খুঁজুন
                               
, ,
           

২৮৬ দিন পর থাইল্যান্ডে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ
২৮৬ দিন পর থাইল্যান্ডে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকন

দীর্ঘ ২৮৬ দিন সমুদ্রে থাকার পর বুধবার থাইল্যান্ডের লায়েম চাবাং বন্দরে পৌঁছেছে মার্কিন নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন। প্রায় ৫ হাজার নাবিক ও মেরিন নিয়ে রণতরীটি দীর্ঘ সময় ধরে সমুদ্রে অবস্থান করেছে। এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক কার্যক্রমেও অংশ নিয়েছে জাহাজটি।

মার্কিন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি কয়েকজন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতার বক্তব্য অনুযায়ী, আব্রাহাম লিংকনের টানা সমুদ্রে থাকার সময় আধুনিক যুগের একটি রেকর্ড তৈরি হয়েছে। সাধারণত মার্কিন নৌবাহিনীর একটি মোতায়েন ছয় থেকে নয় মাস স্থায়ী হয়। তবে যুদ্ধ বা বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের পরিস্থিতিতে সেই সময় আরও দীর্ঘ হতে পারে।

থাইল্যান্ডে পৌঁছানোর পর রণতরীটি এবং এর সঙ্গে থাকা অন্যান্য মার্কিন নৌযান প্রায় পাঁচ দিন সেখানে অবস্থান করবে। এই সময় নাবিক ও মেরিনদের বিশ্রাম, পুনরুদ্ধার এবং প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছে থাই কর্তৃপক্ষ।

ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ-৩-এর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল রবার্ট ই. লাফরান বলেন, দীর্ঘ অভিযানের পর লায়েম চাবাংয়ে পৌঁছানো নাবিক ও মেরিনদের জন্য বিশ্রাম নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। একই সঙ্গে এই সফর যুক্তরাষ্ট্র ও থাইল্যান্ডের দীর্ঘদিনের সামরিক সম্পর্ক ও জোটের বিষয়টিও তুলে ধরে।

তিনি বলেন, এই স্ট্রাইক গ্রুপের সদস্যরা দীর্ঘ অভিযানে অসাধারণ পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন এবং তাদের অর্জনকে তিনি ‘ঐতিহাসিক’ বলে মনে করেন।

থাইল্যান্ড ১৯৫৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের একটি চুক্তিভিত্তিক মিত্রে পরিণত হয়। পরে ২০০৩ সালে দেশটিকে প্রধান নন-ন্যাটো মিত্রের মর্যাদা দেয় ওয়াশিংটন। দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা রয়েছে। থাইল্যান্ডের সশস্ত্র বাহিনী মার্কিন প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের ওপরও উল্লেখযোগ্যভাবে নির্ভরশীল।

দুই দেশ নিয়মিত সামরিক মহড়াসহ বিভিন্ন প্রতিরক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে। থাই কর্মকর্তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, আব্রাহাম লিংকনের বর্তমান সফর মূলত বিশ্রাম, পুনরুদ্ধার ও লজিস্টিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য। এটি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত নয়।

মার্কিন নৌসদস্যদের আগমনে থাইল্যান্ডের জনপ্রিয় পর্যটননগরী পাতায়ায়ও বাড়তি ব্যস্ততা তৈরি হয়েছে। লায়েম চাবাং বন্দর থেকে পাতায়ায় যাতায়াতের জন্য প্রায় ৪০টি বাস ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পাতায়ার মেয়র পোরামাসে এনগামপিচেস।

ব্যাপকসংখ্যক মার্কিন সামরিক সদস্যের আগমনে স্থানীয় হোটেল, রেস্তোরাঁ, দোকান ও অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিক্রি বাড়ার প্রত্যাশা করছেন ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে পাতায়ার জনপ্রিয় নাইটলাইফ এলাকায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে এ নিয়ে আগ্রহ দেখা গেছে।

এক স্থানীয় পোশাক বিক্রেতা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে ব্যবসা কিছুটা ধীরগতির ছিল। মার্কিন নৌসদস্যদের আগমনকে সামনে রেখে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বাস্কেটবল জার্সি ও হাতির নকশার প্যান্টসহ বিভিন্ন পণ্য মজুত করেছেন।

আরেক স্থানীয় খাবার বিক্রেতার ভাষ্য, মার্কিন সামরিক বাহিনীর সদস্যদের থাইল্যান্ড সফর সাধারণত স্থানীয় ব্যবসার জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

তবে মার্কিন সামরিক সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাতায়ায় অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। সৈন্যদের জন্য কিছু বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের জলক্রীড়া, জেট স্কি, বাঞ্জি জাম্পিং, কুস্তি ও বক্সিংয়ের মতো কার্যক্রম রয়েছে।

এদিকে পাতায়ার প্রধান সমুদ্রসৈকত ও নাইটলাইফ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এর আগে শহরটির কিছু এলাকায় যৌন ব্যবসার অভিযোগে অভিযান চালিয়ে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আটক করা হয়েছিল বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

থাইল্যান্ডে যৌন ব্যবসা আইনত নিষিদ্ধ হলেও দেশটির বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে, বিশেষ করে ব্যাংকক ও পাতায়ার কিছু এলাকায়, এ ধরনের কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরেই প্রকাশ্যে চলে আসছে।

দীর্ঘ ২৮৬ দিনের সমুদ্রযাত্রার পর আব্রাহাম লিংকনের থাইল্যান্ড সফর তাই একদিকে যেমন মার্কিন নৌসদস্যদের জন্য বিশ্রামের সুযোগ তৈরি করেছে, অন্যদিকে স্থানীয় পর্যটন ও ব্যবসা খাতেও সাময়িকভাবে বাড়তি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রত্যাশা তৈরি করেছে।

কালের আলো/এসএ

বাড়ল ভোজ্য তেলের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
বাড়ল ভোজ্য তেলের দাম

ভোজ্য তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। বোতলজাত প্রতি লিটার তেলের দাম ৫ টাকা বাড়িয়ে ২০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে এ দাম নির্ধারণ করে দেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে পামওয়েলের দাম।

তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়শেন।

বৈঠকে আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি, আমদানি ব্যয় এবং দেশের বাজারে ভোজ্যতেলের বর্তমান মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা শেষে সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে বাজারে বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ২০৪ টাকায় বিক্রি হবে। তবে বাড়ানো হয়নি পামওয়েলের দাম।

এতদিন প্রতি লিটার বোতলজাত ভোজ্য তেলের সরকারি মূল্য ছিল ১৯৯ টাকা। গত ২৯ এপ্রিল লিটারে চার টাকা বাড়িয়ে ১৯৫ টাকা থেকে এ দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল।

সেদিন সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ভোজ্যতেলের মূল্য পর্যালোচনা সংক্রান্ত এক বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী আবদুল মুক্তাদির এ দাম ঘোষণা করেছিলেন।

পরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এবার এক লাফে লিটারে বাড়ল পাঁচ টাকা।

দুই দিন আগেই নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করেছে সরকার। সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বেড়েছে সর্বনিম্ন ১০০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ। এর দুদিন না যেতেই বাড়ল ভোজ্য তেলের দাম।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

হরমুজ সংকট: বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহ নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৩ অপরাহ্ণ
হরমুজ সংকট: বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহ নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা

হরমুজ প্রণালি দিয়ে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহন এখনো স্বাভাবিক না হওয়ায় ক্রেতাদের জন্য ‘ফোর্স মেজর’ বা চুক্তিগত দায়মুক্তির সময়সীমা আরও কয়েক সপ্তাহ বাড়িয়েছে কাতারের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান কাতারএনার্জি। এর ফলে বাংলাদেশসহ কাতারের এলএনজির ওপর নির্ভরশীল দেশগুলোর জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কাতারএনার্জি এ সপ্তাহে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ক্রেতাদের জানিয়েছে, অক্টোবর পর্যন্ত এলএনজি কার্গো বাতিলের ধারা অব্যাহত থাকবে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত কয়েকজন ব্যবসায়ীর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

ইউরোপের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় নির্ধারিত কিছু এলএনজি সরবরাহও সেপ্টেম্বরের পর বাতিল করা হয়েছে। ইতালির জ্বালানি প্রতিষ্ঠান এডিসন জানিয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে ফোর্স মেজর ও কার্গো বাতিলের সময়সীমা নভেম্বরের শুরু পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে জুলাইয়ের শেষদিকে এডিসন জানিয়েছিল, কাতারএনার্জি আরও তিনটি এলএনজি কার্গো বাতিল করেছে এবং ফোর্স মেজরের সময়সীমা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে। ২৮ জুলাই পর্যন্ত এডিসনের জন্য নির্ধারিত মোট ২৪টি এলএনজি কার্গো ফোর্স মেজরের আওতায় পড়েছিল। এসব কার্গোর সম্মিলিত পরিমাণ ছিল প্রায় ৩০০ কোটি ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাস।

এলএনজি সরবরাহ বাতিলের প্রধান কারণ হিসেবে হরমুজ প্রণালিতে এর পরিবহন এখনো কার্যত বন্ধ থাকার কথা বলা হয়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে প্রণালিটি দিয়ে তেল পরিবহন কিছুটা বাড়লেও এলএনজি পরিবহন স্বাভাবিক হয়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরিশোধিত তেলের ক্ষেত্রে বিকল্প রুট ও পদ্ধতি ব্যবহার করা সম্ভব হলেও এলএনজির ক্ষেত্রে তা অত্যন্ত কঠিন। হরমুজ প্রণালি দিয়ে এলএনজি পরিবহনের পর শিপ-টু-শিপ (STS) ট্রান্সফারের মাধ্যমে অন্য জাহাজে তুলে বিকল্প পথে পাঠানোর সুযোগ নেই।

সাম্প্রতিক সময়ে কাতারসহ পারস্য উপসাগরীয় কয়েকটি জ্বালানি উৎপাদনকারী দেশ বিকল্প রুট ও পদ্ধতি ব্যবহার করে তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখার চেষ্টা করছে। তবে এলএনজির ক্ষেত্রে একই কৌশল প্রয়োগ করা সম্ভব না হওয়ায় হরমুজ সংকট কাতারের রপ্তানিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।

দীর্ঘস্থায়ী হরমুজ সংকটের কারণে কাতারের এলএনজি রপ্তানি ও রাজস্বে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। রয়টার্সের হিসাব অনুযায়ী, চলতি সময়ে কাতারের এলএনজি রপ্তানি সর্বোচ্চ ৯৬ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে।

ডেটা ইন্টেলিজেন্স প্রতিষ্ঠান আইসিসের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ে কাতার থেকে ৫০৯টি এলএনজি কার্গো পাঠানো হয়েছিল। বিপরীতে চলতি সময়ে এখন পর্যন্ত দেশটি মাত্র ১৮টি এলএনজি কার্গো রপ্তানি করতে পেরেছে।

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এলএনজি রপ্তানিকারক কাতারের সরবরাহে এই দীর্ঘস্থায়ী বিঘ্ন শুধু দেশটির রাজস্বে চাপ তৈরি করছে না, একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মতো কাতারের ওপর নির্ভরশীল দেশগুলোর জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়েও নতুন উদ্বেগ তৈরি করছে।

কালের আলো/এসএ

ইরানের সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে রাশিয়ার সহায়তার দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫৭ অপরাহ্ণ
ইরানের সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে রাশিয়ার সহায়তার দাবি

ইরানকে সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল তৈরিতে রাশিয়া সহায়তা করছে বলে দাবি করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সাল থেকে তেহরানকে এ প্রযুক্তি ও সংশ্লিষ্ট সামরিক সক্ষমতা অর্জনে সহায়তা দিয়ে আসছে মস্কো।

ফিন্যান্সিয়াল টাইমস-এর তদন্তে রাশিয়ার নথি, ভ্রমণ রেকর্ড ও সামরিক পেটেন্ট বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। সংবাদমাধ্যমটি ইরানকে রাশিয়ার সামরিক প্রযুক্তি হস্তান্তরের এই কার্যক্রমকে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও প্রকাশ্য দিক হিসেবে বর্ণনা করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান যে সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল তৈরি করছে, সেটির উন্নয়ন কার্যক্রমে রাশিয়ার কয়েকজন কর্মকর্তাও সরাসরি যুক্ত রয়েছেন। মিসাইলটির সক্ষমতা বাড়াতে ‘র‌্যামজেট’ ইঞ্জিন প্রযুক্তির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ প্রযুক্তি ব্যবহার করলে ক্রুজ মিসাইল শব্দের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি গতিতে লক্ষ্যবস্তুর দিকে ছুটে যেতে পারে।

ইরান ইতোমধ্যে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে মিসাইল তৈরি ও পরীক্ষা করেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে এসব মিসাইল যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহারের কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।

মিসাইল বিশেষজ্ঞ ফাবিয়ান হিনজ বলেন, এটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ সামরিক প্রযুক্তি, যা ইরান কয়েক দশক ধরে রাশিয়ার কাছ থেকে পাওয়ার চেষ্টা করে আসছে। তার মতে, এই প্রযুক্তি ইরানের হাতে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে রাশিয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনের উচ্চপর্যায়ের অনুমোদন প্রয়োজন হয়েছে।

এ ধরনের প্রযুক্তি ইরানের হাতে পৌঁছালে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর বিমান, রণতরী ও অন্যান্য যুদ্ধজাহাজের জন্য হুমকি বাড়তে পারে বলে প্রতিবেদনে ইঙ্গিত করা হয়েছে।

সূত্র: ফিন্যান্সিয়াল টাইমস

কালের আলো/এসএ