খুঁজুন
                               
, ,
           

রাষ্ট্রপতি ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন আজ

রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো সরকারি সফরে আজ নিজ জেলা ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় হেলিকপ্টারযোগে ঠাকুরগাঁওয়ের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন তিনি।

বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে ঠাকুরগাঁও মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়াম মাঠে তার অবতরণের কথা রয়েছে। সেখান থেকে তিনি যাবেন জেলা সার্কিট হাউজে। সেখানে রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার দেওয়া হবে।

এরপর রাষ্ট্রপতি শহরের সেনুয়াপাড়ায় পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা সাবেক মন্ত্রী মরহুম মির্জা রুহুল আমীন (চোখামিয়া) ও মা ফাতেমা বেগমের কবর জিয়ারত করবেন।

কবর জিয়ারত শেষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শহরের কালীবাড়িতে তার নিজ বাসভবনে যাবেন। সেখানে দুপুরের খাবার ও বিশ্রামের পর বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বড় মাঠে নাগরিক কমিটি আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

সংবর্ধনা শেষে রাষ্ট্রপতি নিজ বাসভবনে ফিরে গণ্যমান্য ব্যক্তি, আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। সেখানেই তার রাত্রিযাপনের কথা রয়েছে।

সফরের দ্বিতীয় দিন সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতি ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় প্রস্তাবিত ‘ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে রাষ্ট্রপতি নিজ বাসভবনে ফিরে দুপুরের খাবার গ্রহণ ও বিশ্রাম করবেন। পরে তিনি সার্কিট হাউজে যাবেন। এরপর হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে ঠাকুরগাঁও ছাড়ার কথা রয়েছে তার।

রাষ্ট্রপতির সফর ঘিরে প্রশাসনের নানা প্রস্তুতির সঙ্গে সাধারণ মানুষের আগ্রহ যেন এর চেয়েও বেশি। এলাকার প্রিয় সন্তানকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো নিজ শহরে বরণ করে নিতে প্রস্তুত ঠাকুরগাঁও। শহরের পথে পথে এখন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আগমনের প্রতীক্ষা। প্রশাসনিক প্রস্তুতির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও দেখা দিয়েছে বাড়তি কৌতূহল ও উচ্ছ্বাস।

ঠাকুরগাঁওয়ে রাষ্ট্রপতির সফরকে কেন্দ্র করে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তায় নিয়োজিত স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ), প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর) ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন। সফরের সম্ভাব্য স্থান, যাতায়াতের পথ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. বেলাল হোসেন বলেন, রাষ্ট্রপতির দুদিনের সফরকে কেন্দ্র করে ঠাকুরগাঁওয়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতির সফরের প্রতিটি কর্মসূচি, যাতায়াতের পথ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোকে নিরাপত্তার আওতায় আনা হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মার্কিন চাপের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান ইরানের প্রেসিডেন্টের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ণ
মার্কিন চাপের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান ইরানের প্রেসিডেন্টের

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ও ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে ইরানের জনগণ ও কর্মকর্তাদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেছেন, জাতীয় ঐক্য ধরে রাখতে পারলে দেশের ভেতরে বিভাজন সৃষ্টিতে শত্রুদের প্রচেষ্টা নস্যাৎ করা সম্ভব।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে পেজেশকিয়ান বলেন, যুদ্ধ, অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ইরানের ভেতরে বিভেদ, ফাটল ও অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে জনগণ ও কর্মকর্তাদের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এর আগে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও জোরদার করতে ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামে নতুন অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই অভিযানের লক্ষ্য ইরানি সরকার ও ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) অর্থনৈতিক উৎসগুলো বিচ্ছিন্ন করা।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের তেল রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধের প্রভাবে দেশটির অর্থনীতি ক্রমেই চাপে পড়ছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানি ও বাণিজ্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। একই সঙ্গে বেড়েছে মূল্যস্ফীতি ও বেকারত্ব। দেশটির মুদ্রা রিয়ালেরও বড় ধরনের অবমূল্যায়ন হয়েছে।

অর্থনৈতিক সংকটের পাশাপাশি জ্বালানি সরবরাহ নিয়েও চাপ তৈরি হয়েছে। এর আগে পেজেশকিয়ান সতর্ক করে বলেছিলেন, ইরানের জনগণ ইতোমধ্যে ব্যাপক চাপের মধ্যে রয়েছে। নতুন করে চাপ বাড়ানো হলে পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার সম্ভাবনাও পুরোপুরি নাকচ করেননি ইরানের প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেছেন, ওয়াশিংটন জুনে করা সমঝোতার প্রতিশ্রুতিতে ফিরে এলে তেহরানও নিজেদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।

তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা

কালের আলো/এসএ

প্রতারণার মামলায় বিদিশাকে জামিন দিলেন হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৫ পূর্বাহ্ণ
প্রতারণার মামলায় বিদিশাকে জামিন দিলেন হাইকোর্ট

রাজধানীর গুলশান থানায় দায়ের করা প্রতারণার মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিককে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি মো. রাফিজুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ তার জামিন মঞ্জুর করেন।

আদালতে বিদিশার পক্ষে জামিন আবেদনের শুনানি করেন আইনজীবী মো. মাসুদ মিয়া।

এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির। ওই আদেশের পর হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন বিদিশা।হাইকোর্টের আদেশের ফলে সংশ্লিষ্ট মামলায় তার জামিনের পথ খুলল।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

‘জীবিতদের কবরস্থান’ ইসরাইলি কারাগার, বললেন মুক্ত ফিলিস্তিনি সাংবাদিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ণ
‘জীবিতদের কবরস্থান’ ইসরাইলি কারাগার, বললেন মুক্ত ফিলিস্তিনি সাংবাদিক

ইসরাইলের কারাগারগুলোতে ফিলিস্তিনি বন্দিদের জীবন ভয়াবহ নির্যাতন, অনাহার, চিকিৎসাবঞ্চনা ও আতঙ্কের মধ্য দিয়ে কাটছে বলে অভিযোগ করেছেন সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ফিলিস্তিনি সাংবাদিক রামেজ আওয়াদ। তাঁর ভাষায়, এসব কারাগার অনেকটা ‘জীবিতদের কবরস্থান’-এর মতো।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দুই বছরের বন্দিজীবনের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন আওয়াদ। তিনি জানান, এই সময়ে তিনি অফার ও নেগেভ কারাগারে বন্দি ছিলেন। দীর্ঘ বন্দিজীবনের পর মুক্তির অনুভূতিকে তাঁর কাছে ‘নতুন করে জন্ম নেওয়ার’ মতো মনে হয়েছে।

আওয়াদের বর্ণনা অনুযায়ী, কারাগারে প্রতিটি দিনই ছিল ভয় ও অনিশ্চয়তায় ভরা। পর্যাপ্ত ও মানসম্মত খাবারের অভাবে বন্দিদের প্রায়ই ক্ষুধার্ত থাকতে হতো। কারাগারের পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশেরও ছিল চরম সংকট। অসুস্থ বন্দিদের চিকিৎসার ক্ষেত্রেও অবহেলা করা হতো বলে অভিযোগ করেন তিনি। এতে বন্দিদের শারীরিক দুর্বলতার পাশাপাশি আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতাও বাড়ত।

মুক্তির পরও বন্দিজীবনের সেই অভিজ্ঞতা তাঁকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে দিচ্ছে না বলে জানান আওয়াদ। তিনি বলেন, মুক্তির পরদিন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বসে খাবার খাওয়ার সময় তাঁর সামনে খাবার দেওয়া হলে হঠাৎ চোখে পানি চলে আসে। একপর্যায়ে তিনি খাওয়া বন্ধ করে দেন।

এর কারণ ব্যাখ্যা করে আওয়াদ বলেন, খাবারের সামনে বসেই তাঁর মনে পড়ে যায় কারাগারে থাকা সহবন্দিদের কথা। তিনি পরিবারের নিরাপদ পরিবেশে বসে খাবার খাচ্ছেন, অথচ পরিচিত অনেক বন্দি তখনও কারাগারের ভেতরে ক্ষুধা, ভয় ও কষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন-এই চিন্তা তাঁকে গভীরভাবে নাড়া দেয়।

আওয়াদের অভিযোগকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে দাবি করেছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা। ইসরাইলি মানবাধিকার সংগঠন B’Tselem-এর জানুয়ারি ২০২৬ সালের ‘Living Hell’ প্রতিবেদনে ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, অমানবিক পরিবেশ, ইচ্ছাকৃতভাবে খাবার কম দেওয়া এবং চিকিৎসা না দেওয়ার অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে। সংস্থাটির নথি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ইসরাইলি কারাগার ও আটককেন্দ্রে অন্তত ৮৪ জন ফিলিস্তিনি বন্দি মারা গেছেন।

বেতসেলেমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই ৮৪ জনের মধ্যে ৫০ জন গাজা উপত্যকার, ৩১ জন পশ্চিম তীরের এবং ৩ জন ইসরাইলের ফিলিস্তিনি নাগরিক ছিলেন। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, তাদের কাছে যাচাই করা তথ্যের ভিত্তিতে এই সংখ্যা পাওয়া গেছে এবং প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

এর আগে ২০২৪ সালের আগস্টে প্রকাশিত বেতসেলেমের ‘Welcome to Hell’ প্রতিবেদনে মুক্তিপ্রাপ্ত ৫৫ জন ফিলিস্তিনির সাক্ষ্য তুলে ধরা হয়েছিল। সেখানে মারধর, অপমান, যৌন নির্যাতন, অনাহার, ঘুম থেকে বঞ্চিত করা, অপর্যাপ্ত পরিচ্ছন্নতা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না দেওয়ার অভিযোগ উঠে আসে।

বন্দিদের সংখ্যা নিয়েও পরিস্থিতির ব্যাপকতা স্পষ্ট হয়। বেতসেলেমের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর ইসরাইলের কারা কর্তৃপক্ষের হেফাজতে ‘নিরাপত্তা’ সংশ্লিষ্ট অভিযোগে ৯ হাজার ১২৮ জন ফিলিস্তিনি আটক বা বন্দি ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৩ হাজার ৩৭৫ জন প্রশাসনিক আটক অবস্থায় ছিলেন।

প্রশাসনিক আটক হলো এমন একটি ব্যবস্থা, যার অধীনে প্রচলিত ফৌজদারি বিচার বা অভিযোগের নিষ্পত্তি ছাড়াই কাউকে আটক রাখা যায়। বেতসেলেমের পৃথক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শেষে ইসরাইলি কারা কর্তৃপক্ষের কাছে প্রশাসনিক আটক অবস্থায় থাকা ফিলিস্তিনির সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৩২৯।

ইসরাইলি হেফাজতে ফিলিস্তিনিদের নির্যাতন, অমানবিক ও অবমাননাকর পরিবেশ এবং হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগ নিয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের ২০২৬ সালের এক নথিতে ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর নির্যাতন, নিষ্ঠুর ও অমানবিক আচরণ, অবমাননাকর আটক পরিস্থিতি এবং নির্যাতনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হেফাজতে মৃত্যুর ‘গভীর উদ্বেগজনক’ অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগগুলো প্রমাণিত হলে তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও মানবিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন হতে পারে বলে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।

অন্য এক জাতিসংঘের নথিতে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ইসরাইলি হেফাজতে ৯৪ জন ফিলিস্তিনির মৃত্যুর বিষয়ে তথ্য পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বিভিন্ন প্রতিবেদনে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে পার্থক্য রয়েছে এবং এসব মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণে স্বচ্ছতার ঘাটতির কথাও জাতিসংঘের নথিতে বলা হয়েছে।

ইসরাইলি কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দিদের পরিস্থিতি নিয়ে বেতসেলেম ও অন্যান্য মানবাধিকার সংস্থার অভিযোগের বিপরীতে ইসরাইলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে এসব অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। ফলে বন্দিদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ ও হেফাজতে মৃত্যুর কারণ নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তদন্ত ও জবাবদিহির দাবি অব্যাহত রয়েছে।

তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা, বেতসেলেম, জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর (OHCHR)

কালের আলো/এসএ