খুঁজুন
                               
, ,
           

বার্লিনে চবি শিক্ষকের বরখাস্তের প্রতিবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০৪ অপরাহ্ণ
বার্লিনে চবি শিক্ষকের বরখাস্তের প্রতিবাদ

 

ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরীকে সাময়িক বরখাস্তের প্রতিবাদে জার্মানির রাজধানী বার্লিনে সমাবেশ করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। শিক্ষককে বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

রোববার (১১ অক্টোবর ২০২৬) বার্লিনের ঐতিহাসিক ব্রান্ডেনবুর্গ গেটের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্য, শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের শুভাকাঙ্ক্ষীরা অংশ নেন। সমাবেশে মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরীর স্ত্রী ও দুই সন্তানও উপস্থিত ছিলেন।

ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরীকে গত ১২ সেপ্টেম্বর সাময়িক বরখাস্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ফেসবুকে দেওয়া একটি বিতর্কিত পোস্টকে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, পোস্টটি শিক্ষকের ব্যক্তিগত ও লক করা ফেসবুক প্রোফাইলে শুধু বন্ধুদের উদ্দেশে প্রকাশ করা হয়েছিল। সেখানে তিনি গণতন্ত্র ও সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেছিলেন। এ ধরনের ব্যক্তিগত মতপ্রকাশের কারণে একজন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান তাঁরা।

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতের আহ্বান

সমাবেশে বক্তারা শিক্ষকদের স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁদের দাবি, একজন শিক্ষকের ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশের ঘটনায় নেওয়া শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত শিক্ষাঙ্গনে স্বাধীন চিন্তা ও মতপ্রকাশের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করতে পারে।

তাঁরা বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহারের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশের পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান।

আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা নিয়ে উদ্বেগ

মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরী জার্মানির বার্লিনে মিউজিয়াম ফর নাটুরকুন্ডেতে অতিথি বিজ্ঞানী হিসেবে গবেষণার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এ ছাড়া তিনি ফ্রাঙ্কফুর্টের গ্যেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গেও গবেষণায় সম্পৃক্ত।

সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে বাংলাদেশি শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতার ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাঁদের মতে, গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার পরিবেশে স্বাধীন চিন্তা এবং মতপ্রকাশের সুযোগ বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

বার্লিনের এই সমাবেশ থেকে অংশগ্রহণকারীরা মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরীর সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।

কালের আলো/এসএ

নিউ ইয়র্কের রাতে পুরস্কার হাতে চার তারকার উদযাপন

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ
নিউ ইয়র্কের রাতে পুরস্কার হাতে চার তারকার উদযাপন

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহর যেন কখনো ঘুমায় না। রাতের ঝলমলে আলো, ব্যস্ত সড়ক আর উৎসবমুখর পরিবেশের সেই শহরেই আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতেছেন ঢাকাই শোবিজের চার পরিচিত মুখ। নির্মাতা রায়হান রাফী, অভিনেত্রী তমা মির্জা, সামিরা খান মাহি ও তানজিয়া জামান মিথিলাকে একসঙ্গে দেখা গেছে পুরস্কারের ট্রফি হাতে উদযাপনের মুহূর্তে।

১০ অক্টোবর নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত ‘ঢালিউড অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’-এ অংশ নিয়েছিলেন তাঁরা। অনুষ্ঠানে প্রত্যেকেই পুরস্কার পেয়েছেন। পুরস্কার হাতে নিয়ে শহরের রাতের আলোয় ক্যামেরাবন্দী হন চার তারকা। তাঁদের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর তা ঘিরে তৈরি হয়েছে আগ্রহ।

পুরস্কার হাতে তারকাদের আনন্দঘন মুহূর্ত

ছবিতে তিন অভিনেত্রীকে দেখা গেছে ঝলমলে পোশাকে। অন্যদিকে রায়হান রাফীর পরনে ছিল সাদা টি-শার্ট ও কালো জ্যাকেট। প্রত্যেকের হাতেই ছিল পুরস্কারের ট্রফি। তাঁদের হাসিমুখ ও উচ্ছ্বাসে ফুটে উঠেছে অর্জন উদযাপনের আনন্দ।

নিউ ইয়র্কের রাতের আলোয় তোলা ছবিগুলোতে পুরস্কার পাওয়ার আনন্দের পাশাপাশি বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর মুহূর্তও ধরা পড়েছে। বিদেশের মাটিতে একসঙ্গে এমন অর্জন উদযাপন তাঁদের কাছে বিশেষ স্মৃতি হয়ে থাকবে বলে জানিয়েছেন দুই অভিনেত্রী।

মাহির কাছে স্মরণীয় এক রাত

ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে সামিরা খান মাহি লিখেছেন, নিউ ইয়র্ক সিটির একটি রাত তাঁর কাছে অর্জন, বন্ধুত্ব ও সুন্দর স্মৃতি উদযাপনের উপলক্ষ হয়ে উঠেছে।

ভিন্ন একটি শহরে এসে পুরস্কার পাওয়া এবং সেই আনন্দ বন্ধুদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়াকে বিশেষ অভিজ্ঞতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি। হাসি-আনন্দে ভরা এই রাতের স্মৃতি দীর্ঘদিন মনে থাকবে বলেও জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

বন্ধুত্বের গল্প শোনালেন তমা মির্জা

একই ধরনের ছবি প্রকাশ করেছেন তমা মির্জাও। ক্যাপশনে তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে নিউ ইয়র্কে একসঙ্গে প্রথম বিদেশ ভ্রমণ, পুরস্কার গ্রহণ এবং নিজেদের অর্জন ভাগ করে নেওয়ার অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

বন্ধুদের সঙ্গে এই মুহূর্ত উদযাপন করতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করে তমা লিখেছেন, দীর্ঘ পথচলায় কিছু বন্ধুত্ব জীবনকে আরও অর্থবহ করে তোলে। একসঙ্গে থাকার আনন্দ এবং বন্ধুদের পাশে পাওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন তিনি।

দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, কাজেও রয়েছে যোগাযোগ

তমা মির্জা, সামিরা খান মাহি ও তানজিয়া জামান মিথিলার বন্ধুত্ব দীর্ঘদিনের। ঢাকায় একসঙ্গে আড্ডা দেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁদের বন্ধুত্বের নানা মুহূর্ত ভাগ করে নিতে দেখা যায়।

অন্যদিকে, নির্মাতা রায়হান রাফীর পরিচালনায় একাধিক প্রকল্পে অভিনয় করেছেন তমা মির্জা। কাজের সূত্রে তাঁদের মধ্যে দীর্ঘদিনের পরিচয় রয়েছে। তাঁদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়েও বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে।

নিউ ইয়র্কে ‘ঢালিউড অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’-এ পুরস্কার গ্রহণের পাশাপাশি চার তারকার একসঙ্গে সময় কাটানো এবারের সফরকে আরও স্মরণীয় করে তুলেছে। পুরস্কার, বন্ধুত্ব ও আনন্দের এই মুহূর্তগুলোই এখন তাঁদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে উঠে এসেছে।

কালের আলো/এসএ

হিমঘরে নাসিমা খানের মরদেহ

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ
হিমঘরে নাসিমা খানের মরদেহ

বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রের একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাসিমা খানের জানাজা ও দাফন বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রে থাকা তাঁর বড় ছেলে শাবাব নাসিম রহমান দেশে ফেরার পর এ আয়োজন সম্পন্ন করা হবে। এর আগ পর্যন্ত অভিনেত্রীর মরদেহ হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক ও অভিনেতা সনি রহমান। তিনি জানান, নাসিমা খানের বড় ছেলে দেশে ফিরলে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) তাঁর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে। মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে শাবাব নাসিম রহমান যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফেরার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

এক ছেলে বিদেশে, অন্য ছেলে নিখোঁজ

নাসিমা খানের পারিবারিক জীবনে নেমে এসেছে এক বেদনাদায়ক পরিস্থিতি। তাঁর বড় ছেলে শাবাব নাসিম রহমান যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। অন্যদিকে, ছোট ছেলে নাবিল নাছির রহমান কুশল কয়েক মাস ধরে নিখোঁজ রয়েছেন।

জীবনের শেষ সময়ে দুই ছেলের কারও সঙ্গেই শেষবারের মতো দেখা হয়নি এই অভিনেত্রীর। বড় ছেলে দেশে ফেরার পর মায়ের শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে রাজধানীর উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নাসিমা খান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের শুরুর দিকের অভিনেত্রীদের মধ্যে নাসিমা খান ছিলেন অন্যতম। তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আজীবন সদস্য ছিলেন। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে বাংলা ও উর্দু—দুই ভাষার চলচ্চিত্রেই কাজ করেছেন তিনি।

১৯৫৯ সালে বড় পর্দায় অভিষেক

১৯৫৯ সালে ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক হয় নাসিমা খানের। এরপর ১৯৬১ সালে ‘যে নদী মরু পথে’ সিনেমায় নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে পরিচিতি লাভ করেন তিনি।

দীর্ঘ অভিনয়জীবনে ‘ধারাপাত’, ‘কার বউ’, ‘উজালা’, ‘বেগানা’, ‘আপন দুলাল’, ‘উলঝন’, ‘ম্যায় ভি ইনসান হু’, ‘দুই ভাই’, ‘গৌরী’, ‘আমার বৌ’ ও ‘ঢেউয়ের পরে ঢেউ’-এর মতো উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের প্রাথমিক বিকাশের সময় থেকে অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন নাসিমা খান। তাঁর মৃত্যুতে চলচ্চিত্র অঙ্গনে একটি দীর্ঘ অভিনয় অধ্যায়ের অবসান ঘটল।

কালের আলো/এসএ

অতীতের মানসিক যন্ত্রণা নিয়ে মুখ খুললেন পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ণ
অতীতের মানসিক যন্ত্রণা নিয়ে মুখ খুললেন পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স

দীর্ঘদিন আইনি অভিভাবকত্বের কঠোর নিয়ন্ত্রণে থাকা এবং সপ্তাহের সাত দিন কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে নিজের অতীত জীবনের মানসিক যন্ত্রণা, স্বাধীনতার সীমাবদ্ধতা এবং সেই সময়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন তিনি।

৪৪ বছর বয়সী এই গায়িকা জানান, ২০০৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত প্রায় ১৩ বছর আইনি অভিভাবকত্বের আওতায় তাঁর ব্যক্তিগত জীবন বিভিন্নভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ সময় কাজ করলেও নিজের ইচ্ছামতো জীবনযাপনের সুযোগ ছিল সীমিত।

সপ্তাহে সাত দিন কাজ, ব্যক্তিগত স্বাধীনতাও সীমিত

ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ব্রিটনি স্পিয়ার্স দাবি করেন, টানা ১৫ বছর ধরে তাঁকে সপ্তাহের সাত দিনই কাজ করতে হয়েছে। এত পরিশ্রমের পরও নিজের ইচ্ছামতো কোথাও গিয়ে বন্ধুর সঙ্গে দেখা করার মতো স্বাধীনতা তাঁর ছিল না বলে জানান তিনি।

অতীতের এসব অভিজ্ঞতা এখনো তাঁকে ক্ষুব্ধ করে বলে পোস্টে উল্লেখ করেন এই গায়িকা। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে, পেশাগত ব্যস্ততা ও কঠোর নিয়ন্ত্রণের মধ্যে নিজের ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী জীবন কাটানোর সুযোগ তিনি পাননি।

নিয়ন্ত্রণমুক্ত জীবনে নিজের মতো ভ্রমণ

কঠোর নিয়মকানুন থেকে মুক্ত হওয়ার পর গত কয়েক বছরে নিজের মতো করে একা ভ্রমণ শুরু করেছেন বলে জানিয়েছেন ব্রিটনি। পোস্টে নিজের স্বাধীন জীবন, আধ্যাত্মিক চিন্তা এবং মানসিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন তিনি।

দীর্ঘদিনের নিয়ন্ত্রণের অভিজ্ঞতার পর ব্যক্তিগত স্বাধীনতাকে নতুনভাবে উপভোগ করার বিষয়টি তাঁর বক্তব্যে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। অতীতের কঠিন সময় পেরিয়ে নিজের জীবনকে নিজের মতো করে সাজানোর চেষ্টা করছেন এই তারকা।

পুরোনো অ্যালবামের ২৫ বছর পূর্তি, প্রকাশিত অপ্রকাশিত গান

এদিকে ব্রিটনি স্পিয়ার্সের সংগীতজীবন নিয়েও ভক্তদের মধ্যে আলোচনা চলছে। গত সপ্তাহে তাঁর ২০০১ সালের অ্যালবাম ‘ব্রিটনি’-এর ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘শি’ল নেভার বি মি’ নামে একটি অপ্রকাশিত গান ভক্তদের জন্য প্রকাশ করেছেন তিনি।

ব্যক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলা এবং পুরোনো গান প্রকাশ—দুই ঘটনাই সম্প্রতি ব্রিটনিকে আলোচনায় রেখেছে। সংগীতজীবনের পাশাপাশি নিজের স্বাধীনতা ও অতীত অভিজ্ঞতা নিয়ে তাঁর বক্তব্যও ভক্তদের আগ্রহ তৈরি করেছে।

কালের আলো/এসএ