খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জ্বালানি খাতকে স্বনির্ভর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ
শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জ্বালানি খাতকে স্বনির্ভর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জ্বালানিসহ প্রতিটি সেক্টরকে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং স্বনির্ভর করতে বাস্তবমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করে চলেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আধুনিক এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে বর্তমান সরকার দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো স্বাস্থ্য খাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দিয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে পর্যায়ক্রমে এই বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এর পাশাপাশি, যতদ্রুত সম্ভব ই-হেলথ কার্ড চালু করার কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ১০১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে চিকিৎসকরা যদি সেবার মানসিকতা নিয়ে নিজেদের নিবেদিত না রাখেন তাহলে শুধু অবকাঠামোগত উন্নতি দিয়ে সফলতা আসবে না।

শনিবার (৮ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত চিকিৎসক সমাবেশে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের নীতি হচ্ছে, প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর। বর্তমান সরকার মনে করে, মানুষকে যদি শুরুতেই রোগের উৎপত্তির কারণ এবং প্রতিকার সম্পর্কে সচেতন করা যায় তাহলে সহজেই অনেক রোগের নিরাময় সম্ভব। সে কারণে বিদ্যমান চিকিৎসা ব্যবস্থার পাশাপাশি বর্তমান সরকার নতুন করে আরো এক লাখ হেলথ ওয়ার্কার বা স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করতে যাচ্ছে।

যারা নাগরিকদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে সতর্ক এবং সচেতন করবেন। তবে হেলথ ওয়ার্কার বা স্বাস্থ্যকর্মীদের যথাযথভাবে প্রশিক্ষিত করার ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের নেতৃত্ব দিতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, শিক্ষার্থী কিংবা পেশাজীবীরা রাজনীতিতে সংশ্লিষ্ট থাকবেন কি না কিংবা কতটা সম্পৃক্ত থাকবেন এ নিয়ে সচেতন মহলে আলোচনা রয়েছে। এর পক্ষে বিপক্ষে নানা মতও রয়েছে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যেহেতু রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত প্রায় সব কাজকেই প্রভাবিত করে।

সেহেতু শিক্ষার্থী, শিক্ষক কিংবা পেশাজীবী সবাই যার যার মতাদর্শ অনুসারে রাজনৈতিকভাবে সুসংগঠিত থাকা কিংবা রাজনৈতিকভাবে সচেতন থাকা অযৌক্তিক নয়।

তবে অতিমাত্রায় রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা যেন নিজেদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিঘ্ন ঘটার কারণ না হয়ে দাঁড়ায়, সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকা জরুরি। প্রথাগত রাজনীতির বাইরে এসে রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন এখন সময়ের দাবি।

এ সময় দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং চিকিৎসা সেবাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে বেশ কিছু প্রস্তাব

দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে চিকিৎসকদের নানা সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হতে হয় মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারপরও কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনিচ্ছাকৃত অবহেলা বা দায়িত্ব পালনে শৈথিল্য একদিকে সরকারের সামগ্রিক কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, অপরদিকে চিকিৎসক এবং চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কে জনমনে অনাস্থা তৈরি করে। এক্ষেত্রে জনগণ ও চিকিৎসকদের কাছ থেকে আরও দায়িত্বশীল ও মানবিক ভূমিকা প্রত্যাশা করি।

আসুন, আমরা সবাই মিলে এমন একটি চিকিৎসাবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তুলি, যেখানে দেশের প্রতিটি মানুষ মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পাবে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখী হতে হবে না।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

আমাদের একটা বিরোধী দল আছে হাসিনার ভাষায় কথা বলছে: মির্জা ফখরুল

রংপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৭ অপরাহ্ণ
আমাদের একটা বিরোধী দল আছে হাসিনার ভাষায় কথা বলছে: মির্জা ফখরুল

দীর্ঘদিনের একদলীয় শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে দেশকে পুনর্গঠনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজ শুরু করেছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় এলজিআরডি মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দেশের সকল নাগরিককে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে রংপুর শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক চ্যারিটি সংস্থা লাভ শেয়ার বিডির নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত ‘সুবিধাবঞ্চিতদের স্বাবলম্বীকরণ প্রকল্প’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী দেশের ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতিকে ভালো করতে কাজ করছেন, বিপর্যস্ত প্রশাসনকে ঢেলে সাজাতে কাজ করা হচ্ছে। যুদ্ধ সংকটের মাঝেও দেশে তেল গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার কাজ করছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের একটা বিরোধী দল আছে। এই বিরোধী দল দুর্ভাগ্যক্রমে আগের মতো ভূমিকা পালন করতেছে এবং হাসিনা যে ভাষায় কথা বলত, সেই ভাষায় এনারা কথা বলছে। করতে দেব না, চলতে দেব না, শেষ করতে দেব না। এই সরকারের টার্ম শেষ করতে দেব না। এগুলো না বলে সরকারকে সহযোগিতা করুন, তাহলে দেশ আগাবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় এলে রংপুরের লোক জামায়াত-জাতীয় পার্টি করে, তাহলে কেমনে হবে, তাহলে কিভাবে পাবেন। তাছাড়া আমাদের এই এলাকার মানুষের উদ্যোগ নাই। ঝুঁকি নিতে জানে না, নতুন কিছু উদ্যোগ নিবে, এমন কিছু করে না। রংপুরের মানুষকে নিজ পায়ে দাঁড়াতে হবে। রংপুরের উন্নয়ন বিষয়ে কাজ করতে হবে। তাহলে রংপুরের উন্নয়ন সম্ভব।’

লাভ শেয়ার বিডির পরিচালক জাহিদ খানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও রাষ্ট্রদূত মুসফিকুল ফজল আনসারী, সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রেজেকা সুলতানা ফেন্সি, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু, জেলা পরিষদ প্রশাসক সাইফুল ইসলাম।

এসময় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। পরে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে রংপুর অঞ্চলের ২৫টি সুবিধাবঞ্চিত ব্যক্তির মাঝে ২৫টি চা ঘর হস্তান্তর করা হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

কেউ কেউ ২৯ বছর বয়সে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের জন্য ব্যাকুল: মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৬ অপরাহ্ণ
কেউ কেউ ২৯ বছর বয়সে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের জন্য ব্যাকুল: মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী

কেউ কেউ ২৯ বছর বয়সে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের জন্য ব্যাকুল হয়ে আছে বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান।

রোববার (৯ আগস্ট) বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাইয়ে চিকিৎসকদের অবদান শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী বলেন, অনেকে বলেন জুলাই ৩৬ দিনের। কিন্তু জুলাই ১৭ বছরের আন্দোলনের ফসল।  যারা জুলাইয়ের চেতনা বিক্রি করছে, তাদের শিক্ষা হওয়া উচিৎ।

তিনি বলেন, জুলাইয়ের কৃতিত্ব নিয়ে একেকজন একেকটা বয়ান দিচ্ছে।  ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানে চক্রান্তমূলকভাবে রাষ্ট্রপতি ও বিদেশি অতিথিদের সামনে দেশকে কলঙ্কিত করা হয়েছে। ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তির মাঝে বিভাজন তৈরি হলে মৌলবাদীরা এর সুযোগ নেবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের গাফিলতি তুলে ধরে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী বলেন, হাজার হাজার জুলাই যোদ্ধা গেজেটের অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

মন্ত্রী জানান, বিগত ১৭ বছরের আন্দোলনে যারা গুম-খুনের শিকার হয়েছেন তাদের জন্য শিগগিরই নতুন অধিদফতর চালু করবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

এ সময় অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেন, রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিন্নতা থাকতে পারে। কিন্তু হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদানে বাধা দেয়ার কালচার থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে যেসব চিকিৎসক জুলাইয়ে চিকিৎসা না দিয়ে কর্তব্যে অবহেলা করেছেন, তাদের চিহ্নিত করে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

তিনি বলেন, জুলাই জনগণের উত্থান। কৃতিত্ব নিতে ব্যস্ত না হয়ে জুলাইকে ঘিরে আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করতে হবে।

কালের আলো/এসএকে

স্নিগ্ধা চৌধুরীর অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে দুদকে আবেদন

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
স্নিগ্ধা চৌধুরীর অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে দুদকে আবেদন

বিতর্কিত মডেল ও তথাকথিত অভিনেত্রী স্নিগ্ধা চৌধুরীর বিলাস বহুল জীবনযাত্রার আয়ের উৎস অনুসন্ধান ও তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (৯ আগস্ট) রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা মইনুদ্দিন আহমদ দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান বরাবর এ আবেদন করেন।

দুদকের প্রাপ্তি শাখায় জমা পড়া ওই অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, দৃশ্যমান কোনো বড় আয়ের উৎস না থাকা সত্ত্বেও স্নিগ্ধা চৌধুরী বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন। এ পর্যন্ত তিনি ‘রাস্তা’ ও ‘প্রেশার কুকার’ নামে মাত্র দুটি সিনেমায় কাজ করেছেন, যার একটিও এখনো মুক্তি পায়নি।

‘প্রেশার কুকার’ সিনেমায় তার নিজেরও বড় অঙ্কের বিনিয়োগ রয়েছে বলে জানা গেছে। হাতে গোনা কয়েকটি বিজ্ঞাপন ও র‍্যাম্প শোতে অংশ নিলেও তিনি কোটি টাকা মূল্যের গাড়ি ব্যবহার করেন এবং বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে বসবাস করেন।

অভিযোগপত্রে আরও দাবি করা হয়, ব্লাকমেইলিং, অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জন, মাদক ও স্বর্ণ চোরাচালানের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি এই বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। এছাড়া দেশ-বিদেশের একাধিক শীর্ষ সন্ত্রাসীর সঙ্গে তার সখ্য রয়েছে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।

সাম্প্রতিক একটি ভিডিও বার্তার প্রসঙ্গ টেনে অভিযোগে বলা হয়, স্নিগ্ধা চৌধুরী প্রকাশে দাবি করেছেন তার মূল্যবান গাড়ি মিরপুরের মতো এলাকায় চলার উপযুক্ত নয়। পাশাপাশি সবসময় সঙ্গে বডিগার্ড রাখা এবং তার প্রভাবশালী বয়ফ্রেন্ড দেশের শাসনব্যবস্থাকে পরোয়া করে না এমন উসকানিমূলক ও অবমাননাকর মন্তব্যও করতে দেখা গেছে তাকে।

এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি সামাজিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় ঘটাচ্ছেন উল্লেখ করে, তার অর্জিত অবৈধ সম্পদের উৎস দ্রুত অনুসন্ধানপূর্বক আইনানুগ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন আবেদনকারী।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি