খুঁজুন
                               
, ,
           

হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার, পরিস্থিতি স্বাভাবিক

হবিগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৭:১০ অপরাহ্ণ
হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার, পরিস্থিতি স্বাভাবিক

হবিগঞ্জ পৌর এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় বুধবার জারি করা ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করেছে জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. জি এম সরফরাজ এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করেন।

আদেশে বলা হয়, পৌর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বুধবার (২৯ জুলাই) ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিল। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বশেষ প্রতিবেদনে পৌর এলাকার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

জনশান্তি ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা না থাকায় জনস্বার্থে জারি করা ১৪৪ ধারার আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বুধবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কর্মসূচি এবং বিএনপির পাল্টা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জে দিনভর উত্তেজনা বিরাজ করে।

এ সময় এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের বহর শহরের বাইরে আটকে দেয় পুলিশ।

 

বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, মাহমুদা মিতুসহ কেন্দ্রীয় নেতারা মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেন।

শ্রীমঙ্গলে প্রথমে পুলিশের ব্যারিকেডের মুখে পড়লেও সেটি অতিক্রম করে তারা এগিয়ে যান। পরে বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া ও মিরপুর এলাকায় পুলিশের দ্বিতীয় ব্যারিকেডে তাদের বহর থামিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় সড়কে আড়াআড়িভাবে ট্রাক রেখে প্রবেশপথ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয় পুলিশ।

প্রায় চার ঘণ্টা অপেক্ষার পর পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা বহাল থাকার কারণ দেখিয়ে পুলিশ এনসিপি নেতাদের শহরে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি। এতে পুলিশের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন দলটির নেতারা।

রাত ৮টার দিকে শহরে প্রবেশ করতে না পেরে এনসিপি নেতারা বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে যান। সেখানে আগের দিনের হামলার ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন।

জেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক তন্ময় তাহেরের করা অভিযোগে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমদ রিংগনসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ বলেন, অভিযোগটি হাতে লেখা হওয়ায় যাচাই-বাছাইয়ের জন্য হবিগঞ্জ সদর থানায় পাঠানো হবে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ‘জুলাই পদযাত্রা-২০২৬’ কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে হবিগঞ্জে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে সারজিস আলমসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। ওই ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার এনসিপি কর্মসূচি ঘোষণা করে। একই দিনে জেলা ছাত্রদল ও বিএনপিও পৃথক কর্মসূচি দিলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন সকাল থেকেই হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ইয়েমেনে হুতিদের হামলায় ৫৮ সেনা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৬ পূর্বাহ্ণ
ইয়েমেনে হুতিদের হামলায় ৫৮ সেনা নিহত

ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইয়েমেনে অন্তত ৫৮ সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, গত চার বছরের মধ্যে দেশটিতে এক দিনে এটিই সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার মারিব প্রদেশের আল-রুওয়াইক এবং সৌদি সীমান্তসংলগ্ন হাদ্রামাউত প্রদেশের আল-আবর ও আল-ওয়াদিয়া এলাকার সামরিক ঘাঁটিগুলোতে একযোগে হামলা চালানো হয়। ইয়েমেনের সামরিক কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মারিবের একটি সেনা ক্যাম্পে সকালের সমাবেশ চলাকালে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৪৫ সেনা নিহত হন।

হুতি গোষ্ঠী দাবি করেছে, ‘সৌদি-সমর্থিত সামরিক শক্তি বৃদ্ধি’র জবাব হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে।

গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, সরকারি বাহিনীর সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।

হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে তিনি আল-রুওয়াইক, আল-থানিয়াহ ও আল-আবর এলাকার নাম উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে তা মোকাবিলার জন্য হুতি বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

এদিকে, সংঘাতের প্রভাব সৌদি আরবেও ছড়িয়ে পড়েছে। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় নাজরান এলাকায় হুতিদের হামলায় অন্তত ১১ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে সৌদি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার পাশাপাশি ইয়েমেনের চলমান সংঘাতও নতুন করে তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

পল্লবীতে সন্ত্রাসীর গুলিতে মাদক কারবারি আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ
পল্লবীতে সন্ত্রাসীর গুলিতে মাদক কারবারি আহত

রাজধানীর মিরপুর পল্লবী এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে ‘আলমগীর’ নামে এক চিহ্নিত মাদক কারবারি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

শুক্রবার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে মিরপুরের মিল্লাত ক্যাম্প এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ওসি হাসান বসির বলেন, ‘ঘটনা সঠিক। গুলিতে আলমগীর নামে একজন আহত হয়েছেন। তবে আমরা ঘটনাস্থলে এসে তাকে পাইনি। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেছেন।’

তবে কে বা কারা গুলি করেছে তা তিনি জানাতে পারেনি। আলমগীরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন বলেও জানান ওসি।স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েকজন মিলে মিল্লাত ক্যাম্পে এসে আলমগীরকে প্রকাশ্যে গুলি করে পালানোর চেষ্টা করেন।

এসময় মোটরসাইকেলটি আটকও করা হয়। কিন্তু পরে এলাকাবাসী ভয় পেয়ে তাদের ছেড়ে দেন। এরপর তাদের একজন পুলিশে খবর দিলে সেখানে ‍পুলিশ আসে। কিন্তু কাউকে আটক করতে পারেনি।

জানা গেছে, গুলিতে আহত হওয়া আলমগীর ‍পুরান ঢাকার একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস আমদানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ণ
ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস আমদানি

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবহারের জন্য বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস শেল আমদানি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় চালানটি বন্দর থেকে খালাস করে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ভারতের নরেন্দ্র এক্সপ্লোসিভ লিমিটেড ১৪৫টি কাঠের বাক্সে করে টিয়ার গ্যাস শেলের চালানটি বাংলাদেশে পাঠায়। চালানটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সিনসিয়ার ইন্টারন্যাশনাল।

খালাস শেষে ঢাকা মেট্রো-ন-১৯-৩৭৫৩ নম্বরের একটি কাভার্ড ভ্যানে করে চালানটি যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়। সেখানে সংরক্ষণের পর আগামী ৯ আগস্ট ঢাকার উদ্দেশে পাঠানোর কথা রয়েছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক রুহুল আমিন বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবহারের জন্য ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস শেল বেনাপোল বন্দরে এসেছে। বন্দরে পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় শুল্ক ও আনুষ্ঠানিকতা দ্রুত সম্পন্ন করে চালানটি খালাস দেওয়া হয়েছে। এটি যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়েছে। আগামী ৯ আগস্ট সেখান থেকে ঢাকায় নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, রোববার চালানটি গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরে বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানায় (বিওএফ) পাঠানো হবে।

চালানটির নিরাপত্তায় বেনাপোল বন্দর থেকে শার্শা পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। পরে শার্শা থেকে যশোর সেনানিবাস পর্যন্ত নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দল।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি