খুঁজুন
                               
, ,
           

আবারও মোদির বাসভবন অভিমুখে পদযাত্রার ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ণ
আবারও মোদির বাসভবন অভিমুখে পদযাত্রার ঘোষণা

ভারতের ই-২০ (২০ শতাংশ ইথানল মিশ্রিত) পেট্রোল চালুর সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের দিকে পদযাত্রার ঘোষণা দিয়েছেন আম আদমি পার্টির (এএপি) জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল। আগামী ৪ আগস্ট (মঙ্গলবার) দুপুরে এই পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।

শনিবার (১ আগস্ট) দিল্লিতে আয়োজিত ‘ন্যাশনাল টাউনহল অ্যাগেইনস্ট ই-২০’ অনুষ্ঠানে এই নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দেন কেজরিওয়াল।

সাবেক এই মুখ্যমন্ত্রী জানান, ই-২০ পেট্রোল নীতি প্রত্যাহারের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে দেওয়া একটি অনলাইন আবেদনে ইতিমধ্যে দুই লাখেরও বেশি মানুষ স্বাক্ষর করেছেন। সেই গণআবেদনের মুদ্রিত কপি তিনি নিজে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে পৌঁছে দেবেন।

কেজরিওয়াল বলেন, ‘কয়েক দিন আগে আমি দেশের মানুষকে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে একটি স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করার আহ্বান জানিয়েছিলাম। এতে দুই লাখেরও বেশি মানুষ অনলাইনে স্বাক্ষর করেছেন। আগামী ৪ আগস্ট দুপুর ১২টায় আমি নিজে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে গিয়ে এই স্মারকলিপি জমা দেব।’

পদযাত্রায় বিশাল সমাবেশের বদলে সীমিত উপস্থিতি থাকবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘আমার সঙ্গে মাত্র ১০০ জন কর্মী-সমর্থক থাকবেন, যারা পুলিশের লাঠিচার্জ কিংবা কারাগারে যেতে ভয় পান না।’

যানবাহনে ই-২০ জ্বালানির ব্যবহার নিরাপদ কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কেজরিওয়াল চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘যদি ই-২০ পেট্রোল সত্যিই নিরাপদ হয়ে থাকে, তবে সরকার আমাদের সঙ্গে মুক্ত আলোচনায় বসুক। আমরা আমাদের তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরব এবং সরকারও তাদের পক্ষে থাকা প্রমাণ উপস্থাপন করুক।’

অন্যদিকে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের এই অভিযোগ ও কর্মসূচিকে রাজনৈতিক স্টান্টবাজি বলে দাবি করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। দিল্লি বিজেপির সভাপতি হর্ষ মালহোত্রা অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ই-২০ পেট্রোল ব্যবহারের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বা ইঞ্জিন বিকল হয়েছে—এমন অন্তত ১০০টি গাড়ির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ কেজরিওয়াল হাজির করতে পারবেন কি না, সেটিই আগে সাধারণ মানুষের সামনে স্পষ্ট করা উচিত।

কালের আলো/এসএকে

জুলাইয়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২.৮৬ বিলিয়ন ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
জুলাইয়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২.৮৬ বিলিয়ন ডলার

দেশে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ২৮৫ কোটি ৮৬ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার (প্রায় ২.৮৬ বিলিয়ন ডলার) রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ বা প্রায় ৩৮ কোটি ডলার। এ সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহের ইতিবাচক ধারা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী রাখতে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে।

রোববার (২ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের জুলাইয়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার। সেই হিসাবে চলতি বছরের জুলাইয়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে প্রায় ৩৮ কোটি ডলার। প্রতি ডলার ১২৩ টাকা বিনিময় হার ধরে জুলাই মাসে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৩৫ হাজার ১৬১ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, মাসের প্রথম পাঁচ দিনে আসে ৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার। পরে ধারাবাহিকভাবে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়তে থাকে। ২১ দিনে মোট প্রবাসী আয় দাঁড়ায় ২০৯ কোটি ৫০ লাখ ডলারে, ২৭ দিনে তা বেড়ে হয় ২৫২ কোটি ৪০ লাখ ডলার এবং মাস শেষে তা পৌঁছে প্রায় ২৮৬ কোটি ডলারে।

ব্যাংকভিত্তিক হিসাবে জুলাইয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৩ কোটি ৭৯ লাখ ৭০ হাজার ডলার। বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৩২ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ২০৮ কোটি ৯৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৫৩ লাখ ২০ হাজার ডলার।

তবে জুলাই মাসে আটটি ব্যাংকের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এগুলোর মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল), বিশেষায়িত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব), বেসরকারি আইসিবি ইসলামী ব্যাংক ও পদ্মা ব্যাংক। এছাড়া বিদেশি ব্যাংকের মধ্যে ব্যাংক আল-ফালাহ, হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান এবং স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি।সংশ্লিষ্টদের মতে, বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ, প্রণোদনা এবং প্রবাসীদের আগ্রহ বৃদ্ধির ফলে রেমিট্যান্স প্রবাহ ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী মাসগুলোতেও প্রবাসী আয় উচ্চ অবস্থানে থাকবে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা, আমদানি ব্যয় নির্বাহ এবং বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

হামলার শিকার ডিএনসিসি প্রশাসক ও ঢাকা-১৮ আসনের এমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
হামলার শিকার ডিএনসিসি প্রশাসক ও ঢাকা-১৮ আসনের এমপি

উত্তরখানে পরিচ্ছন্নকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা পরিদর্শনে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান এবং ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন।

এ সময় তাদের উপস্থিতিতেই গার্মেন্টস মালিকপক্ষের ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় কয়েকজন আহত হন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মালিকপক্ষের একজনসহ তিনজনকে আটক করে।

রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে ডিএনসিসির অঞ্চল-৮ এর ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরখানের রাজাবাড়ি এলাকার এসটিএসে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, সকালে এসটিএসে কর্মরত পরিচ্ছন্ন কর্মীদের ওপর স্থানীয় নেপচুন এক্সেসরিজ গার্মেন্টসের মালিকপক্ষের লোকজন হামলা চালায়। এতে চারজন গুরুতর আহতসহ অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন পরিচ্ছন্নকর্মী আহত হন। গুরুতর আহত চারজনকে উত্তরার কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পরে ওই হামলার ঘটনা পরিদর্শনে ঘটনাস্থলে যান ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা-১৮ আসনের এমপি জাহাঙ্গীর হোসেন, সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং পুলিশ সদস্যরা। এসময় পরিচ্ছন্নকর্মীদের সঙ্গে গার্মেন্টস মালিকপক্ষের আবারও বাকবিতণ্ডা ও দুর্ব্যবহার শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

একপর্যায়ে প্রশাসক ও এমপির সামনেই গার্মেন্টস মালিকপক্ষের লোকেরা অতর্কিত হামলা চালায়। এতে কয়েকজন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে মালিকপক্ষের একজনসহ তিনজনকে আটক করে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

ঘটনার পর ডিএনসিসি প্রশাসক ও সংসদ সদস্য উত্তরার কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে গিয়ে আহত পরিচ্ছন্নকর্মীদের খোঁজখবর নেন। এসময় প্রশাসক বলেন, ‘হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

পরিচ্ছন্নকর্মীদের অভিযোগ, এসটিএসকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে গার্মেন্টস মালিকপক্ষের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সকালে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। পরে ঘটনাটি পরিদর্শনে গেলে আবারও হামলার ঘটনা ঘটে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ঢাকার চারপাশে নৌপথ সচল করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩৮ অপরাহ্ণ
ঢাকার চারপাশে নৌপথ সচল করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

Oplus_131072

ঢাকার চারপাশের নৌপথগুলো সচল করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসাথে কীভাবে ঢাকার নদীগুলোর দূষণ প্রতিরোধ করা যায়, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা যায় এবং নদীর নাব্যতা ও পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখা যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন তিনি।

রোববার (২ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিশেষ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ কথা জানিয়েছে।

তিনি জানান, ঢাকার চারপাশের নৌপথগুলো সচল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সভায়। এছাড়া আগ্রহী বেসরকারি কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব বিবেচনা করে নৌপথে তাদের ওয়াটার বাস পরিচালনার সুযোগ দেওয়ার বিষয়েও সিদ্ধান্ত হয়।

উপ প্রেস সচিব জানান, সভায় নৌপথ সচল করার পাশাপাশি কীভাবে ঢাকার নদীগুলোর দূষণ প্রতিরোধ করা, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা যায় এবং নদীর নাব্যতা ও পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখা যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী নদীর চারপাশে নির্মিত ওয়াকওয়ের পাশে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানোর নির্দেশনা দেন, যাতে পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত হয় এবং নদীর তীরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।

সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে