খুঁজুন
                               
, ,
           

চড়া দামে ব্রয়লার-পাঙ্গাস-তেলাপিয়া, চাপে সাধারণ মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ণ
চড়া দামে ব্রয়লার-পাঙ্গাস-তেলাপিয়া, চাপে সাধারণ মানুষ

স্বল্প আয়ের মানুষের প্রোটিনের প্রধান ভরসা ব্রয়লার মুরগি ও পাঙ্গাস মাছের দাম আরো বেড়েছে। রাজধানীর বাজারগুলোতে ব্রয়লার মুরগির কেজি ২০০ টাকা ছাড়িয়েছে। একই সঙ্গে পাঙ্গাস, তেলাপিয়া, কই ও মাগুর মাছের দামও বেড়েছে। ফলে সীমিত আয়ের পরিবারগুলোর খাদ্য ব্যয়ে নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ২০০ থেকে ২১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা কয়েক সপ্তাহ আগের তুলনায় প্রায় ১০ টাকা বেশি। সোনালি মুরগির কেজি ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি প্রায় ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও একই চিত্র। পাঙ্গাস মাছের কেজি ২২০ থেকে ২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, কই মাছ ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর মনিপুরী পাড়ার বাসিন্দা বেসরকারি চাকরিজীবী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গরুর মাংস বা ভালো মাছ কেনার সামর্থ্য নেই। তাই পরিবারের জন্য ব্রয়লার মুরগি আর পাঙ্গাসই কিনতাম। এখন এগুলোর দামও যেভাবে বাড়ছে, তাতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে।’

কারওয়ান বাজারে আসা গৃহিণী সাবিনা বেগম বলেন, ‘সবজির দাম কিছুটা কমলেও মুরগি আর মাছের দাম বেড়ে যাওয়ায় কোনো লাভ হচ্ছে না। পরিবারের পুষ্টির কথা চিন্তা করলে এসব কিনতেই হয়।’

বিক্রেতারা বলছেন, খামার পর্যায়ে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।

কারওয়ান বাজারের মুরগি বিক্রেতা আব্দুল মসিউর রহমান বলেন, ‘গত কয়েক দিনে পাইকারি বাজারেই মুরগির দাম বেড়েছে। বেশি দামে কিনে এনে কম দামে বিক্রি করার সুযোগ নেই। তাই খুচরা বাজারেও দাম বাড়াতে হয়েছে।’

একই বাজারের মাছ বিক্রেতা সুমন মিয়া বলেন, ‘পাঙ্গাস ও তেলাপিয়ার সরবরাহ কিছুটা কমেছে। পাশাপাশি পরিবহন ও খাদ্য খরচ বাড়ার কারণে মাছের দামও বেড়েছে। ক্রেতারা দাম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেও আমাদের কিছুই করার নেই।’

বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রোটিনজাত পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা জরুরি। অন্যথায় ব্রয়লার মুরগি ও কম দামের মাছের ওপর নির্ভরশীল নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ব্যয় আরও বাড়বে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

৭.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো মেক্সিকো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ
৭.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো মেক্সিকো

ভূমিকম্পের পর আতঙ্কে ভবন থেকে বেরিয়ে সড়কে অবস্থান নেন অনেকে

মেক্সিকোর দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে ৭.৩ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। কম্পনটি প্রতিবেশী গুয়াতেমালা ও এল সালভাদরেও অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের পর উপকূলীয় এলাকায় সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, শুক্রবার (১৭ জুলাই) স্থানীয় সময় ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মেক্সিকোর চিয়াপাস অঙ্গরাজ্যের উপকূলের কাছে।

ভূমিকম্পের পর মেক্সিকো ও গুয়াতেমালার প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের কিছু এলাকায় সর্বোচ্চ এক মিটার উচ্চতার ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে বলে সতর্কতা জারি করে। পরে মেক্সিকোর নৌবাহিনী জানায়, সমুদ্রের পানির উচ্চতা সীমিত পরিমাণে বাড়তে পারে এবং উপকূলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের পর আতঙ্কে বহু মানুষ ভবন ছেড়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন।

গুয়াতেমালার কয়েকটি এলাকায় ছোটখাটো ভূমিধসের খবর পাওয়া গেছে এবং কিছু অঞ্চলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে মূল ভূমিকম্পের পর ৫ থেকে ৬ মাত্রার একাধিক আফটারশকও রেকর্ড করা হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

 

সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি : শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ণ
সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি : শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন

জনগণের ভোটে নির্বাচিত বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন।

উল্লেখ্য, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে নতুন মেয়াদের কার্যক্রম শুরু করে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি। সেই ধারাবাহিকতায় সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষ্যে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’-  ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীও তারেক রহমানের ভাষায় আশ্বাস দিয়েছেন দেশবাসীকে: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:২৫ অপরাহ্ণ
‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’-  ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীও তারেক রহমানের ভাষায় আশ্বাস দিয়েছেন দেশবাসীকে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, একজন রাষ্ট্রনায়কের প্রকৃত শক্তি হলো তাঁর সুস্পষ্ট পরিকল্পনায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার গঠনের আগে ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ এর মাধ্যমে জাতির সামনে যে রাষ্ট্র পরিচালনার পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছিলেন, সম্প্রতি ব্রিটেনের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীও তাঁর বক্তব্যের সূচনায় আই হ্যাভ এ প্ল্যান বলে পরিকল্পনাভিত্তিক নেতৃত্বের সাথে মিলিয়ে একই ভাষায় কথা বলেছেন।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ভবনের শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে আপন, ঢাকা’র উদ্যোগে মহাত্মা ভেগাই হালদারের আবির্ভাব ও তিরোধান উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, “একটু আগে দেখলাম ব্রিটেনের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বলেছেন। শুনে মনে হয়েছে, পরিকল্পনাভিত্তিক নেতৃত্বের যে দর্শন তারেক রহমান বাংলাদেশের মানুষের সামনে উপস্থাপন করেছিলেন, সেই একই ভাষায় জনগণের কাছে ভবিষ্যতের রূপরেখা তুলে ধরা হচ্ছে।”

তিনি বলেন, একজন রাষ্ট্রনায়ক যখন জাতির সামনে একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা তুলে ধরেন, তখন জনগণ সেই পরিকল্পনার মধ্যেই দেশের ভবিষ্যৎ দেখতে পায় এবং সেই নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখে। বাংলাদেশের মানুষও তারেক রহমানের ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’-এ ঘোষিত রাষ্ট্রচিন্তা ও কর্মপরিকল্পনার প্রতি বিশ্বাস রেখেই তাঁকে এবং তাঁর দলকে বিপুল সমর্থন দিয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, তারেক রহমানের পরিকল্পনার অন্যতম ভিত্তি হলো ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, জাতিসত্তা ও সংস্কৃতি নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখা।

মাহাত্মা ভেগাই হালদারও অনুরূপ মানবিক মূল্যবোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা প্রচার করে গিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী।

তথ্যমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সকল বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দেশ হিসেবে এগিয়ে যাবে এবং বিভাজনের রাজনীতির কোনো স্থান এখানে হবে না।

তিনি বলেন, যারা একক ধর্ম, একক সংস্কৃতি বা একদলীয় আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, তারা প্রকৃতির নিয়ম, মানবতা ও সভ্যতার বিরোধী।  বাংলাদেশে ধর্ম, বর্ণ, ভাষা ও জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থী ও গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আপন, ঢাকার সভাপতি শচীন্দ্র নাথ হালদার।

কালের আলো/এম/এএইচ