খুঁজুন
                               
, ,
           

অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন হল ও উডফোর্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ণ
অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন হল ও উডফোর্ড

অর্থনীতির ওঠানামা নিয়ন্ত্রণ এবং সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখার নীতিকে আরও কার্যকর করার গবেষণায় ২০২৬ সালের অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই অর্থনীতিবিদ রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড। তাঁদের যৌথভাবে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে ‘ম্যাক্রোইকোনমিক স্ট্যাবিলাইজেশনের মাইক্রোইকোনমিক ভিত্তি’ নিয়ে গবেষণার জন্য।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সুইডেনের স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করে। তাঁদের গবেষণায় এমন অর্থনৈতিক মডেল তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যা সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংককে অর্থনীতির অস্থিরতা মোকাবিলায় আরও কার্যকর নীতি গ্রহণে সহায়তা করে।

কারা এই দুই অর্থনীতিবিদ

রবার্ট ই হল যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। অন্যদিকে মাইকেল উডফোর্ড কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। অর্থনীতির বিভিন্ন পরিবর্তন কীভাবে পরিবার, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং সামগ্রিক বাজারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত, তা তাঁদের গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

প্রচলিত সামষ্টিক অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে মূল্যস্ফীতি, উৎপাদন ও ভোগের মতো সূচকগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক বিবেচনা করা হয়। হল ও উডফোর্ডের গবেষণায় পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত কীভাবে সামগ্রিক অর্থনীতিকে প্রভাবিত করে, সেই বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মন্দা ও মূল্যস্ফীতি মোকাবিলায় কেন গুরুত্বপূর্ণ এই গবেষণা

অর্থনীতিতে কখনো প্রবৃদ্ধির গতি বাড়ে, আবার কখনো দেখা দেয় মন্দা। উৎপাদন কমে যাওয়া, বেকারত্ব বৃদ্ধি, ভোগের দুর্বলতা কিংবা মূল্যস্ফীতির চাপ অর্থনীতির স্থিতিশীলতাকে ব্যাহত করতে পারে। এসব পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

মন্দার সময় সুদের হার কমানো, সরকারি ব্যয় বাড়ানো কিংবা বিনিয়োগে উৎসাহ দেওয়ার মতো পদক্ষেপ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়াতে সহায়তা করতে পারে। বিপরীতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার বাড়াতে পারে। তবে এসব নীতির কার্যকারিতা নির্ভর করে অর্থনীতির পরিস্থিতি এবং পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিক্রিয়ার ওপর।

হল ও উডফোর্ডের গবেষণা এই প্রতিক্রিয়াগুলো বুঝতে এবং অর্থনৈতিক নীতি কীভাবে মানুষের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে, তা বিশ্লেষণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

নীতির আগাম ঘোষণা কেন জরুরি

সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক ভবিষ্যতে কী ধরনের অর্থনৈতিক নীতি গ্রহণ করতে পারে, সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা থাকলে পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নিজেদের পরিকল্পনা সাজাতে পারে। সুদের হার, করনীতি কিংবা সরকারি ব্যয় নিয়ে নীতিনির্ধারকদের অবস্থান মানুষের সঞ্চয়, ভোগ ও বিনিয়োগের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে।

উদাহরণস্বরূপ, ভবিষ্যতে সুদের হার বাড়তে পারে—এমন প্রত্যাশা থাকলে কোনো পরিবার ঋণ নেওয়া বা বড় কেনাকাটার সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে। একইভাবে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভবিষ্যৎ চাহিদা ও উৎপাদন ব্যয়ের সম্ভাব্য পরিবর্তন বিবেচনা করে বিনিয়োগের পরিকল্পনা করতে পারে।

অর্থনৈতিক নীতির ঘোষণা ও বাস্তবায়নের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকলে নীতিনির্ধারকদের সিদ্ধান্তের প্রভাব আরও ভালোভাবে বোঝা যায়। এ কারণে অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে শুধু তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নয়, ভবিষ্যৎ নীতি সম্পর্কে বিশ্বাসযোগ্য দিকনির্দেশনাও গুরুত্বপূর্ণ।

সত্তরের দশকের সংকট থেকে নতুন চিন্তার প্রয়োজন

১৯৭০-এর দশকে তেল সংকট, অর্থনৈতিক মন্দা, উচ্চ বেকারত্ব ও মূল্যস্ফীতির মতো সমস্যাগুলো প্রচলিত অর্থনৈতিক নীতির কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তোলে। অর্থনীতির অস্থিরতা কেন তৈরি হয় এবং নীতিনির্ধারকদের সিদ্ধান্ত কীভাবে তা কমাতে পারে—এসব বিষয়ে আরও কার্যকর তাত্ত্বিক কাঠামোর প্রয়োজন দেখা দেয়।

পরবর্তী সময়ে অর্থনীতিবিদেরা পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্তকে সামষ্টিক অর্থনীতির বিশ্লেষণে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত করেন। হল ও উডফোর্ডের গবেষণা এই ধারার গুরুত্বপূর্ণ অবদান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

তাঁদের গবেষণার মূল তাৎপর্য হলো, অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে নীতিনির্ধারকদের সিদ্ধান্তের পাশাপাশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রত্যাশা এবং আচরণও বিবেচনায় নিতে হয়। এ ধরনের মডেল অর্থনৈতিক ধাক্কা মোকাবিলা এবং মন্দার প্রভাব কমাতে নীতিনির্ধারকদের সহায়তা করতে পারে।

সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার নীতিকে কার্যকর করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি

অর্থনীতির ওঠানামা নিয়ন্ত্রণ এবং সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখার নীতিকে আরও কার্যকর করার গবেষণায় ২০২৬ সালের অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই অর্থনীতিবিদ রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড। তাঁদের যৌথভাবে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে ‘ম্যাক্রোইকোনমিক স্ট্যাবিলাইজেশনের মাইক্রোইকোনমিক ভিত্তি’ নিয়ে গবেষণার জন্য।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সুইডেনের স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করে। তাঁদের গবেষণায় এমন অর্থনৈতিক মডেল তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যা সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংককে অর্থনীতির অস্থিরতা মোকাবিলায় আরও কার্যকর নীতি গ্রহণে সহায়তা করে।

কারা এই দুই অর্থনীতিবিদ

রবার্ট ই হল যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। অন্যদিকে মাইকেল উডফোর্ড কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। অর্থনীতির বিভিন্ন পরিবর্তন কীভাবে পরিবার, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং সামগ্রিক বাজারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত, তা তাঁদের গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

প্রচলিত সামষ্টিক অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে মূল্যস্ফীতি, উৎপাদন ও ভোগের মতো সূচকগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক বিবেচনা করা হয়। হল ও উডফোর্ডের গবেষণায় পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত কীভাবে সামগ্রিক অর্থনীতিকে প্রভাবিত করে, সেই বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মন্দা ও মূল্যস্ফীতি মোকাবিলায় কেন গুরুত্বপূর্ণ এই গবেষণা

অর্থনীতিতে কখনো প্রবৃদ্ধির গতি বাড়ে, আবার কখনো দেখা দেয় মন্দা। উৎপাদন কমে যাওয়া, বেকারত্ব বৃদ্ধি, ভোগের দুর্বলতা কিংবা মূল্যস্ফীতির চাপ অর্থনীতির স্থিতিশীলতাকে ব্যাহত করতে পারে। এসব পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

মন্দার সময় সুদের হার কমানো, সরকারি ব্যয় বাড়ানো কিংবা বিনিয়োগে উৎসাহ দেওয়ার মতো পদক্ষেপ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়াতে সহায়তা করতে পারে। বিপরীতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার বাড়াতে পারে। তবে এসব নীতির কার্যকারিতা নির্ভর করে অর্থনীতির পরিস্থিতি এবং পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিক্রিয়ার ওপর।

হল ও উডফোর্ডের গবেষণা এই প্রতিক্রিয়াগুলো বুঝতে এবং অর্থনৈতিক নীতি কীভাবে মানুষের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে, তা বিশ্লেষণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

নীতির আগাম ঘোষণা কেন জরুরি

সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক ভবিষ্যতে কী ধরনের অর্থনৈতিক নীতি গ্রহণ করতে পারে, সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা থাকলে পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নিজেদের পরিকল্পনা সাজাতে পারে। সুদের হার, করনীতি কিংবা সরকারি ব্যয় নিয়ে নীতিনির্ধারকদের অবস্থান মানুষের সঞ্চয়, ভোগ ও বিনিয়োগের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে।

উদাহরণস্বরূপ, ভবিষ্যতে সুদের হার বাড়তে পারে—এমন প্রত্যাশা থাকলে কোনো পরিবার ঋণ নেওয়া বা বড় কেনাকাটার সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে। একইভাবে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভবিষ্যৎ চাহিদা ও উৎপাদন ব্যয়ের সম্ভাব্য পরিবর্তন বিবেচনা করে বিনিয়োগের পরিকল্পনা করতে পারে।

অর্থনৈতিক নীতির ঘোষণা ও বাস্তবায়নের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকলে নীতিনির্ধারকদের সিদ্ধান্তের প্রভাব আরও ভালোভাবে বোঝা যায়। এ কারণে অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে শুধু তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নয়, ভবিষ্যৎ নীতি সম্পর্কে বিশ্বাসযোগ্য দিকনির্দেশনাও গুরুত্বপূর্ণ।

সত্তরের দশকের সংকট থেকে নতুন চিন্তার প্রয়োজন

১৯৭০-এর দশকে তেল সংকট, অর্থনৈতিক মন্দা, উচ্চ বেকারত্ব ও মূল্যস্ফীতির মতো সমস্যাগুলো প্রচলিত অর্থনৈতিক নীতির কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তোলে। অর্থনীতির অস্থিরতা কেন তৈরি হয় এবং নীতিনির্ধারকদের সিদ্ধান্ত কীভাবে তা কমাতে পারে—এসব বিষয়ে আরও কার্যকর তাত্ত্বিক কাঠামোর প্রয়োজন দেখা দেয়।

পরবর্তী সময়ে অর্থনীতিবিদেরা পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্তকে সামষ্টিক অর্থনীতির বিশ্লেষণে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত করেন। হল ও উডফোর্ডের গবেষণা এই ধারার গুরুত্বপূর্ণ অবদান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

তাঁদের গবেষণার মূল তাৎপর্য হলো, অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে নীতিনির্ধারকদের সিদ্ধান্তের পাশাপাশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রত্যাশা এবং আচরণও বিবেচনায় নিতে হয়। এ ধরনের মডেল অর্থনৈতিক ধাক্কা মোকাবিলা এবং মন্দার প্রভাব কমাতে নীতিনির্ধারকদের সহায়তা করতে পারে।

কালের আলো/এসএ

জি এম কাদেরের গ্রেপ্তারের দাবিতে উত্তরায় বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
জি এম কাদেরের গ্রেপ্তারের দাবিতে উত্তরায় বিক্ষোভ

জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে রাজধানীর উত্তরায় তাঁর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করেছেন ছাত্র-জনতা। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে ‘স্বৈরাচারবিরোধী সাধারণ জনগণ’ ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার ও ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার সঙ্গে জি এম কাদেরের যোগাযোগ রয়েছে। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি এবং বিগত সরকারের সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগ তুলে তাঁরা দ্রুত তাঁকে গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান।

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, বিগত তিনটি জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়ে জাতীয় পার্টি তৎকালীন সরকারকে রাজনৈতিক বৈধতা দেওয়ার ভূমিকা পালন করেছিল। তাঁরা বলেন, নতুন বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া যাবে না।

বিক্ষোভকারীরা উত্তরায় জি এম কাদেরের বাসভবনের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় ব্যবহৃত ব্যানারে তাঁর গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি তুলে ধরা হয়।

কর্মসূচি থেকে বিক্ষোভকারীরা জি এম কাদেরকে অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

সিনেমা হলের সুদিন ফেরাতে উদ্যোগ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর, ১ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব পর্যালোচনায়

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০৪ অপরাহ্ণ
সিনেমা হলের সুদিন ফেরাতে উদ্যোগ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর, ১ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব পর্যালোচনায়

দেশের চলচ্চিত্রশিল্পের বিকাশ, সিনেমা হলের আধুনিকায়ন এবং দর্শকদের আবার প্রেক্ষাগৃহমুখী করতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি। এ লক্ষ্যে হল মালিকদের সমস্যা সমাধান, মানসম্মত চলচ্চিত্র নির্মাণ, ই-টিকেটিং ব্যবস্থা চালু এবং দেশীয় চলচ্চিত্রের আমদানি-রপ্তানির সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। সিনেমা হল বাঁচাতে আলোচনায় আসা ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, চলচ্চিত্রশিল্পের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। প্রযোজক, পরিচালক, শিল্পী সমিতিসহ চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় সিনেমা হল মালিকদের সমস্যাগুলো জানতে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে।

  • আধুনিকায়ন, অর্থায়ন ও দর্শক বৃদ্ধিতে সমন্বিত পরিকল্পনা
  • ভালো সিনেমা নির্মাণ, দক্ষ শিল্পী তৈরি ও ই-টিকেটিং চালুর ওপর গুরুত্ব
  • চলচ্চিত্র রপ্তানির সম্ভাবনাও কাজে লাগাতে চায় সরকার

হল আধুনিকায়নে অর্থায়নের সম্ভাবনা
সিনেমা হলের আধুনিকায়ন ও টিকে থাকার ক্ষেত্রে অর্থায়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পুরোনো হলগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন, দর্শকসুবিধা বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে প্রেক্ষাগৃহকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার সুযোগ রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের বিষয়টি চলচ্চিত্র প্রদর্শন খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় পরিণত হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, হল মালিকদের উত্থাপিত কিছু দাবি বাস্তবায়নে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। কিছু বিষয় আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে আলোচনা করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। সিনেমা হল বাঁচাতে ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের যে বিষয়টি আলোচনায় এসেছে, তা খতিয়ে দেখা হবে। এ অর্থ ছাড়ের বিষয়ে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত থাকলে তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, সিনেমা হলের আধুনিকায়নে অর্থ ছাড়ের বিষয়টি নিয়ে অর্থমন্ত্রী ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। বরাদ্দের অর্থ শুধু সিনেপ্লেক্সের জন্য নয়, প্রচলিত সিনেমা হলগুলোর ক্ষেত্রেও কীভাবে কাজে লাগানো যায়, তা বিবেচনা করা প্রয়োজন। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে প্রচলিত সিনেমা হলগুলোর আধুনিকায়নের সুযোগ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

বড় পর্দার আকর্ষণ ফিরিয়ে আনতে গুরুত্ব
প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে প্রেক্ষাগৃহের স্বতন্ত্র অভিজ্ঞতা ও সম্ভাবনার ওপর গুরুত্ব উঠে এসেছে। আধুনিক পরিবেশ, উন্নত দর্শকসেবা এবং মানসম্মত চলচ্চিত্রের সমন্বয় ঘটানো গেলে দর্শকদের হলমুখী করার নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। এর ফলে মোবাইল ফোন কিংবা হোম থিয়েটারের কারণে সিনেমা হল বিলুপ্ত হয়ে যাবে—এমন ধারণার সঙ্গে একমত নন ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেছেন, সিনেমা হলে গিয়ে বড় পর্দায় সম্মিলিতভাবে চলচ্চিত্র উপভোগ করার অভিজ্ঞতা ঘরে বসে বা মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতা থেকে আলাদা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও সিনেমা হল ও সিনেপ্লেক্স সফলভাবে চলছে। তাই বাংলাদেশের সিনেমা হলগুলো কেন টিকে থাকতে পারছে না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

দর্শক বাড়াতে মানসম্মত চলচ্চিত্র নির্মাণ
দেশীয় চলচ্চিত্রের দর্শকসংকট প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনেক সিনেমা হলে পর্যাপ্ত দর্শক পাওয়া যাচ্ছে না। কোনো কোনো সিঙ্গেল স্ক্রিনে বিপুল আসনসংখ্যার বিপরীতে দর্শকের উপস্থিতি অত্যন্ত কম। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে হল মালিক, প্রযোজক ও পরিচালকদের যৌথভাবে আলোচনা করে দর্শকের চাহিদা অনুযায়ী মানসম্মত চলচ্চিত্র নির্মাণ ও প্রদর্শনের উদ্যোগ নিতে হবে। ভালো চলচ্চিত্র নির্মিত হলে প্রযোজক, হল মালিক ও দর্শক—সব পক্ষই উপকৃত হবে।

তিনি আরও বলেন, সিনেমা হলের দর্শক বাড়াতে ভালো মানের চলচ্চিত্র নির্মাণের বিকল্প নেই। শুধু বিদেশি চলচ্চিত্র আমদানির ওপর নির্ভর না করে বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও অর্থনৈতিক স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে চলচ্চিত্র আমদানি ও প্রদর্শনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বিদেশি চলচ্চিত্র আমদানির অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকার আন্তরিক থাকবে। তবে আমদানি ও রপ্তানির মাধ্যমে দেশের রাজস্ব আয় এবং জনগণের স্বার্থ কতটা নিশ্চিত হচ্ছে, তা-ও বিবেচনায় নিতে হবে।

চলচ্চিত্র রপ্তানি ও দক্ষ শিল্পী তৈরিতে উদ্যোগ
দেশীয় চলচ্চিত্রের আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণের সম্ভাবনাও তুলে ধরেছেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের চলচ্চিত্র বিদেশে প্রদর্শন ও রপ্তানির মাধ্যমে রাজস্ব আয়ের সুযোগ রয়েছে কি না, তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে। এ ক্ষেত্রে রপ্তানি থেকে অর্জিত আয়ের কতটা বাংলাদেশের জনগণ ও অর্থনীতির উপকারে আসছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

চলচ্চিত্রে দক্ষ শিল্পী তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, অভিনেতা-অভিনেত্রী ও পরিচালকদের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) মাধ্যমে ‘প্রতিভার সন্ধানে’ কর্মসূচি চালু করা হচ্ছে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে ভবিষ্যতেও প্রতিভাবান শিল্পী উঠে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ই-টিকেটিংয়ে বাড়বে স্বচ্ছতা
সিনেমা হলগুলোতে ই-টিকেটিং ব্যবস্থা চালুর ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে ইতোমধ্যে বিএফডিসিকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আধুনিক টিকেটিং ব্যবস্থা চালু হলে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়ানোর পাশাপাশি হল মালিকদের কার্যক্রমেও স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আসতে পারে। এ ব্যবস্থা বাস্তবায়নে হল মালিকদেরও আন্তরিক হতে হবে।

লিখিত দাবি জমা দিতে আহ্বান
প্রতিমন্ত্রী চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির নেতৃবৃন্দকে তাঁদের দাবি-দাওয়াগুলো লিখিতভাবে মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার আহ্বান জানান। এসব দাবি পর্যালোচনা করে বাস্তবায়নযোগ্য উদ্যোগগুলো দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শরফুদ্দীন এলাহী চৌধুরীসহ সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা দেশের সিনেমা হলগুলোর সংকট, আধুনিকায়ন, অর্থায়ন, চলচ্চিত্র আমদানি-রপ্তানি এবং দর্শক বাড়ানোর বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন।

চলচ্চিত্রশিল্পের উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অর্থায়ন, মানসম্মত চলচ্চিত্র নির্মাণ, দক্ষ জনবল তৈরি এবং আধুনিক প্রদর্শনব্যবস্থার সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও বাস্তবায়নযোগ্য প্রস্তাবের ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া গেলে দেশের সিনেমা হলগুলোর উন্নয়ন এবং দর্শকদের প্রেক্ষাগৃহে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা আরও গতিশীল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কালের আলো/এএএন/এসআর

ঢাকায় নুসরাত ফতেহ আলি খানকে নিয়ে সুফি সন্ধ্যা

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০৪ অপরাহ্ণ
ঢাকায় নুসরাত ফতেহ আলি খানকে নিয়ে সুফি সন্ধ্যা

বিশ্বখ্যাত সুফি সংগীতশিল্পী ও কাওয়ালির কিংবদন্তি উস্তাদ নুসরাত ফতেহ আলি খানের জন্মদিন উপলক্ষে ঢাকায় আয়োজন করা হচ্ছে বিশেষ সংগীতসন্ধ্যা ‘শাম-ই-নুসরাত’। তাঁর কালজয়ী গান, অসাধারণ কণ্ঠ এবং বিশ্বসংগীতে অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এ আয়োজন করেছে উম্মিদ ইভেন্টস।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর )রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে এই সংগীতসন্ধ্যা। এতে সংগীত পরিবেশন করবে বাংলাদেশের জনপ্রিয় সুফি ব্যান্ড ‘ক্বারার—দ্য সুফি ব্যান্ড’। আয়োজকদের প্রত্যাশা, সুফি সংগীত ও কাওয়ালির আবহে সন্ধ্যাটি সংগীতপ্রেমীদের জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতা হয়ে উঠবে।

সুফি সংগীত ও কাওয়ালির ঐতিহ্য তুলে ধরবে আয়োজন

বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে নিজস্ব পরিবেশনা ও সুফি সংগীতের প্রতি গভীর অনুরাগের মাধ্যমে পরিচিতি পেয়েছে ‘ক্বারার—দ্য সুফি ব্যান্ড’। দেশীয় সংগীতের আবহে সুফি ও কাওয়ালির ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি ব্যান্ডটি শ্রোতাদের ভিন্নধর্মী সংগীতের অভিজ্ঞতা দেওয়ার চেষ্টা করে আসছে।

‘শাম-ই-নুসরাত’ আয়োজনেও ব্যান্ডটির পরিবেশনার মধ্য দিয়ে সুফি সংগীতের আধ্যাত্মিক আবেদন ও কাওয়ালির ঐতিহ্য তুলে ধরা হবে। নুসরাত ফতেহ আলি খানের সংগীতের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং তাঁর শিল্পকর্মের সঙ্গে নতুন প্রজন্মের পরিচয় আরও গভীর করাই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।

থাকছে শায়েরি, কাওয়ালি ও সুফি নৃত্য

আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ‘শাম-ই-নুসরাত’ সংগীতসন্ধ্যায় থাকবে উদ্বোধনী পর্ব, ব্র্যান্ড পরিচিতি পর্ব, শায়েরি, সুফি কাওয়ালি পরিবেশনা ও সুফি নৃত্য। পাশাপাশি দর্শনার্থীদের জন্য বিভিন্ন স্টল ও বিশেষ ফটো বুথের ব্যবস্থাও রাখা হবে।

আয়োজক প্রতিষ্ঠান উম্মিদ ইভেন্টস জানিয়েছে, নুসরাত ফতেহ আলি খানের জন্মদিন এবং সংগীতে তাঁর চিরন্তন অবদান উদ্‌যাপন করাই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। তাদের প্রত্যাশা, অনুষ্ঠানটি শুধু একটি সংগীতানুষ্ঠান হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং সংগীত, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির এক মিলনমেলায় পরিণত হবে।

বিশ্বসংগীতে নুসরাত ফতেহ আলি খানের অবদান

উস্তাদ নুসরাত ফতেহ আলি খান ছিলেন সুফি সংগীত ও কাওয়ালির অন্যতম প্রভাবশালী শিল্পী। তাঁর শক্তিশালী কণ্ঠ, অনন্য গায়কী এবং আবেগঘন পরিবেশনা কাওয়ালিকে দক্ষিণ এশিয়ার গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয় করে তোলে।

তাঁর অসংখ্য গান ও সংগীত পরিবেশনা আজও বিশ্বজুড়ে সংগীতপ্রেমীদের কাছে সমাদৃত। সুফি সংগীতের আধ্যাত্মিক ভাবনা ও ঐতিহ্যকে আধুনিক সংগীতের পরিসরে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান বিশেষভাবে স্মরণীয়।

‘শাম-ই-নুসরাত’-এর মধ্য দিয়ে সেই কিংবদন্তি শিল্পীকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবেন বাংলাদেশের সংগীতপ্রেমীরা। ‘ক্বারার—দ্য সুফি ব্যান্ড’-এর পরিবেশনায় সন্ধ্যাটি কাওয়ালি ও সুফি সংগীতের আবহে দর্শকদের নতুন এক অভিজ্ঞতা দেবে বলে আশা করছেন আয়োজকেরা।

কালের আলো/এসএ