‘আলো’ ও ‘আলফা’ প্রকল্পে পৌনে এক লাখ কর্মসংস্থানের উদ্যোগ
নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে সাক্ষরতার আওতায় আনার পাশাপাশি তাদের জীবিকায়নের সুযোগ তৈরিতে দুটি পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ‘অল্টারনেটিভ লার্নিং অপারচ্যুনিটি (আলো)’ এবং ‘এডাল্ট লিটারেসি অ্যান্ড ফাংশনাল এবিলিটি (আলফা)’ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় পৌনে এক লাখ কিশোর-যুবক ও নিরক্ষর নারী-পুরুষকে শিক্ষা, দক্ষতা ও জীবিকায়নের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে সচিবালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘আলো’ কার্যক্রমের আওতায় দেশের ৬৪ জেলার নির্বাচিত ৬৪টি উপজেলায় ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী ১৯ হাজার ২০০ বিদ্যালয়বহির্ভূত শিশু-কিশোরকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মৌলিক শিক্ষা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী আরও ১৯ হাজার ২০০ তরুণকে জীবিকায়ন দক্ষতা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
এ ছাড়া উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর চলমান কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় চলতি অর্থবছরে বিশেষ কার্যক্রমের দ্বিতীয় ধাপে ৫০টি জেলায় আরও ৪ হাজার কিশোর-কিশোরীকে প্রাক-বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
দেশকে নিরক্ষরতামুক্ত করার লক্ষ্যে ‘ইচ ওয়ান টিচ ওয়ান’ মডেলের আদলে ‘আলফা’ কর্মসূচিও নেওয়া হচ্ছে। পাইলট পর্যায়ে ৪০ জেলার ৪০টি উপজেলায় ৩৫ হাজার নিরক্ষর নারী-পুরুষকে প্রায়োগিক সাক্ষরতা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরবর্তীতে ২৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী ৪৫ লাখ নিরক্ষর নারী ও পুরুষকে প্রায়োগিক সাক্ষরতার আওতায় আনা হবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় আশা করছে, এসব কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে ২০৩১ সালের মধ্যে দেশের সাক্ষরতার হার ৮৬ থেকে ৯০ শতাংশে উন্নীত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

আপনার মতামত লিখুন
Array