খুঁজুন
                               
, ,
           

ব্রেন টিউমারের চিকিৎসার মাঝেই দেশে ফিরছেন ইলিয়াস কাঞ্চন

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪৫ অপরাহ্ণ
ব্রেন টিউমারের চিকিৎসার মাঝেই দেশে ফিরছেন ইলিয়াস কাঞ্চন

দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় লন্ডনে ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা নেওয়ার পর দেশে ফিরছেন বরেণ্য অভিনেতা ও সামাজিক আন্দোলনের নেতা ইলিয়াস কাঞ্চন।

সোমবার (৩ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় সকালে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে দেশের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন তিনি। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন জামাতা আরিফুল ইসলাম কলিন্স। বিমানবন্দরে তোলা একটি ছবিতে সাদা চুল ও দাড়িতে দেখা গেছে জনপ্রিয় এই অভিনেতাকে।

ইলিয়াস কাঞ্চনের দেশে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ সংগঠনের ভাইস প্রেসিডেন্ট লিটন এরশাদ। তিনি জানান, কয়েক দিনের জন্য দেশে ফিরলেও চিকিৎসার কারণে শিগগিরই আবার লন্ডনে ফিরতে হবে অভিনেতাকে।

লিটন এরশাদ বলেন, ইলিয়াস কাঞ্চন দেশে ফিরছেন, তবে এই সফর দীর্ঘ হবে না। আগামী ১৫ আগস্ট লন্ডনে তাঁর চিকিৎসার পরবর্তী পরীক্ষা-নিরীক্ষা রয়েছে। তাই ১৪ আগস্টের আগেই তাঁকে আবার লন্ডনে ফিরে যেতে হবে।

ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হওয়ার পর গত এক বছরের বেশি সময় ধরে লন্ডনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। এরই মধ্যে তাঁকে ৬০টি কেমোথেরাপি দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ চিকিৎসার কারণে তাঁর শারীরিক অবস্থাতেও প্রভাব পড়েছে।

চিকিৎসার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে লিটন এরশাদ জানান, এখন পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত উন্নতি দেখা যায়নি। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে লন্ডনে তাঁর সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করায় পরিবারের সিদ্ধান্তে কয়েক দিনের জন্য তাঁকে দেশে আনা হচ্ছে।

গত বছরের এপ্রিলে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান ইলিয়াস কাঞ্চন। একই বছরের আগস্টে তাঁর মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। তবে জটিলতার কারণে টিউমারের বড় অংশ অপসারণ করা সম্ভব হয়নি। এরপর থেকে নিয়মিত কেমোথেরাপি ও অন্যান্য চিকিৎসা চলছে।

আগামী ১৫ আগস্ট চিকিৎসার পরবর্তী ধাপের পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আবার লন্ডনে ফিরতে হবে এই বরেণ্য অভিনেতাকে।

কালের আলো/এসএ

মন্ত্রিসভায় সম্প্রসারণ: ৪ মন্ত্রী ও ২ প্রতিমন্ত্রীর শপথ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ণ
মন্ত্রিসভায় সম্প্রসারণ: ৪ মন্ত্রী ও ২ প্রতিমন্ত্রীর শপথ

সরকার গঠনের ছয় মাসের মাথায় মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল এনেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর অংশ হিসেবে নতুন করে চারজন মন্ত্রী ও দুইজন প্রতিমন্ত্রী শপথ নিয়েছেন।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া চারজন হলেন—বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আন্দালিভ রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এবং জামালপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

অন্যদিকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন।

শপথ নিলেও নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের দফতর এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বণ্টন করা হয়নি। তবে ড. মঈন খান স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, আন্দালিভ রহমান পার্থ তথ্য মন্ত্রণালয়, সাচিং প্রু জেরী পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন বলে জানা গেছে।

এছাড়া হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিপুল বিজয়ের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয়। ওইদিন প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন।

পরবর্তীতে মন্ত্রিসভায় কয়েকটি পদ শূন্য হয়। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর পদটিও শূন্য হয়। এসব শূন্যতা পূরণ এবং মন্ত্রিসভায় সমন্বয় আনতেই নতুন করে চার মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রীকে যুক্ত করা হয়েছে।

নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টনের পর মন্ত্রিসভার কার্যক্রমে আরও গতি আসবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলে আশা করা হচ্ছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

মির্জা ফখরুলের শপথ, শুরু হলো নতুন রাষ্ট্রপতি অধ্যায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫০ অপরাহ্ণ
মির্জা ফখরুলের শপথ, শুরু হলো নতুন রাষ্ট্রপতি অধ্যায়

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাকে শপথ পড়ান জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল।

শপথ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বিচারপতি, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

এর আগে সন্ধ্যা ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়িবহর বঙ্গভবনে প্রবেশ করে। শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বঙ্গভবন ও আশপাশের এলাকায় জোরদার করা হয় নিরাপত্তাব্যবস্থা। গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও ডাইভারশন কার্যকর করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।

একই দিন নির্বাচন কমিশন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।

এর আগে গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলে রাষ্ট্রপতির পদটি শূন্য হয়। সংবিধান অনুযায়ী এরপর জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। একই সময়ে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব নেন।

মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্বেরও অবসান হলো।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

শপথ নিতে বঙ্গভবনে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
শপথ নিতে বঙ্গভবনে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি

শপথ নিতে বঙ্গভবনে প্রবেশ করেছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টা ৮ মিনিটের দিকে বঙ্গভবনে প্রবেশ করে তার গাড়িবহর।

এদিকে, শপথ অনুষ্ঠান উপলক্ষে আমন্ত্রিত অতিথিরাও বঙ্গভবনে আসতে শুরু করেছেন। আমন্ত্রণপত্রের কার্ড দেখিয়ে তাদের প্রবেশ করতে দেখা যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতা, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, বিচারপতি, কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বিকেল থেকেই বঙ্গভবন ও আশপাশের এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন সড়কে ডাইভারশন রাখা হয়েছে। যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট। একই দিন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন।

গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলে এ পদটি শূন্য হয়। পরে সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন। আর ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথের মধ্যদিয়ে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্বের অবসান হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ