খুঁজুন
                               
, ,
           

গণভোটের একটি প্রশ্নের অর্ধেক নিয়ে দ্বিমত আছে: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৪০ অপরাহ্ণ
গণভোটের একটি প্রশ্নের অর্ধেক নিয়ে দ্বিমত আছে: আইনমন্ত্রী

গণভোটের চারটি প্রশ্নের মধ্যে সাড়ে তিনটি নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই, তবে একটি প্রশ্নের অর্ধেক অংশ নিয়ে মতভেদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তাঁর দাবি, ওই অংশটি জুলাই সনদের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক বলে মনে হচ্ছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশ: রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, গণভোটের সাড়ে তিনটি প্রশ্ন নিয়ে কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্ব নেই। তবে অর্ধেক প্রশ্ন নিয়ে দ্বিমতের জায়গা রয়েছে। তাঁর মতে, ওই অংশটি জুলাই সনদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

জুলাই সনদের ৬ নম্বর ধারার ১৮ নম্বর অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, সেখানে ১০০ সদস্যের একটি উচ্চকক্ষ গঠনের কথা বলা হয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির কোনো আপত্তি নেই। তবে উচ্চকক্ষের সদস্যরা জনগণের প্রাপ্ত ভোটের অনুপাত অনুযায়ী নির্বাচিত হবেন—এমন প্রস্তাব নিয়ে বিএনপির ভিন্নমত রয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, বিএনপি এ বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছিল এবং তাদের নির্বাচনী ইশতেহারেও বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছিল। বিএনপির অবস্থান ছিল, উচ্চকক্ষের সদস্য নির্বাচন সংসদ সদস্যদের আনুপাতিক হারে হওয়া উচিত।

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, এটি বাস্তবায়নের জন্য ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’ নামে একটি আইন করা প্রয়োজন। সংবিধান সংশোধনের সমপর্যায়ের কোনো বিষয় অধ্যাদেশের মাধ্যমে করা হলে তা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, সংবিধান কার্যকর হওয়ার পর রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে এ ধরনের আইন করার সুযোগ আর রাখা হয়নি। আইন করতে হলে তা সংসদে পাস করতে হবে। সংসদ না থাকলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।

আলোচনা সভায় সিজিএস সভাপতি জিল্লুর রহমানের সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, গণফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, খেলাফত মজলিসের সেক্রেটারি জেনারেল ডা. আহমদ আব্দুল কাদের ও সিনিয়র সাংবাদিক সোহরাব হোসেনসহ অনেকে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর সঙ্গে আনসার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর সঙ্গে আনসার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক নবনিযুক্ত মন্ত্রীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

বৈঠকে দেশের বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পেশাদারিত্ব ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের বিষয়টি বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়। মন্ত্রী দেশের গেটওয়ে খ্যাত বিমানবন্দরগুলোর সার্বিক শৃঙ্খলা, যাত্রী ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের নিরাপত্তায় আনসার সদস্যদের নিবেদিত ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। এ সময় আনসার মহাপরিচালক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নবনির্মিত তৃতীয় টার্মিনালের নিরাপত্তায় অঙ্গীভূত আনসার সদস্যদের মোতায়েন ও সমন্বয়সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপ সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন।

আলোচনায় দেশ ও মানুষের কল্যাণে মন্ত্রণালয় ও বাহিনীর পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের পর্যটন খাতের টেকসই উন্নয়নে সবার আগে বাংলাদেশ মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে একযোগে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বাড়াতে বন্ধ সীমান্ত হাট চালুর উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০৩ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বাড়াতে বন্ধ সীমান্ত হাট চালুর উদ্যোগ

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গতিশীল করতে বন্ধ থাকা সীমান্ত হাট পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। স্থলবন্দরগুলোকে পূর্ণ সক্ষমতায় কার্যকর করা এবং স্থলপথে সুতা আমদানির ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে দুই দেশের মধ্যে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও ব্যবসায়িক প্রতিবন্ধকতা দূর করার বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।

বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বর্তমানে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য রয়েছে। তবে গত দেড় বছরে কিছু প্রতিবন্ধকতা তৈরি হওয়ায় বাণিজ্যিক কার্যক্রমে কিছুটা ধীরগতি এসেছে। এসব সমস্যা চিহ্নিত করে কীভাবে ভবিষ্যতে দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক আরও সহজ ও কার্যকর করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, চীনের পর ভারত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। বৈঠকে স্থলবন্দরগুলো পুরোপুরি কার্যকর করা, বন্ধ থাকা সীমান্ত হাট পুনরায় চালু করা এবং স্থলপথে সুতা আমদানির ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে একটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠন এবং ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়েও প্রস্তাব এসেছে। এর মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি, ব্যবসায়িক সম্পর্ক সম্প্রসারণ এবং বাণিজ্যে গতি আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভারতীয় হাইকমিশনারের উদ্যোগে আগামী দিনে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা নতুন মাত্রা পাবে।

বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ে কিছু মতপার্থক্য থাকলেও সাধারণ মানুষ উন্নয়ন ও অগ্রগতি চায়। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যতের জন্য দুই দেশকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

বাংলাদেশ ও ভারত দুটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। কেউ বড় বা ছোট নয়, সবাই সমান। এই সমতার ভিত্তিতেই দুই দেশকে কাজ করে যেতে হবে বলেও যোগ করেন তিনি।

ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সহযোগিতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অর্থনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী হলে অন্যান্য ক্ষেত্রেও সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

ভারতীয় হাইকমিশনার যৌথ বিনিয়োগ ও উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত বিশ্বব্যাপী অত্যন্ত সফল। এই খাতে ভারত জিপার, মেশিনারি, বোতামসহ বিভিন্ন উপকরণ সরবরাহের মাধ্যমে সহযোগিতা করতে পারে। এতে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরতা আরও বাড়বে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেখা পোশাক দেখে তিনি গর্ব অনুভব করেন। বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাত দুই দেশের যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বড় পরিসরে এগিয়ে যেতে পারে।

দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি, নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র তৈরি এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আগামী দিনে আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ছয় বছর পর আবারও জুটি অপূর্ব-শার্লিন, ‘নীলপরী’তে থাকছে চমক

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
ছয় বছর পর আবারও জুটি অপূর্ব-শার্লিন, ‘নীলপরী’তে থাকছে চমক

প্রায় ছয় বছর পর আবারও জুটি বেঁধে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব ও শার্লিন ফারজানা। মাসরিকুল আলমের পরিচালনায় নতুন নাটক **‘নীলপরী’**তে দেখা যাবে তাঁদের। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের জিন্দা পার্কে সম্প্রতি নাটকটির শুটিংয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তাঁরা।

শুটিংয়ের ফাঁকে নাটকটি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অপূর্ব জানান, ‘নীলপরী’তে দর্শকদের জন্য বেশ কিছু চমক থাকছে। তাঁর ভাষায়, গল্পটি ‘ক্যাচি’ এবং শুরুতে দর্শকদের আকৃষ্ট করার মতো নানা উপাদান থাকলেও একপর্যায়ে গল্প ভিন্ন দিকে মোড় নেবে।

অপূর্ব ও শার্লিন এর আগে ‘ভালোবাসার ফানুশ’ নাটকে জুটি হয়ে অভিনয় করেছিলেন। দীর্ঘ বিরতির পর আবার একসঙ্গে কাজ করতে পেরে উচ্ছ্বসিত দুজনই।

অপূর্ব বলেন, পুরোনো সহশিল্পীর সঙ্গে কাজ করার আনন্দই আলাদা। শার্লিনের সঙ্গে আগে থেকেই তাঁদের অভিনয়ের বোঝাপড়া তৈরি থাকায় নতুন করে রসায়ন তৈরির চাপ নেই বলেও জানান তিনি।

অন্যদিকে শার্লিন জানান, অভিনয় থেকে দীর্ঘ বিরতির অন্যতম কারণ ছিল কাজের সেই ভালো লাগাটি মিস করা। অপূর্বর সঙ্গে আবার কাজ করতে পেরে তিনি আনন্দিত। তাঁর মতে, অপূর্ব সহশিল্পীর অভিনয়ের জায়গাগুলোও খেয়াল করেন এবং প্রয়োজন হলে আরও ভালোভাবে তুলে ধরতে সাহায্য করেন।

শুটিংয়ের সময় অপূর্বর কাছ থেকে কোনো ধরনের ‘সুপারস্টারসুলভ’ আচরণ বা আধিপত্য অনুভব করেননি বলেও জানান শার্লিন। জবাবে অপূর্ব বলেন, ‘আমি তো নিজেকে সুপারস্টার মনেই করি না, ডমিনেট কী করতে যাব!’

এদিকে অভিনয়ের পাশাপাশি অপূর্বর সংগীতচর্চারও প্রশংসা করেন শার্লিন। তিনি জানান, অপূর্ব শুধু ভালো গানই করেন না, গান লেখাতেও তাঁর দারুণ দক্ষতা রয়েছে।

ছোট পর্দার জনপ্রিয় এই অভিনেতাকে বড় পর্দায় দেখার অপেক্ষায় থাকা দর্শকদের জন্যও রয়েছে নতুন খবর। অপূর্ব জানান, বর্তমানে চারটি সিনেমার গল্প নিয়ে আলোচনা চলছে। চারটি সিনেমার গল্পই ভিন্ন ধরনের। তবে চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত সিনেমাগুলো নিয়ে বিস্তারিত জানাতে চান না তিনি।

শাকিব খানের সঙ্গে ভবিষ্যতে একই সিনেমায় কাজ করার সম্ভাবনা নিয়েও কথা বলেন অপূর্ব। জানান, এ বিষয়ে এখনো কোনো প্রস্তাব পাননি। তবে সুযোগ এলে শাকিব খানের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী তিনি।

কালের আলো/এসএ