খুঁজুন
                               
, ,
           

১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৬ পূর্বাহ্ণ
১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ শুরু

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী লংমার্চের সমাবেশ শুরু হয়েছে। শনিবার (০৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টায় এ সমাবেশ শুরু হয়। এরইমধ্যে শাপলা চত্বর ও আশপাশের এলাকায় লংমার্চে অংশ নিতে আসা নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ভিড়ে লোকারণ্য হয়ে উঠেছে।

সমাবেশ শেষে ৮টার দিকে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের নেতৃত্বে চট্টগ্রামের উদ্দেশে লংমার্চ রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে। লংমার্চটি চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে গিয়ে শেষ হবে।

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ-এই ছয় দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্য এ লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

এর আগে শুক্রবার বিকেলে শাপলা চত্বরে লংমার্চের সমাবেশস্থল ও মঞ্চের সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতারা। এ সময় জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি বলেন, ছয় দফা দাবি জনগণের দাবি। এসব দাবি আদায়ের লক্ষ্যে জনগণকে সচেতন ও সম্পৃক্ত করতে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে

তিনি বলেন, শনিবারের কর্মসূচি লংমার্চের প্রথম ধাপ। দাবি আদায় না হলে আগামী দিনে আরও বড় কর্মসূচি ঘোষণার ক্ষেত্র প্রস্তুত করা হবে। পরবর্তী সময়ে ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেট অভিমুখে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে। এসব কর্মসূচি শেষে ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে লংমার্চ কর্মসূচি সফল করতে সরকার, প্রশাসন ও দেশবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন।

শনিবারের লংমার্চ ঘিরে সকাল থেকেই শাপলা চত্বর ও আশপাশের এলাকায় ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে যোগ দিচ্ছেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সাভারে দুর্বৃত্তদের হামলায় এসবির এসআই নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৩ পূর্বাহ্ণ
সাভারে দুর্বৃত্তদের হামলায় এসবির এসআই নিহত

ঢাকার সাভারে কথা কাটাকাটির জেরে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) উপপরিদর্শক (এসআই) আলতাফ হোসেনকে পিটিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সাভারের আমিনবাজার ইউনিয়নের বড়দেশী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আলতাফ হোসেন আমিনবাজারের বড়দেশী এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তিনি রাজধানীতে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চে (এসবি) এসআই হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ঘটনার সময় বড়দেশী এলাকায় সড়কে অবস্থান করছিলেন আলতাফ হোসেন। এ সময় অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি আরও ১০ থেকে ১২ জনকে সঙ্গে নিয়ে এসে আলতাফ হোসেনের ওপর হামলা চালায়।

হামলায় গুরুতর আহত হন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, দুর্বৃত্তরা পুলিশ সদস্যকে মারধর করে হত্যা করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

এনআইডি-জন্মনিবন্ধনের বদলে আসছে ‘এক-আইডি’!

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ণ
এনআইডি-জন্মনিবন্ধনের বদলে আসছে ‘এক-আইডি’!

দেশের নাগরিকদের জন্য একটি স্থায়ী ও একক পরিচয়পত্র চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রস্তাবিত ‘ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডেনটিটি’ বা ‘এক-আইডি’ ব্যবস্থায় জন্মের পরপরই একজন নাগরিককে একটি স্বতন্ত্র পরিচয় দেওয়া হবে। ভবিষ্যতে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা, সরকারি সহায়তা কিংবা ডিজিটাল লেনদেন—বিভিন্ন সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে এই পরিচয় ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।

এ লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে ‘ডিজিটাল সার্ভিস ট্রান্সফরমেশন ফর অ্যাকসেস অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স (ডি-স্টার) নামে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত মেয়াদের প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পাবে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল। অনুমোদনের জন্য প্রস্তাবটি ইতোমধ্যে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে একজন নাগরিকের পরিচয় নানা পর্যায়ে নানা নথি ও নম্বরে ছড়িয়ে আছে। জন্মনিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, টিআইএনসহ বিভিন্ন ব্যবস্থায় আলাদা তথ্যভান্ডার ব্যবহৃত হয়। ফলে একই নাগরিককে বিভিন্ন সরকারি সেবা নিতে গিয়ে বারবার একই ধরনের তথ্য দিতে হয়। প্রস্তাবিত এক-আইডি ব্যবস্থার মূল লক্ষ্যই হচ্ছে এই বিচ্ছিন্নতা কমানো। একজন নাগরিকের পরিচয় ও প্রয়োজনীয় তথ্য একটি সমন্বিত ডিজিটাল কাঠামোর আওতায় এলে সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে ১৮ বছরের নিচের নাগরিকদেরও যদি শুরু থেকেই এই ব্যবস্থায় যুক্ত করা যায়, তাহলে পরিচয় ব্যবস্থাপনায় একটি ধারাবাহিকতা তৈরি হতে পারে।

পুরোনো কার্ডগুলোর কী হবে?
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এক-আইডি চালু হলে ধীরে ধীরে বিদ্যমান বিভিন্ন কার্ডের প্রয়োজনীয়তা কমে আসতে পারে। এনআইডি, ফ্যামিলি কার্ড কিংবা কৃষক কার্ডের মতো ব্যবস্থার সেবাগুলো একই ডিজিটাল পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত করার কথা ভাবা হচ্ছে। তবে কোন কার্ডের কার্যকারিতা কীভাবে শেষ হবে এবং কোন তথ্য এক-আইডিতে যুক্ত হবে—এসব বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মামুনুর রশীদ ভূঞার বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমান ব্যবস্থায় পরিচয়-সংক্রান্ত তথ্যের সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে। একই ব্যক্তির একাধিক জন্মনিবন্ধন বা পাসপোর্ট থাকার মতো ঘটনাও এ সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। নতুন ব্যবস্থা স্থায়ী ও স্বতন্ত্র পরিচয়ের মাধ্যমে এমন জটিলতা কমানোর লক্ষ্যেই নেওয়া হচ্ছে।

৯ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়
এক-আইডি প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন থাকবে ৭ হাজার ৬৬৩ কোটি টাকা এবং বিশ্বব্যাংক থেকে ঋণ হিসেবে আসবে ১ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা। প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১৮ কোটি নাগরিকের জন্য পরিচয়পত্র তৈরির পরিকল্পনা থাকলেও উৎপাদন ও মুদ্রণের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ২০ কোটি কার্ড। প্রতিটি পলিকার্বোনেট চিপ কার্ড তৈরি ও মুদ্রণে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২৪৬ টাকা। এর সঙ্গে বিতরণ ও সরবরাহের জন্য আরও ১২৩ টাকা যোগ হলে কার্ডপ্রতি মোট ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় ৩৬৯ টাকা। সবচেয়ে বড় ব্যয়ের অংশ যাবে কার্ড উৎপাদন, মুদ্রণ, বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ এবং বিতরণে। এ খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে প্রায় ৭ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা।

সুবিধার পাশাপাশি বড় প্রশ্নও আছে
এক-আইডির সবচেয়ে বড় সম্ভাব্য সুবিধা হলো নাগরিক সেবার ক্ষেত্রে তথ্যের পুনরাবৃত্তি কমানো। একটি নির্ভরযোগ্য ও আন্তসংযুক্ত পরিচয়ভান্ডার থাকলে একজন নাগরিকের তথ্য একবার যাচাই করেই বিভিন্ন সরকারি সেবায় ব্যবহার করা সম্ভব হতে পারে। এতে সময়, প্রশাসনিক ব্যয় ও নাগরিকের ভোগান্তি কমার সুযোগ রয়েছে। তবে প্রকল্পটির সামনে বড় চ্যালেঞ্জও রয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—বর্তমানে বিদ্যমান জন্মনিবন্ধন, এনআইডি, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও কর-সংক্রান্ত তথ্যভান্ডারগুলোকে কীভাবে এক কাঠামোর আওতায় আনা হবে। তথ্যের অসামঞ্জস্য, ভুল পরিচয়, একাধিক নিবন্ধন এবং ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আরেকটি প্রশ্ন অর্থনৈতিক। দেশের রাজস্ব আদায়ে চাপ এবং সরকারের আর্থিক সংকটের সময়ে প্রায় ৯ হাজার ২০০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন কতটা যৌক্তিক—এ নিয়েও আলোচনা রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে অবশ্য বলা হচ্ছে, প্রকল্পটি পাঁচ বছর ধরে বাস্তবায়িত হবে; ফলে ব্যয়ও ধাপে ধাপে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক বি এম মইনুল হোসেন মনে করেন, নতুন করে বিশাল প্রকল্প নেওয়ার আগে বিদ্যমান জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবস্থাকেই আরও কার্যকর করার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। ১৮ বছরের কম বয়সীদের এনআইডি কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করেও একই লক্ষ্য অর্জনের সুযোগ রয়েছে। অর্থাৎ, ‘এক-আইডি’ শুধু নতুন একটি কার্ড তৈরির প্রকল্প নয়; এটি বাস্তবায়িত হলে দেশের নাগরিক পরিচয় ব্যবস্থার কাঠামোই বদলে যেতে পারে। কিন্তু এর সাফল্য নির্ভর করবে কার্ড তৈরির চেয়ে বেশি—তথ্যভান্ডারগুলোর সমন্বয়, তথ্যের নির্ভুলতা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা এবং শক্তিশালী ডিজিটাল অবকাঠামো নিশ্চিত করার ওপর।

কালের আলো/এম/এএইচ

ক্যালিফোর্নিয়ায় বিমান বিধ্বস্তে দুই শিশু নিহত, আহত আরও দুই প্রাপ্তবয়স্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ
ক্যালিফোর্নিয়ায় বিমান বিধ্বস্তে দুই শিশু নিহত, আহত আরও দুই প্রাপ্তবয়স্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের ফ্রেসনোর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে দুই শিশু নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুই প্রাপ্তবয়স্ক গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিয়েরা স্কাই পার্ক বিমানবন্দরের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ফ্রেসনো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বেলা প্রায় ১টা ৫০ মিনিটে ব্লাইথ অ্যাভিনিউ এলাকায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার পর বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে দমকলকর্মীরা দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং আশপাশের বাড়িঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়া ঠেকান।

বিমানে মোট চারজন ছিলেন। দুর্ঘটনায় দুই শিশুকে ঘটনাস্থলেই মৃত ঘোষণা করা হয়। গুরুতর আহত দুই প্রাপ্তবয়স্ককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে নিহত ও আহতদের পরিচয় এবং তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফ্রেসনো ফায়ার বিভাগ, ফ্রেসনো পুলিশ, ফ্রেসনো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় এবং নর্থ সেন্ট্রাল ফায়ার বিভাগের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। উদ্ধারকারী দল বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর ছড়িয়ে পড়া আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনে।

দুর্ঘটনার কারণে আশপাশের এলাকায় সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান প্যাসিফিক গ্যাস অ্যান্ড ইলেকট্রিক (PG&E) পরে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করে।

বিমানটি কী কারণে বিধ্বস্ত হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি। দুর্ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (NTSB)। দুর্ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্তের স্বার্থে নিরাপত্তাবেষ্টনী তৈরি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং নিহত ও আহতদের পরিচয়সহ দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে আরও তথ্য পরে প্রকাশ করা হতে পারে।

সূত্র:সান ফ্রান্সিসকো ক্রনিকল

কালের আলো/এসএ