খুঁজুন
                               
, ,
           

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে ৪৩ পদে নিয়োগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৪ অপরাহ্ণ
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে ৪৩ পদে নিয়োগ

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানে ১৬তম ও ২০তম গ্রেডে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এতে মোট ছয়টি পদে ৪৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ সময় ৩০ অক্টোবর ২০২৬ বিকেল ৪টা।

কোন পদে কত নিয়োগ

অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক:
জেলা ক্রীড়া অফিসে এই পদে নয়জন নিয়োগ দেওয়া হবে। পদটি ১৬তম গ্রেডের। বেতন স্কেল ২১ হাজার ৯০০ থেকে ৫২ হাজার ৯০০ টাকা।

ক্যাশিয়ার:
সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজে ক্যাশিয়ার পদে দুজন নিয়োগ দেওয়া হবে। এটিও ১৬তম গ্রেডের পদ। বেতন স্কেল ২১ হাজার ৯০০ থেকে ৫২ হাজার ৯০০ টাকা।

ড্রাইভার (গাড়িচালক):
সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজে গাড়িচালক পদে দুজন নিয়োগ দেওয়া হবে। এ পদটি ১৬তম গ্রেডের এবং বেতন স্কেল ২১ হাজার ৯০০ থেকে ৫২ হাজার ৯০০ টাকা।

অফিস সহায়ক:
ক্রীড়া পরিদপ্তর ও জেলা ক্রীড়া অফিসে অফিস সহায়ক পদে ২৬ জন নিয়োগ দেওয়া হবে। পদটি ২০তম গ্রেডের। বেতন স্কেল ২০ হাজার থেকে ৪৮ হাজার ৫০০ টাকা।

অফিস সহায়ক:
সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজে একই পদে তিনজন নিয়োগ দেওয়া হবে। এটিও ২০তম গ্রেডের এবং বেতন স্কেল ২০ হাজার থেকে ৪৮ হাজার ৫০০ টাকা।

গ্রাউন্ডসম্যান (অফিস সহায়ক):
সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজে গ্রাউন্ডসম্যান পদে একজন নিয়োগ দেওয়া হবে। এ পদটি ২০তম গ্রেডের। বেতন স্কেল ২০ হাজার থেকে ৪৮ হাজার ৫০০ টাকা।

মোট ৪৩ পদে নিয়োগ

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে নয়জন, ক্যাশিয়ার পদে দুজন, ড্রাইভার পদে দুজন, ক্রীড়া পরিদপ্তর ও জেলা ক্রীড়া অফিসের অফিস সহায়ক পদে ২৬ জন, সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজের অফিস সহায়ক পদে তিনজন এবং গ্রাউন্ডসম্যান পদে একজন নেওয়া হবে। সব মিলিয়ে মোট ৪৩টি পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে।

আবেদনের সময়সীমা

আগ্রহী প্রার্থীদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন শুরু হবে ১ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ১০টায়। আবেদন করার শেষ সময় ৩০ অক্টোবর ২০২৬ বিকেল ৪টা।

চাকরিপ্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করার জন্য বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। নিয়োগের যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, আবেদন পদ্ধতি ও অন্যান্য শর্ত বিস্তারিতভাবে সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

কালের আলো/এসএ

এনভিডিয়ার বিকল্পে ডিপসিক-হুয়াওয়ের নতুন জোট

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
এনভিডিয়ার বিকল্পে ডিপসিক-হুয়াওয়ের নতুন জোট

এনভিডিয়ার প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিজেদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চিপ ও সফটওয়্যার অবকাঠামো শক্তিশালী করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে চীনের এআই প্রতিষ্ঠান ডিপসিক। এ লক্ষ্যে দেশটির প্রযুক্তি জায়ান্ট হুয়াওয়ের সঙ্গে যৌথভাবে এআই চিপের জন্য প্রোগ্রামিং অবকাঠামো তৈরি করছে প্রতিষ্ঠানটি।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

হুয়াওয়ের অ্যাসেন্ড চিপের জন্য নতুন অবকাঠামো

বুধবার এক পোস্টে ডিপসিক জানায়, হুয়াওয়ের অ্যাসেন্ড চিপের জন্য বিশেষভাবে তৈরি একটি প্রোগ্রামিং অবকাঠামো উন্মুক্ত করা হয়েছে। এতে এআই কম্পিউটিং ও চিপগুলোর মধ্যে দ্রুত যোগাযোগের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সফটওয়্যার লাইব্রেরি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ডিপসিক জানিয়েছে, প্রকল্পটিতে হুয়াওয়ে পূর্ণ সহযোগিতা করেছে। দুই প্রতিষ্ঠানের যৌথ প্রচেষ্টায় হুয়াওয়ের চিপকে কেন্দ্র করে এআই কম্পিউটিংয়ের সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

১২৮ চিপে ‘সুপারনোড’

যৌথ প্রকল্পের অংশ হিসেবে ডিপসিক ও হুয়াওয়ে ১২৮টি অ্যাসেন্ড ৯৫০ চিপ ব্যবহার করে একটি ‘সুপারনোড’ কম্পিউটিং ব্যবস্থা তৈরি করেছে।

এ ধরনের ব্যবস্থায় একাধিক চিপকে সমন্বিতভাবে কাজে লাগিয়ে এআই মডেল প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য জটিল কম্পিউটিংয়ের সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। ডিপসিকের প্রকল্পে চিপগুলোর গণনাশক্তি কাজে লাগানোর পাশাপাশি এক চিপ থেকে অন্য চিপে তথ্য আদান-প্রদানের কার্যকারিতাও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

টাইলল্যাং দিয়ে কোডিং সহজ করার চেষ্টা

এই উদ্যোগে ‘টাইলল্যাং’ নামের একটি ওপেন সোর্স প্রোগ্রামিং ভাষার কথাও উল্লেখ করেছে ডিপসিক। এআই চিপের জন্য কোড তৈরি সহজ করা এবং সফটওয়্যার উন্নয়নের সময় কমানোর লক্ষ্যেই এটি ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

ডিপসিকের মতে, নতুন প্রজন্মের নিজস্ব এআই চিপের সর্বোচ্চ সক্ষমতা কাজে লাগাতে এমন প্রোগ্রামিং ভাষা প্রয়োজন, যা একই সঙ্গে ব্যবহার করা সহজ এবং চিপের হার্ডওয়্যারের সঙ্গে কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে।

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, টাইলল্যাং সেই লক্ষ্যেই তৈরি করা হয়েছে এবং এনভিডিয়ার কুডার তুলনায় এটি প্রোগ্রামিংকে আরও সহজ করার সুযোগ দিতে পারে।

এনভিডিয়ার কুডার বিকল্প গড়ার চেষ্টা

এআই মডেল প্রশিক্ষণ ও উন্নয়নে এনভিডিয়ার তৈরি চিপ এবং কুডা সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্ম দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশ্বের অনেক এআই প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়ার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার অবকাঠামোর ওপর নির্ভরশীল।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি ও রপ্তানি বিধিনিষেধের কারণে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো উন্নত এনভিডিয়া চিপ ব্যবহারে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে চীনের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের চিপ, সফটওয়্যার ও ডেভেলপমেন্ট ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার ওপর জোর দিচ্ছে।

এআই অবকাঠামোয় হুয়াওয়ের বড় পরিকল্পনা

হুয়াওয়ে সম্প্রতি তাদের নতুন প্রজন্মের এআই প্রসেসর এবং ‘সুপারনোড’ কম্পিউটিং ব্যবস্থা উন্মোচন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, আগামী বছর এসব প্রযুক্তি এআই মডেল প্রশিক্ষণে বড় পরিসরে ব্যবহারের লক্ষ্য রয়েছে।

ডিপসিকের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগটি সেই পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। হার্ডওয়্যার তৈরির পাশাপাশি সেটিকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ও প্রোগ্রামিং অবকাঠামো গড়ে তুলতে পারলে চীনা এআই প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব প্রযুক্তি ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হতে পারে।

সব মিলিয়ে, ডিপসিক ও হুয়াওয়ের এই উদ্যোগ চীনের এআই প্রযুক্তিতে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার—দুই দিকেই নিজস্ব সক্ষমতা বাড়ানোর প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। এনভিডিয়ার চিপ ও কুডা-নির্ভরতার বাইরে নিজেদের প্রযুক্তি ইকোসিস্টেম গড়ে তোলাই এখন চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম লক্ষ্য।

কালের আলো/এসএ

সূচক বাড়ল, ডিএসইতে লেনদেন ৬৯৯ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ
সূচক বাড়ল, ডিএসইতে লেনদেন ৬৯৯ কোটি টাকা

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার দেশের পুঁজিবাজারে সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের পরিমাণ বাড়ার পাশাপাশি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) লেনদেন বেড়েছে।

বাজারসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বুধবার ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ২৬ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৫৫০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। শরিয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১০২ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১৩ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১০৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

এদিন ডিএসইতে ৬৯৯ কোটি ১১ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৬৩৪ কোটি ৫২ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক কার্যদিবসের ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৬৫ কোটি টাকা।

বুধবার ডিএসইতে ৩৮৭টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৯০টির দর বেড়েছে, ১৩০টির কমেছে এবং ৬৭টির দর অপরিবর্তিত ছিল।

লেনদেনের শীর্ষে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স, বেক্সিমকো ফার্মা, আইপিডিসি, সায়হাম টেক্সটাইল, ব্র্যাক ব্যাংক, সার্প ইন্ডাস্ট্রি, নিটোল ইন্স্যুরেন্স, ইভেন্সি টেক্সটাইল ও এনভয় টেক্সটাইল।

অন্যদিকে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৪১ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৮১৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৮২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮৭টির শেয়ারদর বেড়েছে, কমেছে ৭৪টির এবং ২১টির দর অপরিবর্তিত ছিল।

সিএসইতে বুধবার ৪৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ২৫ কোটি ৩১ লাখ টাকা। ফলে একদিনের ব্যবধানে সিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ২১ কোটি টাকার বেশি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে ল্যাপটপ চুরির অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে ল্যাপটপ চুরির অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বর্তমান মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থীর ল্যাপটপ চুরির অভিযোগ করেছিলেন বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন। একই সঙ্গে দাবির পক্ষে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের পুরোনো একটি বহিষ্কারসংক্রান্ত নোটিশের ছবি পোস্টের মন্তব্যে যুক্ত করেন তিনি।

রাশেদ খাঁনের দাবি, ছাত্র ফেডারেশনের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকা অবস্থায় ২০১৯ সালে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে ওই নারী শিক্ষার্থী ল্যাপটপ চুরির অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন দায়িত্বশীল নেতারা তদন্ত কমিটি গঠন করেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, তদন্ত কমিটি তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা পায়। এরপর তাকে ছাত্র ফেডারেশন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়।

রাশেদ খাঁন আরও দাবি করেন, বহিষ্কারের পর নাসীরুদ্দীন কিছু সময় রাজনীতি থেকে নিষ্ক্রিয় ছিলেন। পরে এবি পার্টিতে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে আবার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হন। তবে ওই সময় দলটির নেতাকর্মীরা তার বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ সম্পর্কে অবগত ছিলেন না বলেও দাবি করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করেন এবং তার বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন।

তবে পোস্টে করা অভিযোগগুলোর বিষয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি