খুঁজুন
                               
, ,
           

বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন পূজা চেরী

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪৬ অপরাহ্ণ
বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন পূজা চেরী

চিত্রনায়িকা পূজা চেরীর বিয়ে নিয়ে কয়েক দিন ধরে ঢালিউডে নানা গুঞ্জন ছড়াচ্ছিল। দেশের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে তাঁর বিয়ে হতে যাচ্ছে—এমন খবরের পাশাপাশি কোথাও কোথাও দাবি করা হয়, এরই মধ্যে বিয়েও সেরে ফেলেছেন তিনি। এত দিন এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য না করলেও এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন পূজা।

সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে পূজা জানান, তাঁর এখনো বিয়ে হয়নি। একই সঙ্গে যাচাই না করে তাঁকে নিয়ে ‘ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর’ সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

পূজা লিখেছেন, কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তাঁর বিয়ে ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে একের পর এক বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশিত হচ্ছে। কখনো কোনো পেশার মানুষের সঙ্গে, আবার কখনো অন্য কারও সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে সংবাদ তৈরি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এসব ঘটনায় বিব্রত ও দুঃখিত বলেও জানান এই অভিনেত্রী।

বিয়ের গুঞ্জনের জবাবে পূজা স্পষ্ট করে বলেন, ‘বারবার বলতে চাই—আমার এখনো বিয়ে হয়নি। যখন হবে, আপনারাই প্রথম জানতে পারবেন।’

এর আগে পূজা চেরীর বিয়ে নিয়ে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জন নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। সেখানে এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে তাঁর বিয়ের আলোচনা এবং ঘনিষ্ঠদের বরাতে বিয়ে হয়ে যাওয়ার দাবির কথাও উঠে আসে। তবে তখন পূজার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে ওই খবরের সত্যতাও নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

এবার নিজের ফেসবুক পোস্টে আগের একটি সাক্ষাৎকারের কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন পূজা। সেখানে তিনি জানিয়েছিলেন, তিনি ‘এনগেজড’ এবং পারিবারিকভাবে তাঁর বিয়ে ঠিক করা হয়েছে। তবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলে নিজেই সবাইকে জানাবেন বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

বর্তমানে ক্যামেরার সামনে তাঁর অনুপস্থিতির কারণও ব্যাখ্যা করেছেন অভিনেত্রী। পূজার ভাষ্য, তিনি নিজেকে কিছুটা সময় দিচ্ছেন এবং নতুন কাজের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ কারণেই আপাতত তাঁকে নিয়মিত শুটিং বা ক্যামেরার সামনে দেখা যাচ্ছে না।

তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যাচাইহীন সংবাদ প্রকাশের বিষয়টি অবশ্য ভালোভাবে নেননি পূজা। নিজের পোস্টে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও আইনি অধিকারের কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, কারও সম্পর্কে ভিত্তিহীন বা মিথ্যা তথ্য প্রচার ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের শামিল হতে পারে।

পূজা সতর্ক করে বলেন, তাঁর নীরবতাকে যদি কেউ ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করেন, তাহলে নিজের আইনি অধিকার রক্ষায় তাঁকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।

সবশেষে গণমাধ্যমকর্মীদের বস্তুনিষ্ঠ ও যাচাই করা তথ্য প্রকাশের আহ্বান জানান এই অভিনেত্রী। একই সঙ্গে গণমাধ্যমের সহযোগিতা এবং দর্শক-ভক্তদের ভালোবাসার প্রতি নিজের সম্মানের কথাও জানিয়েছেন তিনি।

শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় শুরু করা পূজা চেরী নায়িকা হিসেবে পরিচিতি পান ‘পোড়ামন ২’ সিনেমার মাধ্যমে। এরপর ‘দহন’, ‘নূর জাহান’, ‘শান’, ‘গলুই’, ‘হৃদিতা’, ‘জ্বীন’, ‘লিপস্টিক’, ‘আগন্তুক’, ‘টগর’, ‘মাসুদ রানা’ ও ‘দম’সহ বেশ কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।

কালের আলো/এসএ

কাবার নগরী মক্কায় অবরোধ, হামলা ও সংঘাতের ইতিহাস

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৭ পূর্বাহ্ণ
কাবার নগরী মক্কায় অবরোধ, হামলা ও সংঘাতের ইতিহাস

১৯৫৪ সালে পবিত্র কাবা তাওয়াফের একটি দৃশ্য, ছবি : সংগৃহীত

মুসলমানদের পবিত্রতম নগরী মক্কা। কাবাঘর ও মসজিদুল হারামকে ঘিরে গড়ে ওঠা এই শহর শুধু ধর্মীয় বিশ্বাসের কেন্দ্র নয়, ইতিহাসের নানা বাঁকে রাজনৈতিক সংঘাত ও সামরিক সহিংসতারও সাক্ষী। সর্বশেষ সেই দীর্ঘ ইতিহাসে যুক্ত হয়েছে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুতিদের সংঘাত। সৌদি আরবের দাবি, হুতিদের পাঠানো একটি ড্রোন মক্কার দিকে এগোচ্ছিল। মঙ্গলবার মক্কার দক্ষিণে সেটি শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয় এবং পবিত্র নগরীর আকাশসীমায় ঢোকার আগেই ড্রোনটি ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে হুতিরা। ফলে নতুন এই ঘটনাটি একদিকে সৌদি নিরাপত্তাব্যবস্থার সামনে চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে মক্কাকে ঘিরে অতীতের সংঘাতের স্মৃতিও সামনে এনেছে।

  • ৬৮৩-এর অবরোধ থেকে ১৯৭৯-এর মসজিদুল হারাম দখল
  • ২০১৭-এর ক্ষেপণাস্ত্র দাবি পেরিয়ে এবার ড্রোনের অভিযোগ
  • হুতিদের ড্রোন ধ্বংসের দাবি সৌদির, অস্বীকার হুতিদের 

অবরোধে ক্ষতিগ্রস্ত কাবা
মক্কায় রাজনৈতিক সংঘাতের ইতিহাস বহু পুরোনো। দ্বিতীয় ফিতনার সময় ৬৮৩ সালে উমাইয়া বাহিনী মক্কা অবরোধ করে। সংঘাতের মধ্যে কাবাঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে ৬৯২ সালেও আল-হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফের বাহিনী মক্কা অবরোধ করে এবং কাবাকে ঘিরে লড়াই হয়। সৌদিপিডিয়ার তথ্যেও ওই সময় কাবার ক্ষয়ক্ষতির উল্লেখ রয়েছে। এর প্রায় আড়াই শতাব্দী পর ৯২৯/৯৩০ সালে কারমাতিদের হামলা মক্কার ইতিহাসে আরও ভয়াবহ অধ্যায় তৈরি করে। আবু তাহিরের নেতৃত্বে হামলাকারীরা হাজিদের ওপর আক্রমণ চালায় এবং কাবা থেকে হাজরে আসওয়াদ নিয়ে যায়। পাথরটি দীর্ঘ সময় তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকার পর মক্কায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

মসজিদুল হারামে বন্দুকধারীদের দখল
আধুনিক ইতিহাসে সবচেয়ে নাটকীয় ঘটনা ১৯৭৯ সালের মসজিদুল হারাম অবরোধ। ২০ নভেম্বর জুহাইমান আল-ওতাইবির নেতৃত্বে সশস্ত্র একটি দল মসজিদে ঢুকে মুসল্লিদের জিম্মি করে। তারা মোহাম্মদ আল-কাহতানিকে প্রতীক্ষিত মাহদি হিসেবে ঘোষণা করে সৌদি রাজপরিবারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ডাক দেয়। প্রায় দুই সপ্তাহের লড়াইয়ের পর সৌদি বাহিনী মসজিদের নিয়ন্ত্রণ নেয়।

হাজিদের মিছিল থেকে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
১৯৮৭ সালে ইরানি হাজিদের রাজনৈতিক বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মক্কায় ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়। সৌদি সরকারি হিসাবে নিহত হন ৪০২ জন—২৭৫ ইরানি, ৮৫ সৌদি এবং ৪২ জন অন্যান্য দেশের নাগরিক। আহত হন ৬৪৯ জন। তবে সংঘর্ষের কারণ ও নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে সৌদি আর ইরানি বর্ণনায় তীব্র পার্থক্য ছিল।

বোমা হামলা ও ক্ষেপণাস্ত্রের ছায়া
১৯৮৯ সালে মসজিদুল হারামের কাছে বোমা বিস্ফোরণে একজন হাজি নিহত ও ১৬ জন আহত হন। পরে সৌদি কর্তৃপক্ষ ১৬ কুয়েতি নাগরিককে এ ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে। অভিযোগে ইরানের সংশ্লিষ্টতার কথাও ওঠে, যা তেহরান অস্বীকার করে।

২০১৭ সালে আবার মক্কার দিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার অভিযোগ তোলে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। সৌদির দাবি ছিল, ক্ষেপণাস্ত্রটি মক্কার কাছে পৌঁছানোর আগেই ভূপাতিত করা হয়। হুতিরা অবশ্য মক্কাকে লক্ষ্য করার অভিযোগ অস্বীকার করে এবং অন্য লক্ষ্যবস্তুর কথা জানিয়েছিল।

পুরোনো ইতিহাসে নতুন অধ্যায়
মক্কার ইতিহাসে সংঘাতের ধরন বদলেছে—কখনো সেনাবাহিনীর অবরোধ, কখনো সশস্ত্র দখল, কখনো বিক্ষোভ ও বোমা হামলা, আবার কখনো দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি। সর্বশেষ ড্রোনের অভিযোগ সেই ধারাবাহিকতায় প্রযুক্তিনির্ভর নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তবে এবারের ঘটনাতেও মূল প্রশ্ন একই—পবিত্র নগরীর নিরাপত্তা কতটা সংঘাতের বাইরে রাখা সম্ভব।

সৌদি আরব যেখানে মক্কার আকাশসীমাকে কঠোর নিরাপত্তা-সীমা হিসেবে দেখছে, হুতিরা সেখানে সৌদি অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করছে। ফলে ঘটনাটির সামরিক তাৎপর্যের পাশাপাশি এর রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও নজরে রাখার বিষয় হয়ে উঠেছে।

তথ্যসূত্র: সৌদি পিডিয়া, ওয়াশিংটন পোস্ট, ইউপিআই, আরব নিউজ, উইকিজিরো

কালের আলো/এম/এএইচ

কভার্ড ভ্যানের সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, আশুলিয়ায় নিহত ৭

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
কভার্ড ভ্যানের সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, আশুলিয়ায় নিহত ৭

সাভারের আশুলিয়ায় একটি তৈরি পোশাক কারখানায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে সাতজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার প্রীতি গ্রুপের এফএনএস কারখানায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কারখানার ভেতরে তল্লাশি শুরু করেন। একপর্যায়ে একটি কাবার ভেতর থেকে পাঁচজনের ঝলসানো মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এর আগে বিস্ফোরণের তীব্রতায় একটি সিলিন্ডার ছিটকে পাশের একটি কাপড়ের দোকানে গিয়ে পড়ে। এতে জয়নাব বেগম নামে এক নারী ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুলাল নামে আরও এক আহত ব্যক্তির মৃত্যু হয়। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় সাতজনে।

ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কারখানার ভেতরে আরও কেউ আটকা পড়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।

ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, একটি কভার্ড ভ্যানের ভেতরে থাকা সিএনজি সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে জানা যাবে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

ডিজেল-কেরোসিন-অকটেন-পেট্রোলের দাম বাড়ল ২০ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ
ডিজেল-কেরোসিন-অকটেন-পেট্রোলের দাম বাড়ল ২০ টাকা

দেশে চার ধরনের প্রধান জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ডিজেল প্রতি লিটার ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. এনামুল হক স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে নতুন দাম নির্ধারণের তথ্য জানানো হয়।

নতুন দামে ডিজেলের মূল্য ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা থেকে ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা থেকে ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা হয়েছে।

এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত ছিল। সর্বশেষ বড় ধরনের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছিল এপ্রিলে। তখন ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা এবং অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম যথাক্রমে ২০, ১৯ ও ১৮ টাকা বাড়ানো হয়েছিল।

২০২৪ সাল থেকে স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির আওতায় দেশে খুচরা জ্বালানি তেলের দাম পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম, আমদানি ব্যয়, কর ও শুল্ক, বিনিময় হারসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে নিয়মিত এ দাম সমন্বয় করা হয়।

কালের আলো/এমএসআইপি