খুঁজুন
                               
, ,
           

ঝুঁকিপূর্ণ ভবন

ভবন ঝুঁকিপূর্ণ, জনবল সংকট; বাঁশখালী হাসপাতালে দুর্ভোগ চরমে

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ
ভবন ঝুঁকিপূর্ণ, জনবল সংকট; বাঁশখালী হাসপাতালে দুর্ভোগ চরমে

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন ভবন দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ। কোথাও ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে, কোথাও মেঝেতে গাদাগাদি করে চলছে রোগীর চিকিৎসা। ৫০ শয্যার হাসপাতালটিতে রোগীর চাপ প্রায় দ্বিগুণ। ফলে শয্যা না পেয়ে অনেক রোগীকে বারান্দা ও মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এর সঙ্গে রয়েছে চিকিৎসক-নার্সসহ জনবল সংকট, ওষুধের স্বল্পতা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ।

প্রায় সাত লাখ মানুষের একমাত্র সরকারি হাসপাতালটিতে প্রতিদিনই বাড়ছে রোগীর চাপ। সরেজমিনে দেখা যায়, ভর্তি রোগীর পাশাপাশি জরুরি বিভাগেও রয়েছে ভিড়। হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন রোগীরা। শিশু রোগীর সংখ্যাও ছিল উল্লেখযোগ্য। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসাধীনদের মধ্যে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীও রয়েছেন।

হাসপাতালের বিভিন্ন ভবনের ছাদ থেকে প্রায়ই পলেস্তারা খসে পড়ে বলে জানিয়েছেন নার্স ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। এতে কর্মরতদের মধ্যেও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে ছাদের অংশ খসে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

হাসপাতালের ভেতরে ময়লা-আবর্জনার পাশাপাশি ড্রেনের আশপাশে ডেঙ্গুবাহী এডিস মশার লার্ভাও দেখা গেছে। পশ্চিম পাশে দীর্ঘদিন ধরে সীমানাপ্রাচীর না থাকায় হাসপাতালটি অনেকটা অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে।

জনবল সংকটেও ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চক্ষু ও সার্জারি বিভাগের দুটি জুনিয়র কনসালট্যান্ট পদ শূন্য। চারজন মেডিকেল অফিসার সংযুক্তিতে অন্যত্র কর্মরত। মেডিকেল অফিসারের আরও চারটি পদ শূন্য রয়েছে। সিনিয়র স্টাফ নার্স, মিডওয়াইফ, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ওয়ার্ডবয় ও মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীসহ বিভিন্ন পদে মোট ৫৪টি পদ শূন্য।

এ ছাড়া এক্স-রে টেকনোলজিস্ট না থাকায় কয়েক মাস ধরে হাসপাতালের এক্স-রে কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সীমিত জনবল নিয়ে অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামলাতে গিয়ে চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত রোগীর চাপের পাশাপাশি প্রয়োজনের তুলনায় ওষুধের স্বল্পতা রয়েছে। ভবনের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা ও জনবল সংকটের কারণে চিকিৎসা নিতে এসে স্বস্তির বদলে আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে তাদের।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মুমিনুল হক বলেন, চিকিৎসক, নার্স ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর সংকট প্রবল। প্রায় সাত লাখ মানুষের এই হাসপাতালে প্রতিদিন শয্যার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ রোগীকে সেবা দিতে হচ্ছে। সেবার মান বাড়াতে প্রয়োজনীয় জনবল, ওষুধ ও যন্ত্রপাতি সরবরাহ জরুরি।

তিনি আরও বলেন, ড্রেন নির্মাণের জন্য পৌরসভাকে জানানো হয়েছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে নতুন ফগার মেশিনও পাওয়া গেছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রিয়াংকা চক্রবর্তী বলেন, হাসপাতালের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ, নতুন ভবন, অভ্যন্তরীণ সড়ক সংস্কার, রোগীদের জন্য নিজস্ব অক্সিজেন প্ল্যান্ট, পর্যাপ্ত সরকারি ওষুধ এবং ল্যাবরেটরি সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

এদিকে হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

হুইলচেয়ারে স্কুলে যান, শিক্ষার্থীদেরই ভরসা শিক্ষক অপূর্ব

ফরিদপুর সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ণ
হুইলচেয়ারে স্কুলে যান, শিক্ষার্থীদেরই ভরসা শিক্ষক অপূর্ব

দুই পায়ের শক্তি হারিয়েছেন এক দশক আগে। স্বাভাবিকভাবে চলাফেরার সক্ষমতা না থাকলেও শিক্ষার আলো ছড়ানোর কাজে থেমে যাননি ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার বামুন্দী বালিয়াকান্দী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক অপূর্ব লাল মণ্ডল। হুইলচেয়ারই এখন তার চলাচলের একমাত্র বাহন। বিদ্যালয়ে যাতায়াত থেকে শুরু করে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান—সব ক্ষেত্রেই শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

জানা গেছে, জন্মের পর সুস্থ ও স্বাভাবিক ছিলেন অপূর্ব লাল মণ্ডল। পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার সময় তার পায়ে সামান্য সমস্যা দেখা দেয়। সেই সমস্যা নিয়েই স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ করেন। ১৯৯৯ সালে নিজ এলাকার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি।

এর কয়েক বছর পর ধীরে ধীরে তার দুই পায়ের শক্তি কমতে থাকে। একপর্যায়ে দুই পায়ে ভর করে হাঁটার সক্ষমতা হারান। গত ১০ বছর ধরে হুইলচেয়ারই তার একমাত্র চলাচলের মাধ্যম।

অপূর্ব লাল মণ্ডল বলেন, প্রতিদিন বিদ্যালয়ে যেতে শিক্ষার্থীরাই তার চলার সঙ্গী। কখনো কারও কাঁধে ভর করে, আবার কখনো একাধিক শিক্ষার্থীর সহযোগিতায় তিনি স্কুলে যান। নানা কষ্ট ও চ্যালেঞ্জ থাকলেও শিক্ষকতাকে শুধু পেশা হিসেবে দেখেন না তিনি; শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়াকেই জীবনের নেশা হিসেবে নিয়েছেন।

বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাকিব উল্লাহ বলেন, ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই তিনি অপূর্ব স্যারের কাছে পড়ছেন। আগে বড় ক্লাসের শিক্ষার্থীরা স্যারকে হুইলচেয়ারে করে স্কুলে নিয়ে আসতেন। এখন তারা নিজেরাই সেই দায়িত্ব পালন করছেন। শারীরিক কষ্টের মধ্যেও স্যার খুব সুন্দরভাবে ক্লাস নেন এবং শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা জোগান।

সহকারী শিক্ষক ফরিদ শেখ বলেন, অপূর্ব লাল মণ্ডল তার বাল্যবন্ধু। প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে কলেজ পর্যন্ত তারা একসঙ্গে পড়াশোনা করেছেন এবং কাছাকাছি সময়ে শিক্ষকতা শুরু করেন। বন্ধুর শারীরিক অসুস্থতার কষ্ট থাকলেও শেষ দিন পর্যন্ত তার পাশে থাকতে চান তিনি।

বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, শুধু বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া নয়, শ্রেণিকক্ষেও অপূর্ব লালের দায়িত্ব পালনে কোনো ক্লান্তি দেখা যায় না। তিনি যত্ন নিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠ বুঝিয়ে দেন। তবে একটি আধুনিক হুইলচেয়ার পেলে তার যাতায়াত ও পাঠদান আরও সহজ হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ণ
উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (৪ অক্টোবর) দেশের দুই শেয়ারবাজারে সূচকের ওঠানামার মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হয়েছে। দিনের শুরুতে নিম্নমুখী থাকলেও পরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক সামান্য ঊর্ধ্বমুখী হয়।

ডিএসই ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৫৩২ পয়েন্টে অবস্থান করে। এ সময় ডিএসই শরিয়াহ্ সূচকও ১ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১০০ পয়েন্টে দাঁড়ায়। তবে ডিএসই-৩০ সূচক ২ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১০০ পয়েন্টে অবস্থান করে।

সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ডিএসইতে ৮২ কোটি ৪২ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এ সময় লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৫৯টির শেয়ারদর বেড়েছে, ১২০টির কমেছে এবং ৫৭টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

এর আগে লেনদেন শুরুর প্রথম পাঁচ মিনিটে ডিএসইএক্স ৫ পয়েন্ট কমে যায়। সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সূচক আরও ৬ পয়েন্ট কমে যায়। লেনদেন শুরুর ২০ মিনিট পর সকাল ১০টা ২০ মিনিটে সূচক আগের দিনের তুলনায় ১৪ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫১৭ পয়েন্টে অবস্থান করছিল। পরে সূচক ঘুরে দাঁড়ায়।

এদিকে সকাল সাড়ে ১০টায় সিএসইর প্রধান সূচক সিএএসপিআই ৫ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৮২৬ পয়েন্টে অবস্থান করে। তবে এরপর সিএসইর সূচকও ঊর্ধ্বমুখী হতে দেখা যায়।

সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সিএসইতে ৬০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এ সময় ১০টি কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে, ১৩টির কমেছে এবং চারটির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

এশিয়ান হাইওয়েতে মরণফাঁদ, বৃষ্টির দায় দিচ্ছেন প্রকল্প পরিচালক

নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ণ
এশিয়ান হাইওয়েতে মরণফাঁদ, বৃষ্টির দায় দিচ্ছেন প্রকল্প পরিচালক

গাজীপুর-জয়দেবপুর-দেবগ্রাম-ভুলতা-মদনপুর সড়কের (ঢাকা বাইপাস এশিয়ান হাইওয়ে) নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ অংশে ভয়াবহ ধস ও ফাটল দেখা দিয়েছে। সিংলাব-পাকুন্দা এলাকার আন্ডারপাসের পূর্ব পাশে প্রায় ২৫০ মিটারজুড়ে সড়ক দেবে গিয়ে তৈরি হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি।

রোববার (৪ অক্টোবর) সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন স্থানে আড়াআড়ি ও লম্বালম্বিভাবে দীর্ঘ ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও পিচ উঠে গিয়ে ভেতরের মাটি ও সুরকি বেরিয়ে পড়েছে। এতে সড়কের একটি অংশ নিচের দিকে দেবে গেছে।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার প্রথম বড় ধরনের ফাটল দেখতে পান তারা। দুর্ঘটনা এড়াতে নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ কর্তৃপক্ষ ওই অংশে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। এতে মহাসড়কে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী ও চালকেরা।

পরিস্থিতি দেখতে দুপুরে ঘটনাস্থলে যান ঢাকা বাইপাস সড়ক চারলেন উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) সৈয়দ আসলাম আলী। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণকাজ, সড়কের পাশ থেকে মাটি কেটে নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা না রাখার কারণে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, সড়ক নির্মাণের সময়ই নিম্নমানের কাজ নিয়ে তারা আপত্তি জানিয়েছিলেন। নির্মাণ শেষ হওয়ার এক বছরের মধ্যেই সড়কে বড় ধরনের ফাটল ও ধস দেখা দেওয়ায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

আরেক বাসিন্দা আল আমিনের অভিযোগ, সড়কের দুই পাশ থেকে রাতের আঁধারে মাটি কেটে নেওয়া হয়েছে। এতে রাস্তার পাশের অংশ দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রয়োজনীয় গাইডওয়াল নির্মাণ না করেই দ্রুত সড়কের কাজ শেষ করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তবে নির্মাণকাজের মান ও অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ আসলাম আলী। তিনি বলেন, টানা দুই থেকে তিন দিনের বৃষ্টিতে সড়কের নিচের মাটি নরম হয়ে যায়। এর ওপর দিয়ে অতিরিক্ত ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে মাটি সরে গিয়ে সড়ক দেবে ফাটল তৈরি হয়েছে।

তিনি জানান, নির্মাণকারী বেসরকারি অংশীদার ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ে ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে ডাইভারশন সড়ক তৈরি করে যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যেখানে মাটি সরে গেছে, সেখানে ড্রিল করে দ্রুত সড়ক সংস্কার করা হবে।

এদিকে স্থানীয়দের দাবি, শুধু সাময়িক মেরামত না করে সড়ক ধসের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। নির্মাণকাজে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি