খুঁজুন
                               
, ,
           

সেন্টমার্টিনে বিদেশি প্লাস্টিক বর্জ্য, বাড়ছে পরিবেশঝুঁকি

কক্সবাজার সংবাদদাতা
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৯ পূর্বাহ্ণ
সেন্টমার্টিনে বিদেশি প্লাস্টিক বর্জ্য, বাড়ছে পরিবেশঝুঁকি

পর্যটন মৌসুম শুরুর আগেই কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপের ছেঁড়াদ্বীপ এলাকায় বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিক বর্জ্য ভেসে এসেছে। এসব বর্জ্যের মধ্যে প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিন ও বিভিন্ন ধরনের প্যাকেট রয়েছে। কয়েকটি বোতল ও প্যাকেটের গায়ে মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নাম, লোগো এবং বিদেশি ভাষায় লেখা দেখা গেছে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ধারণা, সমুদ্রস্রোত ও বাতাসের প্রভাবে প্রতিবেশী দেশ দুটির কোনো একটি এলাকা থেকে এসব বর্জ্য ভেসে সেন্টমার্টিনে এসেছে। বাংলাদেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ ও প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) সেন্টমার্টিনে এমন ঘটনায় নতুন করে পরিবেশঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

গত শনিবার পরিবেশ অধিদপ্তরের স্থানীয় কর্মী আব্দুল আজিজ দ্বীপের সর্বদক্ষিণের অংশ ছেঁড়াদ্বীপে গিয়ে সৈকতজুড়ে বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিক বর্জ্য দেখতে পান। তিনি জানান, বর্জ্যগুলো পরীক্ষা করে অধিকাংশ বোতলই বাংলাদেশের বাইরে থেকে আসা বলে মনে হয়েছে। কয়েকটির লেবেলে মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের প্রতিষ্ঠানের নাম ও লোগো রয়েছে।

আব্দুল আজিজ বলেন, বর্তমানে সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের যাতায়াত নেই। তারপরও সৈকতে এত বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিক বর্জ্য দেখে তারা বিস্মিত। তার ধারণা, সমুদ্রপথে এসব বর্জ্য প্রতিবেশী কোনো দেশ থেকে ভেসে এসেছে।

দ্বীপের কেয়াবন এলাকাতেও একই ধরনের বর্জ্য দেখা গেছে বলে জানান স্থানীয় হোটেল মালিক আব্দুর রহিম। তার ধারণা, বর্ষার প্রবল স্রোত ও দক্ষিণা বাতাসের কারণে মিয়ানমার বা থাইল্যান্ডের উপকূলীয় এলাকা থেকে এসব বর্জ্য সেন্টমার্টিনে এসে থাকতে পারে।

‘অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়’

পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক খন্দকার মাহমুদ পাশা বলেন, প্লাস্টিকের বোতলে থাকা কয়েকটি লোগো পরীক্ষা করে থাইল্যান্ডের কোমল পানীয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের বলে মনে হয়েছে। কিছু প্যাকেটের গায়ে থাকা বিদেশি ভাষা মিয়ানমারের বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, এটি অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। সেন্টমার্টিনের দূষণ কমাতে পর্যটন সীমিত করা, সৈকত পরিষ্কার এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু অন্য দেশ থেকে আসা বর্জ্যও এখন দ্বীপটির পরিবেশের জন্য নতুন হুমকি হয়ে উঠছে।

খন্দকার মাহমুদ পাশা আরও বলেন, বিপুল পরিমাণ বর্জ্য উপকূলে এসে পৌঁছালে সমুদ্রের তলদেশেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ প্লাস্টিক জমতে পারে। এতে প্রবাল ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, সেন্টমার্টিনের দূষণ কমানোর পাশাপাশি আন্তসীমান্ত দূষণ মোকাবিলায়ও যথাযথ পরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

বিশ্ব বসতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ণ
বিশ্ব বসতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী

বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি।

এবার বিশ্ব বসতি দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’।

অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে একটি স্বর্ণচাঁপা গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

নিরাপদ নগর ও মানসম্মত বাসস্থান বিষয়ে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে জাতিসংঘ ১৯৮৫ সালে বিশ্ব বসতি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। এর পরের বছর, ১৯৮৬ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

খামারের দুর্গন্ধে ব্যাহত মাদরাসার পাঠদান, বাইরে ক্লাস

ঝিনাইদহ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ণ
খামারের দুর্গন্ধে ব্যাহত মাদরাসার পাঠদান, বাইরে ক্লাস

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারপাখিয়া দাখিল মাদরাসার পাশে গড়ে ওঠা পোল্ট্রি খামারের দুর্গন্ধে বিপাকে পড়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। তীব্র দুর্গন্ধের কারণে অনেক সময় শ্রেণিকক্ষে পাঠদান সম্ভব হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মাদরাসার বাইরে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষকরা।

মাদরাসা সূত্রে জানা গেছে, বারপাখিয়া গ্রামের বাসিন্দা জসিম উদ্দিনের স্ত্রী মলিনা বেগম নিজ বাড়িতে পোল্ট্রি মুরগির খামার গড়ে তুলেছেন। মাদরাসার খুব কাছেই খামারটি হওয়ায় সেখান থেকে ছড়ানো দুর্গন্ধে নিয়মিত ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এতে স্বাভাবিক পাঠদান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও কমতে শুরু করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

মাদরাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মুরসালি বলেন, খামারের দুর্গন্ধের কারণে শ্রেণিকক্ষে বসে পড়াশোনা করতে খুব কষ্ট হয়। বাতাসে সবসময় দুর্গন্ধ ভেসে আসে। কয়েক দিন নয়, বেশ কিছুদিন ধরে এমন পরিস্থিতি চললেও এখনো কোনো সমাধান হয়নি।

মাদরাসার সুপার আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। পরে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হলে সেটিও করা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সামাজিকভাবেও সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে। তীব্র দুর্গন্ধের কারণে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিকভাবে ক্লাস করানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

তবে খামারের মালিক মলিনা বেগমের দাবি, তিনি বাড়িতে অল্প পরিমাণে মুরগি পালন করেন। এক মাস বয়স হলে সেগুলো বিক্রি করে দেওয়া হয়। তাঁর ভাষ্য, প্রথম ২০ দিন খামারে তেমন দুর্গন্ধ থাকে না; শেষের দিকে প্রায় ১০ দিন কিছুটা দুর্গন্ধ হয়।

কয়েকজন অভিভাবক বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে এ ধরনের পোল্ট্রি খামার থাকা উচিত নয়। দুর্গন্ধের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে। শিক্ষার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে খামারটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান তারা।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, মাদরাসার শিক্ষকরা তাঁর কাছে এসেছিলেন। বিষয়টি বর্তমানে কোন পর্যায়ে রয়েছে, তা খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঝিনাইদহ পরিবেশ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক কমল কুমার বর্মন বলেন, বিষয়টি নিয়ে প্রতিষ্ঠানটিতে গিয়ে খোঁজখবর নেওয়া হবে। এরপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রশাসন দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

সিডরের ১৯ বছর পরও সংস্কার হয়নি আমতলীর শহর রক্ষা বাঁধ

বরগুনা সংবাদদাতা
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ণ
সিডরের ১৯ বছর পরও সংস্কার হয়নি আমতলীর শহর রক্ষা বাঁধ

বরগুনার আমতলী পৌর শহর রক্ষা বেড়িবাঁধ দীর্ঘদিন সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় সিডরে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর দেড় যুগের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও বাঁধটির বিভিন্ন অংশ প্রয়োজনীয়ভাবে সংস্কার করা হয়নি। ফলে সামান্য জোয়ারের পানি বাড়লেই পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় পানি ঢুকে পড়ছে। এতে বাঁধসংলগ্ন বাসিন্দাদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ ও আতঙ্ক।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সিডরের পর একের পর এক ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাঁধটির বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও স্থায়ীভাবে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বিশেষ করে আমতলী ফেরিঘাট থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মহাশ্মশান ঘাট পর্যন্ত এলাকায় বাঁধের অবস্থা বেশি নাজুক।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বাঁধের বিভিন্ন অংশে ব্লক সরে গেছে। কোথাও কোথাও ঢাল ধসে নদীর দিকে ভাঙন তৈরি হয়েছে। প্রতিবছর জোয়ার ও দুর্যোগের সময় নতুন করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাঁধ। এতে বাঁধসংলগ্ন বসতবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সিডরের পর রেশমি, আইলা, মহাসেন, কোমেন, রোয়ানু, মোরা, ফণী, বুলবুল, আম্পান, ইয়াস, জাওয়াদ, সিত্রাং, মোখা, হামুন ও রেমালসহ বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড় উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হেনেছে। এসব দুর্যোগে আমতলী শহর রক্ষা বাঁধও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ সময়েও প্রয়োজনীয় সংস্কার না হওয়ায় বাঁধের অবস্থা দিন দিন নাজুক হচ্ছে।

পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁধসংলগ্ন বাসিন্দা শ্যামল চন্দ্র দে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পরিবার নিয়ে এখানে বসবাস করছেন। বাঁধের ব্লকগুলো দ্রুত সংস্কার করা হলে তাঁরা অনেকটা নিরাপদে থাকতে পারবেন। তা না হলে সামান্য জলোচ্ছ্বাসেই ঘরের আঙিনায় পানি ঢুকে পড়ে।

স্থানীয় করাতকল ব্যবসায়ী আমির হোসেন তালুকদার বলেন, তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটিও বর্তমানে ঝুঁকিতে রয়েছে। আগে করাতকলের সামনে ১০ থেকে ১৫ ফুট জায়গা ছিল, এরপর ছিল ব্লকের ঢাল। কিন্তু জোয়ার ও বন্যার পানিতে বারবার ব্লক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেই জায়গাটুকুও এখন নেই। যেকোনো সময় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।

স্থানীয়দের দাবি, শহর রক্ষা বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার করতে হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যৎ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের কথা বিবেচনায় নিয়ে টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

বরগুনা পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (পুর) মো. আবদুল হান্নান প্রধান বলেন, বিষয়টি অধস্তন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। তাঁরা সরেজমিনে এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় তদারকি করবেন। বাঁধটি ঝুঁকিপূর্ণ প্রমাণিত হলে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হবে।

দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়া এবং একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে আমতলী শহর রক্ষা বাঁধের ঝুঁকি বাড়ছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের সময় পৌর শহরের জনবসতি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি