খুঁজুন
                               
, ,
           

ওষুধ ভুললেই ফোনে যাবে বার্তা

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০৭ অপরাহ্ণ
ওষুধ ভুললেই ফোনে যাবে বার্তা

সময়মতো ওষুধ খাওয়ার কথা ভুলে যাওয়া অনেকেরই নিয়মিত সমস্যা। বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও বেশি দেখা যায়। ফলে পরিবারের সদস্যদের অনেক সময় বারবার মনে করিয়ে দিতে হয়, এমনকি নিয়মিত ওষুধ খাওয়ানো নিয়ে চেঁচামেচিও করতে হয়।

তবে প্রযুক্তির সাহায্যে এই ঝামেলা অনেকটাই কমানো সম্ভব। বাসায় ব্যবহার করা যায় এমন অটোমেটিক পিল ডিসপেনসার নামের ছোট্ট একটি যন্ত্র ওষুধ খাওয়ার নির্ধারিত সময় মনে করিয়ে দিতে পারে। শুধু তাই নয়, নির্দিষ্ট সময়ে ওষুধ না নিলে কিছু মডেল পরিবারের সদস্যের ফোনে বার্তাও পাঠাতে পারে।

কীভাবে কাজ করে যন্ত্রটি

অটোমেটিক পিল ডিসপেনসারের ভেতরে সাধারণত অনেক ভাগে বিভক্ত একটি গোলাকার ট্রে থাকে। রোগীর ওষুধ খাওয়ার সময়সূচি অনুযায়ী প্রতিটি ভাগে নির্দিষ্ট সময়ের ওষুধ সাজিয়ে রাখতে হয়।

পরিবারের সদস্য, পরিচর্যাকারী কিংবা ফার্মাসিস্টের সহায়তায় ওষুধগুলো ট্রেতে সাজিয়ে নেওয়া যায়। এরপর যন্ত্রটিতে প্রতিটি ওষুধ খাওয়ার সময় নির্ধারণ করে অ্যালার্ম সেট করতে হয়।

নির্ধারিত সময়ে অ্যালার্ম বাজবে এবং অনেক মডেলে আলোও জ্বলবে। একই সময়ে যন্ত্রের ভেতরের ট্রে ঘুরে নির্দিষ্ট সময়ের ওষুধটি ঢাকনার একটি নির্ধারিত খোলা অংশের সামনে নিয়ে আসবে।

ভুল করে অতিরিক্ত ওষুধ খাওয়ার ঝুঁকি কমায়

নির্ধারিত সময় হলে ব্যবহারকারী যন্ত্রটি কাত করলে ওষুধ হাতের তালুতে বা ছোট একটি পাত্রে পড়ে যাবে। ওষুধ বের হয়ে এলে সাধারণত অ্যালার্ম বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ওষুধ খেয়ে যন্ত্রটি আবার আগের অবস্থানে রাখতে হয়।

অনেক যন্ত্রের ঢাকনা লক করা যায়। ফলে নির্ধারিত সময়ের আগে ট্রের অন্য অংশে থাকা ওষুধ নেওয়ার সুযোগ থাকে না। এতে ভুল করে একসঙ্গে অতিরিক্ত ওষুধ খেয়ে ফেলার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

বিশেষ করে একাধিক ধরনের ওষুধ নিয়মিত খেতে হয়—এমন বয়স্ক ব্যক্তি বা রোগীদের ক্ষেত্রে এ ধরনের যন্ত্র দৈনন্দিন ওষুধ ব্যবস্থাপনায় সহায়ক হতে পারে।

ওষুধ না নিলে ফোনে যাবে বার্তা

অটোমেটিক পিল ডিসপেনসারের কিছু উন্নত মডেলে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা থাকে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবহারকারী যন্ত্র থেকে ওষুধ না নিলে সেটি আগে থেকে নির্ধারণ করে রাখা পরিবারের সদস্যের মোবাইল নম্বরে খুদে বার্তা পাঠাতে পারে।

ফলে পরিবারের সদস্য দূরে থাকলেও বিষয়টি জানতে পারেন। পরে ফোন করে তিনি রোগীকে ওষুধ খাওয়ার কথা মনে করিয়ে দিতে পারেন।

এ ধরনের সুবিধা বিশেষ করে একা থাকা বয়স্ক ব্যক্তি কিংবা যাঁদের নিয়মিত ওষুধ খাওয়ার বিষয়টি পরিবারের সদস্যরা দূর থেকে দেখভাল করেন, তাঁদের জন্য কাজে আসতে পারে।

ব্যবহারের আগে যা খেয়াল রাখা জরুরি

যন্ত্রে ওষুধ সাজানোর সময় প্রতিটি ওষুধের নাম, মাত্রা ও খাওয়ার সময়সূচি ঠিকভাবে মিলিয়ে নিতে হবে। পরিবারের সদস্য বা পরিচর্যাকারীর সহায়তায় ওষুধ সাজিয়ে নেওয়া নিরাপদ।

তবে এই যন্ত্র চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোন ওষুধ কখন এবং কত মাত্রায় খেতে হবে, সে বিষয়ে চিকিৎসকের নির্দেশই অনুসরণ করতে হবে। ওষুধের সময়সূচি পরিবর্তন হলে ডিসপেনসারের সেটিংসও পরিবর্তন করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশে দাম কত

বাংলাদেশের বিভিন্ন মেডিক্যাল ইকুইপমেন্ট বিক্রয় প্রতিষ্ঠান ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অটোমেটিক পিল ডিসপেনসার পাওয়া যায়। যন্ত্রের আকার, ধারণক্ষমতা, অ্যালার্ম, লকিং ব্যবস্থা এবং ফোনে বার্তা পাঠানোর মতো সুবিধার ওপর ভিত্তি করে দাম ভিন্ন হয়।

সাধারণত প্রায় ৩ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিভিন্ন ধরনের অটোমেটিক পিল ডিসপেনসার পাওয়া যেতে পারে।

সঠিক মডেল বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে শুধু দাম নয়, কত ধরনের ওষুধ রাখা যাবে, দিনে কতবার অ্যালার্ম দেওয়া যায়, লকিং ব্যবস্থা আছে কি না এবং পরিবারের সদস্যকে সতর্কবার্তা পাঠানোর সুবিধা রয়েছে কি না—এসব বিষয়ও বিবেচনা করা জরুরি।

কালের আলো/এসএ

ভিএফএক্সে ছাড় নয়, পিছিয়ে গেল ‘আন্ধার’

বিনোদন ডেস্ক:
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০১ অপরাহ্ণ
ভিএফএক্সে ছাড় নয়, পিছিয়ে গেল ‘আন্ধার’

রায়হান রাফী পরিচালিত বহুল আলোচিত সিনেমা ‘আন্ধার’ নির্ধারিত সময়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে না। অক্টোবরে সিনেমাটি মুক্তির ঘোষণা দেওয়া হলেও পোস্ট প্রডাকশনের কাজ শেষ না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত মুক্তি পিছিয়ে দিয়েছেন নির্মাতা। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী বছরের ২৬ মার্চ, মহান স্বাধীনতা দিবসে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে সিনেমাটি।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ‘আন্ধার’-এর নতুন মুক্তির তারিখ ঘোষণা করা হয়। এর আগে প্রকাশিত টিজারে আগামী অক্টোবরে সিনেমাটি মুক্তির কথা জানানো হয়েছিল। তবে পোস্ট প্রডাকশনের কাজ পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে সিনেমাটি মুক্তি পাওয়া নিয়ে এরই মধ্যে নানা গুঞ্জন তৈরি হয়েছিল।

ভিএফএক্সের মানে কোনো আপস নয়

মুক্তি পিছিয়ে দেওয়ার কারণও জানিয়েছেন নির্মাতা রায়হান রাফী। তার ভাষ্য, চাইলে আগামী ১৬ অক্টোবরই ‘আন্ধার’ প্রেক্ষাগৃহে আনা সম্ভব। কিন্তু তাড়াহুড়ো করে মুক্তি দিলে সিনেমাটির ভিএফএক্সের মান প্রত্যাশিত পর্যায়ে নাও থাকতে পারে। আর সিনেমার ভিজ্যুয়াল মানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করতে চান না তিনি।

রায়হান রাফী বলেন, ১৬ অক্টোবর সিনেমাটি মুক্তি দেওয়া সম্ভব হলেও সে ক্ষেত্রে হয়তো ভিএফএক্সের মান খারাপ হতে পারে। তাই অক্টোবর কিংবা ডিসেম্বর—কোনো সময়েই তাড়াহুড়ো করে মুক্তি না দিয়ে আরও সময় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

নির্মাতার ভাষ্য অনুযায়ী, ঈদকে কেন্দ্র করে মুক্তির পরিকল্পনাও করা হয়নি। বরং আগামী ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসেই দর্শকদের সামনে ‘আন্ধার’ নিয়ে আসতে চান তিনি।

তারকাবহুল অভিনয়শিল্পী

‘আন্ধার’ নির্মিত হচ্ছে ২২১বি ফিল্মসের প্রযোজনায়। সিনেমাটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ, চঞ্চল চৌধুরী ও নাজিফা তুষি। তাদের সঙ্গে আরও অভিনয় করেছেন মোস্তফা মনোয়ার, ফারুক রেহানসহ অনেকে।

সিনেমাটির টিজার প্রকাশের পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে এটি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে নির্মাণের ধরন, অভিনয়শিল্পীদের উপস্থিতি এবং ভিজ্যুয়াল নির্মাণের কারণে সিনেমাটি নিয়ে প্রত্যাশাও তৈরি হয়েছে। এখন সেই প্রত্যাশা আরও বাড়িয়ে নতুন মুক্তির তারিখ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ মার্চ।

পোস্ট প্রডাকশনের কাজ শেষ করে ভিএফএক্সসহ সিনেমার কারিগরি দিকগুলোকে আরও নিখুঁত করতেই এই বাড়তি সময় নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা। ফলে অক্টোবরের পরিবর্তে আগামী বছরের স্বাধীনতা দিবসে ‘আন্ধার’ বড় পর্দায় দেখা যাবে।

কালের আলো/এসএ

৫০৬ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল

আবাসিক গ্রাহকের ২৩৫ ইউনিটে বিল ৫০৬ কোটি টাকা!

শালিখা(মাগুরা) সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
আবাসিক গ্রাহকের ২৩৫ ইউনিটে বিল ৫০৬ কোটি টাকা!

মাগুরায় মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকার বিল তৈরির ঘটনায় মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. মহিতুল ইসলাম ও বিলিং অ্যাসিস্ট্যান্ট সোমা রানী ঘোষকে বরখাস্ত করা হয়েছে। একই ঘটনায় ভুক্তভোগী গ্রাহককে ফোন করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

সম্প্রতি মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী মোছা. আলেয়া খাতুন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী। তার নামে সেপ্টেম্বর মাসের ওই বিল ইস্যু করে মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া জোনাল অফিস।

বিলের তথ্য অনুযায়ী, গত ৮ সেপ্টেম্বর মিটারের বর্তমান রিডিং ছিল ৩৯৫ এবং ৮ আগস্টের পূর্ববর্তী রিডিং ছিল ১৬০। ফলে এক মাসে তার বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৩৫ ইউনিট।

কিন্তু ওই ২৩৫ ইউনিটের বিপরীতে বিলটিতে ডিমান্ড চার্জ দেখানো হয় ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা। এর সঙ্গে ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭১ টাকা ভ্যাট ও ১০ টাকা মিটার ভাড়া যোগ করে মোট বিল দাঁড়ায় ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল পরিশোধ না করলে বিলম্ব মাশুলসহ বিলের পরিমাণ ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ টাকা হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়। অথচ ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুতের প্রকৃত বিল ছিল মাত্র ১ হাজার ৯৬৩ টাকা। বিলম্ব মাশুলসহ তা হওয়ার কথা ২ হাজার ৫৬ টাকা।

গত ১০ সেপ্টেম্বর বিলটি ইস্যু করা হয় এবং পরিশোধের শেষ তারিখ ছিল ২৯ সেপ্টেম্বর। বিলটিতে গ্রাহকের শ্রেণি হিসেবে ‘এলটি-এ (আবাসিক)’ উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ ঘটনায় পল্লী বিদ্যুতের আরও যেসব কর্মকর্তা জড়িত, তাদের চাকরিচ্যুত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় গ্রাহকরা।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব নিয়ে আসিফের প্রতিক্রিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব নিয়ে আসিফের প্রতিক্রিয়া

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পোস্টে আসিফ মাহমুদ লেখেন, ‘ভিক্টিম ভিক্টিমের মতো থাকবা, তুমি প্রতিবাদ করবা কেন? তাও ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে!’

পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘আমি ক্রনোলজিটা বলে দিচ্ছি : বিএফআইইউ-দুদক,মামলা-ন্যারেটিভ-পারসেপশন-হয়রানি।’

সবশেষে আসিফ মাহমুদ লেখেন, ‘একটা বার্তা দেওয়া হলো সকল ভবিষ্যৎ ভিক্টিমদের প্রতি, প্রতিবাদ করা যাবে না।’

সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলবের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তিনি এসব মন্তব্য করেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি