বিয়ের মেহেন্দি ধরে রাখতে কী করতেন ভাগ্যশ্রী?
‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’ সিনেমায় অভিনয় করে রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন বলিউড অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রী। নব্বইয়ের দশকের সেই মিষ্টি মুখের নায়িকা এখনও ভক্তদের কাছে সমান আগ্রহের। অভিনয়ের পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও রয়েছে নানা কৌতূহল।
সম্প্রতি নিজের বিয়ের সময়কার একটি মজার স্মৃতি শেয়ার করেছেন ভাগ্যশ্রী। জানিয়েছেন, বিয়ের পরও প্রায় এক বছর ধরে হাতের মেহেন্দির রং যাতে পুরোপুরি ফিকে না হয়ে যায়, সে জন্য বিশেষ যত্ন নিয়েছিলেন তিনি।
শাড়ির চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ ছিল মেহেন্দি
এক সাক্ষাৎকারে নিজের বিয়ের প্রসঙ্গে ভাগ্যশ্রী জানান, বিয়ের সাজ কিংবা শাড়ির চেয়েও তখন তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল হাতের মেহেন্দির রং। তাই বিয়ের পরও তিনি মেহেন্দি ফিকে হতে দিতে চাইতেন না।
মেহেন্দি স্থায়ী নয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হাতের রং ধীরে ধীরে হালকা হয়ে যায়। ভাগ্যশ্রীও সেই রং ধরে রাখতে নিয়মিত আবার মেহেন্দি লাগিয়ে নিতেন।
তবে মেহেন্দি আঁকার শিল্পী সবসময় কাছে পাওয়া যেত না। তাতে অবশ্য অভিনেত্রীর আগ্রহে ভাটা পড়েনি। বরং নিজেই মেহেন্দির বাটি নিয়ে বসে যেতেন তিনি।
টুথপিক দিয়ে নিজেই আঁকতেন হাতে
ভাগ্যশ্রী জানান, মেহেন্দি আঁকার জন্য কখনো কখনো টুথপিকও ব্যবহার করতেন তিনি। নিজের হাতেই টুথপিক দিয়ে মেহেন্দির নকশা এঁকে নিতেন। এভাবেই প্রায় এক বছর ধরে হাতের মেহেন্দির রং ধরে রাখার চেষ্টা করেছিলেন অভিনেত্রী।
বিয়ের স্মৃতির এই ছোট্ট ঘটনা নিয়ে বলতে গিয়ে ভাগ্যশ্রীর সেই সময়কার আগ্রহ ও আবেগই যেন নতুন করে সামনে এসেছে।
ব্যবসায়ী হিমালয়কে বিয়ে
ভাগ্যশ্রীর ব্যক্তিগত জীবনও দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় রয়েছে। ১৯৯০ সালে ব্যবসায়ী ও প্রযোজক হিমালয় দাসানিকে বিয়ে করেন তিনি। তাদের দুই সন্তান—অভিমন্যু দাসানি ও অবন্তিকা দাসানি।
অভিমন্যু অভিনয় করেছেন ‘মর্দ কো দরদ নেহি হোতা’ সিনেমায়। অন্যদিকে অবন্তিকা অভিনয় করেছেন ওয়েব সিরিজ ‘মিথ্যা’-য়।
অভিনয় থেকে অনেকটা দূরে থাকলেও নিজের ব্যক্তিগত জীবনের নানা স্মৃতি মাঝেমধ্যেই ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন ভাগ্যশ্রী। বিয়ের মেহেন্দি নিয়ে তার এই মজার স্মৃতিও তাই নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
কালের আলো/এসএ

আপনার মতামত লিখুন
Array