খুঁজুন
                               
, ,
           

পাকিস্তানের প্রথম চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস আসিম মুনির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩৪ পূর্বাহ্ণ
পাকিস্তানের প্রথম চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস আসিম মুনির

পাকিস্তানের সামরিক কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। দেশটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীকে একক কর্মকর্তার অধীনে এনে ‘চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস’ (সিডিএফ) পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। নতুন এই পদে দায়িত্ব নিয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির।

‘ডিফেন্স ফোর্সেস অব পাকিস্তান অ্যাক্ট, ২০২৬’ নামে নতুন আইনটি আগস্টের শেষ দিকে জাতীয় পরিষদে পাস হয়। এর মাধ্যমে সিডিএফ পদ সৃষ্টি করা হয় এবং তিন বাহিনীর ওপর সরাসরি পরিচালনাগত ও কমান্ড ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

নতুন দায়িত্বের পাশাপাশি আসিম মুনির সেনাপ্রধানের পদেও বহাল থাকছেন। ফলে একই কর্মকর্তা পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান এবং তিন বাহিনীর সমন্বিত কমান্ড কাঠামোর শীর্ষ দায়িত্ব পালন করবেন।

এর আগে পাকিস্তানের তিন বাহিনীর মধ্যে সমন্বয়ের জন্য ‘চেয়ারম্যান অব দ্য জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ কমিটি’ পদটি ছিল। ১৯৭৬ সালে চালু হওয়া ওই পদে মূলত সমন্বয়ের দায়িত্ব থাকলেও নৌ ও বিমান বাহিনীর ওপর সরাসরি কমান্ডের ক্ষমতা ছিল না।

নতুন সিডিএফ পদটি সেই ব্যবস্থার পরিবর্তে কার্যকর করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন কাঠামোর ফলে প্রধানমন্ত্রী থেকে মাঠপর্যায়ের সামরিক ইউনিট পর্যন্ত একটি সুস্পষ্ট কমান্ড চ্যানেল তৈরি হয়েছে।

অবসরপ্রাপ্ত একাধিক সামরিক কর্মকর্তার মতে, আগের সমন্বয়কারী পদের তুলনায় সিডিএফ অনেক বেশি ক্ষমতাবান। নতুন পদে থাকা কর্মকর্তা তিন বাহিনীর ওপর সরাসরি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ক্ষমতা রাখবেন এবং ফেডারেল সরকারের কাছে জবাবদিহি করবেন।

ফলে পাকিস্তানের সামরিক কমান্ড কাঠামোয় ১৯৭৬ সালের পর এটিকে অন্যতম বড় পুনর্গঠন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

প্রভাবশালীদের অপরাধে আইন প্রয়োগে আপস হয়: ডেপুটি স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৫৪ অপরাহ্ণ
প্রভাবশালীদের অপরাধে আইন প্রয়োগে আপস হয়: ডেপুটি স্পিকার

প্রভাবশালীদের অপরাধের ক্ষেত্রে অনেক সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেয় না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। একই সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং শিশু অধিকার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘শিশুশ্রম নিরসনে করণীয়’ শীর্ষক এক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, দেশে অনেক ভালো আইন রয়েছে। কিন্তু এসব আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাব রয়েছে। আইন প্রয়োগের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা অনেক সময় আপস করে ফেলেন। বিশেষ করে প্রভাবশালীদের অপরাধের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যবস্থা না নেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক নেতা বা মন্ত্রীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হলেও সরকারের নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হয় না। জনগণের করের টাকায় যাদের বেতন দেওয়া হয়, তাদের কাজেরও কঠোর তদারকি প্রয়োজন।

শিশুশ্রম নিরসনে নিজ নিজ ঘরে ১৪ বছরের কম বয়সী কোনো শিশুকে গৃহকর্মী হিসেবে না রাখার শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান কায়সার কামাল। একই সঙ্গে শিশু অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা গণমাধ্যমে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

জুলাই অভ্যুত্থানে শিশুদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, সমাজের সবচেয়ে দুর্বল অংশ হওয়ায় শিশুরাই বিভিন্ন ঘটনায় বেশি ভুক্তভোগী হয়। শিশু ধর্ষণের মতো ঘটনা সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। এ থেকে উত্তরণে গণসচেতনতা বাড়ানো জরুরি।

শিশুদের সুরক্ষায় সরকারি হেল্পলাইন ‘১০৩৮’ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

সংলাপে শিশুদের কল্যাণে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন ডেপুটি স্পিকার।

তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। হতাশা থাকলেও প্রত্যাশা শেষ হয়ে যায়নি। শিশুদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার, রাজনৈতিক কর্মী, এনজিও, গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আইএলও প্রতিনিধি, বিভিন্ন এনজিও কর্মকর্তা, মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ঢাকার যানজট কমাতে রিং রোড প্রকল্পে গতি চান প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
ঢাকার যানজট কমাতে রিং রোড প্রকল্পে গতি চান প্রধানমন্ত্রী

ঢাকার যানজট নিরসনে ইনার সার্কুলার রিং রোড নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে দ্রুত তা দূর করারও নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

রোববার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইনার সার্কুলার রিং রোড প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন।

সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রকল্পের বিদ্যমান পরিকল্পনা পর্যালোচনা করে দ্রুত নির্মাণকাজ এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি প্রকল্পের কাজে দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় থাকতে হবে। পাশাপাশি কাজ শেষ করতে একটি বাস্তবসম্মত সময়সীমা নির্ধারণ করে সে অনুযায়ী অগ্রসর হতে হবে।

ঢাকা মহানগরের যানজট নিরসনে ইনার সার্কুলার রিং রোড প্রকল্পকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে যেসব বাধা রয়েছে, সেগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধানের মাধ্যমে নির্মাণকাজে গতি আনার ওপর সভায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ভুয়া তথ্য-গুজব ঠেকাতেই সাইবার সুরক্ষা আইন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৫ অপরাহ্ণ
ভুয়া তথ্য-গুজব ঠেকাতেই সাইবার সুরক্ষা আইন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

সাইবার সুরক্ষা আইন গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ বা সাংবাদিকদের লেখালেখি বন্ধ করার জন্য করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

রোববার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাহী কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করা, লেখা বন্ধ করা কিংবা সরকারের পক্ষে লেখানোর জন্য সাইবার সুরক্ষা আইন করা হচ্ছে—বিষয়টি এমন নয়।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে মানুষকে হয়রানি ও হেনস্তা করা হচ্ছে। এর ফলে কেউ কেউ আত্মহত্যাপ্রবণ পর্যায়েও চলে যাচ্ছেন। এমনকি সাংবাদিকদের নাম ব্যবহার করেও ভুয়া তথ্য ও গুজব ছড়ানোর ঘটনা ঘটছে।

এসব থেকে জনগণকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য একটি কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি। এ বিষয়ে সাংবাদিকদেরও একমত হওয়ার কথা উল্লেখ করেন ইয়াসের খান চৌধুরী।

তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সাংবাদিকদের সুরক্ষার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি