খুঁজুন
                               
, ,
           

স্থানীয় সরকার নির্বাচন: সব ভোটকেন্দ্র সিসিটিভির আওতায় আনার পরিকল্পনা

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১০ অপরাহ্ণ
স্থানীয় সরকার নির্বাচন: সব ভোটকেন্দ্র সিসিটিভির আওতায় আনার পরিকল্পনা

আসন্ন নির্দলীয় স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে দেশের সব ভোটকেন্দ্র সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে ভোটের মাঠে বডি-ওর্ন ক্যামেরার ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি দ্রুত পরিস্থিতির তথ্য পেতে ড্রোন ব্যবহারের পরিকল্পনাও রয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব পরিকল্পনার কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে কমিশনের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচনের সময়সূচি ও অন্যান্য বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, এই মাসের মধ্যেই অনেক কিছু দেখবেন এবং অনেক কিছুই আমরা সুনির্দিষ্টভাবে বলতে পারব। কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ খুব দ্রুতগতিতে চলছে। সেগুলো আমরা শেয়ার করব।’

পরীক্ষার সময় এড়িয়ে ভোটের পরিকল্পনা
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময় নির্ধারণে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনা করছে কমিশন। নির্বাচন কমিশনার জানান, নভেম্বর-ডিসেম্বর শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময়ে বার্ষিক পরীক্ষা, বৃত্তি পরীক্ষা, টেস্ট ও প্রি-টেস্ট পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। অন্যদিকে, অধিকাংশ ভোটকেন্দ্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হওয়ায় প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার হিসেবেও শিক্ষকদের দায়িত্ব পালন করতে হয়। এ কারণে পরীক্ষা ও ভোট একই সময়ে না করার বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে ইসি। পরীক্ষার সময় বাদ দিয়ে আগে অথবা পরে নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণের চেষ্টা করা হবে বলে জানান তিনি। তবে এখনই সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা সম্ভব নয় বলেও জানান এই কমিশনার।

আচরণবিধি চূড়ান্ত, শিগগিরই গেজেট
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কমিশনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে জানিয়ে আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, নির্বাচনের আচরণবিধি ইতোমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নতুন করে যুক্ত করা বেশ কিছু বিষয় স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও রাখা হয়েছে।আগামী দু-এক দিনের মধ্যে এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি।

ইউনিয়ন পরিষদ দিয়ে শুরু, এরপর ধাপে ধাপে
আইনগত বাধ্যবাধকতাকে অগ্রাধিকার দিয়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করা হবে বলে জানান নির্বাচন কমিশনার। কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু হতে পারে। এরপর পর্যায়ক্রমে সিটি করপোরেশন, পৌরসভাসহ অন্যান্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সব ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন একসঙ্গে আয়োজন করা কঠিন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যয় সংকোচনের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। মেয়াদসহ অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনা করে নির্বাচনগুলো ধাপে ধাপে আয়োজন করা হবে।

নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত বাহিনী, নজরদারিতে প্রযুক্তি
নির্বাচনে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তাঁর দাবি, নিরপেক্ষ, অংশগ্রহণমূলক ও সুশৃঙ্খল নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবে কমিশন। নির্বাচনকেন্দ্রিক ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য মোকাবিলা, ভোটকেন্দ্রের অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধান এবং নারী, প্রতিবন্ধী ও গর্ভবতী ভোটারদের জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়েও কমিশন কাজ করছে।

শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়া নিয়ে নিরপেক্ষতার প্রশ্ন
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হবে কি না—এ বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে বলে জানান নির্বাচন কমিশনার। তিনি বলেন, শিক্ষকরা সম্মানিত ব্যক্তি। কোনো শিক্ষক নির্বাচনে প্রার্থী হলে তাঁর সহকর্মীরা প্রচারে যুক্ত হতে পারেন। আবার একই শিক্ষকদেরই প্রিসাইডিং বা পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হয়। এতে প্রতিপক্ষ তাঁদের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।
এ কারণেই শিক্ষকদের ভোটের বাইরে রাখার প্রস্তাব বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। প্রস্তাবটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর পর মন্ত্রিসভা ও সংসদে আলোচনা-তর্ক-বিতর্ক শেষে আইন আকারে আসবে। সবার ঐকমত্য হলে তা কার্যকর হবে, অন্যথায় হবে না বলে জানান তিনি।

নিষিদ্ধ দলের অংশগ্রহণ নিয়ে ইসির অবস্থান
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদধারীদের অযোগ্য করা এবং এমপিওভুক্তদের ভোটে রাখাসহ নয় দফা দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলটি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এ নিয়ে একাধিকবার বৈঠকও করেছে। নিষিদ্ধ কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের কেউ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, নির্বাচন অরাজনৈতিকভাবেই হতে হবে। আইন যেখানে রয়েছে, সেখানে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আলাদা করে বলার সুযোগ নেই।

‘ইসি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না’—অভিযোগ প্রসঙ্গে
জামায়াতে ইসলামীর নেতারা সম্প্রতি অভিযোগ করেছেন, নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না এবং কমিশনকে অসহায় মনে হচ্ছে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, তিনি চাপের মধ্যে আছেন কি না, নাকি স্বাধীনভাবে কাজ করছেন—তা তিনি নিজেই জানেন। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যেভাবে কাজ করে না, তা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করাও সঠিক নয়।

কালের আলো/এম/এএইচ

‘আমার একটামাত্র বউ’, সংসদে আইনমন্ত্রীর রসিকতা!

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:০৪ পূর্বাহ্ণ
‘আমার একটামাত্র বউ’, সংসদে আইনমন্ত্রীর রসিকতা!

দ্য ট্রান্সফার অব প্রপার্টি অ্যাক্ট সংশোধন বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। এ সময় তিনি বলেন, ‌‘মাননীয় স্পিকার, আমার একটা মাত্র বউ। আমি যদি আজ তালাক দিতে চাই, ইসলামিক ল অনুসারে আমি তিন তালাক বললে পরে তালাক হয়ে যাবে।’

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এসব কথা বলেন তিনি। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

দ্য ট্রান্সফার অব প্রপার্টি অ্যাক্ট সংশোধন বিল অনুসারে, সন্তানকে সম্পত্তি হস্তান্তর করলেও আজীবন ভোগ করতে পারবেন বাবা-মা। ১৮৮২ সালের পরে বিলটি সংসদে কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে। যদিও বিল পাসের আগেই সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে বিরোধী দল। তবে বাবা-মাকে সুরক্ষায় বিলটিকে সাধুবাদ জানিয়েছে সরকারি দল।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার, ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের যেখানে বলেছে- আমি তালাক দিতে গেলে আমাকে আরবিট্রেশন কাউন্সিলে নোটিশ দিতে হবে। আরবিট্রেশন কাউন্সিল ৯০ দিনের মধ্যে দুই পক্ষকে ডাকবেন। দুই পক্ষকে ডেকে নিয়ে তারপরে রিকনসিলিয়েট করার চেষ্টা করবেন। তা-ও যদি না হয়, তারপরে তালাক কার্যকর হবে আফটার ৯০ ডেজ।’

এম/এএইচ

আসামিদের ওপর নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান চিফ প্রসিকিউটরের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ণ
আসামিদের ওপর নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান চিফ প্রসিকিউটরের

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, কিছু আসামির গতিবিধি ও তৎপরতা সন্দেহজনক। তাদের পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের নাশকতা বা স্যাবোটাজের ঘটনা ঘটতে পারে বলে গোপন তথ্য রয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলির নেতৃত্বে গুমের শিকার ৫৫টি পরিবারের সদস্যরা চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে আসেন। তদন্ত সংস্থা তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করবে।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্যদের সতর্ক করা হয়েছে। কিছু আসামির তৎপরতা সন্দেহজনক হওয়ায় বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নাশকতার আশঙ্কা বিবেচনায় নিয়েই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, এখন পর্যন্ত ২৫১ জন গুমের শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সংস্থা কাজ করছে।

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ২৫১ জনের গুমের ঘটনাগুলোর ধরন ও পদ্ধতির মধ্যে উল্লেখযোগ্য মিল রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে একই ধরনের পদ্ধতিতে এসব ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে ঘটনাগুলোকে ‘ব্যাপক ও পদ্ধতিগত অপরাধ’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, গুমের ঘটনাগুলোর তদন্ত দ্রুত শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। চলতি বছরের মধ্যেই তদন্ত শেষ করে বিচারকাজ শুরু করার চেষ্টা চলছে।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, গুমের পরিবারের তদন্ত শুরু হওয়ার পর কিছু অভিযুক্তের তৎপরতা বেড়েছে। ন্যায়বিচারের স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক থাকতে হবে। একই সঙ্গে ট্রাইব্যুনালে চলমান মামলার আসামিদের বিষয়েও প্রশাসনকে নজর রাখতে হবে।

গুমের শিকার পরিবারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

শিক্ষকদের আলাদা পে-স্কেল করার পরিকল্পনা: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ণ
শিক্ষকদের আলাদা পে-স্কেল করার পরিকল্পনা: শিক্ষামন্ত্রী

বিচার বিভাগের মতো শিক্ষকদের জন্যও আলাদা পে-স্কেল করার চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ উদযাপনের লক্ষ্যে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভায় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষকদের মেধাবীদের আকৃষ্ট করতে আলাদা বেতন কাঠামোর বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ১১ বছর পর নতুন পে-স্কেল হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে মূল্যস্ফীতির সঙ্গে বেতন সমন্বয় হয়নি। এ বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীরও উপলব্ধিতে রয়েছে।

তিনি বলেন, বিচার বিভাগের মতো শিক্ষকদের জন্যও আলাদা পে-স্কেল করার বিষয়ে সরকার চিন্তা করছে। তবে অল্প সময়ের মধ্যে এত বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন। তারপরও সরকার এ বিষয়ে এগিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

বেসরকারি শিক্ষকদের অবসর ভাতা ও পেনশন নিয়ে ভোগান্তির বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের এই সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করছে। অবসর ভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থায় ইতোমধ্যে পরিবর্তন আনা হয়েছে। শিক্ষকদের বকেয়া পরিশোধসহ সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং আগামী বাজেটগুলোর মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এদিকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব ও জাতীয় বেতন কাঠামোর সদস্য জানান, জাতীয় বেতন স্কেলে শিক্ষকরা অন্তর্ভুক্ত হবেন। সরকারি কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেলে যে সুবিধা পাবেন, শিক্ষকরাও তা পাবেন বলে তিনি জানান।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি