খুঁজুন
                               
, ,
           

২ লাখ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের ঘোষণা আনুষ্ঠানিক নয়: মালয়েশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫৩ অপরাহ্ণ
২ লাখ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের ঘোষণা আনুষ্ঠানিক নয়: মালয়েশিয়া

আগামী ছয় মাসে প্রায় ২ লাখ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের যে বক্তব্য বাংলাদেশের এক প্রতিমন্ত্রী দিয়েছেন, সেটি মালয়েশিয়া সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান নয় বলে জানিয়েছেন দেশটির সরকারি মুখপাত্র দাতুক সেরি ফাহমি ফাদজিল।

সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে ফাহমি ফাদজিল বলেন, মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী দাতুক সেরি আর রামানানের সঙ্গে তার এ বিষয়ে কথা হয়েছে। মানবসম্পদমন্ত্রী তাকে জানিয়েছেন, ২ লাখ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের বক্তব্যটি একজন জুনিয়র মন্ত্রীর দেওয়া। তাই এটিকে মালয়েশিয়া সরকারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।

এর আগে মঙ্গলবার বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছিলেন, আগামী ছয় মাসে মালয়েশিয়া প্রায় ২ লাখ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে। অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে এসব কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ধাপে ধাপে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে তা সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এর আগে গত জুন মাসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের কাছে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য দেশটির শ্রমবাজার পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

শ্রমিক শোষণ, ঋণের দায়ে জিম্মি করে রাখা, জোরপূর্বক শ্রমে নিয়োজিত করা এবং প্রতিশ্রুত চাকরি ছাড়া কর্মীদের মালয়েশিয়ায় পাঠানোর মতো অভিযোগের পর ২০২৪ সালে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল মালয়েশিয়া।

মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ স্ট্রেইটস টাইমস জানিয়েছে, দেশটি বর্তমানে বিদেশি শ্রমিকের ওপর নির্ভরতা কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে। সরকারের লক্ষ্য, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশটির মোট শ্রমশক্তিতে বিদেশি কর্মীর অংশ প্রায় ১০ শতাংশে নামিয়ে আনা।

এ অবস্থায় আগামী ছয় মাসে ২ লাখ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে আলোচনা তৈরি হলেও মালয়েশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে এখনো এমন কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের ঘোষণা আসেনি।

কালের আলো/এসএ

পাঁচ দফা কেমোর পর আইসিইউতে ‘বিগ বস মালয়ালম’ তারকা রেণু সুদি

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৫২ অপরাহ্ণ
পাঁচ দফা কেমোর পর আইসিইউতে ‘বিগ বস মালয়ালম’ তারকা রেণু সুদি

ভারতের মালয়ালম টেলিভিশনের পরিচিত মুখ ও ‘বিগ বস মালয়ালম’-এর সাবেক প্রতিযোগী রেণু সুদির শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। পাঁচ দফা কেমোথেরাপি নেওয়ার পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি হয়েছেন তিনি। তাঁর অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন ‘বিগ বস মালয়ালম’-এর আরেক প্রতিযোগী সারিকা কে বি।

তৃতীয় পর্যায়ের স্তন ক্যানসার

চলতি বছর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রেণু নিজেই জানিয়েছিলেন, তাঁর তৃতীয় পর্যায়ের স্তন ক্যানসার শনাক্ত হয়েছে। এরপর নিয়মিত চিকিৎসার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি।

সম্প্রতি পাঁচ দফা কেমোথেরাপি নেওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। বর্তমানে কেরালার কোট্টায়াম সরকারি মেডিকেল কলেজের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে রেণুর শারীরিক অবস্থা নিয়ে কথা বলেছেন সারিকা কে বি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি রেণুর বড় বোন তাঁকে ফোন করে অসুস্থতার খবর জানান।

আরেক দফা কেমো নেওয়ার অবস্থায় নেই

সারিকা জানিয়েছেন, পাঁচ দফা কেমোথেরাপির পর রেণুর শরীর আরও দুর্বল হয়ে পড়েছে। তাঁর বর্তমান শারীরিক পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর যে আরেক দফা কেমোথেরাপি নেওয়ার মতো অবস্থায় তিনি নেই।

রেণুর অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তাঁর ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই তাঁর দ্রুত সুস্থতার জন্য শুভকামনা জানাচ্ছেন।

‘বিগ বস মালয়ালম’ থেকে পরিচিতি

রেণু সুদি মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরি ও উপস্থাপনার মাধ্যমে পরিচিতি পান। পরে ‘বিগ বস মালয়ালম’-এর সপ্তম মৌসুমে অংশ নেন তিনি। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেছিলেন অভিনেতা মোহনলাল।

রিয়েলিটি শোতে অংশ নেওয়ার পর দর্শকদের কাছে তাঁর পরিচিতি আরও বাড়ে। তাঁর আসল নাম রেশমা পি থাঙ্কাচেন। বিনোদন অঙ্গনে তিনি রেণু সুদি নামেই পরিচিত।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সক্রিয় ছিলেন রেণু। ক্যানসার শনাক্ত হওয়ার পর চিকিৎসার বিভিন্ন পর্যায়ের অভিজ্ঞতা অনুসারীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন তিনি।

ভক্তদের উদ্বেগ

এর আগে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার খবর জানিয়ে রেণু বলেছিলেন, তাঁর রোগটি স্টেজ–৩ পর্যায়ে রয়েছে। তখন থেকেই তাঁর চিকিৎসা ও শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছিলেন ভক্তরা।

এখন পাঁচ দফা কেমোথেরাপির পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। আইসিইউতে চলছে তাঁর চিকিৎসা। ‘বিগ বস মালয়ালম’-এর সহপ্রতিযোগীরাও তাঁর পাশে থাকার কথা জানিয়েছেন।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

কালের আলো/এসএ

জাতিসংঘে ট্রাম্পের ৩৭ মিনিটের ভাষণ, যেসব দাবিতে উঠছে প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৪০ অপরাহ্ণ
জাতিসংঘে ট্রাম্পের ৩৭ মিনিটের ভাষণ, যেসব দাবিতে উঠছে প্রশ্ন

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের প্রথম দিনে মঙ্গলবার ৩৭ মিনিটের ভাষণ দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরান যুদ্ধ, গ্রিনল্যান্ড, জলবায়ু পরিবর্তন, বিনিয়োগ, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডার ও ওয়াশিংটনের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন তিনি। জাতিসংঘের এবারের সাধারণ বিতর্ক ২২ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে এবং ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।

ভাষণে ট্রাম্প নিজের প্রশাসনের বিভিন্ন অর্জন তুলে ধরেন। তবে তাঁর কয়েকটি দাবির সঙ্গে প্রকাশ্য তথ্য ও বিভিন্ন সরকারি হিসাবের অমিল রয়েছে।

আটটি যুদ্ধ বন্ধের দাবি

ট্রাম্প দাবি করেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি আটটি যুদ্ধ বন্ধ করেছেন। তাঁর তালিকায় ছিল কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড, কসোভো-সার্বিয়া, রুয়ান্ডা-কঙ্গো, ভারত-পাকিস্তান, আর্মেনিয়া-আজারবাইজান, গাজা, ইসরায়েল-ইরান এবং মিসর-ইথিওপিয়ার সংঘাত।

তবে এসব ঘটনাকে একইভাবে ‘যুদ্ধ বন্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কয়েকটি ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের পরিবর্তে সীমান্ত সংঘাত বা কূটনৈতিক বিরোধ ছিল। আবার কিছু ক্ষেত্রে শান্তি চুক্তি বা যুদ্ধবিরতি হলেও সংঘাত পুরোপুরি শেষ হয়েছে কি না, তা নিয়ে ভিন্ন তথ্য রয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে দাবি

ভাষণে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন নিয়েও ট্রাম্পের মন্তব্যের সমালোচনা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, আগে বলা হয়েছিল বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে ১২ বছরের মধ্যে সবাই মারা যাবে এবং পরে ‘গ্লোবাল ওয়ার্মিং’ বদলে ‘ক্লাইমেট চেঞ্জ’ বলা হয়েছে।

তবে জলবায়ুবিজ্ঞানে ‘গ্লোবাল ওয়ার্মিং’ ও ‘ক্লাইমেট চেঞ্জ’ দুটি শব্দই ব্যবহৃত হয়। প্রথমটি মূলত পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রবণতা বোঝায়, আর দ্বিতীয়টি তাপমাত্রা বৃদ্ধিসহ জলবায়ুর বিস্তৃত পরিবর্তনকে বোঝায়।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও এবারের সাধারণ পরিষদের ভাষণে জলবায়ু সংকটকে বৈশ্বিক বাস্তবতার অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

২১ ট্রিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ

ট্রাম্প দাবি করেন, তাঁর প্রশাসন বিশ্বজুড়ে ২১ ট্রিলিয়ন ডলারের নতুন বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করেছে।

তবে এ দাবির পক্ষে স্পষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ কোনো নির্ভরযোগ্য হিসাব পাওয়া যায়নি। ভাষণের সময় হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত তথ্যে যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় মেয়াদে বড় বিনিয়োগের ঘোষণার পরিমাণ ছিল ১১ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলার—যা ট্রাম্পের উল্লেখ করা ২১ ট্রিলিয়ন ডলারের চেয়ে অনেক কম।

অস্ত্রভান্ডার নিয়ে বিতর্ক

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডারে ঘাটতি তৈরি হয়েছে—এমন বক্তব্যও প্রত্যাখ্যান করেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র রয়েছে এবং আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি অস্ত্র উৎপাদন করা হচ্ছে।

তবে মার্কিন অস্ত্রভান্ডারের পূর্ণাঙ্গ মজুতের তথ্য প্রকাশ করা হয় না। ফলে ট্রাম্পের দাবিটি সরাসরি যাচাই করা কঠিন। একই সময়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের ওপর নজরদারি করা সরকারি পরিদর্শক সংস্থা এবং কংগ্রেশনাল বাজেট অফিসের প্রতিবেদনে কিছু অস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ওয়াশিংটনে অপরাধ কমার দাবি

রাজধানী ওয়াশিংটনে অপরাধ ৮৭ শতাংশ কমেছে বলেও দাবি করেন ট্রাম্প। তবে পুলিশের প্রকাশিত হিসাবের সঙ্গে এ দাবির মিল নেই।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের একই সময়ে ওয়াশিংটনে নথিভুক্ত অপরাধের সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২৩ শতাংশ কমেছে। ফলে ট্রাম্পের উল্লেখ করা ৮৭ শতাংশ হ্রাসের সঙ্গে পুলিশের পরিসংখ্যানের বড় পার্থক্য রয়েছে।

জাতিসংঘে ট্রাম্পের এবারের ভাষণে যুদ্ধ, নিরাপত্তা, জলবায়ু ও অর্থনীতির মতো বিষয়গুলোই প্রধান গুরুত্ব পেয়েছে। একই দিনে জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেস বিশ্বজুড়ে সংঘাত, জলবায়ু সংকট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আন্তর্জাতিক আইনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহযোগিতা ও সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন।

সুত্রঃ সিএনএন

কালের আলো/এসএ

জামায়াত-শিবিরের ভূমিকা নিয়ে যে সতর্কবার্তা দিলেন রাশেদ খাঁন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
জামায়াত-শিবিরের ভূমিকা নিয়ে যে সতর্কবার্তা দিলেন রাশেদ খাঁন

ছাত্রদল রাজপথে সক্রিয় না থাকলে ছাত্রলীগ জামায়াত-শিবিরকে পিটিয়ে আবারও গুপ্ত করে দেবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ছাত্রলীগের ভয়ে যারা আগে গোপনে ছিল কিংবা ছাত্রলীগের পরিচয়ে টিকে ছিল, তারা এখন কীভাবে ছাত্রদলকে পিটিয়ে রাজশাহী ছাড়া করতে চায়—এ প্রশ্ন রয়েছে। তার দাবি, ছাত্রদল রাজপথে না থাকলে ছাত্রলীগ জামায়াত-শিবিরকে আবারও গুপ্ত করে দেবে।

রাশেদ খাঁন আরও দাবি করেন, বর্তমানে বিরোধী দলে অবস্থান করেই জামায়াত-শিবির সরকারি দলের নেতাকর্মীদের এলাকা ছাড়া করার মতো আচরণ করছে। তার ভাষ্য, তারা ইতোমধ্যে ‘মজলুম থেকে জালিমে’ পরিণত হয়েছে। ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে তাদের ভূমিকা কী হতে পারে, তা সহজেই অনুমান করা যায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অতীতে শেখ হাসিনা যেভাবে বিএনপিকে এক দিনও শান্তিতে দেশ চালাতে না দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন, জামায়াত-শিবিরও বর্তমানে একই পথ অনুসরণ করছে বলে দাবি করেন রাশেদ খাঁন।

তিনি আরও বলেন, দলটির লাগাম টেনে না ধরলে পরিস্থিতি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলের মতো ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

কালের আলো/এমএসআইপি