খুঁজুন
                               
, ,
           

নেপাল দূতাবাসের শোকবইয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ারের স্বাক্ষর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
নেপাল দূতাবাসের শোকবইয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ারের স্বাক্ষর

নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও হিমবাহধসে ব্যাপক প্রাণহানি এবং ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ঢাকাস্থ নেপাল দূতাবাসে গিয়ে দূতাবাসের শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেন এবং নেপাল সরকার ও জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। শোকবইয়ে স্বাক্ষরের পর মিয়া গোলাম পরওয়ার ঢাকায় নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন।

এসময় রাষ্ট্রদূত সাম্প্রতিক দুর্যোগ ও প্রাণহানির বিষয়ে সেক্রেটারি জেনারেলকে অবহিত করেন। একইসঙ্গে এই দুর্যোগের সূচনা থেকেই জামায়াতের পক্ষ থেকে নিয়মিত সহযোগিতা ও আন্তরিকভাবে সহানুভূতি ব্যক্ত করায় তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের পক্ষ থেকে নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, নেপালের জনগণের এই কঠিন ও শোকাবহ সময়ে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেপালের জনগণের পাশে রয়েছে। তিনি নেপাল সরকার, উদ্ধারকারী দল এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন এবং এই ভয়াবহ বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সব মানবিক উদ্যোগের সাফল্য কামনা করেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও নেপালের জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। বিভিন্ন কঠিন সময়ে একে অপরের পাশে থাকার যে মানবিক ঐতিহ্য দুই দেশের মধ্যে রয়েছে, এই দুঃসময়ে তা আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এ সময় জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জ্বালানি সংকট কাটাতে সরকারের পরিকল্পনা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:১২ অপরাহ্ণ
জ্বালানি সংকট কাটাতে সরকারের পরিকল্পনা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

বিগত সরকারের আমলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সকে পঙ্গু করে রাখার ফলেই দেশে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সংকট ও আমদানিনির্ভরতা তৈরি হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সংকট কাটিয়ে দেশকে জ্বালানিতে স্বনির্ভর ও টেকসই ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে নিতে বর্তমান সরকার বহুমাত্রিক ও সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে বলে জানান তিনি।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা সুসংহতকরণ, নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসার এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার রূপরেখা তুলে ধরেন।

দীর্ঘদিনের অপর্যাপ্ত অনুসন্ধান এবং আমদানিনির্ভরতার ফলে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটকে স্থায়ীভাবে নিরসন করে দেশকে স্বনির্ভর ও টেকসই ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে নিতে একাধিক যুগান্তকারী পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হচ্ছে বলে প্রধানমন্ত্রী জানান।

সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের জ্বালানি ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে ১৫০টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার কর্মসূচির আওতায় ৩০টি কূপের খননকাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যা থেকে জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন ১৪০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) নতুন গ্যাস যুক্ত হয়েছে। বর্তমানে আরও ৭টি কূপের খনন কাজ অব্যাহত রয়েছে এবং এগুলোর কাজ শেষ হলে গ্রিডে অতিরিক্ত ৮৫ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ সম্ভব হবে।

অবশিষ্ট কূপগুলো পর্যায়ক্রমে খননের জন্য নতুন নতুন প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া নতুন গ্যাসের অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করতে ৪,৫০০ লাইন কিলোমিটার ২ডি সাইসমিক সার্ভে এবং ৪,২০০ বর্গ কিলোমিটার ৩ডি সাইসমিক সার্ভে পরিচালনার বৃহৎ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। একইসঙ্গে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সকে আরও শক্তিশালী ও সক্ষম করে তুলতে নতুন দুটি আধুনিক রিগ ক্রয়ের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে অফশোর ও অনশোর মডেল পিএসসি (প্রোডাকশন শেয়ারিং কন্ট্যাক্ট)-এর আওতায় ব্যাপক অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।

পিএসসি ২০২৬ অনুমোদনের পর আন্তর্জাতিক বিড রাউন্ড আহ্বান করা হয়েছে এবং অনশোর মডেল পিএসসি অনুমোদনের প্রক্রিয়াও শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এর মাধ্যমে নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হলে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বহুগুণ বাড়বে। পাশাপাশি সামুদ্রিক এলএনজি অবকাঠামো সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে কক্সবাজারের মহেশখালীর কুতুবজোমে একটি নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনে আগ্রহী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে, যা থেকে ২০২৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে রিগ্যাসিফাইড এলএনজি সরবরাহ সম্ভব হবে। এর ফলে আগামী দুই বছরের মধ্যে এলএনজি আমদানি ক্ষমতা আরও ৬০০ এমএমসিএফডি বাড়বে।

এছাড়া জরুরি ভিত্তিতে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল কিংবা পায়রা ও মোংলা বন্দর এলাকায় আরও এক থেকে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে।

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়াতে সরকার যে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছে তা সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির প্রশ্নের উত্তরে বিস্তারিত উঠে আসে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, জনমনে আগ্রহ তৈরি ও এ খাতের দ্রুত প্রসারে ২০২৬ সালের ৮ জুন তারিখে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সোলার প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারিসহ সব প্রয়োজনীয় উপাদানের ওপর থেকে কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, আগাম কর এবং অতিরিক্ত অগ্রীম আয়করসহ সব ধরনের শুল্ক সম্পূর্ণ ছাড় দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রুফটপ সোলার প্যানেল স্থাপনকারীদের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় আর্থিক মডেল ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে যারা বাসাবাড়ি বা প্রতিষ্ঠানের ছাদে সোলার স্থাপন করবেন, তাদের উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ সরকার প্রতি ইউনিট ১০.১৫ টাকা দরে কিনে নেবে। বর্তমান গড়ে প্রতি ইউনিট ৬ থেকে ৭ টাকা উৎপাদন খরচের বিপরীতে এই বাল্ক রেট ও সরকারি প্রণোদনার ফলে উদ্যোক্তারা ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত (৪০ শতাংশ মুনাফা ও ৫ শতাংশ প্রিমিয়াম) নিট মুনাফা অর্জনের সুযোগ পাবেন, যা পরবর্তী তিন বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারের অংশ হিসেবে সরকারি ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালে সোলার প্যানেল বসাতে জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে দেশের সব জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে রুফটপ সোলার সফলভাবে স্থাপন করা হয়েছে এবং অন্যান্য সরকারি দপ্তরে বাস্তবায়নের জন্য বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সোলারের পাশাপাশি বায়ু বিদ্যুৎ, জলবিদ্যুৎ এবং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সমন্বিত পরিকল্পনাও এগিয়ে চলছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বৃষ্টিভেজা মাঠে পুঠিয়াকে হারিয়ে ফাইনালে দুর্গাপুর

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫২ অপরাহ্ণ
বৃষ্টিভেজা মাঠে পুঠিয়াকে হারিয়ে ফাইনালে দুর্গাপুর

রাজশাহী জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে মোহনপুর উপজেলা ফুটবল দলের প্রতিপক্ষ হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে দুর্গাপুর উপজেলা ফুটবল দল। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর রাজশাহীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) একই মাঠে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সেমিফাইনালে দুর্গাপুর উপজেলা ফুটবল দল টাইব্রেকারে ৩-১ গোলে পুঠিয়া উপজেলা ফুটবল দলকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে।

আগের রাতের ভারী বৃষ্টি এবং ম্যাচ চলাকালীন বৃষ্টির কারণে মাঠ ভারী ও কর্দমাক্ত হয়ে যায়। এতে দুই দলের খেলোয়াড়দের স্বাভাবিক খেলায় বেশ বেগ পেতে হয়। তারপরও প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে বিপুলসংখ্যক দর্শক স্টেডিয়ামে উপস্থিত হয়ে নিজ নিজ দলকে সমর্থন দেন।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেলতে থাকে। প্রথমার্ধে দুর্গাপুরের পলাশ জোড়া গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। ফলে বিরতিতে ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল দুর্গাপুর।

তবে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের চিত্র পাল্টে যায়। মাত্র ৫ থেকে ৭ মিনিটের ব্যবধানে পুঠিয়ার জামিল ও রাব্বানি গোল করে সমতা ফেরান। এরপর দুই দলই জয়সূচক গোলের জন্য মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালালেও নির্ধারিত সময়ে আর কোনো গোল হয়নি। ফলে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় টাইব্রেকারে।

টাইব্রেকারে দুর্গাপুর উপজেলা ফুটবল দল ৩-১ গোলে পুঠিয়াকে পরাজিত করে ফাইনালে ওঠে। পুঠিয়া দলে কোনো বিদেশি খেলোয়াড় না থাকলেও দুর্গাপুর দল শক্তি বাড়াতে মিশরের ফুটবলার মোস্তফাকে দলভুক্ত করেছে।

সেমিফাইনালের ম্যাচটি উপভোগ করতে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল ও জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। এছাড়া জেলা প্রশাসন, ক্রীড়া সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আগামী ৫ সেপ্টেম্বরের ফাইনালে মোহনপুর ও দুর্গাপুরের লড়াইয়ে নির্ধারিত হবে রাজশাহী জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপের চ্যাম্পিয়ন দল।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত: সৌদিতে মার্কিনদের সতর্ক করল দূতাবাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৩ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত: সৌদিতে মার্কিনদের সতর্ক করল দূতাবাস

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত এবং পাল্টাপাল্টি হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে দূতাবাস জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার কারণে পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল হয়ে উঠেছে। যেকোনো সময় পরিস্থিতির অপ্রত্যাশিত অবনতি ঘটতে পারে এবং সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ অবস্থায় সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস। পাশাপাশি সম্ভাব্য ফ্লাইট বাতিল, আকাশসীমা বন্ধ এবং যাতায়াত ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটার বিষয়ে নিয়মিত তথ্য অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

দূতাবাসের পক্ষ থেকে নাগরিকদের স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার পাশাপাশি পরিস্থিতি সম্পর্কে সর্বশেষ তথ্য জেনে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি