খুঁজুন
                               
, ,
           

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের দেশ : কৃষিমন্ত্রী

কুমিল্লা প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১১ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের দেশ : কৃষিমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের দেশ। এ দেশের হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ সব ধর্মের মানুষ সমান অংশীদার। দেশকে সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলার দায়িত্বও সবার।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন-২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উদ্বোধকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর কোনো ধর্মই অন্যায়, অবিচার কিংবা অশুভ শক্তিকে প্রশ্রয় দেয় না। সব ধর্মের মূল শিক্ষা মানবকল্যাণ, ন্যায়, সৌন্দর্য, সহমর্মিতা ও শান্তির পক্ষে অবস্থান নেওয়া। মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত হলেই সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণ নিশ্চিত হবে।

তিনি বলেন, এই দেশ আমার, এই দেশ আপনার, এই দেশ আমাদের সবার। এ দেশে যারা বসবাস করেন, তারা সবাই দেশের সমান অংশীদার। তাই দেশকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলার দায়িত্বও সবার।

মন্ত্রী আরও বলেন, পূর্বসূরিরা আমাদের জন্য একটি সুন্দর দেশ রেখে গেছেন। আগামী প্রজন্মের জন্য আরও উন্নত, মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলা বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম দায়িত্ব। সব সম্প্রদায়ের মানুষ ভালোবাসা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার বন্ধনে আবদ্ধ থাকলে দেশ ও জাতির কল্যাণ হবে।

সমাজে কিছু অসাধু ও দুষ্কৃতকারী মানুষ সব সময়ই ছিল এবং এখনও আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ ন্যায়, কল্যাণ ও সুন্দরের পক্ষে। অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ভালো মানুষগুলো একসঙ্গে দাঁড়ালে কোনো অন্যায় বা অপশক্তি সমাজে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না।

শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন কমিটি কুমিল্লার আহ্বায়ক শ্রী শ্যামল কৃষ্ণ সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু ও জেলা প্রশাসক মিজ রোজী আক্তার।

অনুষ্ঠানে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব শ্রী দিলীপ নাগ কানাই, যুগ্ম আহ্বায়ক শ্রী সুব্রত চৌধুরী তপু ও শ্রী সঞ্জিত দেবনাথসহ কুমিল্লার সনাতনী সমাজের নেতৃবৃন্দ, ভক্তবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে কৃষিমন্ত্রী শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে আয়োজিত মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ক্ষমতার ভারসাম্যে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ণ
ক্ষমতার ভারসাম্যে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠায় সংবিধানের কয়েকটি ক্ষেত্রে সংশোধন আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংবিধান ও আইন বিশেষজ্ঞ এবং শিক্ষাবিদরা অংশ নেন। সভায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সাংবিধানিক ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য আনা এবং কয়েকটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থার নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়।

সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, কয়েকটি কমিশন বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থার নিয়োগের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়ার প্রস্তাব কমিশন থেকে এসেছিল। এ নিয়ে আলোচনায় শেষ পর্যন্ত ছয়টি সংস্থার বিষয় উঠে এসেছে।  তিনি বলেন, ছয়টি সংস্থার মধ্যে চারটির বিষয়ে সবাই একমত হয়েছেন। বাকি দুটি সংস্থার বিষয়ে মোটামুটি ঐকমত্য তৈরি হয়েছে। তবে কোন ছয়টি সংস্থার নিয়োগের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সংবাদ সম্মেলনে সেগুলোর নাম উল্লেখ করেননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

কমিটির আলোচনায় কোনো বিষয়ে কারও সুনির্দিষ্ট মতামত থাকলে তা লিখিতভাবে জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। তাঁর ভাষ্য, লিখিতভাবে পাওয়া মতামতগুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হবে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাবগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মতামত গ্রহণ এবং আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ রাখা হচ্ছে বলে তাঁর বক্তব্য থেকে জানা যায়।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য আনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধানের কিছু কিছু ক্ষেত্রে সংশোধন আনা হচ্ছে। কয়েকটি সংস্থার নিয়োগক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়ার প্রস্তাবও সেই উদ্যোগের অংশ। সংবিধান সংশোধনের এই আলোচনা শেষ পর্যন্ত কী ধরনের প্রস্তাবে রূপ নেয় এবং কোন কোন সংস্থার নিয়োগপ্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আসে, তা কমিটির পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

ক্ষমতার ভারসাম্যে সংবিধান সংশোধন হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
ক্ষমতার ভারসাম্যে সংবিধান সংশোধন হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠায় সংবিধানের কয়েকটি ক্ষেত্রে সংশোধন আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংবিধান ও আইন বিশেষজ্ঞ এবং শিক্ষাবিদরা অংশ নেন। সভায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সাংবিধানিক ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য আনা এবং কয়েকটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থার নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়।

সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, কয়েকটি কমিশন বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থার নিয়োগের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়ার প্রস্তাব কমিশন থেকে এসেছিল। এ নিয়ে আলোচনায় শেষ পর্যন্ত ছয়টি সংস্থার বিষয় উঠে এসেছে।

তিনি বলেন, ছয়টি সংস্থার মধ্যে চারটির বিষয়ে সবাই একমত হয়েছেন। বাকি দুটি সংস্থার বিষয়ে মোটামুটি ঐকমত্য তৈরি হয়েছে। তবে কোন ছয়টি সংস্থার নিয়োগের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সংবাদ সম্মেলনে সেগুলোর নাম উল্লেখ করেননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

কমিটির আলোচনায় কোনো বিষয়ে কারও সুনির্দিষ্ট মতামত থাকলে তা লিখিতভাবে জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। তাঁর ভাষ্য, লিখিতভাবে পাওয়া মতামতগুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হবে।

এ উদ্যোগের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাবগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মতামত গ্রহণ এবং আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ রাখা হচ্ছে বলে তাঁর বক্তব্য থেকে জানা যায়।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য আনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধানের কিছু কিছু ক্ষেত্রে সংশোধন আনা হচ্ছে। কয়েকটি সংস্থার নিয়োগক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়ার প্রস্তাবও সেই উদ্যোগের অংশ।

সংবিধান সংশোধনের এই আলোচনা শেষ পর্যন্ত কী ধরনের প্রস্তাবে রূপ নেয় এবং কোন কোন সংস্থার নিয়োগপ্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আসে, তা কমিটির পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মাদকমুক্ত যুবসমাজ গড়তে খেলাধুলায় জোর, আন্তর্জাতিক সাফল্যে উন্নত প্রশিক্ষণের তাগিদ মন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৫ অপরাহ্ণ
মাদকমুক্ত যুবসমাজ গড়তে খেলাধুলায় জোর, আন্তর্জাতিক সাফল্যে উন্নত প্রশিক্ষণের তাগিদ মন্ত্রীর

একজন তরুণের হাতে মুঠোফোন বা মাদকের বদলে যদি থাকে খেলার সরঞ্জাম, সামনে থাকে নিয়মিত অনুশীলন আর লক্ষ্য থাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের প্রতিনিধিত্ব—তাহলে বদলে যেতে পারে তার ভবিষ্যতের গতিপথ। যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রেখে সম্ভাবনাময় নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের এমন ভূমিকাই গুরুত্ব পেয়েছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের বক্তব্যে। তাঁর ভাষায়, ‘মাদক উন্নয়নের প্রধান অন্তরায়।’

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর মিরপুরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে ‘জুনিয়র ন্যাশনাল কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, সঠিক দিকনির্দেশনা ও উন্নত প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে যুবসমাজই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের সুনাম বয়ে আনবে। এদিন, মন্ত্রীর বক্তব্যের মূল বার্তা—একদিকে মাদক থেকে যুবসমাজকে সুরক্ষা দেওয়া, অন্যদিকে তাদের প্রতিভা ও সম্ভাবনাকে জাতীয় সম্পদে রূপান্তর করা।

  • ‘মাদক উন্নয়নের প্রধান অন্তরায়’—কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে সমাজকল্যাণমন্ত্রী
  • শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান,
  • ৭৯ দলের প্রায় ১,৬০০ প্রতিযোগীর অংশগ্রহণ

মাদক থেকে দূরে রাখতে চাই বিকল্প ও সম্ভাবনার পথ
তরুণদের মাদকমুক্ত রাখার আলোচনা প্রায়ই সচেতনতা ও নিষেধাজ্ঞার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। তবে মন্ত্রীর বক্তব্যে গুরুত্ব পেয়েছে তরুণদের গঠনমূলক কাজে যুক্ত করার বিষয়টি। খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়ানো গেলে শিশু-কিশোর ও তরুণেরা নিজেদের আগ্রহ ও প্রতিভা বিকাশের ক্ষেত্র পাবে।

খেলাধুলা নিয়মশৃঙ্খলা, আত্মনিয়ন্ত্রণ, দলগতভাবে কাজ করার মানসিকতা এবং লক্ষ্য অর্জনের অভ্যাস গড়ে তুলতে সহায়তা করে। কিন্তু এসব সুফল পেতে শুধু প্রতিযোগিতার আয়োজন যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন নিয়মিত অনুশীলন, দক্ষ প্রশিক্ষক, সহজলভ্য মাঠ ও ক্রীড়া অবকাঠামো এবং প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের ধারাবাহিক পরিচর্যা।

মন্ত্রী বলেন, তরুণদের সঠিক দিকনির্দেশনা ও উন্নত প্রশিক্ষণ দেওয়া গেলে তারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের সুনাম বাড়াতে পারবে। এ বক্তব্যে মাদক প্রতিরোধের পাশাপাশি তরুণদের দক্ষতা বিকাশ ও ক্রীড়াক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনের সম্ভাবনাও উঠে এসেছে।

‘নতুন কুঁড়ি’ ও ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ নিয়ে প্রত্যাশা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকমুক্ত ও সুস্থ ধারায় পরিচালিত করতে খেলাধুলা ও সংস্কৃতির বিকাশে বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। শিশু-কিশোর ও যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে ‘নতুন কুঁড়ি’ এবং ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ আয়োজন করা হয়েছে। সন্তানদের নিয়মিত খেলাধুলা ও শারীরিক কসরতে উৎসাহিত করতে অভিভাবকদের প্রতিও আহ্বান জানান তিনি।

তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে পরিবারের উৎসাহের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠন ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবার এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশু-কিশোরদের জন্য প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতার সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে ক্রীড়াচর্চায় অংশগ্রহণের পরিসর আরও বিস্তৃত হতে পারে।

দেশপ্রেম ও সামাজিক দায়িত্ববোধের ওপর গুরুত্ব
মন্ত্রী বলেন, সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব। দেশপ্রেমের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি চিন্তা ও কাজের শুরুতেই থাকতে হবে দেশ। তাঁর এই বক্তব্যে তরুণদের ব্যক্তিগত বিকাশের পাশাপাশি রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড তরুণদের মধ্যে সহযোগিতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সম্মিলিতভাবে লক্ষ্য অর্জনের অভ্যাস তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

৫৯ ইভেন্টে লড়াই, অংশ নিলেন প্রায় ১,৬০০ প্রতিযোগী
দুই দিনব্যাপী ‘জুনিয়র ন্যাশনাল কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’-এ দেশের ৭৯টি দলের প্রায় ১ হাজার ৬০০ প্রতিযোগী অংশ নেন। মোট ৫৯টি ইভেন্টে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন খেলোয়াড়েরা। সমাপনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ইভেন্টের বিজয়ীদের হাতে মেডেল ও ট্রফি তুলে দেন মন্ত্রী। বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক জাহিদ পারভেজ চৌধুরী, সোতোকান কারাতে দো ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহাদাত হোসেন এবং বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি শাহজাদা আলম। এ ছাড়া ক্রীড়াপ্রেমী দর্শক, বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ক্রীড়া সংগঠক, প্রশিক্ষক ও খেলোয়াড়েরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএসএএকে/এমকে