খুঁজুন
                               
, ,
           

‘একজন কমলালেবু’ অবলম্বনে জীবনানন্দ, ফের জুটি গৌতম ঘোষ-হাবিবুর রহমান

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৯ অপরাহ্ণ
‘একজন কমলালেবু’ অবলম্বনে জীবনানন্দ, ফের জুটি গৌতম ঘোষ-হাবিবুর রহমান

কবি জীবনানন্দ দাশের জীবন ও সাহিত্য নিয়ে নতুন সিনেমা নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন ভারতের নির্মাতা গৌতম ঘোষ ও বাংলাদেশের প্রযোজক হাবিবুর রহমান খান। ‘পদ্মা নদীর মাঝি’, ‘মনের মানুষ’ ও ‘শঙ্খচিল’-এর পর এটি হতে যাচ্ছে এই দুই নির্মাতার নতুন যৌথ উদ্যোগ।

নাম চূড়ান্ত না হওয়া সিনেমাটি বিশিষ্ট লেখক ও ঔপন্যাসিক শাহাদুজ্জামানের ‘একজন কমলালেবু’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হবে। জীবনানন্দের জীবন, সাহিত্য, ব্যক্তিগত টানাপোড়েন ও অন্তর্দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করেই এগোবে গল্প।

সম্প্রতি ইউটিউব চ্যানেল রেডিও গাগাকে দেওয়া এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে হাবিবুর রহমান খান জানান, সিনেমাটি নিয়ে গৌতম ঘোষের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা হচ্ছে। গৌতম ইতোমধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জীবনানন্দকে নিয়ে গবেষণা করছেন এবং লন্ডনে শাহাদুজ্জামানের সঙ্গেও এ বিষয়ে বৈঠক করেছেন।

হাবিবুর বলেন, ‘গৌতম ও আমি দুজনই সিনেমাটি নিয়ে ভীষণভাবে আচ্ছন্ন। আমরা প্রায়ই ফোনে এ নিয়ে আলোচনা করি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করছেন।’

সিনেমায় জীবনানন্দের চরিত্রে কে অভিনয় করবেন, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে একটি বিষয়ে শুরু থেকেই সিদ্ধান্ত স্পষ্ট—জীবনানন্দের চরিত্রে অভিনয় করবেন একজন বাংলাদেশি অভিনেতা।

হাবিবুর জানান, এ বিষয়ে গৌতম ঘোষের সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে এবং নির্মাতাও এতে সম্মতি দিয়েছেন। তবে সম্ভাব্য অভিনেতার নাম এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

জীবনানন্দের ঘনিষ্ঠ সহযোগী, কবি ও গবেষক ভূমেন্দ্র গুহর চরিত্রে অভিনেতা আফজাল হোসেনকে নেওয়ার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন হাবিবুর।

জীবনানন্দের মৃত্যুর পর তার বহু অপ্রকাশিত কবিতা, গল্প ও উপন্যাস সংরক্ষণ ও সম্পাদনার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন ভূমেন্দ্র গুহ। কবির মৃত্যুর পর ট্রাঙ্কে পড়ে থাকা বহু অপ্রকাশিত রচনাও তিনি সংরক্ষণে সহায়তা করেন।

‘একজন কমলালেবু’ উপন্যাসে জীবনানন্দের জীবন ও সাহিত্যিক পথচলার নানা বৈপরীত্য তুলে ধরা হয়েছে। এর আগে উপন্যাসটি মঞ্চেও রূপান্তরিত হয়েছে। সেখানে কবির সাহিত্যিক সংগ্রাম, পারিবারিক টানাপোড়েন এবং জীবদ্দশায় পাওয়া অবহেলা ও প্রত্যাখ্যানের বিষয়গুলো উঠে আসে।

নতুন সিনেমাটির মধ্য দিয়ে গৌতম ঘোষ ও হাবিবুর রহমান খানের দীর্ঘ সৃজনশীল সম্পর্কও আরও এক ধাপ এগোবে। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস অবলম্বনে ‘পদ্মা নদীর মাঝি’, লালন শাহকে নিয়ে ‘মনের মানুষ’ এবং দেশভাগের প্রেক্ষাপটে ‘শঙ্খচিল’—তাদের আগের উল্লেখযোগ্য যৌথ কাজ।

স্বাধীন বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের শুরুর দিক থেকেই প্রযোজনার সঙ্গে যুক্ত হাবিবুর রহমান খান। ঋত্বিক ঘটকের ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ (১৯৭৩)-এর অন্যতম প্রযোজক ছিলেন তিনি। পরে ‘হঠাৎ বৃষ্টি’র মতো জনপ্রিয় চলচ্চিত্রও প্রযোজনা করেছেন।

জীবনানন্দকে নিয়ে সিনেমাটিকে নিজের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন হিসেবে উল্লেখ করেছেন হাবিবুর। তিনি বলেন, ‘আমি এই সিনেমাটি বানানোর স্বপ্ন দেখি। এটি শেষ হওয়া পর্যন্ত আমি বেঁচে থাকব কি না জানি না। তবে সিনেমাটি শেষ করে যদি মারা যাই, তবুও আমার কোনো আফসোস থাকবে না।’

জীবনানন্দ দাশ জীবদ্দশায় যে অবহেলা ও কষ্টের মধ্য দিয়ে গেছেন, সিনেমাটির মাধ্যমে সেই ইতিহাসের মুখোমুখি হতে চান হাবিবুর। তার বিশ্বাস, কবির প্রতি জাতির যে অবিচার, এই চলচ্চিত্র হয়তো তার জন্য সামান্য হলেও ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ তৈরি করবে।

কালের আলো/এসএ

ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে দামি ৫ ট্রান্সফার

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে দামি ৫ ট্রান্সফার

ফুটবলের ট্রান্সফার বাজারে অর্থের অঙ্ক দিন দিনই বাড়ছে। একেকটি দলবদলে খরচ হচ্ছে শত শত মিলিয়ন ইউরো। বড় অঙ্কের এসব চুক্তির কোনোটি এনে দিয়েছে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সাফল্য, আবার কোনোটি পরিণত হয়েছে হতাশার প্রতীকে।

সর্বকালের সবচেয়ে দামি পাঁচ ট্রান্সফারের তালিকায় রয়েছেন নেইমার, কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে, আলেক্সান্ডার ইসাক ও ব্র্যাডলি বারকোলা।

৫. ব্র্যাডলি বারকোলা — পিএসজি থেকে লিভারপুল (€১৪০ মিলিয়ন)

মোহামেদ সালাহর বিদায়ের পর ২০২৬ সালের গ্রীষ্মে আক্রমণভাগ শক্তিশালী করার প্রয়োজন পড়ে লিভারপুলের। সরাসরি সালাহর বিকল্প না খুঁজে আক্রমণভাগে আরও বিকল্প তৈরি করার পরিকল্পনা নেয় তারা। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই পিএসজি থেকে ব্র্যাডলি বারকোলাকে দলে ভেড়ায় ইংলিশ ক্লাবটি।

২৩ বছর বয়সী বারকোলা পিএসজির টানা দুই চ্যাম্পিয়নস লিগজয়ী দলের আক্রমণভাগের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন। গতি, ড্রিবলিং এবং প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেঙে দেওয়ার দক্ষতার কারণে লিভারপুলের নতুন কোচ আন্দোনি ইরাওলার আক্রমণাত্মক কৌশলে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।

৪. আলেক্সান্ডার ইসাক — নিউক্যাসল থেকে লিভারপুল (€১৪৫ মিলিয়ন)

গ্রীষ্মের দলবদলের শেষ দিনে আলেক্সান্ডার ইসাককে দলে এনে নতুন ব্রিটিশ ট্রান্সফার রেকর্ড গড়ে লিভারপুল। নিউক্যাসল ইউনাইটেড নিজেদের দাবিতে অনড় থাকলেও শেষ পর্যন্ত বিশাল অঙ্কের বিনিময়ে সুইডিশ স্ট্রাইকারকে ছাড়তে রাজি হয়।

নিউক্যাসলের হয়ে দুই দুর্দান্ত মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে ৪৪ গোল করেছিলেন ইসাক। তাঁর নিখুঁত ফিনিশিং ও গোল করার দক্ষতার কারণে কিংবদন্তি থিয়েরি অঁরির সঙ্গেও তুলনা করা হয়েছে তাঁকে।

তবে লিভারপুলে তাঁর শুরুটা প্রত্যাশামতো হয়নি। ডিসেম্বরেই পা ভেঙে দীর্ঘ সময়ের জন্য মাঠের বাইরে চলে যান এই স্ট্রাইকার।

৩. উসমান দেম্বেলে — বরুসিয়া ডর্টমুন্ড থেকে বার্সেলোনা (€১৪৮ মিলিয়ন)

২০১৭ সালে উসমান দেম্বেলেকে দলে নিয়ে বড় অঙ্কের ঝুঁকি নিয়েছিল বার্সেলোনা। তখনই তাঁর মধ্যে বিশ্বসেরা হওয়ার সম্ভাবনা দেখা গিয়েছিল। কিন্তু ক্যাম্প ন্যুতে ছয় বছরের অধ্যায়ে বারবার চোট ও ফিটনেস সমস্যায় সেই সম্ভাবনার পূর্ণ বিকাশ ঘটেনি।

শেষ পর্যন্ত তাঁকে পিএসজির কাছে ছেড়ে দেয় বার্সেলোনা। প্যারিসে গিয়ে অবশ্য বদলে যায় দেম্বেলের ক্যারিয়ারের গল্প। লুইস এনরিকের অধীনে দুই পায়েই সমান দক্ষ এই উইঙ্গারকে আরও বহুমুখী সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

পরবর্তীতে ব্যালন ডি’অর জিতে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন দেম্বেলে। ফলে ২০১৭ সালে তাঁকে নিয়ে বার্সেলোনার বড় অঙ্কের বিনিয়োগ পুরোপুরি ভুল ছিল—এমনটা বলার সুযোগ নেই।

২. কিলিয়ান এমবাপ্পে — মোনাকো থেকে পিএসজি (€১৮০ মিলিয়ন)

একজন খেলোয়াড়ের পেছনে ১৮০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করা যে কোনো ক্লাবের জন্যই বড় ঝুঁকি। তবে কিলিয়ান এমবাপ্পের ক্ষেত্রে পিএসজির সেই বিনিয়োগকে ব্যর্থ বলা কঠিন।

২০১৭ সালে মোনাকো থেকে প্যারিসে যাওয়ার পর সাত বছর পিএসজির জার্সিতে খেলেছেন এমবাপ্পে। এই সময়ে ৩০৮ ম্যাচে করেছেন ২৫৬ গোল। এর মাধ্যমে ক্লাবটির সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনও দখল করেন ফরাসি তারকা।

পিএসজিতে থাকা সময়ে একটি মৌসুম ছাড়া প্রতিবারই লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা হন এমবাপ্পে। চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জিততে না পারলেও ঘরোয়া ফুটবলে দারুণ সাফল্য পেয়েছেন তিনি এবং পিএসজির হয়ে জিতেছেন ১৬টি ট্রফি।

১. নেইমার — বার্সেলোনা থেকে পিএসজি (€২২২ মিলিয়ন)

ফুটবলের ট্রান্সফার বাজারের চেহারাই বদলে দেওয়া চুক্তি। ২০১৭ সালে বার্সেলোনা থেকে নেইমারকে €২২২ মিলিয়নে দলে নেয় পিএসজি। আজও এটিই ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে দামি ট্রান্সফার।

বার্সেলোনায় থাকতেই চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতা নেইমার প্যারিসে গিয়ে হয়ে ওঠেন পিএসজির সবচেয়ে বড় তারকা। কিন্তু বিশাল অঙ্কের বিনিয়োগের বিপরীতে প্রত্যাশিত সাফল্য পুরোপুরি এনে দিতে পারেননি ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।

চোটের কারণে বারবার মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে তাঁকে। সবচেয়ে বড় আক্ষেপ, পিএসজিকে চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতাতে পারেননি নেইমার। ২০২০ সালে দলটি ফাইনালে উঠলেও শিরোপা জিততে পারেনি।

ফলে €২২২ মিলিয়নের নেইমার-চুক্তি শুধু ফুটবলের সবচেয়ে দামি দলবদলই নয়, একই সঙ্গে সবচেয়ে বেশি ‘যদি’ তৈরি করা ট্রান্সফারগুলোরও একটি।

কালের আলো/এসএ

বেতন বাড়লে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি আছে: জাহেদ উর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩৮ অপরাহ্ণ
বেতন বাড়লে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি আছে: জাহেদ উর রহমান

নতুন জাতীয় বেতনস্কেল কার্যকর হলে দেশে মূল্যস্ফীতি কিছুটা বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তবে নতুন পে-স্কেলে সরকারি কর্মচারীদের সবার বেতন দ্বিগুণ হবে—বিষয়টি এমন নয় বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

নতুন পে-স্কেলের কারণে বাজারে সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে জানতে চাইলে জাহেদ উর রহমান বলেন, বিপুলসংখ্যক মানুষের বেতন বাড়লে মূল্যস্ফীতির কিছুটা ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তবে বর্তমানে দেশে মূল্যস্ফীতি আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন নতুন বেতনস্কেল না হওয়ায় অনেক সরকারি কর্মচারীর বেতন নিয়মিত ইনক্রিমেন্টের মাধ্যমে নতুন স্কেলের কাছাকাছি চলে গেছে। ফলে নতুন স্কেল কার্যকর হলেও অনেকের বেতন প্রত্যাশিত হারে বাড়বে না।

‘নতুন স্কেলে বেতন ১০০ শতাংশ বাড়বে’—এমন তথ্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে উপদেষ্টা বলেন, এতে সবার বেতন দ্বিগুণ হওয়ার ধারণা তৈরি হতে পারে। বাস্তবে অনেক জ্যেষ্ঠ কর্মচারী ইতোমধ্যে নিয়মিত ইনক্রিমেন্টের কারণে নতুন স্কেলের কাছাকাছি বেতন পাচ্ছেন।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের প্রস্তুতির বিষয়ে তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতির কারণগুলো মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংক তার নীতিগত বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করবে। পাশাপাশি সরকারও প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ নেবে।

মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি জানান, বছরের শেষ নাগাদ ৪০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। গড়ে পাঁচজন সদস্য হিসেবে প্রায় দুই কোটি মানুষ এ কর্মসূচির আওতায় আসবেন।

এ ছাড়া খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি, ওএমএস ও টিসিবির পণ্য বিক্রির আওতা বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। তিনি বলেন, বিদ্যুতের সংকট কমে এলে বিনিয়োগ বাড়বে। এর ফলে মানুষের দুর্ভোগও কমে আসবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

‘সিনেমা আমার কাছে পবিত্র জায়গা’: পপি

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩২ অপরাহ্ণ
‘সিনেমা আমার কাছে পবিত্র জায়গা’: পপি

সাম্প্রতিক একটি মন্তব্যকে ঘিরে আলোচনায় আসা ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিকা পারভীন পপি এবার সিনেমার প্রতি নিজের ভালোবাসা ও আবেগের কথা জানিয়ে অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।

পপি বলেন, চলচ্চিত্র তাঁর কাছে শুধুই অভিনয় বা পেশার জায়গা নয়; বরং এটি সম্মান, ভালোবাসা ও আবেগের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি ক্ষেত্র। দীর্ঘদিনের পথচলায় সিনেমার সঙ্গে তৈরি হওয়া সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেছেন তিনি।

অভিনেত্রীর মতে, একজন শিল্পীর জীবনে সিনেমার গুরুত্ব অনেক গভীর। অভিনয়কে পেশা হিসেবে নেওয়ার পাশাপাশি চলচ্চিত্রকে ভালোবাসা ও সম্মানের জায়গা হিসেবেই দেখেন তিনি।

সাম্প্রতিক মন্তব্য নিয়ে নানা আলোচনা তৈরি হলেও নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যায় পপি চলচ্চিত্রের প্রতি তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তাঁর ভাষায়, সিনেমা তাঁর কাছে অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে আলাদা এবং অত্যন্ত পবিত্র একটি জায়গা।

ঢাকাই চলচ্চিত্রে দীর্ঘ ক্যারিয়ারে পপি একাধিক জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকের কাছে পরিচিতি পেয়েছেন। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী এই অভিনেত্রী দীর্ঘদিন ধরে অভিনয় থেকে অনেকটা আড়ালে থাকলেও তাঁকে ঘিরে দর্শক ও বিনোদন অঙ্গনে আগ্রহ এখনও রয়েছে।

ব্যক্তিজীবন ও বিভিন্ন বক্তব্যের কারণে মাঝেমধ্যেই আলোচনায় আসা পপি এবার তাঁর কথায় চলচ্চিত্রের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার বিষয়টিই সামনে আনলেন।

কালের আলো/এসএ