খুঁজুন
                               
, ,
           

বিয়ের মেহেন্দি ধরে রাখতে কী করতেন ভাগ্যশ্রী?

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৫ অপরাহ্ণ
বিয়ের মেহেন্দি ধরে রাখতে কী করতেন ভাগ্যশ্রী?

‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’ সিনেমায় অভিনয় করে রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন বলিউড অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রী। নব্বইয়ের দশকের সেই মিষ্টি মুখের নায়িকা এখনও ভক্তদের কাছে সমান আগ্রহের। অভিনয়ের পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও রয়েছে নানা কৌতূহল।

সম্প্রতি নিজের বিয়ের সময়কার একটি মজার স্মৃতি শেয়ার করেছেন ভাগ্যশ্রী। জানিয়েছেন, বিয়ের পরও প্রায় এক বছর ধরে হাতের মেহেন্দির রং যাতে পুরোপুরি ফিকে না হয়ে যায়, সে জন্য বিশেষ যত্ন নিয়েছিলেন তিনি।

শাড়ির চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ ছিল মেহেন্দি

এক সাক্ষাৎকারে নিজের বিয়ের প্রসঙ্গে ভাগ্যশ্রী জানান, বিয়ের সাজ কিংবা শাড়ির চেয়েও তখন তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল হাতের মেহেন্দির রং। তাই বিয়ের পরও তিনি মেহেন্দি ফিকে হতে দিতে চাইতেন না।

মেহেন্দি স্থায়ী নয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হাতের রং ধীরে ধীরে হালকা হয়ে যায়। ভাগ্যশ্রীও সেই রং ধরে রাখতে নিয়মিত আবার মেহেন্দি লাগিয়ে নিতেন।

তবে মেহেন্দি আঁকার শিল্পী সবসময় কাছে পাওয়া যেত না। তাতে অবশ্য অভিনেত্রীর আগ্রহে ভাটা পড়েনি। বরং নিজেই মেহেন্দির বাটি নিয়ে বসে যেতেন তিনি।

টুথপিক দিয়ে নিজেই আঁকতেন হাতে

ভাগ্যশ্রী জানান, মেহেন্দি আঁকার জন্য কখনো কখনো টুথপিকও ব্যবহার করতেন তিনি। নিজের হাতেই টুথপিক দিয়ে মেহেন্দির নকশা এঁকে নিতেন। এভাবেই প্রায় এক বছর ধরে হাতের মেহেন্দির রং ধরে রাখার চেষ্টা করেছিলেন অভিনেত্রী।

বিয়ের স্মৃতির এই ছোট্ট ঘটনা নিয়ে বলতে গিয়ে ভাগ্যশ্রীর সেই সময়কার আগ্রহ ও আবেগই যেন নতুন করে সামনে এসেছে।

ব্যবসায়ী হিমালয়কে বিয়ে

ভাগ্যশ্রীর ব্যক্তিগত জীবনও দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় রয়েছে। ১৯৯০ সালে ব্যবসায়ী ও প্রযোজক হিমালয় দাসানিকে বিয়ে করেন তিনি। তাদের দুই সন্তান—অভিমন্যু দাসানি ও অবন্তিকা দাসানি।

অভিমন্যু অভিনয় করেছেন ‘মর্দ কো দরদ নেহি হোতা’ সিনেমায়। অন্যদিকে অবন্তিকা অভিনয় করেছেন ওয়েব সিরিজ ‘মিথ্যা’-য়।

অভিনয় থেকে অনেকটা দূরে থাকলেও নিজের ব্যক্তিগত জীবনের নানা স্মৃতি মাঝেমধ্যেই ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন ভাগ্যশ্রী। বিয়ের মেহেন্দি নিয়ে তার এই মজার স্মৃতিও তাই নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

কালের আলো/এসএ

পল্টনে এসি মেরামতের সময় বিস্ফোরণ, প্রাণ গেল মেকানিকের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০২ অপরাহ্ণ
পল্টনে এসি মেরামতের সময় বিস্ফোরণ, প্রাণ গেল মেকানিকের

রাজধানীর নয়াপল্টনে এসি মেরামতের সময় বিস্ফোরণে জীবন বর্মন (২৫) নামে এক মেকানিকের মৃত্যু হয়েছে। একই দিনে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ওয়েটিং রুমের পাশ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারী ও এক পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নয়াপল্টনের এমআই ইঞ্জিনিয়ারিং প্লাস নামের একটি দোকানে এসি মেরামতের সময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে জীবন বর্মন গুরুতর আহত হন। সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে দুপুর ১২টার দিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত জীবন গাইবান্ধা সদর উপজেলার ভাটপাড়া গোপালপুর গ্রামের সচিন বর্মনের ছেলে। তার ভাই অনিক বর্মন জানান, সকালে কর্মস্থলে এসি মেরামতের কাজ করছিলেন জীবন। একপর্যায়ে এসির কম্প্রেসার বা সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হলে তিনি গুরুতর আহত হন।

অন্যদিকে, মঙ্গলবার সকালে ও দুপুরে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ওয়েটিং রুমের পাশ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক পুরুষ ও এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে পুরুষের বয়স আনুমানিক ৬০ বছর এবং নারীর বয়স প্রায় ৫৫ বছর।

ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ওয়ার্ড মাস্টার আইয়ুব আলী জানান, সকালে ওয়েটিং রুমের পাশ থেকে প্রথমে অজ্ঞাতপরিচয় এক পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে একই স্থানের পাশ থেকে ওই নারীর মরদেহ পাওয়া যায়। বিষয়টি শাহবাগ থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানান, পল্টনে এসি বিস্ফোরণে একজনের মৃত্যু এবং ঢামেক হাসপাতালে পৃথক সময়ে দুই অজ্ঞাতপরিচয়ের ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। তিনটি মরদেহই ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ ঘটনাগুলো তদন্ত করছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক ফোরামে সোচ্চার থাকবে যুক্তরাজ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৫৬ অপরাহ্ণ
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক ফোরামে সোচ্চার থাকবে যুক্তরাজ্য

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে যুক্তরাজ্য। একই সঙ্গে সংকট সমাধানে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে রোহিঙ্গাদের পক্ষে সোচ্চার থাকার কথা জানিয়েছে দেশটির সংসদীয় প্রতিনিধি দল।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশবিষয়ক সর্বদলীয় সংসদীয় গ্রুপের (এপিপিজি) একটি প্রতিনিধি দলের বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।

এপিপিজি চেয়ার ও এমপি আফসানা বেগমের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি বৈঠকে অংশ নেয়। এতে এমপি শওকত আদম ও হাউস অব লর্ডসের সদস্য লর্ড কুরবান হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, সংসদীয় সহযোগিতা, গণতান্ত্রিক সংহতি ও সংস্কার, বাণিজ্য-বিনিয়োগ, অভিবাসন, দক্ষতা উন্নয়ন ও মানবাধিকারসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চলা এ সংকট এখন শুধু মানবিক সমস্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এর সঙ্গে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অনিয়মিত অভিবাসনের মতো বিষয়ও যুক্ত হয়েছে। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিনিধি দলটি বুধবার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের কথা জানিয়েছে। পাশাপাশি সংকট সমাধানে সমর্থন অব্যাহত রাখার এবং যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে রোহিঙ্গাদের পক্ষে কথা বলার আশ্বাস দিয়েছে তারা।

বৈঠকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও দুই পক্ষের মধ্যে মতবিনিময় হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে টোকিও যাচ্ছেন তারেক রহমান

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ
জাপানের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে টোকিও যাচ্ছেন তারেক রহমান

দ্বিপক্ষীয় সফরে আগামী ২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চার দিনের সফরে তিনি ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর জাপানের রাজধানী টোকিওতে অবস্থান করবেন।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে টোকিও সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকালে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন তিনি। এ ছাড়া জাপানের সম্রাট নারুহিতোর সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের কথা রয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, প্রধানমন্ত্রীর এ সফরে জ্বালানি সহযোগিতা, জনশক্তি রপ্তানি, বিনিয়োগ, বাণিজ্যসহ দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে।

সফরকে কেন্দ্র করে কয়েকটি সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে জনশক্তি রপ্তানি সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক প্রায় প্রস্তুত বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি