খুঁজুন
                               
, ,
           

রাষ্ট্রীয় সম্মানি ভাতার আওতায় আসছে ৮৬৭০৯ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৪ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় সম্মানি ভাতার আওতায় আসছে ৮৬৭০৯ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

চলতি ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় সম্মানি ভাতার আওতায় আসছে দেশের ৮৬ হাজার ৭০৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত দুই লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন ধর্মীয় নেতা এ সুবিধা পাবেন। চলতি আগস্ট মাসেই এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (১০ আগস্ট) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় সম্মানি ভাতার আওতায় আসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮২ হাজার ৬৫৬টি মসজিদ, ৩ হাজার মন্দির, ৭৫২টি বৌদ্ধ বিহার ও ৩০১টি গির্জা রয়েছে।

সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য মাসিক সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে গঠিত সেলের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) ও সেলের সভাপতি মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার, ধর্মসচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফসহ সেলের অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে সম্মানি ভাতার জন্য প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে ১৫টি করে মসজিদ নির্বাচন করা হবে। পৌরসভাগুলোর মধ্যে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে চারটি, ‘খ’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে তিনটি এবং ‘গ’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে দুটি মসজিদ নির্বাচন করা হবে। সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে নির্বাচন করা হবে ছয়টি করে মসজিদ।

এ ছাড়া, দেশের প্রতিটি উপজেলা থেকে পাঁচটি মন্দির নির্বাচন করা হবে। এর মধ্যে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি থেকে দুটি এবং অন্যান্য শ্রেণির পৌরসভা থেকে একটি করে মন্দির নির্বাচন করা হবে। বাকি মন্দিরগুলো ইউনিয়ন পর্যায় থেকে নির্বাচন করা হবে। বৌদ্ধ বিহার ও গির্জার সংখ্যা জেলাভিত্তিক ২৫ শতাংশ হারে নির্ধারণ করা হবে।

নির্বাচিত মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও গির্জার যাজক মাসে পাঁচ হাজার টাকা করে সম্মানী পাবেন। মসজিদের মুয়াজ্জিন, মন্দিরের সেবাইত, বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ ও গির্জার সহকারী যাজক পাবেন তিন হাজার টাকা করে। আর মসজিদের খাদেমকে দেওয়া হবে মাসিক দুই হাজার টাকা।

সম্মানীর অর্থ সরাসরি উপকারভোগীদের ব্যাংক হিসাবে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতিতে পাঠানো হবে।

মসজিদ ও অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ধর্মীয় নেতাদের মাসিক সম্মানী দিতে চলতি অর্থবছরের বাজেটে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ অর্থবছরে দেশের প্রায় এক-চতুর্থাংশ ধর্মীয় উপাসনালয় এ সুবিধার আওতায় আসবে। পরবর্তী তিন অর্থবছরে ধাপে ধাপে দেশের শতভাগ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬ হাজার ১৭টি নির্বাচিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবাইতসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ১৩ হাজার ৯৪৯ জনকে প্রথমবারের মতো সম্মানী দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার গঠনের এক মাস না পেরোতেই গত ১৪ মার্চ ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

কালের আলো/এসএকে

দক্ষ জনশক্তি রপ্তানিতে সুইডেনের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫৪ অপরাহ্ণ
দক্ষ জনশক্তি রপ্তানিতে সুইডেনের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সুইডেনসহ ইউরোপের বাজারে কেয়ারগিভারসহ দক্ষ জনশক্তির চাহিদা বাড়ছে। বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রশিক্ষণ জোরদার ও দক্ষ মানবসম্পদ রপ্তানিতে সুইডেন সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস লিনাস রাগনার উইকসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ সহযোগিতা চান।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা, অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, কারিগরি শিক্ষা ও কারিগরি সহায়তা এবং রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সুইডেন বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার। সরকার কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়নের মাধ্যমে দক্ষ ও বিশ্বমানের মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্ব দিচ্ছে।

এ লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের পরিকল্পনা ও প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে।

বৈঠকে সুইডিশ রাষ্ট্রদূত জানান, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশের সঙ্গেই সুইডেনের ‘দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা কৌশল’ রয়েছে।

বাংলাদেশের সঙ্গে সুইডেনের বাণিজ্যিক সম্পর্কও ক্রমে গভীর হচ্ছে। তৈরি পোশাক ও স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে সুইডিশ বিনিয়োগ বাড়ছে।

রাষ্ট্রদূত আরও জানান, বর্তমানে সুইডেনে প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি রয়েছেন। তাদের একটি বড় অংশ শিক্ষার্থী।

অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে নিকোলাস লিনাস রাগনার উইকস বলেন, মানবপাচারকারী চক্রের প্রলোভনে পড়ে কিছু নিরপরাধ মানুষ অনিয়মিত অভিবাসনের শিকার হচ্ছেন।

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানবপাচার প্রতিরোধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে। উন্নত জীবনের প্রত্যাশা এবং পাচারকারীদের প্রলোভন এ সমস্যার অন্যতম কারণ। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সঙ্গে সমন্বয় করে দেশব্যাপী গণসচেতনতাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সংকট পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। সুইডেন রোহিঙ্গা ডোনার গ্রুপের কো-চেয়ার হওয়ায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজরে বিষয়টি রাখতে দেশটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সহায়তা বাড়ানোর অনুরোধ জানান।

সুইডিশ রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসনের ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি রোহিঙ্গা নারী ও শিশুদের শিক্ষা ও নিরাপত্তার বিষয়ে কাজ করার সুইডেনের আগ্রহের কথা জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারে সম্মানজনক ও স্থায়ী প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বাংলাদেশে সুইডিশ দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ছোট করার চেষ্টা করছে স্বাধীনতাবিরোধীরা: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১৯ অপরাহ্ণ
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ছোট করার চেষ্টা করছে স্বাধীনতাবিরোধীরা: রিজভী

স্বাধীনতাবিরোধীরা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ছোট করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সমাবেশে এ মন্তব্য করেন তিনি।

জামায়াতে ইসলামীর প্রধানের বাসভবনে আয়োজিত চিত্র প্রদর্শনীর প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, সর্বশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা’র কোনো ছবি নেই। সেখানে ৭ মার্চের শেখ মুজিবের ভাষণের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। আজ খুবই চক্রান্তমূলকভাবে কোনটা বড় কোনটা ছোট এটা যাচাই করার চেষ্টা করছেন। এটাতে কোনো লাভ হবে না। এই জাতি স্বাধীনতা রক্ষা করতে জানে।

তিনি বলেন, ২০০৮ সালের পাঁতানো নির্বাচনের পর থেকে একই পন্থায় ক্ষমতা ধরে রেখেছিলো একটি বড় দল। বর্তমানে তারা পার্শ্ববর্তী দেশকে আকড়ে ধরে দেশের বিরুদ্ধে যড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।

জামায়াতকে উদ্দেশ করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে দেশের মানুষের বিরুদ্ধে কাজ করেছে দলটি। তাদের বীরত্বের কোন ইতিহাস নেই, আছে শুধু দালালীর ইতিহাস। ৭১ এ পাকিস্তানিদের সাথে আঁতাত ও পরবর্তীতে এরশাদের সঙ্গে যোগ দিয়ে দেশের ক্ষতি করেছে জামায়াত। ছাত্রশিবির বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দাঙ্গা হাঙ্গামা শুরু করেছে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ৭১-এর পাল্লাকে ছোট করে দেখাচ্ছে তারা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে জামায়াতের ছাত্র সংগঠনের দাঁড়িপাল্লা আঁকার প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, ৭১ কে হালকা করে দেখিয়েছে। এগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একাত্তরের চেতনা আমাদের বুকের মধ্যে ছিল বলেই আমাদের সন্তানেরা ’২৪-এ শেখ হাসিনার মতো ফ্যাসিস্টকে তাড়িয়ে দিয়েছে।

এর আগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। রিপোর্টার্স ইউনিটি থেকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

কালের আলো/এসএকে

কালো ধোঁয়ায় নগরবাসীর নিঃশ্বাস ভারী, ডিএমপির ৯১৫ মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১০ অপরাহ্ণ
কালো ধোঁয়ায় নগরবাসীর নিঃশ্বাস ভারী, ডিএমপির ৯১৫ মামলা

রাজধানীর সড়কে কালো ধোঁয়া ছড়ানো যানবাহনের কারণে বাড়ছে পরিবেশদূষণ। নগরবাসীর স্বস্তির নিঃশ্বাস নিশ্চিত করতে এমন যানবাহনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।

এরই ধারাবাহিকতায় গত জুলাই মাসে কালো ধোঁয়া নির্গমনের দায়ে ৯১৫টি মামলা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, পরিবেশদূষণ রোধ এবং সড়কে চলাচলকারী যানবাহন থেকে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমন বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে জুলাই মাসে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কালো ধোঁয়া নির্গমনের দায়ে ৯১৫টি মামলা করা হয়।

তিনি আরও জানান, জুলাই মাসে ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩৪টি, মতিঝিল বিভাগে ৩৫৪টি, লালবাগ বিভাগে ৪টি, ওয়ারী বিভাগে ১৭২টি, তেজগাঁও বিভাগে ১৩১টি, মিরপুর বিভাগে ৩৬টি, উত্তরা বিভাগে ১২৮টি এবং গুলশান বিভাগে ৫৬টি মামলা করা হয়েছে।

পরিবেশদূষণ কমিয়ে নগরবাসীর জন্য নির্মল ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ও আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি