খুঁজুন
                               
, ,
           

সৌদিতে সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ জনই বাংলাদেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
সৌদিতে সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ জনই বাংলাদেশি

সৌদি আরবের রিয়াদের শিফা থানাধীন মুসা সানাইয়া শিল্প এলাকায় একটি সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ঘটনাস্থলে ১৬ জন মারা গেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর (শ্রম) মোহাম্মদ রেজায়ে রাব্বী জানিয়েছেন, মৃত ব্যক্তিদের সবাই বাংলাদেশি।

রোববার (৯ আগস্ট) দিবাগত রাতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মোহাম্মদ রেজায়ে রাব্বী জানান, রোববার দুপুর আনুমানিক ২টায় রিয়াদের শিফা থানাধীন মুসা সানাইয়া শিল্প এলাকায় একটি সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ঘটনাস্থলে ১৬ জন মারা গেছেন বলে সেখানে কর্মরত ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীরা নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন নিহতদের সবাই বাংলাদেশি। স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস এখনো উদ্ধারকাজ পরিচালনা করছে। অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়ায় মৃতদেহগুলো শনাক্ত করা দুরূহ হয়ে পড়েছে।

এ ঘটনায় রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাস গভীর শোক জানিয়েছে। এছাড়া দূতাবাসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে মৃত ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় শনাক্তকরণে স্থানীয় সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন বলে জানা গেছে।

এর আগে, রোববার রাতে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এক শোকবার্তায় জানায়, সৌদি আরবের একটি সোফা কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকদের মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

শোকবার্তায় মন্ত্রী বলেন, জীবিকার তাগিদে সুদূর সৌদি আরবে কর্মরত আমাদের এই প্রবাসী ভাইদের এমন অকাল ও মর্মান্তিক মৃত্যু অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। দেশের অর্থনীতিতে তাদের অবদান অপরিসীম। তাদের এই আকস্মিক প্রয়াণে আমি গভীর শোকাহত এবং নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি।

তিনি জানান, সৌদি আরবে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে দুর্ঘটনাস্থল ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। নিহত প্রবাসী ভাইদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা এবং তাদের পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সরকারি সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী মরহুমদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোকে এই অসীম কষ্ট সহ্য করার শক্তি দানের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

রাষ্ট্রীয় সম্মানি ভাতার আওতায় আসছে ৮৬৭০৯ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৪ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় সম্মানি ভাতার আওতায় আসছে ৮৬৭০৯ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

চলতি ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় সম্মানি ভাতার আওতায় আসছে দেশের ৮৬ হাজার ৭০৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত দুই লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন ধর্মীয় নেতা এ সুবিধা পাবেন। চলতি আগস্ট মাসেই এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (১০ আগস্ট) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় সম্মানি ভাতার আওতায় আসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮২ হাজার ৬৫৬টি মসজিদ, ৩ হাজার মন্দির, ৭৫২টি বৌদ্ধ বিহার ও ৩০১টি গির্জা রয়েছে।

সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য মাসিক সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে গঠিত সেলের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) ও সেলের সভাপতি মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার, ধর্মসচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফসহ সেলের অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে সম্মানি ভাতার জন্য প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে ১৫টি করে মসজিদ নির্বাচন করা হবে। পৌরসভাগুলোর মধ্যে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে চারটি, ‘খ’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে তিনটি এবং ‘গ’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে দুটি মসজিদ নির্বাচন করা হবে। সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে নির্বাচন করা হবে ছয়টি করে মসজিদ।

এ ছাড়া, দেশের প্রতিটি উপজেলা থেকে পাঁচটি মন্দির নির্বাচন করা হবে। এর মধ্যে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি থেকে দুটি এবং অন্যান্য শ্রেণির পৌরসভা থেকে একটি করে মন্দির নির্বাচন করা হবে। বাকি মন্দিরগুলো ইউনিয়ন পর্যায় থেকে নির্বাচন করা হবে। বৌদ্ধ বিহার ও গির্জার সংখ্যা জেলাভিত্তিক ২৫ শতাংশ হারে নির্ধারণ করা হবে।

নির্বাচিত মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও গির্জার যাজক মাসে পাঁচ হাজার টাকা করে সম্মানী পাবেন। মসজিদের মুয়াজ্জিন, মন্দিরের সেবাইত, বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ ও গির্জার সহকারী যাজক পাবেন তিন হাজার টাকা করে। আর মসজিদের খাদেমকে দেওয়া হবে মাসিক দুই হাজার টাকা।

সম্মানীর অর্থ সরাসরি উপকারভোগীদের ব্যাংক হিসাবে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতিতে পাঠানো হবে।

মসজিদ ও অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ধর্মীয় নেতাদের মাসিক সম্মানী দিতে চলতি অর্থবছরের বাজেটে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ অর্থবছরে দেশের প্রায় এক-চতুর্থাংশ ধর্মীয় উপাসনালয় এ সুবিধার আওতায় আসবে। পরবর্তী তিন অর্থবছরে ধাপে ধাপে দেশের শতভাগ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬ হাজার ১৭টি নির্বাচিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবাইতসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ১৩ হাজার ৯৪৯ জনকে প্রথমবারের মতো সম্মানী দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার গঠনের এক মাস না পেরোতেই গত ১৪ মার্চ ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

কালের আলো/এসএকে

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

সোমবার (১০ আগস্ট) বেলা ১১টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এ বৈঠক শুরু হয়। যা এখনও চলমান রয়েছে।

তবে, তাদের বৈঠকের বিষয়বস্তু নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে কিছু জানানো হয়নি।

ধারণা করা হচ্ছে, বৈঠক সীমান্ত হত্যা বন্ধ , দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারসহ নানাবিধ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

হরমুজ খুললে পরমাণু ইস্যুতে ইরানকে ছাড় দিতে প্রস্তুত ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ণ
হরমুজ খুললে পরমাণু ইস্যুতে ইরানকে ছাড় দিতে প্রস্তুত ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক পারমাণবিক চুক্তির প্রচেষ্টা থেকে সরে আসতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এর বিনিময়ে তেহরানকে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দিতে হবে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পূর্ণাঙ্গ ও চূড়ান্ত পারমাণবিক চুক্তির পরিবর্তে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল স্বাভাবিক হওয়াকেই অগ্রাধিকার দিতে পারে ট্রাম্প প্রশাসন। এ ধরনের সমঝোতা হলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অভিযান শেষ করা এবং বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি আরও দীর্ঘায়িত করার পথ তৈরি হতে পারে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ট্রাম্প কয়েক সপ্তাহ ধরেই এমন সম্ভাব্য পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তার জ্যেষ্ঠ সহযোগীদের তিনি ব্যক্তিগতভাবে জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে নতুন কোনো পারমাণবিক চুক্তি না হলেও তিনি আলোচনা থেকে সরে আসতে পারেন।

হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিনিময়ে ইরান বেশ কিছু শর্ত দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কয়েক বিলিয়ন ডলারের অর্থপ্রদান, মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, অঞ্চল থেকে মার্কিন বাহিনী সরিয়ে নেওয়া, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং জব্দ বা আটকে থাকা ইরানি সম্পদ মুক্ত করে দেওয়া।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের এসব দাবি ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক বিকল্প আরও সীমিত করে ফেলেছে। একই সঙ্গে এতে ইঙ্গিত মিলছে, তেহরান দ্রুত সমঝোতায় পৌঁছানোর পরিবর্তে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী সংকীর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক সংঘাতের মধ্যে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বাধা দিতে সক্ষম হয়েছে। এতে জাহাজ চলাচলে বিলম্বের পাশাপাশি বৈশ্বিক বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে।

ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। তেহরান বলে আসছে, মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও তাদের মিত্রদের জাহাজকে এই জলপথ দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে প্রণালিটি ব্যবহারকারী বাণিজ্যিক জাহাজের কাছ থেকে অর্থ আদায়েরও চেষ্টা করেছে ইরান।

মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ওয়াশিংটন ইরানের এসব বিধিনিষেধ এবং প্রণালি ব্যবহারের জন্য টোল আদায়ের যেকোনো উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

সম্প্রতি ট্রাম্প একাধিকবার দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি উন্মুক্ত। তবে তার এসব দাবি একাধিকবার সময়ের আগেই করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হয়েছে।

এদিকে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সংঘাত শুরুর আগের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের দাম এখনো উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। সামনে মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনও। ফলে সামরিক অভিযান থেকে যুক্তরাষ্ট্র কী অর্জন করেছে, তা ভোটারদের সামনে তুলে ধরতে ট্রাম্পের ওপর চাপ বাড়ছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ