলাপাড়া লাইনপাড়া মহল্লার মো. মিজান (২৫) ও ষষ্ঠীতলা এলাকার তন্ময় তেওয়ারী (২৫)। গৌরহাঙ্গা এলাকার মাসুদ স্টিল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের মালিক মাসুদ রানা তাঁদের গাছে বেঁধে পেটান। মাসুদ রানার বাড়ি নগরের সায়েরগাছা এলাকায়।

ছুরিকাঘাতে আহত হয়ে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী শ্যামলী খাতুন বাদী হয়ে শুক্রবার বোয়ালিয়া থানায় মামলা করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাসুদ স্টিল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ থেকে বিভিন্ন লোহার জিনিসপত্র প্রায়ই চুরি হয়। বৃহস্পতিবার রাতে দোকানের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় তিনি তন্ময় তেওয়ারীকে আটক করেন। পরে তন্ময় চুরির ঘটনায় জড়িত হিসেবে মিজানের নাম জানান। পরে মিজানকেও ধরে এনে তন্ময়ের সঙ্গে গাছে বেঁধে নির্যাতন করা হয়।

এ সময় গৌরহাঙ্গা এলাকার মো. আল-আমিন ওরফে রিমন (২২) ও মো. শুভ (২৩) নামের দুই যুবক বাধা দেন। তাঁরা মাসুদ রানার সঙ্গে তর্কবিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে রিমন পকেট থেকে একটি চাকু বের করে মাসুদ রানার পিঠে আঘাত করেন। পরে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে শিরোইল পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে রিমন ও তন্ময়কে আটক করে। এ সময় শুভ ও মিজান পালিয়ে যান। পরে মাসুদ রানাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

দুই তরুণকে নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত মাসুদ রানা নিজেও ছুরিকাঘাতে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় তাঁর সঙ্গে কথা বলা যায়নি।

বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাছুমা মোস্তারি বলেন, ‘নির্যাতনের ঘটনা জানা নেই। ছুরিকাঘাতের অভিযোগে দু’জনকে পুলিশে দিয়ে মামলা করা হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি