খুঁজুন
                               
, ,
           

চা, স্মুদি, পিৎজা নাকি বিরিয়ানি—কোন খাবার হজম হয় দ্রুত, জানুন কারণ

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১৩ অপরাহ্ণ
চা, স্মুদি, পিৎজা নাকি বিরিয়ানি—কোন খাবার হজম হয় দ্রুত, জানুন কারণ

চা খাওয়ার কিছুক্ষণ পরই ক্ষুধা লাগছে, অথচ পিৎজা কিংবা বিরিয়ানি খাওয়ার পর দীর্ঘ সময় পেট ভার হয়ে থাকছে—এমন অভিজ্ঞতা অনেকেরই রয়েছে। খাবারের ধরন, উপাদান, পরিমাণ এবং শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করে হজমের প্রক্রিয়ায় এই পার্থক্য দেখা দেয়। বিশেষ করে খাবারে চর্বি, প্রোটিন, ফাইবার ও তরলের পরিমাণ পাকস্থলী থেকে খাবার বের হওয়ার গতিকে প্রভাবিত করতে পারে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর ২০২৬) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে খাবারের ধরন অনুযায়ী হজমের সময়ের পার্থক্য তুলে ধরা হয়েছে। তবে কোনো খাবার ঠিক কত মিনিটে হজম হবে, তা সবার ক্ষেত্রে এক নয়। খাবার পাকস্থলী থেকে বের হওয়া, ক্ষুদ্রান্ত্রে পুষ্টি শোষণ এবং পুরো হজমপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া—এগুলো আলাদা বিষয়।

চা হজম হতে কত সময় লাগে?

দুধ ছাড়া চা মূলত তরল হওয়ায় সাধারণত পাকস্থলী থেকে তুলনামূলক দ্রুত বেরিয়ে যেতে পারে। তবে চায়ে দুধ, চিনি বা ক্রিম যোগ করলে এর পুষ্টিমান ও উপাদান বদলে যায়। চায়ের সঙ্গে বিস্কুট, কেক কিংবা অন্য খাবার খেলে পাকস্থলী খালি হওয়ার সময়েও পরিবর্তন আসতে পারে।

চা ২০ থেকে ৪০ মিনিটে পুরোপুরি হজম হয়ে যায়—এমন নির্দিষ্ট সময় সবার জন্য প্রযোজ্য নয়। বরং চায়ের পরিমাণ, সঙ্গে খাওয়া খাবার এবং ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার ওপর হজমের গতি নির্ভর করে।

স্মুদি হজমে উপাদানের ভূমিকা

ফল, দুধ, দই কিংবা অন্যান্য উপকরণ দিয়ে তৈরি স্মুদির হজমের সময় নির্ভর করে এর উপাদানের ওপর। শুধু ফল দিয়ে তৈরি স্মুদি এবং দুধ, দই, বাদাম বা অন্য উপাদানসমৃদ্ধ ঘন স্মুদির মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

ফল থেকে পাওয়া ফাইবার অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা করে। তবে স্মুদি তরল বলে সব সময় দ্রুত হজম হবে, এমন নয়। এর ঘনত্ব, ক্যালরি, চর্বি ও ফাইবারের পরিমাণও গুরুত্বপূর্ণ।

পিৎজা খেলে পেট ভার লাগে কেন?

পিৎজার বেস সাধারণত ময়দা দিয়ে তৈরি হয়। এর সঙ্গে চিজ, তেল, মাংস এবং বিভিন্ন ধরনের সস যোগ করা হয়। এসব উপাদানের কারণে পিৎজায় চর্বি ও ক্যালরির পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে।

বিশেষ করে চর্বি পাকস্থলী খালি হওয়ার গতি ধীর করতে পারে। ফলে বেশি চিজ বা মাংস দেওয়া পিৎজা খাওয়ার পর দীর্ঘ সময় পেট ভরা লাগতে পারে। বেশি পরিমাণে খেলে পেট ফাঁপা কিংবা অস্বস্তিও হতে পারে।

তবে পিৎজার উপাদান ও পরিবেশনের পরিমাণ অনুযায়ী হজমের অভিজ্ঞতা ভিন্ন হতে পারে। তাই সব ধরনের পিৎজার জন্য নির্দিষ্ট কোনো হজমের সময় বলা যায় না।

বিরিয়ানি হজম হতে বেশি সময় লাগে কেন?

বিরিয়ানিতে চালের পাশাপাশি তেল, ঘি, মাংস ও বিভিন্ন মসলা ব্যবহার করা হয়। বিশেষ করে তেল-ঘি এবং মাংসের চর্বির পরিমাণ বেশি হলে পাকস্থলী থেকে খাবার বের হতে তুলনামূলক বেশি সময় লাগতে পারে।

এ ছাড়া একসঙ্গে বেশি পরিমাণে বিরিয়ানি খেলে পেট ভার লাগা, অস্বস্তি কিংবা বুকজ্বালার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে বিরিয়ানির উপকরণ, রান্নার ধরন, পরিবেশনের পরিমাণ এবং ব্যক্তির হজমক্ষমতার ওপর এ অভিজ্ঞতা নির্ভর করে।

ফলের জুস কি দ্রুত হজম হয়?

ফলের জুস তরল হওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে পাকস্থলী থেকে দ্রুত বেরিয়ে যেতে পারে। তবে গোটা ফলের সঙ্গে জুসের গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হলো ফাইবারের পরিমাণ। ফল ছেঁকে জুস তৈরি করলে এর ফাইবার কমে যেতে পারে। অন্যদিকে গোটা ফলে থাকা ফাইবার দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সহায়তা করে।

জুসে অতিরিক্ত চিনি যোগ করা হলে এর পুষ্টিমানও বদলে যায়। তাই ফলের জুস ২০ থেকে ৪০ মিনিটেই পুরোপুরি হজম হয়ে যায়—এমন দাবি সবার ক্ষেত্রে সঠিক নয়।

হজম ভালো রাখতে কী করবেন?

হজমের জন্য শুধু খাবারের ধরন নয়, দৈনন্দিন অভ্যাসও গুরুত্বপূর্ণ। কয়েকটি বিষয় মেনে চললে হজমের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সহায়তা পাওয়া যেতে পারে— একবারে অতিরিক্ত খাবার না খেয়ে পরিমিত পরিমাণে খান, খাবারে শাকসবজি, ফল ও অন্যান্য ফাইবারসমৃদ্ধ উপাদান রাখুন, পর্যাপ্ত পানি পান করুন, ধীরে ধীরে খাবার চিবিয়ে খান, অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করুন, নিয়মিত শারীরিক চলাফেরা বজায় রাখুন।

খাবার খাওয়ার পর মাঝেমধ্যে পেট ভার লাগা স্বাভাবিক হতে পারে। তবে নিয়মিত পেট ফাঁপা, তীব্র পেটব্যথা, বমি, গিলতে অসুবিধা কিংবা অকারণে ওজন কমে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

কালের আলো/এসএ

আহত পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে গেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ণ
আহত পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে গেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

খুলনায় ছিনতাইকারীদের হামলায় গুরুতর আহত পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে দেখতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এসময় তিনি আহত পুলিশ কর্মকর্তার সর্বোচ্চ উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত এভারকেয়ার হাসপাতালে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

হাসপাতালে গিয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী। এ সময় আহত পুলিশ কর্মকর্তার শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন তিনি।

শাহ আলমের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ অধিদপ্তরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন তিনি।

এছাড়া এ ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার বিষয়ে আহত পুলিশ কর্মকর্তা ও তার পরিবারকে আশ্বস্ত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এসময় পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির এবং বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দিনগত রাত আড়াইটার দিকে খুলনা জেলার এ-সার্কেলে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) শাহ আলম বিশেষ অভিযান শেষে রিকশায় করে পুলিশ ক্লাবে ফিরছিলেন। পথে খুলনা কলেজিয়েট স্কুলের সামনে তিনজন দুর্বৃত্ত তার পথরোধ করে। এ সময় তারা টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় এবং ধারালো চাপাতি দিয়ে তার দুই হাতের কবজির ওপর গুরুতর জখম করে। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনায় খুলনা থানায় মামলা হয়েছে। এরই মধ্যে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

খেলাধুলার উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: রাজশাহী জেলা প্রশাসক

রাজশাহী সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
খেলাধুলার উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: রাজশাহী জেলা প্রশাসক

রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সঙ্গে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন নবগঠিত রাজশাহী জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় নবগঠিত কমিটির সদস্যদের উদ্দেশে জেলা প্রশাসক বলেন, কমিটি গঠন করে বসে থাকলে চলবে না। সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে খেলাধুলার উন্নয়নে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন ইভেন্টে ছেলে-মেয়েদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও খেলাধুলার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগ ও ধারাবাহিক কার্যক্রমের মাধ্যমেই কমিটির সাফল্য অর্জন সম্ভব।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার নবগঠিত কমিটির সহসভাপতি মোছাঃ রোকসানা বেগম, সাধারণ সম্পাদক আলফাতুন নেছা পুতুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা শাপলা হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মোছাঃ নার্গিস খাতুন এবং সদস্য মোছাঃ আশা মনি, মোছাঃ সুরাইয়া খাতুন ও আফরোজা আক্তার হাসি।

শুভেচ্ছা বিনিময়কালে নবগঠিত কমিটির সদস্যরা জেলার খেলাধুলার উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বন্দরে পড়ে থাকা পণ্য নিলাম-ধ্বংসে এনবিআরের বড় উদ্যোগ

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
বন্দরে পড়ে থাকা পণ্য নিলাম-ধ্বংসে এনবিআরের বড় উদ্যোগ

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা নিলামযোগ্য ও খালাস না হওয়া পণ্যের জট নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বন্দরের অভ্যন্তরে অবিন্যস্ত অবস্থায় পড়ে থাকা এসব পণ্যের বিস্তারিত তালিকা তৈরি, নিলাম এবং প্রয়োজনে ধ্বংসের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে ২০ জন কাস্টমস কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সংস্থাটির প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে এসব কর্মকর্তা চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে দায়িত্ব পালন করবেন। পণ্যগুলোর ইনভেন্টরি বা মজুত তালিকা তৈরির কার্যক্রম চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের এ দায়িত্বে রাখা হবে।

বন্দরে পড়ে থাকা পণ্যের তালিকা তৈরিতে বিশেষ উদ্যোগ

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা এবং আমদানির পর খালাস না হওয়া পণ্য বন্দরের জায়গা দখল করে রাখে। এসব পণ্যের মধ্যে নিলামযোগ্য পণ্যও রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে পণ্য জমে থাকায় সেগুলোর সঠিক হিসাব, সংরক্ষণ, নিলাম এবং ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এ পরিস্থিতিতে নিলামযোগ্য ও খালাস না হওয়া পণ্যের বিস্তারিত তালিকা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে এনবিআর। এ জন্য দেশের বিভিন্ন কাস্টমস হাউস, ভ্যাট কমিশনারেট ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে ২০ জন কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

তাঁদের মূল দায়িত্ব হবে বন্দরে পড়ে থাকা পণ্যের ইনভেন্টরি কার্যক্রম সম্পন্ন করা। এর মাধ্যমে কোন পণ্য নিলামযোগ্য, কোনগুলো খালাস হয়নি এবং কোন পণ্যের বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, তা নির্ধারণের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।

১৫ অক্টোবর থেকে দায়িত্ব পালন করবেন কর্মকর্তারা

এনবিআরের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ১৫ অক্টোবর থেকে ইনভেন্টরি কার্যক্রম চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে দায়িত্ব পালন করবেন। দেশের বিভিন্ন দপ্তর থেকে তাঁদের সাময়িকভাবে সংযুক্ত করা হয়েছে।

নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ ভ্যাট কমিশনারেটের মো. শাহজাহান সরকার ও মুহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন; গাজীপুরের মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন ও মো. বিল্লাল হোসেন; ঢাকা দক্ষিণের মো. বেলাল উদ্দিন ও ফজলুল হক; ঢাকা উত্তরের উত্তম কুমার দাস ও মাহমুদুল হাসান।

এ ছাড়া ঢাকা পূর্বের মো. হেদায়েতুল ইসলাম চৌধুরী; ঢাকা পশ্চিমের মো. রোমেল তালুকদার ও সুমনা দেবনাথ; চট্টগ্রাম ভ্যাট কমিশনারেটের ইফতেখার আহমেদ ও মো. আসিফ ইকবাল রাজু; এবং কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কাজী নাইম উদ্দীনকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

তালিকায় আরও রয়েছেন কুমিল্লার মোছা. উম্মে সালমা ও অম্বিকা রানী, কমলাপুর আইসিডি কাস্টম হাউসের মো. তৌহিদুর রহমান, বেনাপোল কাস্টম হাউসের শংকেরালীঘ দেব এবং ঢাকা বন্ড কমিশনারেটের দক্ষিণ ও উত্তর অংশের সত্যজিৎ সরকার ও মো. শাহিনুর আলম।

নিলাম ও ধ্বংসের মাধ্যমে পণ্যের জট নিরসনের লক্ষ্য

এনবিআরের উদ্যোগের পরবর্তী ধাপে তালিকাভুক্ত পণ্যের ধরন ও অবস্থা অনুযায়ী নিলাম অথবা ধ্বংসের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। যেসব পণ্য নিলামযোগ্য, সেগুলো নিলামের আওতায় আনার মাধ্যমে রাজস্ব আদায়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে। অন্যদিকে, নিলামের অনুপযোগী বা বিধি অনুযায়ী ধ্বংস করা প্রয়োজন—এমন পণ্যের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দীর্ঘদিন ধরে বন্দরে পড়ে থাকা পণ্যের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে বন্দরের অভ্যন্তরে জায়গার ব্যবহার আরও কার্যকর হতে পারে। পাশাপাশি নতুন আমদানি পণ্যের কনটেইনার ব্যবস্থাপনা ও খালাস কার্যক্রমেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

রাজস্ব আদায় বাড়ানো ও কনটেইনার জট কমানোর প্রত্যাশা

দ্রুত ইনভেন্টরি সম্পন্ন করে নিলাম ও ধ্বংসের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া গেলে চট্টগ্রাম বন্দরে জমে থাকা কনটেইনারের জট কমতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নিলামযোগ্য পণ্য বিক্রির মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।

তবে এ উদ্যোগের বাস্তব সুফল নির্ভর করবে পণ্যের তালিকা তৈরির কাজ কত দ্রুত শেষ হয়, নিলামপ্রক্রিয়া কতটা কার্যকরভাবে সম্পন্ন করা যায় এবং দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা পণ্য অপসারণে কী পরিমাণ অগ্রগতি অর্জিত হয়, তার ওপর।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি