খুঁজুন
                               
, ,
           

বোয়িং কেনার চুক্তি হয়েছে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ রক্ষা করে: মাহদী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫৩ অপরাহ্ণ
বোয়িং কেনার চুক্তি হয়েছে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ রক্ষা করে: মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ রক্ষা এবং দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সফল হয়েছে। সফরে বাংলাদেশের স্বার্থ ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো বিশ্ব দরবারে তুলে ধরা হয়েছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনেও প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ়ভাবে উপস্থাপন করেছেন।

তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা প্রধানমন্ত্রীকে সাদরে গ্রহণ করেছেন। পাঁচ দিনের সফরে তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরেছেন এবং ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে দেশের মানুষের জন্য তাঁর পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন।

আইন লঙ্ঘন করলে কঠোর ব্যবস্থা

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে হামলা এবং জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মাহদী আমিন বলেন, কেউ আইন লঙ্ঘন করলে কিংবা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করলে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

সরকার বা দলের নাম ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম করলে ছাড় দেওয়া হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইন নিজস্ব গতিতে চলবে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড সরকার কঠোরভাবে দমন করবে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব সালেহ শিবলী জানান, নেতাকর্মীদের ভিড় প্রধানমন্ত্রী পছন্দ করছেন না। তাঁর মতে, এটি রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তনের একটি দিক।

এর আগে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান শেষে রোববার সকাল ৮টা ২১ মিনিটে দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানসহ সফরসঙ্গীরা। বিমানবন্দরে জাতীয় সংসদের স্পিকার, চিফ হুইপ, স্থানীয় সরকার মন্ত্রীসহ সরকারের প্রতিনিধিরা তাঁকে অভ্যর্থনা জানান।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর: ‘ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত’ রাশেদ খাঁন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৩৮ অপরাহ্ণ
সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর: ‘ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত’ রাশেদ খাঁন

জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। একই সঙ্গে ঘটনার প্রকৃত সত্য সামনে আনতে সালমান মুক্তাদিরের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন রাশেদ খাঁন।

পোস্টে তিনি দাবি করেন, নিউ গিনি প্রোপার্টিজ লিমিটেডের ভেতরে দুই পক্ষের জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরেই সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির সংলগ্ন এলাকায় সাবেক কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তার ২৩ কাঠা জমি রয়েছে। এর মধ্যে আট কাঠা জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ চলছে।

রাশেদ খাঁনের দাবি, সাবেক সরকারি কর্মকর্তারা অভিযোগ করছেন, অতীতে প্রভাব বিস্তার করে ওই আট কাঠা জমি নিউ গিনি প্রোপার্টিজের মালিক নাজিম উদ্দীন দখল করেছেন। সম্প্রতি নাজিম উদ্দীনের কাছ থেকে পাঁচ হাজার বর্গফুট জায়গা ভাড়া নিয়ে সেখানে স্টুডিও স্থাপন করেন সালমান মুক্তাদির।

তিনি আরও দাবি করেন, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নিউ গিনি প্রোপার্টিজের পক্ষ থেকে নতুন কয়েকটি গেট স্থাপন করা হয়। এতে জমির অন্য মালিকরা ক্ষুব্ধ হন। পরে গেট ভাঙার সময় নাজিম উদ্দীনের সম্পদ মনে করে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে ভাঙচুর করা হয়েছে বলে পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।

রাশেদ খাঁন বলেন, জমি নিয়ে বিরোধ থাকলে সংশ্লিষ্টরা আইনের আশ্রয় নিতে পারতেন। তার অভিযোগ, আইনগত পথে না গিয়ে পেশিশক্তি প্রদর্শনের ঘটনায় পুরো দায় বিএনপির ওপর চাপানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দখল ও পাল্টা দখলের সঙ্গে বিএনপি বা কোনো রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নেই বলে তিনি মনে করেন। সালমান মুক্তাদিরের উচিত ছিল পুরো ঘটনা জেনে মন্তব্য করা এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলা।

পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খাঁন বলেন, সালমান মুক্তাদিরের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনায় তারা ব্যথিত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ঘটনার প্রকৃত সত্য সামনে আসবে, দোষীদের যথাযথ শাস্তি হবে এবং সালমান ন্যায়বিচার পাবেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

সায়েন্সল্যাবে দুই কলেজের শিক্ষার্থীদের উত্তেজনা, মোতায়েন ৬০ পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:২৯ অপরাহ্ণ
সায়েন্সল্যাবে দুই কলেজের শিক্ষার্থীদের উত্তেজনা, মোতায়েন ৬০ পুলিশ

রাজধানীর সায়েন্সল্যাব এলাকায় ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হওয়ার পাশাপাশি সায়েন্সল্যাব মোড়সংলগ্ন বিভিন্ন সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে জলকামানও।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে সায়েন্সল্যাব সংলগ্ন গ্রিন রোডের মুখে এ ঘটনা ঘটে।

বাসে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের অভিযোগ

ঢাকা কলেজের এক উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীর দাবি, ক্লাস শেষে ঢাকা কলেজের বাস সায়েন্সল্যাব হয়ে যাওয়ার সময় আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীরা বাসে ইট-পাটকেল ছোড়েন। এতে বাসটির কয়েকটি জানালার কাচ ভেঙে যায়। পরে খবর পেয়ে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা সায়েন্সল্যাবে গিয়ে আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রতিহত করেন বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আইডিয়াল কলেজের এক শিক্ষার্থী দাবি করেন, ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা হঠাৎ তাদের ওপর হামলা করেন। এতে তাদের কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। কয়েকজনের মাথা ফেটে গেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই শিক্ষার্থী বলেন, তারা নতুন শিক্ষার্থী। বাসার দিকে যাওয়ার সময় হঠাৎ তাদের ওপর হামলা করা হয়। এ ঘটনায় তারা নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত।

সায়েন্সল্যাবে ৬০ পুলিশ

নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আইয়ুব বলেন, সায়েন্সল্যাবে ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কিছুটা উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। পরিস্থিতি যাতে আর উত্তপ্ত না হয়, সে জন্য পুলিশ সেখানে অবস্থান করছে।

তিনি বলেন, দুই কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পুলিশের কথা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা বর্তমানে নিজ নিজ কলেজের ভেতরে রয়েছেন। বাইরে থেকে কেউ যাতে কাউকে ঢিল বা পাথর নিক্ষেপ করতে না পারে, সেজন্য পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

ওসি জানান, সায়েন্সল্যাব এলাকায় প্রায় ৬০ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। নিউমার্কেট, কলাবাগান ও ধানমন্ডি থানা পুলিশের সদস্যরা পৃথক স্থানে দায়িত্ব পালন করছেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে নতুন উন্নয়ন মডেল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৮ অপরাহ্ণ
ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে নতুন উন্নয়ন মডেল

ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার নতুন উন্নয়ন মডেল বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ডেট্রয়েটে আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেক্টসের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ড. তিতুমীর বলেন, আগের সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে উত্তরণে সরকার ‘পুনরুদ্ধার, পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও পুনর্গঠন’—এই তিন ‘আর’ কৌশলের ভিত্তিতে নতুন উন্নয়ন মডেল বাস্তবায়ন করছে। এর আওতায় বিনিয়োগ, উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, শিল্পের বহুমুখীকরণ, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানো এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করে বাংলাদেশকে একটি প্রতিযোগিতামূলক উৎপাদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার।

সম্মেলনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের দেশের উন্নয়নে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণাপ্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি কোম্পানি ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বাংলাদেশের সংযোগ স্থাপনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। একই সঙ্গে তরুণ প্রকৌশলী ও উদ্যোক্তাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা, প্রযুক্তি ও জ্ঞান হস্তান্তর এবং সম্ভাবনাময় দেশীয় স্টার্টআপের জন্য বৈশ্বিক বিনিয়োগ ও বাজারের সুযোগ তৈরিতেও প্রবাসী পেশাজীবীদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান ড. তিতুমীর।

তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, বিশ্বাসযোগ্যতা ও পেশাগত যোগাযোগ বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশিদের ব্যক্তিগত সাফল্যকে বাংলাদেশের জন্য সম্মিলিত সম্ভাবনায় রূপান্তরের আহ্বান জানান তিনি।

আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেক্টসের সভাপতি প্রকৌশলী মনির জামানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন মার্কিন কংগ্রেস সদস্য ডেবি ডিঙ্গেল ও মিশিগান সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি মেগান ক্যাভানাহ। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে বাংলাদেশি প্রকৌশলী ও স্থপতিরা সম্মেলনে অংশ নেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি