খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রাথমিক শিক্ষকদের যোগদানের তারিখ জানাল মন্ত্রণালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
প্রাথমিক শিক্ষকদের যোগদানের তারিখ জানাল মন্ত্রণালয়

Oplus_131072

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫’-এর চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের যোগদানের নতুন তারিখ ঘোষণা করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা আগামী ১ অক্টোবর নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করবেন।

রোববার (২ আগস্ট) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-২ শাখা থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

উপসচিব রাজীব কুমার সরকারের সই করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নিয়োগযোগ্য শূন্য পদের বিপরীতে নির্বাচিত প্রার্থীদের কাছে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিয়োগপত্র পাঠানো হবে। যোগদান সম্পন্ন করার পর প্রার্থীদের পদায়ন এবং পরবর্তীতে আবশ্যিক পেশাগত প্রশিক্ষণে পাঠানো হবে।

এর আগে ১ আগস্ট (শনিবার) মন্ত্রণালয়ের এক জরুরি ভার্চ্যুয়াল সভায় প্রার্থীদের যোগদানের সম্ভাব্য তারিখ ২৯ অক্টোবর নির্ধারণের বিষয়টি আলোচনায় এসেছিল। তখন গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছিলেন, পুলিশ ভেরিফিকেশন ও অন্যান্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার কারণে কিছুটা সময় লাগলেও দ্রুততম সময়ের মধ্যেই শিক্ষক পদায়ন নিশ্চিত করতে চায় সরকার। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ অক্টোবরকেই যোগদানের চূড়ান্ত দিন হিসেবে নির্ধারণ করা হলো।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে মনোনীত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সহকারী শিক্ষক নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করবেন। যোগদান শেষে জেলাভিত্তিক পদায়ন সম্পন্ন করা হবে এবং শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় পেশাগত প্রশিক্ষণে পাঠাবে সরকার।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি পার্বত্য তিন জেলা বাদে দেশের ৬১ জেলায় প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত (এমসিকিউ) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়ে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন। পরবর্তীতে ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়, যেখানে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে সহকারী শিক্ষক পদের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছিল।

পরীক্ষার সব ধাপ পার হলেও যোগদান ঝুলে থাকায় গত এপ্রিলে আন্দোলন কর্মসূচি পালন করেছিলেন নির্বাচিত প্রার্থীরা। পরবর্তীতে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন দ্রুত সব দাপ্তরিক কাজ শেষ করে যোগদান ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

কালের আলো/এসএকে

কমিউনিটি ব্যাংকে এমডি হিসেবে যোগ দিলেন ইমতিয়াজ উদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ
কমিউনিটি ব্যাংকে এমডি হিসেবে যোগ দিলেন ইমতিয়াজ উদ্দিন

কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন।

সোমবার (৩ আগস্ট) আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

এদিন ব্যাংকের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

২৫ বছরেরও বেশি সময়ের ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা সম্পন্ন মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন রিটেইল, এসএমই, কৃষি, করপোরেট, ট্রানজেকশন এবং শাখা ব্যাংকিং কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ব্যবসায়িক কৌশল প্রণয়ন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, গ্রাহকসেবা, পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সাংগঠনিক রূপান্তরে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।

কমিউনিটি ব্যাংকে যোগ দেওয়ার আগে ইমতিয়াজ উদ্দিন পদ্মা ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ও প্রধান ব্যবসা কর্মকর্তা (চিফ বিজনেস অফিসার) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একই প্রতিষ্ঠানে তিনি প্রধান পুনরুদ্ধার কর্মকর্তা (চিফ রিকভারি অফিসার) এবং প্রধান অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কমপ্লায়েন্স কর্মকর্তা (ক্যামেলকো) হিসেবেও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেছেন।

এর আগে প্রিমিয়ার ব্যাংকের রিটেইল, এসএমই, কৃষি ও করপোরেট ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান ছিলেন ইমতিয়াজ উদ্দিন। এছাড়া স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, এইচএসবিসি বাংলাদেশ, ইস্টার্ন ব্যাংক এবং ঢাকা ব্যাংকের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের দায়িত্বও পালন করেছেন।

মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে বিএসএস (অনার্স) ও এমএসএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ থেকে মার্কেটিং বিষয়ে এমবিএ সম্পন্ন করেন।

তিনি ব্যাংকারদের পেশাজীবী সংগঠন ব্যাংকার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট এবং পরবর্তীতে সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বিরোধী নেতারা শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছেন: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
বিরোধী নেতারা শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছেন: মির্জা ফখরুল

Oplus_131072

বর্তমান বিরোধী দলীয় নেতারা শেখ হাসিনার মতো ভাষায় কথা বলছেন বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেছেন, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা যেভাবে ‘এক দিনের জন্যও শান্তিতে থাকতে দেব না’ বা ‘পাঁচ বছর সরকার চালাতে দেব না’ বলতেন, আজ বিরোধী দলের নেতারাও সেই একই ভাষায় কথা বলতে শুরু করেছেন।

সোমবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল। জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) উদ্যোগে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

‘সংস্কার’ নাকি ‘সংশোধন’—এই শব্দগত বিতর্কসহ যেকোনো বিষয়ে বিরোধী নেতাদেরকে রাস্তায় সংঘাতের পথ না বেছে সংসদে এসে আলোচনার আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে বিরোধী দলের সমালোচনা, বিরোধিতা জরুরি, তবে তা সংসদীয় শিষ্টাচারের মধ্যে থাকা উচিত। রাজপথের প্রতিবাদ যেন সংঘাতের রূপ না নেয়। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে যেসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, সেগুলো যথাযথ তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

বিএনপি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করছে না বলে যে ‘গুঞ্জন’ ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত বলে মন্তব্য করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিএনপিই দেশের ইতিহাসে বারবার রূপান্তর ও সংস্কার এনেছে। জুলাই সনদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।

দীর্ঘ ১৭ থেকে ১৮ বছরের ফ্যাসিবাদের জঞ্জাল দূর করে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারকে সময় দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ সংগ্রাম, রক্তক্ষয় ও জুলাই অভ্যুত্থানের পর জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত এই সরকার দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্র সংস্কারে নিরলসভাবে কাজ করছে।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সংবাদমাধ্যমের ওপর কোনো হস্তক্ষেপ করছে না। সাংবাদিকদের কর্মসংস্থান, আবাসন ও সুবিধা নিশ্চিত করাসহ আন্দোলনে শহীদ সাংবাদিকসহ নাগরিকদের পরিবারের দেখভালে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার।

কালের আলো/এসএকে

জেলা আইনজীবী সমিতিতে প্রবেশ ফি অভিন্ন করতে হাইকোর্টের রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১৫ অপরাহ্ণ
জেলা আইনজীবী সমিতিতে প্রবেশ ফি অভিন্ন করতে হাইকোর্টের রুল

দেশের জেলা আইনজীবী সমিতিগুলোতে নতুন সদস্যদের প্রবেশ ফি একটি যুক্তিসঙ্গত ও অভিন্ন হারে নির্ধারণ করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

এক আইনজীবীর করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার (৩ আগস্ট) বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. রেজাউল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আইন সচিব, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব ও অ্যাটর্নি জেনারেলসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শিবলী নোমানী। কুড়িগ্রামের বাসিন্দা ও নবীন আইনজীবী মো. মাহফুজুর রহমান সম্প্রতি এই রিট আবেদনটি দায়ের করেন।

রিট আবেদনে বলা হয়, মাহফুজুর রহমান কুড়িগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যপদ পাওয়ার জন্য আবেদন করেন। তবে সমিতি থেকে জানানো হয়, নতুন সদস্যদের বয়স ৪০ বছরের নিচে হলে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ৪০ বছরের বেশি হলে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ফি দিতে হবে।

এছাড়া কোনো ব্যক্তি অন্য চাকরি থেকে অবসর বা আর্থিক সুবিধা নিয়ে সদস্য হতে চাইলে তাকে ৪ লাখ টাকা এবং সরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে ৫ লাখ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই ফি নির্ধারণকে বৈষম্যমূলক দাবি করে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন মাহফুজুর রহমান। আবেদনে দেশের সব জেলা আইনজীবী সমিতির জন্য একটি অভিন্ন ও যৌক্তিক প্রবেশ ফি নির্ধারণের নির্দেশনা চাওয়া হয়।

সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিতে সদস্য হতে বর্তমানে ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা এবং ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে প্রায় ২৯ হাজার টাকা ফি দিতে হয়। অথচ ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলা সমিতিতে এর কয়েকগুণ বেশি ফি আদায় করা হচ্ছে।

শুনানি শেষে আদালত এই ফি নির্ধারণের বিষয়ে রুল জারির আদেশ দেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ