খুঁজুন
                               
, ,
           

সুপ্রিম কোর্টে পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ, অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৭ অপরাহ্ণ
সুপ্রিম কোর্টে পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ, অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ দাবি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তোষ থেকে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের একটি অংশ এবং কার্যালয়ের আইন কর্মকর্তাদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অবস্থান , শ্লোগান ও হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের এনেক্স ভবন ও বার ভবনের মধ্যবর্তী সিঁড়িতে এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানের ঘটনা ঘটে। এসময় বিক্ষোভকারীরা বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলের পদত্যাগ দাবি করেন। তবে উভয়পক্ষকেই বিএনপি, খালেদ জিয়া ও তারেক জিয়াকে নিয়ে শ্লোগান দিতে দেখা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে দুই শতাধিক আইন কর্মকর্তা এবং আন্দোলনকারী আইনজীবীরা মুখোমুখি অবস্থান নিলে আদালত প্রাঙ্গণে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় আধঘণ্টা ধরে চলা এই পাল্টাপাল্টি স্লোগানের সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।

আন্দোলনের অন্যতম নেতৃত্বদানকারী আইনজীবী এবিএম ইব্রাহিম খলিল বলেন, ‘অ্যাটর্নি জেনারেল বর্তমান দায়িত্ব পাওয়ার পর আওয়ামী লীগের দোসর এবং জামায়াত-শিবির সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন। যার প্রতিবাদে আমরা ২৬ দিন ধরে আন্দোলন করছি। আজ আমাদের শান্তিপূর্ণ অবস্থানে অ্যাটর্নি জেনারেলের নির্দেশে আইন কর্মকর্তারা অতর্কিত হামলা চালিয়েছে এবং বালু নিক্ষেপ করেছে।’

তার দাবি, বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল ‘দলকে ধ্বংস’ করছেন এবং তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে ‘বিদেশে অর্থপাচারের’ তথ্যও রয়েছে।

আইনজীবী জুলফিকার আলম শিমুল বলেন, ‘ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলের উসকানিতে আমাদের ওপর হামলা হয়েছে। আমরা অবিলম্বে তার পদত্যাগ দাবি করছি। পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।’

এদিকে হামলার অভিযোগ সরাসরি নাকচ না করলেও বিষয়টিকে ‘ধাক্কাধাক্কি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম সজল।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে গিয়ে রুহুল কুদ্দুস কাজলের সাথে আলোচনা করতে দেখা যায় এই আইনজীবী নেতাকে।

আলোচনা শেষে সজল বলেন, ‘এটি আসলে বড় কোনো মারামারি নয়। দুটি মিছিল যখন মুখোমুখি হয়, তখন কিছুটা ধাক্কাধাক্কি হয়। আমরা বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছি। আশা করছি আজকের মধ্যেই এর একটি সমাধান হবে।’

পুরো বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়।’

তবে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পরিস্থিতি শান্ত করতে মঙ্গলবার বিকেলে দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি বিশেষ সভা হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে আজকের ঘটনা দুই পক্ষের মধ্যে বিরাজমান উত্তেজনার সুরাহা হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

এরআগের গত ৩০ জুলাই আগের সব নিয়োগ বাতিল করে নতুন করে ৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর ২ আগস্ট থেকেই সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ব্যানারে আন্দোলন শুরু হয়

আন্দোলনকারী আইনজীবীদের দাবি, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় এবং অতীতে মামলা-হামলা ও কারাবরণের শিকার অনেক যোগ্য আইনজীবীকে নিয়োগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তাদের পরিবর্তে আর্থিক লেনদেন ও বিশেষ সুবিধার ভিত্তিতে ডিএজি ও এএজি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

তারা বলেন, রাষ্ট্রের পক্ষে মামলা পরিচালনার মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতা, ত্যাগ এবং পেশাগত দক্ষতাকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই নীতির অনুসরণ করা হয়নি। এখন তাদের এই আন্দোলন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজলের পদত্যাগের দাবিতে এসেছে ঠেকেছে। আন্দোলনকারীরা বলছেন, তাদের দাবি না মানা পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

উদযাপনের চেয়ে দেশ গঠনের চ্যালেঞ্জই প্রধান: বাণিজ্যমন্ত্রী

সিলেট প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
উদযাপনের চেয়ে দেশ গঠনের চ্যালেঞ্জই প্রধান: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী এবং সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বর্তমানে দল ও সরকারের সামনে উদযাপনের চেয়ে দেশ গঠনের চ্যালেঞ্জই প্রধান।

তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসহ লজিস্টিক সংকট দূরীকরণ এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার করাই মূল লক্ষ্য।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিলেট নগরীর তোপখানায় সিলেট মহানগর বিএনপির কার্যালয় উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির যাত্রা শুরু হয়েছিল। এরপর থেকে প্রতিটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে জনগণ বিএনপিকে জনসমর্থন দিয়ে দেশ পরিচালনার সুযোগ দিয়েছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান দলীয় প্রধান তারেক রহমানের নেতৃত্বে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রেখে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, দেশে শিল্প উৎপাদনের জন্য প্রচুর কাঁচামাল বাইরে থেকে আমদানি করতে হয়। চাল ও কিছু কৃষিপণ্যে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও প্রতি বছর ৬০ থেকে ৭০ লাখ টন গমসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য আমদানি করতে হয়।

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে ঘাটতি পূরণ একদিনে সম্ভব নয়, তবে বাণিজ্যের মোট পরিমাণ (ট্রেড ভলিউম) বৃদ্ধি ও নতুন নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে রফতানি খাত সম্প্রসারণের কাজ চলছে। এরই অংশ হিসেবে সিলেটে নতুন বিসিক শিল্পনগরী তৈরির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাহের চৌধুরী শামীম।

অনুষ্ঠানে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, কার্যালয়ের ফিতা উন্মোচন এবং দেশ, জাতি ও দলের কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। এ সময় জেলা ও মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে নতুন প্রণোদনা, সৌরবিদ্যুতে ইউনিটপ্রতি ১০.৫০ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে নতুন প্রণোদনা, সৌরবিদ্যুতে ইউনিটপ্রতি ১০.৫০ টাকা

ছাদে ব্যাটারিসহ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করে নিজস্ব ব্যবহারের পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করলে প্রতি ইউনিটের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে মূল্য দেবে সরকার। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো ও টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। একই দিন থেকে প্রণোদনা প্যাকেজটি কার্যকর হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এ সুবিধা পেতে ২০২৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ব্যাটারিসহ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্থাপিত ব্যবস্থার মাধ্যমে উৎপাদিত এবং নিজস্ব ব্যবহারের পর জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা বিদ্যুতের জন্য প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে মূল্য দেওয়া হবে। এ সুবিধা ২০৩০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

সরকার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সর্বোচ্চ ব্যয় প্রতি ইউনিট ৮ টাকা ধরে এ মূল্য নির্ধারণ করেছে। এর সঙ্গে ২০ শতাংশ মুনাফা এবং ১১ দশমিক ২৫ শতাংশ প্রিমিয়াম যোগ করা হয়েছে। কোনো গ্রাহক নির্ধারিত ৮ টাকার চেয়ে কম খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারলে সাশ্রয় হওয়া অর্থ তাঁর লভ্যাংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।

নেট মিটারিং নির্দেশিকা, ২০২৫ অনুযায়ী গ্রাহকরা নিজেদের ব্যবহারের পর অতিরিক্ত সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে পারবেন। তবে ২০২৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির পর স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে এ বিশেষ প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে না।

গ্রিডে সরবরাহ করা বিদ্যুতের পরিমাণ নির্ধারণ এবং প্রণোদনার অর্থ পরিশোধের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলোকে। প্রণোদনার অর্থ গ্রাহকের ব্যাংক হিসাব অথবা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করা হবে; নগদে কোনো অর্থ দেওয়া হবে না।

এ ছাড়া সৌর প্যানেল, ব্যাটারি, ইনভার্টার ও মিটারসহ ব্যবহৃত সব যন্ত্রপাতিকে বিএসটিআই ও টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (স্রেডা) নির্ধারিত কারিগরি মানদণ্ড পূরণ করতে হবে।

সরকারের এ উদ্যোগে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়ার পাশাপাশি জাতীয় গ্রিডে নবায়নযোগ্য উৎসের বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

নেপাল দূতাবাসের শোকবইয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ারের স্বাক্ষর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
নেপাল দূতাবাসের শোকবইয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ারের স্বাক্ষর

নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও হিমবাহধসে ব্যাপক প্রাণহানি এবং ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ঢাকাস্থ নেপাল দূতাবাসে গিয়ে দূতাবাসের শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেন এবং নেপাল সরকার ও জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। শোকবইয়ে স্বাক্ষরের পর মিয়া গোলাম পরওয়ার ঢাকায় নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন।

এসময় রাষ্ট্রদূত সাম্প্রতিক দুর্যোগ ও প্রাণহানির বিষয়ে সেক্রেটারি জেনারেলকে অবহিত করেন। একইসঙ্গে এই দুর্যোগের সূচনা থেকেই জামায়াতের পক্ষ থেকে নিয়মিত সহযোগিতা ও আন্তরিকভাবে সহানুভূতি ব্যক্ত করায় তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের পক্ষ থেকে নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, নেপালের জনগণের এই কঠিন ও শোকাবহ সময়ে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেপালের জনগণের পাশে রয়েছে। তিনি নেপাল সরকার, উদ্ধারকারী দল এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন এবং এই ভয়াবহ বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সব মানবিক উদ্যোগের সাফল্য কামনা করেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও নেপালের জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। বিভিন্ন কঠিন সময়ে একে অপরের পাশে থাকার যে মানবিক ঐতিহ্য দুই দেশের মধ্যে রয়েছে, এই দুঃসময়ে তা আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এ সময় জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ