খুঁজুন
                               
, ,
           

খেলাপি ঋণ ছাড়াল ৬ লাখ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২৮ অপরাহ্ণ
খেলাপি ঋণ ছাড়াল ৬ লাখ কোটি টাকা

দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ জুন ২০২৬ শেষে ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। তিন মাসের ব্যবধানে শ্রেণিকৃত ঋণ বেড়েছে ১৭ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা। একই সময়ে মোট ঋণের মধ্যে শ্রেণিকৃত ঋণের হারও বেড়ে ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশে উঠেছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ ২০২৬ শেষে শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা। ওই সময় মোট ঋণের মধ্যে শ্রেণিকৃত ঋণের হার ছিল ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশ।অর্থাৎ, মার্চ থেকে জুন—এই তিন মাসে ব্যাংক খাতে শ্রেণিকৃত ঋণ বেড়েছে ১৭ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা। পাশাপাশি শ্রেণিকৃত ঋণের হার বেড়েছে শূন্য দশমিক ৫২ শতাংশীয় পয়েন্ট।

জুন শেষে শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ দেশের ব্যাংক খাতের মোট ঋণের প্রায় এক-তৃতীয়াংশে পৌঁছেছে। ফলে ব্যাংক খাতের ঋণমান ও আর্থিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

দুই মাস পর দেশে ফিরলেন শাকিব খান, সামনে টানা সিনেমার কাজ

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২৭ অপরাহ্ণ
দুই মাস পর দেশে ফিরলেন শাকিব খান, সামনে টানা সিনেমার কাজ

দুই মাসের যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরেছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খান। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।

গত ২ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছিলেন শাকিব। দীর্ঘ এই সফরে ব্যক্তিগত কাজের পাশাপাশি ব্যবসায়িক বিভিন্ন কাজও সেরেছেন তিনি। সব কাজ শেষ করে প্রায় দুই মাস পর দেশে ফিরলেন এই তারকা।

তবে দেশে ফিরেই বিশ্রামের সুযোগ পাচ্ছেন না শাকিব। সামনে রয়েছে একাধিক সিনেমার কাজ। প্রথমেই ‘সোলজার’ সিনেমার বাকি অংশের শুটিংয়ে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার। আগামী সপ্তাহে সিনেমাটির কয়েকটি দৃশ্যের শুটিং শেষ করবেন তিনি।

‘সোলজার’-এর কাজ শেষ হওয়ার পরই নতুন সিনেমার শুটিংয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বেন শাকিব। মেহেদী হাসান হৃদয়ের পরিচালনায় নির্মিতব্য ওই সিনেমায় এরই মধ্যে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি। গত ২ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগেই সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য চুক্তি সম্পন্ন করেন এই অভিনেতা।

নতুন সিনেমার শুটিং কবে শুরু হবে, তা নিয়ে শাকিবভক্তদের মধ্যেও আগ্রহ রয়েছে। ‘সোলজার’-এর কাজ শেষ করেই নতুন ছবির সেটে হাজির হওয়ার কথা রয়েছে তার।

যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ সময় অবস্থান করা শাকিব খানের জন্য অবশ্য নতুন কিছু নয়। সিনেমার কাজ ও ব্যক্তিগত প্রয়োজনে নিয়মিতই দেশটিতে যাতায়াত করেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারী হওয়ায় বছরের নির্দিষ্ট একটি সময় সেখানে অবস্থান করতে হয় এই অভিনেতাকে।

এবারের সফরেও ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক কাজের পাশাপাশি সেই নিয়ম মেনেই যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন শাকিব। দেশে ফেরার পর এখন আবারও চলচ্চিত্রের ব্যস্ততায় ফিরছেন তিনি।

সব মিলিয়ে শাকিব খানের সামনে অপেক্ষা করছে ব্যস্ত সময়। ‘সোলজার’-এর বাকি শুটিং শেষ করার পরপরই নতুন সিনেমার কাজ শুরু করবেন ঢালিউডের এই তারকা।

কালের আলো/এসএ

বাড়ল ভোজ্য তেলের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
বাড়ল ভোজ্য তেলের দাম

ভোজ্য তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। বোতলজাত প্রতি লিটার তেলের দাম ৫ টাকা বাড়িয়ে ২০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে এ দাম নির্ধারণ করে দেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে পামওয়েলের দাম।

তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়শেন।

বৈঠকে আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি, আমদানি ব্যয় এবং দেশের বাজারে ভোজ্যতেলের বর্তমান মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা শেষে সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে বাজারে বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ২০৪ টাকায় বিক্রি হবে। তবে বাড়ানো হয়নি পামওয়েলের দাম।

এতদিন প্রতি লিটার বোতলজাত ভোজ্য তেলের সরকারি মূল্য ছিল ১৯৯ টাকা। গত ২৯ এপ্রিল লিটারে চার টাকা বাড়িয়ে ১৯৫ টাকা থেকে এ দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল।

সেদিন সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ভোজ্যতেলের মূল্য পর্যালোচনা সংক্রান্ত এক বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী আবদুল মুক্তাদির এ দাম ঘোষণা করেছিলেন।

পরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এবার এক লাফে লিটারে বাড়ল পাঁচ টাকা।

দুই দিন আগেই নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করেছে সরকার। সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বেড়েছে সর্বনিম্ন ১০০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ। এর দুদিন না যেতেই বাড়ল ভোজ্য তেলের দাম।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

হরমুজ সংকট: বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহ নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৩ অপরাহ্ণ
হরমুজ সংকট: বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহ নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা

হরমুজ প্রণালি দিয়ে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহন এখনো স্বাভাবিক না হওয়ায় ক্রেতাদের জন্য ‘ফোর্স মেজর’ বা চুক্তিগত দায়মুক্তির সময়সীমা আরও কয়েক সপ্তাহ বাড়িয়েছে কাতারের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান কাতারএনার্জি। এর ফলে বাংলাদেশসহ কাতারের এলএনজির ওপর নির্ভরশীল দেশগুলোর জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কাতারএনার্জি এ সপ্তাহে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ক্রেতাদের জানিয়েছে, অক্টোবর পর্যন্ত এলএনজি কার্গো বাতিলের ধারা অব্যাহত থাকবে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত কয়েকজন ব্যবসায়ীর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

ইউরোপের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় নির্ধারিত কিছু এলএনজি সরবরাহও সেপ্টেম্বরের পর বাতিল করা হয়েছে। ইতালির জ্বালানি প্রতিষ্ঠান এডিসন জানিয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে ফোর্স মেজর ও কার্গো বাতিলের সময়সীমা নভেম্বরের শুরু পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে জুলাইয়ের শেষদিকে এডিসন জানিয়েছিল, কাতারএনার্জি আরও তিনটি এলএনজি কার্গো বাতিল করেছে এবং ফোর্স মেজরের সময়সীমা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে। ২৮ জুলাই পর্যন্ত এডিসনের জন্য নির্ধারিত মোট ২৪টি এলএনজি কার্গো ফোর্স মেজরের আওতায় পড়েছিল। এসব কার্গোর সম্মিলিত পরিমাণ ছিল প্রায় ৩০০ কোটি ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাস।

এলএনজি সরবরাহ বাতিলের প্রধান কারণ হিসেবে হরমুজ প্রণালিতে এর পরিবহন এখনো কার্যত বন্ধ থাকার কথা বলা হয়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে প্রণালিটি দিয়ে তেল পরিবহন কিছুটা বাড়লেও এলএনজি পরিবহন স্বাভাবিক হয়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরিশোধিত তেলের ক্ষেত্রে বিকল্প রুট ও পদ্ধতি ব্যবহার করা সম্ভব হলেও এলএনজির ক্ষেত্রে তা অত্যন্ত কঠিন। হরমুজ প্রণালি দিয়ে এলএনজি পরিবহনের পর শিপ-টু-শিপ (STS) ট্রান্সফারের মাধ্যমে অন্য জাহাজে তুলে বিকল্প পথে পাঠানোর সুযোগ নেই।

সাম্প্রতিক সময়ে কাতারসহ পারস্য উপসাগরীয় কয়েকটি জ্বালানি উৎপাদনকারী দেশ বিকল্প রুট ও পদ্ধতি ব্যবহার করে তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখার চেষ্টা করছে। তবে এলএনজির ক্ষেত্রে একই কৌশল প্রয়োগ করা সম্ভব না হওয়ায় হরমুজ সংকট কাতারের রপ্তানিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।

দীর্ঘস্থায়ী হরমুজ সংকটের কারণে কাতারের এলএনজি রপ্তানি ও রাজস্বে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। রয়টার্সের হিসাব অনুযায়ী, চলতি সময়ে কাতারের এলএনজি রপ্তানি সর্বোচ্চ ৯৬ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে।

ডেটা ইন্টেলিজেন্স প্রতিষ্ঠান আইসিসের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ে কাতার থেকে ৫০৯টি এলএনজি কার্গো পাঠানো হয়েছিল। বিপরীতে চলতি সময়ে এখন পর্যন্ত দেশটি মাত্র ১৮টি এলএনজি কার্গো রপ্তানি করতে পেরেছে।

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এলএনজি রপ্তানিকারক কাতারের সরবরাহে এই দীর্ঘস্থায়ী বিঘ্ন শুধু দেশটির রাজস্বে চাপ তৈরি করছে না, একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মতো কাতারের ওপর নির্ভরশীল দেশগুলোর জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়েও নতুন উদ্বেগ তৈরি করছে।

কালের আলো/এসএ