খুঁজুন
                               
, ,
           

ফাইনালের বলের সমান দাম জিমিনের শার্টের, বিশ্বকাপ নিলামে রেকর্ড আয়

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ণ
ফাইনালের বলের সমান দাম জিমিনের শার্টের, বিশ্বকাপ নিলামে রেকর্ড আয়

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে আয়োজিত দাতব্য স্মারক নিলামে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। নিলামে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হয়েছে ফাইনালে ব্যবহৃত ম্যাচের বল এবং কে-পপ ব্যান্ড বিটিএসের সদস্য জিমিনের পরা শার্ট। প্রতিটি স্মারকের দাম উঠেছে ১ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকার বেশি।

বিশ্বখ্যাত নিলাম প্রতিষ্ঠান ক্রিস্টিজের আয়োজনে ‘One Goal: An Auction to Benefit the FIFA Global Citizen Education Fund’ শীর্ষক অনলাইন নিলাম এক সপ্তাহ ধরে চলার পর বুধবার শেষ হয়। নিলাম থেকে মোট ৬ লাখ ৫২ হাজার ৬৩০ মার্কিন ডলার সংগ্রহ করা হয়েছে, যা আয়োজকদের প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে গেছে। এতে বিশ্বের ২৪টি দেশের ক্রেতারা অংশ নেন।

বিশ্বকাপ ফাইনালের হাফটাইম শোতে বিটিএস তাদের জনপ্রিয় গান ‘ডায়নামাইট’ পরিবেশন করে। ব্যান্ডটির সদস্যদের ব্যবহৃত পোশাক ও বিভিন্ন স্মারক মিলিয়ে মোট ৩ লাখ ৩০০ মার্কিন ডলারের বিক্রি হয়, যা নিলামের মোট আয়ের প্রায় ৪৬ শতাংশ।

বিটিএস সদস্যদের মধ্যে জিমিনের শার্ট ছাড়াও ভি-এর স্কার্ফ ও জাংকুকের জ্যাকেট প্রতিটি ৪৬ হাজার ২০০ ডলারে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া সুগার প্যান্ট ৩৩ হাজার ডলার, জে-হোপের গ্লাভস ২৮ হাজার ৬০০ ডলার, আরএমের বুট ১৯ হাজার ৮০০ ডলার এবং জিনের বেল্ট ১৬ হাজার ৫০০ ডলারে বিক্রি হয়েছে।

এ ছাড়া লিওনেল মেসির স্বাক্ষর করা, শাকিরাকে উপহার দেওয়া আর্জেন্টিনার জার্সি ৬৬ হাজার ডলারে বিক্রি হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ম্যাডোনার ব্যবহৃত ও স্বাক্ষর করা গোলরক্ষকের গ্লাভস বিক্রি হয়েছে ৪১ হাজার ৮০০ ডলারে। হাফটাইম শোতে জাস্টিন বিবারের পরা ‘স্কাইলর্ক’ ব্র্যান্ডের স্নিকার্স বিক্রি হয়েছে ২৬ হাজার ৪০০ ডলারে।

নিলাম থেকে প্রাপ্ত অর্থ ফিফা গ্লোবাল সিটিজেন এডুকেশন ফান্ডে দেওয়া হবে। এই তহবিলের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মানসম্মত শিক্ষা ও ফুটবলে অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণে কাজ করা হবে। বিশ্বের প্রায় ২০০টি দেশে তৃণমূল পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মসূচিতে এই অর্থ ব্যয় করা হবে।

উল্লেখ্য, ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে শিরোপা জেতে স্পেন।

সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস অবলম্বনে।

কালের আলো/এসএ

বিরোধিতার মুখে বিশ্বকাপে বেসরকারি বিনিয়োগের পরিকল্পনা বাতিল করল ফিফা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৫ অপরাহ্ণ
বিরোধিতার মুখে বিশ্বকাপে বেসরকারি বিনিয়োগের পরিকল্পনা বাতিল করল ফিফা

বিশ্বজুড়ে ফুটবল সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার তীব্র বিরোধিতার মুখে বিশ্বকাপে বেসরকারি বিনিয়োগ আনার পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। শনিবার এক বিবৃতিতে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এ সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেন।

ইনফান্তিনো বলেন, ফুটবলকে ঐক্যবদ্ধ ও উন্নত করাই ফিফার মূল লক্ষ্য। তাই ব্যাপক মতবিরোধ তৈরি হওয়ায় প্রস্তাবটি আর এগিয়ে নেওয়া হবে না।

গত মঙ্গলবার ফিফা ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ (এফএফই) নামে একটি বাণিজ্যিক অঙ্গপ্রতিষ্ঠান গঠনের প্রস্তাব দেয়। এর মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে প্রায় ৪২০ কোটি মার্কিন ডলার সংগ্রহের পরিকল্পনা ছিল। সংস্থাটির সম্ভাব্য মূল্য ধরা হয়েছিল প্রায় ২ হাজার কোটি ডলার। বিশ্বকাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্ট পরিচালনার দায়িত্বে থাকত এই প্রতিষ্ঠান।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের শুরুতে ফিফার ২১১টি সদস্যদেশকে এককালীন ২ কোটি মার্কিন ডলার করে দেওয়া এবং ২০২৭-২০৩০ মেয়াদের উন্নয়ন তহবিল ৮০ লাখ ডলার থেকে বাড়িয়ে ২ কোটি ডলারে উন্নীত করার কথা ছিল।

তবে পরিকল্পনা ঘোষণার পর থেকেই ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা এর তীব্র বিরোধিতা করে। উয়েফা জানায়, প্রস্তাব বহাল থাকলে তাদের কোনো সদস্যদেশ ফিফার টুর্নামেন্টে অংশ নেবে না। পরে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) এবং উত্তর ও মধ্য আমেরিকার কনফেডারেশন (কনক্যাকাফ) একই অবস্থান নেয়।

উয়েফা এক বিবৃতিতে জানায়, বিশ্বকাপ কোনো বাণিজ্যিক বিনিয়োগ পণ্য নয় এবং এর কোনো অংশই বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের হাতে তুলে দেওয়া উচিত নয়।

বিতর্ক আরও বাড়ে যখন ফিফা সভাপতির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা কার্লোস কর্ডেইরো পদত্যাগ করেন। তিনি এ পরিকল্পাকে ফিফা ও বিশ্ব ফুটবলের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থের পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেন। এদিকে ইনফান্তিনোর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কনমেবল সভাপতি আলেহান্দ্রো ডমিনগুয়েজও প্রকল্পের কাঠামো ও সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দাবি করেন।

পরিকল্পনা বাতিলের ঘোষণায় ইনফান্তিনো বলেন, সদস্যদেশগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন পেলেই তা বাস্তবায়ন করা হতো। তবে সব পক্ষের মতামত বিবেচনায় দেখা গেছে, প্রস্তাবটি ফুটবল পরিবারে বিভাজন তৈরি করছে, যা ফিফার মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এএফসিও এক বিবৃতিতে জানায়, বিশ্বকাপ বয়কটের মতো বিষয় প্রকাশ্যে আলোচনায় আসা ফুটবলের জন্য উদ্বেগজনক এবং এ পরিস্থিতি দ্রুত সমাধান হওয়া প্রয়োজন।

এদিকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর সমালোচনা করে বলেন, তিনি ফিফা পরিচালনার জন্য ‘ভুল ব্যক্তি’।

চলমান বিতর্কের পর ইনফান্তিনো জানান, এখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য সব পক্ষকে আবার এক টেবিলে এনে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা এবং বিশেষ করে আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা দেশগুলোতে ফুটবলের উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

কালের আলো/এসএ

‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’-এর পোস্টারে কিয়ারার ছায়া! আলোচনায় নতুন মুখ কানিকা কাপুর

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ণ
‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’-এর পোস্টারে কিয়ারার ছায়া! আলোচনায় নতুন মুখ কানিকা কাপুর

নতুন পোস্টার প্রকাশের পর থেকেই আলোচনায় রয়েছে হিন্দি সিনেমা ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’। করণ দেওলের সঙ্গে নতুন মুখ কানিকা কাপুরের পোস্টার প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। তবে সিনেমার গল্পের চেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে কানিকার চেহারা ও লুক।

অনেক নেটিজেনের দাবি, পোস্টারে কানিকাকে দেখতে প্রায় হুবহু বলিউড অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানির মতো লাগছে। পোস্টারটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বহু ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, প্রথম দেখায় তাঁরা কানিকাকে কিয়ারা ভেবেই ভুল করেছিলেন।

অনেকের মতে, হালকা মেকআপ ও অভিব্যক্তির কারণে কানিকার লুক ‘শেরশাহ’ সিনেমায় কিয়ারা আদভানির ‘ডিম্পল’ চরিত্রের সঙ্গে বেশ মিল রয়েছে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একাংশে দাবি উঠেছে, পোস্টারটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে কিয়ারার আদলে কানিকার চেহারা উপস্থাপন করা হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে নির্মাতাদের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

বড় পর্দায় ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’–এর মাধ্যমে অভিষেক হলেও অভিনয়ে একেবারে নতুন নন কানিকা কাপুর। এর আগে জনপ্রিয় টেলিভিশন ধারাবাহিক ‘এক দুজে কে ভাস্তে ২’–এ অভিনয় করে দর্শকদের নজর কাড়েন তিনি। এছাড়া ‘টিপ্পু’, ‘দোনো’ ও ‘মার্ডারবাদ’–এর মতো প্রজেক্টেও কাজ করেছেন।

বিখ্যাত নাট্যকার আসগর ওয়াজাহাতের নাটক ‘জিস লাহোর নাই ভেখ্যা, ও জাম্য এ নাই’ অবলম্বনে নির্মিত সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন রাজকুমার সন্তোষী। আগামী ১৪ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাওয়া ছবিতে করণ দেওল ও কানিকা কাপুরের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন সানি দেওল, প্রীতি জিনতা, শাবানা আজমি ও আলি ফজল।

কালের আলো/এসএ 

ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বেগ নয়, বিশেষজ্ঞরা জানালেন গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বেগ নয়, বিশেষজ্ঞরা জানালেন গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

Oplus_131072

ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার বংশবিস্তার রোধ, মশার কামড় থেকে সুরক্ষা এবং জ্বর হলে ঘরে বসে না থেকে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া পরামর্শ দিয়েছেন জনস্বাস্থ্যবিদ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

তারা বলেছেন, মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। কেননা, ডেঙ্গু প্রতিরোধে কোনো ভ্যাকসিন নেই, সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর ওষুধও নেই। তবে মশার প্রজননের অনুকূল পরিবেশ আমাদের চারপাশে আছে। তাই সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং চারপাশ পরিষ্কার রাখা জরুরি।

দেশব্যাপী ডেঙ্গু ইস্যুতে উদ্বিগ্ন না হয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রধান উপায় হলো এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ। এর জন্য সর্বপ্রথম প্রয়োজন জনসচেতনতা বৃদ্ধি। কারণ এডিস মশার উৎপত্তিস্থল হলো আমাদের বাড়ির ভেতর, বাইর, ছাদ এবং বিভিন্ন জায়গায় জমে থাকা পানি। তাই আমাদের উচিত বাড়ির আঙিনা সব সময় পরিষ্কার রাখা। বাড়ির আনাচে-কানাচে জমে থাকা অপ্রয়োজনীয় পাত্রসমূহ ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া।

তারা বলেন, ব্যবহারযোগ্য পাত্র, যেমন- ফুলের টব, ড্রাম, বালতি, এয়ার কন্ডিশনার এবং রেফ্রিজারেটরের নিচের পানি ভর্তি পাত্রে যেন কোনোভাবেই একনাগাড়ে পাঁচদিনের বেশি পানি জমে না থাকে। মূলত এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য সকল নাগরিকের সক্রিয় অংশগ্রহণ একান্ত জরুরি।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর ২৮ জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৪ হাজার ১৫৬ জন। চলতি বছরে এ যাবৎ মোট ১৭ হাজার ৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়েছেন।

এর আগে ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. মুশতাক হোসেন বলেন, ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে লড়াই কেবল হাসপাতালে নয়, শুরু হতে হবে মানুষের বাড়ি, বিদ্যালয়, কর্মস্থল এবং স্থানীয় জনসমাজ থেকে। রোগীকে দ্রুত শনাক্ত করা, ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে সুরক্ষা দেওয়া, দরিদ্র রোগীদের সামাজিক সহায়তা নিশ্চিত করা এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া গেলে ডেঙ্গুজনিত মৃত্যু ও ভোগান্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব।

তিনি বলেন, বৃষ্টিকে যদি আমরা ডেঙ্গুর জন্য শুধু প্রাকৃতিক ঘটনা হিসেবে দেখি, তাহলে সংকট আরও গভীর হবে। কিন্তু বৃষ্টির পর যদি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করা যায়, তাহলে ডেঙ্গুর এই বার্ষিক দুর্ভোগ থেকে দেশকে ধীরে ধীরে মুক্ত করা সম্ভব।

ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসার বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হাসান হাফিজুর রহমান বলেন, মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। মশার প্রজননের অনুকূল পরিবেশ আমাদের চারপাশে আছে। তাই সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সকল মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং চারপাশ পরিষ্কার রাখা জরুরি।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু জ্বরে শরীরের তাপমাত্রা ১০২ থেকে ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত উঠতে পারে। এ সময় মাথায় পানি দেওয়া ও শরীর মুছে দেওয়ার মাধ্যমে জ্বর কমাতে হবে। এছাড়া ছয় থেকে আট ঘণ্টা পরপর জ্বরের তীব্রতা বুঝে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ দিতে হবে। ডেঙ্গু জ্বরের মূল চিকিৎসা হলো শরীরে পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থাপনা। পানির পাশাপাশি ফলের রস, স্যুপ, ওরস্যালাইন, ডাবের পানি, শরবত প্রভৃতি তরল খাবার খাওয়াতে হবে।

ডা. হাসান হাফিজুর রহমান বলেন, ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধের মূলমন্ত্রই হলো এডিস মশার বিস্তার রোধ এবং এই মশা যেন কামড়াতে না পারে, তার ব্যবস্থা করা। এডিস মশা স্বচ্ছ পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার ডিম পাড়ার উপযোগী স্থানগুলোকে পরিষ্কার রাখতে হবে এবং একই সঙ্গে মশক নিধনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। সেইসঙ্গে বাড়ির আশপাশের ঝোপঝাড়, জঙ্গল, জলাশয় ইত্যাদি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

কালের আলো/এসএকে