খুঁজুন
                               
, ,
           

বাংলাদেশ-ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর সহযোগিতার নতুন দ্বার খুলছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৪ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর সহযোগিতার নতুন দ্বার খুলছে

বাংলাদেশ ও ক্যারিবীয় দেশ ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুসংহত করতে ‘দ্বিপক্ষীয় পরামর্শ ব্যবস্থা’ প্রতিষ্ঠায় একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উচ্চ পর্যায়ের সপ্তাহের ফাঁকে বাংলাদেশ এবং ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে এ সমঝোতা স্মারক সই হয়।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস এম সোবার্স এমপি নিজ নিজ দেশের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে সই করেন।

অনুষ্ঠানে হুমায়ুন কবির বলেন, কমনওয়েলথ, জাতিসংঘ, জি-৭৭সহ বিভিন্ন বহুপাক্ষিক প্ল্যাটফর্মের অংশীদার হিসেবে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর করতে বাংলাদেশ আগ্রহী।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সমঝোতা স্মারক দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়মিত পর্যালোচনা, বাণিজ্যিক, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, কারিগরি ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বাড়ানো এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে মতবিনিময়ের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্‌ম হিসেবে কাজ করবে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি খাত দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হতে পারে। এ বিষয়ে তিনি ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর ন্যাশনাল গ্যাস কোম্পানি, আটলান্টিক এলএনজি, ফিনিক্স পার্ক গ্যাস প্রসেসরসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং অ্যামোনিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর দ্রুত একটি কারিগরি বৈঠকের আয়োজনের বিষয়ে সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২০২৭-২০২৮ মেয়াদে অস্থায়ী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় ত্রিনিদাদ ও টোবাগোকে অভিনন্দন জানান।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির বলেন, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশ আশ্রয় দিয়ে আসছে। তবে মানবিক সহায়তার অর্থায়ন কমে যাওয়া এবং মিয়ানমারের চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সংকটকে আরও জটিল করে তুলছে।

তিনি নিরাপত্তা পরিষদে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর আসন্ন মেয়াদকালে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখতে দেশটির গঠনমূলক সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় তিনি ক্রিকেটকে দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগের একটি স্বাভাবিক সেতু হিসেবে উল্লেখ করে যুব ও নারী ক্রিকেট, ক্রীড়া বিজ্ঞান এবং ক্রীড়া প্রশাসনে সহযোগিতা ও বিনিময়ের প্রস্তাব দেন।

উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করে যে, আজকের এই সমঝোতা স্মারক বাংলাদেশ ও ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও কাঠামোবদ্ধ, কার্যকর ও কর্মমুখী অংশীদারত্বে রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

হাতি সংরক্ষণে বন অধিদপ্তর-বিজিবির সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ
হাতি সংরক্ষণে বন অধিদপ্তর-বিজিবির সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ

মানুষ ও হাতির নিরাপদ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হাতির আবাসস্থল ও চলাচলের করিডোর সুরক্ষা, নজরদারি এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবনের শৈলপ্রপাত মিলনায়তনে ‘হাতি সংরক্ষণ: বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশ দেন। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মন্ত্রী বলেন, হাতি সংরক্ষণ শুধু প্রাণীর সংখ্যা রক্ষার বিষয় নয়। এর সঙ্গে হাতির আবাসস্থল, চলাচলের করিডোর, পরিবেশের ভারসাম্য এবং হাতির বিচরণ এলাকায় বসবাসকারী মানুষের নিরাপত্তা ও জীবিকার বিষয়ও জড়িত।

তিনি জানান, বাংলাদেশের বন্য হাতি প্রধানত শেরপুর, জামালপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে বিচরণ করে। ২০১৬ সালে দেশে আনুমানিক ২৬৮টি হাতি ছিল। বন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ১৪৬টি হাতির মৃত্যু হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, আবাসস্থল ও চলাচলের করিডোর সংকুচিত হওয়া, বন উজাড়, খাদ্যসংকট, সড়ক ও রেলপথ নির্মাণ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বৈদ্যুতিক ফাঁদের কারণে মানব-হাতি সংঘাত বাড়ছে। হাতি লোকালয় বা কৃষিজমিতে প্রবেশ করলে মানুষ ও হাতি উভয়ই ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।

এ কারণে সংঘাতের পর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সংঘাতপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত, আগাম সতর্কতা এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার কথা জানান তিনি। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগণকে হাতি সংরক্ষণ কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেন।

আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, এশীয় হাতির চলাচলের জন্য বিস্তৃত এলাকা প্রয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশ অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় হাতি সংরক্ষণ একটি জটিল কাজ। তাই বন অধিদপ্তর, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, অবকাঠামো-সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, গবেষক, সংরক্ষণ সংস্থা ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন।

পার্বত্য চট্টগ্রামের সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় হাতি শিকার ও পাচারের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। এসব এলাকায় নজরদারি জোরদারে বন অধিদপ্তর ও বিজিবির মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি সীমান্ত সড়কসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনার সময় হাতির ঐতিহ্যগত চলাচলের পথ বিবেচনায় নেওয়ার কথা বলেন।

বন্দী হাতির কল্যাণ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন পরিবেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, বন্দী হাতির লাইসেন্স, সংখ্যা ও অবস্থার যথাযথ রেকর্ড সংরক্ষণ এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। প্রশিক্ষণের নামে হাতিকে শিকলে রাখা, প্রহার ও নির্যাতনের অভিযোগ এবং সার্কাসসহ বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের বিষয়গুলো আইন ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বের সঙ্গে পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

সভায় ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে হাতির আবাসস্থল ও করিডোর সুরক্ষা, স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে সংঘাত কমানো, বন্দী হাতির নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, গবেষক, আইন বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের কথা তুলে ধরা হয়।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী ও সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সভাপতিত্বে সভায় শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী, পক্ষীবিদ ও বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ মুহাম্মদ আলী রেজা খান এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) শামিমা বেগমসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, গবেষক, পরিবেশবিদ ও সংরক্ষণকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএসআইপি 

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত ব্যাংকক, জারি জরুরি সতর্কতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৩ অপরাহ্ণ
ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত ব্যাংকক, জারি জরুরি সতর্কতা

টানা ভারী বৃষ্টিতে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। প্রধান সড়কগুলোতে কোথাও কোথাও কোমরসমান পানি জমেছে। পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করায় শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) শহরটিকে দুর্যোগকবলিত এলাকা ঘোষণা করেছেন ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ট সিত্তিপান।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় ব্যাংককে প্রায় ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। অনেক স্থানে যানবাহন আংশিক পানিতে ডুবে থাকতে দেখা গেছে।

আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সপ্তাহান্তে ব্যাংককে আরও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। গভর্নর চাদচার্ট সিত্তিপান বলেছেন, বন্যা মানুষের জীবন ও সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তির জন্য ঝুঁকি তৈরি করেছে। খালসংলগ্ন এলাকাগুলোর পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি নাজুক বলে জানিয়েছেন তিনি।

দুর্গত মানুষের সহায়তায় আশ্রয়কেন্দ্র ও অস্থায়ী রান্নাঘর স্থাপন করছে সেনাবাহিনী। ব্যাংকক মহানগর প্রশাসন স্কুলগুলোকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করেছে। একই সঙ্গে বাসিন্দাদের অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

খালের কাছাকাছি বসবাসকারীদের জরুরি সতর্কবার্তা দিয়ে প্রয়োজনীয় মালপত্র নিরাপদ ও উঁচু স্থানে সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। বন্যার আশঙ্কায় খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে সুপারমার্কেটগুলোতেও মানুষের ভিড় দেখা গেছে।

এদিকে বন্যার মধ্যেও ব্যাংককের প্রধান সুবর্ণভূমি বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সড়কে জলাবদ্ধতার কারণে বিমানযাত্রীদের যাতায়াতে অতিরিক্ত দুই থেকে তিন ঘণ্টা সময় হাতে রাখার পরামর্শ দিয়েছে পর্যটন কর্তৃপক্ষ।

এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বরে থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যায় বহু মানুষ প্রাণ হারান এবং হাজারো বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

বনানীতে বহুতল ভবনের ২৩ তলায় আগুন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ
বনানীতে বহুতল ভবনের ২৩ তলায় আগুন

রাজধানীর বনানীতে আলোচিত এফ আর টাওয়ারের পাশের একটি বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার জানান, বিকেল ৫টা ৩৬ মিনিটে বনানীর একটি ২৬ তলা ভবনের ২৩ তলায় আগুন লাগার খবর আসে। খবর পেয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ শুরু করে।

তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে এবং এতে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ২৮ মার্চ বনানীর এফ আর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৬ জন নিহত ও ৭০ জন আহত হন। ওই ঘটনার পর বনানীর বহুতল ভবনগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি