খুঁজুন
                               
, ,
           

‘লাভ জিহাদ’ বিতর্কে মুখ খুললেন আমির খান

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৪:৪৩ অপরাহ্ণ
‘লাভ জিহাদ’ বিতর্কে মুখ খুললেন আমির খান

বলিউড সুপারস্টার আমির খান তাঁর সঙ্গী গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করার পর শুরু হওয়া বিতর্ক নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুলেছেন। ৫ জুলাই মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় নিজের বাসভবনে ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ে করেন আমির। এটি ছিল তাঁর তৃতীয় বিয়ে।

বিয়ের পর থেকেই কয়েকজন রাজনীতিক ও বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠনের সদস্য এ নিয়ে সমালোচনা শুরু করেন। কেউ কেউ এ বিয়েকে ‘লাভ জিহাদ’ বলেও আখ্যা দেন। সম্প্রতি মুসলিম পারসোনাল দারুল ইফতার শাহি প্রধান মুফতি মাওলানা ইব্রাহিম হুসাইন এই বিয়ের বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে ফতোয়া জারি করেন। তাঁর দাবি, কোনো মুসলিম পুরুষ অমুসলিম নারীকে বিয়ে করতে পারেন না, যদি না ওই নারী ইসলাম গ্রহণ করেন।

এই বিতর্কের জবাব দিতে গিয়ে আমির খান বলেন, তাঁদের পরিবার সবসময় ধর্মীয় সহনশীলতায় বিশ্বাস করে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তাঁদের পরিবারে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে বিয়ে হয়েছে, কিন্তু কখনোই ধর্ম পরিবর্তনের বিষয়টি সামনে আসেনি।

‘রেডিফ’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ‘লাভ জিহাদ’-এর অভিযোগ প্রসঙ্গে আমির বলেন, “আমাদের পরিবার খুবই উদার এবং সবাইকে আপন করে নেয়। আমার দুই বোনেরই বিয়ে হিন্দু পরিবারে হয়েছে। আমার মেয়েও একজন হিন্দুকে বিয়ে করেছে। আমার চাচাতো ভাই মনসুর একজন খ্রিষ্টান নারীকে বিয়ে করেছে।”

ধর্ম পরিবর্তনের প্রসঙ্গে অভিনেতা আরও বলেন, “গৌরী স্প্র্যাট, কিরণ রাও কিংবা রীনা দত্ত—কেউই তাঁদের ধর্ম পরিবর্তন করেননি। কারণ, আমাদের সব বিয়েই সিভিল ম্যারেজ ছিল। গৌরী হিন্দু নন, তিনি একজন খ্রিষ্টান। তবে তিনি নিয়মিত ধর্মচর্চাকারী খ্রিষ্টানও নন।”

আমির খানের প্রথম বিয়ে হয়েছিল রীনা দত্তর সঙ্গে। ১৯৮৬ সালে শুরু হওয়া সেই সম্পর্কের ইতি ঘটে ২০০২ সালে। এরপর ২০০৫ সালে চলচ্চিত্র নির্মাতা কিরণ রাও-কে বিয়ে করেন তিনি। ২০২১ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়।

সর্বশেষ ৫ জুলাই ৬১ বছর বয়সী আমির খান ৪৭ বছর বয়সী গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করেন। মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় অনুষ্ঠিত এই ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিবারের সদস্য, ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও চলচ্চিত্রজগতের নির্বাচিত অতিথিরা।

প্রায় ১৫০ জন অতিথির উপস্থিতিতে হওয়া এই আয়োজনে ছিলেন আমিরের সন্তান জুনাইদ খান ও ইরা খান, ইরার স্বামী নূপুর শিখারে, শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি, রাজনীতিক রাজ ঠাকরে, নির্মাতা অশুতোষ গোয়ারিকর, রাজকুমার হিরানি, সাবেক ক্রিকেটার ইরফান পাঠান, কৌতুকশিল্পী বীর দাস এবং অভিনেত্রী এলি আভরাম।

জানা গেছে, আমির ও গৌরীর পরিচয় হয়েছিল প্রায় ২৫ বছর আগে। পরে আমিরের চাচাতো বোন নুজহাত খানের মাধ্যমে তাঁদের আবার যোগাযোগ হয়। গত বছরের মার্চে নিজের ৬১তম জন্মদিনের অনুষ্ঠানে আমির প্রথমবারের মতো গৌরীকে গণমাধ্যমের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।

কালের আলো/এসএ

মহানবী (সা.)-এর আদর্শে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
মহানবী (সা.)-এর আদর্শে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহনশীলতা, ভালোবাসা ও মানবিকতার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে হিংসা, বিদ্বেষ, বিভেদ ও অন্যায় পরিহার করে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।

বুধবার (২৬ আগস্ট) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি দেশবাসী ও বিশ্বের সব মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।

মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে তিনি বলেন, মানবজাতির হেদায়েত, কল্যাণ ও মুক্তির জন্য সর্বশেষ নবী ও রাসুল, রহমাতুল্লিল আলামিন হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে পৃথিবীতে প্রেরণ করা হয়েছে। তাঁর প্রতি অগণিত দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক।

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আগমন মানবজাতির ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ ও যুগান্তকারী ঘটনা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও গোষ্ঠী নির্বিশেষে সমগ্র মানবজাতির কল্যাণ ও মুক্তির দূত হিসেবে আবির্ভূত হন। মহানবী (সা.)-এর ওপর মানবজাতির পথপ্রদর্শক ও পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান পবিত্র কোরআন নাজিল হয়। তাঁর মাধ্যমে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার আদর্শে শান্তির ধর্ম ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়।

রাষ্ট্রপতি বলেন, মহানবী (সা.) তাঁর জীবন ও কর্মের মাধ্যমে সত্য, ন্যায়, ক্ষমা, সহমর্মিতা ও মানুষের মর্যাদার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এতিম, দরিদ্র, অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে গেছেন তিনি। নারী, শিশু, প্রতিবেশী ও মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়েও দিয়ে গেছেন সুস্পষ্ট নির্দেশনা। বিদায় হজের ভাষণে মানবিক মর্যাদা, অধিকার, সাম্য, ন্যায় ও পারস্পরিক দায়বদ্ধতার যে শিক্ষা তিনি দিয়েছেন, তা সর্বজনীন ও অনুসরণীয়।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান যুদ্ধ, সংঘাত, হিংসা, বৈষম্য ও অসহিষ্ণুতায় বিপর্যস্ত বিশ্বে মহানবী (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহনশীলতা, ভালোবাসা ও মানবিকতার আদর্শ আরও বেশি প্রাসঙ্গিক। ঈদে মিলাদুন্নবীর এই পবিত্র সময়ে তাঁর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে হিংসা, বিদ্বেষ, বিভেদ ও অন্যায় পরিহার করে শান্তি, সম্প্রীতি, সাম্য ও মানবিকতার ভিত্তিতে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তোলার অঙ্গীকার করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, মহান আল্লাহ যেন সবাইকে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণের তাওফিক দেন। বাংলাদেশ ও বিশ্বের সব মানুষের ওপর আল্লাহর রহমত, বরকত, শান্তি ও কল্যাণ বর্ষিত হোক—এই দোয়া করেন রাষ্ট্রপতি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০২ অপরাহ্ণ
নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত ইউরিস ভ্যান বোমেলের সঙ্গে আলোচনা করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল ১০টায় রাজধানীর ২৯ মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি (পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স) জাওয়াদ আজাউই এবং সিনিয়র পলিটিক্যাল অ্যাডভাইজার লুবাইন চৌধুরী মাসুম।

বৈঠকটি আন্তরিক ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার পরিস্থিতি, বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়।

বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জলবায়ুজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহযোগিতায় নেদারল্যান্ডস সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন।

অন্যদিকে, নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত সংসদে বিরোধী দলের গঠনমূলক ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ ও আলোচনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

সাক্ষাৎ শেষে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতকে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন গ্রাফিতি ঘুরে দেখান।

এ সময় বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এমপি এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সশস্ত্র বাহিনীকে চতুর্মাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা হবে: রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৬ অপরাহ্ণ
সশস্ত্র বাহিনীকে চতুর্মাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা হবে: রাষ্ট্রপতি

সশস্ত্র বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে একটি আধুনিক চতুর্মাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি তার দায়িত্ব পালনকালে বাহিনীর সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর সার্বিক উন্নয়নে সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিন বাহিনীর প্রধানকে আশ্বস্ত করেন।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন তিন বাহিনীর প্রধান। এসময় রাষ্ট্রপতি এই মন্তব্য করেন বলে সন্ধ্যায় বঙ্গভবন প্রেস উইং থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এতে জানানো হয়েছে, দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।

সাক্ষাৎকালে বাহিনী প্রধানগণ রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করায় রাষ্ট্রপতিকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানান।

তারা স্ব স্ব বাহিনীর বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন এবং দায়িত্ব পালনে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে রাষ্ট্রপতির দিক-নির্দেশনা ও সহযোগিতা কামনা করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ