খুঁজুন
                               
, ,
           

‘সততার পুরস্কার’ পাচ্ছেন সিআইডি প্রধান চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২০, ১০:৫৭ অপরাহ্ণ
‘সততার পুরস্কার’ পাচ্ছেন সিআইডি প্রধান চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন তখন পুলিশের ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি। পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (প্রশাসন) হিসেবে বদলীর আদেশ পেয়েছেন। ওই সময় ময়মনসিংহ রেঞ্জে একাধিকবার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জের (ওসি) পুরস্কার জিতেছিলেন কামরুল ইসলাম।

এতোবার যার কাছ থেকে পুরস্কার নিয়েছেন, পুলিশের সেই শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে নিজের একটি ছবি বড় ফ্রেমে বন্দি করে তার বাসায় নিয়ে গেলেন। চা পান শেষেই সরলতায় ভরা কন্ঠে রেঞ্জের সর্বোচ্চ পুলিশ কর্মকর্তা জানতে চাইলেন, ‘কত টাকা খরচ হয়েছে ছবিটি বাঁধাইয়ে?’

মৃদু হেসে ওসির বিনম্র জবাব ‘স্যার ৫’শ টাকা। কিন্তু এটা আপনার সাথে আমার একটি স্মৃতি।’ কথা শোনলেও ঋণের মায়ায় নিজেকে বন্দি করতে চাননি যেন। নিজের মানিব্যাগ থেকে টাকা বের করে ওসির হাতে দিলেন। ওসিও মাথা পেতেই সেই টাকা গ্রহণ করলেন। কারণ, তিনি জানেন এই মানুষটি এমনই।

নিজের সহকর্মী বা মিডিয়া কর্মীদের সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে একদিন চমকপ্রদ এমন তথ্যই উপস্থাপন করেছিলেন কোতোয়ালী মডেল থানার ওই সময়কার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ইসলাম। চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের সঙ্গে ময়মনসিংহ জেলায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অ্যাডিশনাল এসপি) হিসেবে কাজ করেছেন এমন একজন প্রায় সময়েই তাকে নিয়ে বলতেন, ‘আমাদের বাহিনীতে একজন এক্সামপোল হচ্ছেন মামুন স্যার।

পুলিশ বাহিনীতে এতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করলেন অথচ ঢাকা শহরে নিজে একটি ফ্ল্যাট কিনতে পারেননি। হয়তো নিজে থেকেই ইচ্ছাই প্রকাশ করেননি। পুলিশের ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজির অধ্যায়ের সময়ে তাকে সদর দপ্তরের কোন সভা বা কর্মসূচিতে গিয়ে রাজধানীতে অবস্থান করতে হলে পুলিশ অফিসার্স মেসে থাকতে হয়। এমন মানুষ সত্যিই বিরল।’

ওপরের দু’টি ঘটনাবলী জনগণের সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন সংস্থা এলিট ফোর্স র‌্যাবের ভাবী মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের। পুলিশী চাকরি জীবনে চেনা গন্ডির এই বাইরের মানুষ এখন সিআইডি প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

বরাবরই পুলিশ বাহিনীতে তাকে নিয়ে একটি কথা প্রচলিত রয়েছে- ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে ভালো জানেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ও পুলিশ প্রধান ড.মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী তাকে পছন্দ করেন।’ আক্ষরিক অর্থেই আরও একবার এ তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতার প্রমাণ মিলেছে।

সততার পানসিতে চড়ে নিজের পেশাদারিত্ব ও নেতৃত্বের প্রজ্ঞার স্বাক্ষর রাখা অতিরিক্ত আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকেই র‌্যাবের নতুন মহাপরিচালক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে সরকার। অর্থাৎ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ‘সততার পুরস্কার’ পেতে যাচ্ছেন সুনামগঞ্জের শাল্লা থানার শ্রীহাইল গ্রামের এ বাসিন্দা।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট একটি দায়িত্বশীল সূত্র কালের আলোকে নিশ্চিত করেছে, পুলিশের শীর্ষ পদে পরিবর্তন আসায় র‌্যাবেরও প্রধান পদে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) পুলিশের আইজি হিসেবে র‌্যাবের বর্তমান ডিজি বেনজীর আহমেদ ও র‌্যাবের নতুন মহাপরিচালক হিসেবে চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে নিয়োগের সারসংক্ষেপ অনুমোদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে এদিন দুপুরের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব (পুলিশ-১) ধনঞ্জয় কুমার দাস গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড.আহমদ কায়কাউসের কাছে সারসংক্ষেপ পৌঁছে দেন।

মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) দুপুরের পর থেকেই এ খবর বিভিন্ন পরিমন্ডলে ভাইরাল হয়ে যায়। সবাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গুরুত্বপূর্ণ এ সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছেন। পাশাপাশি নিজের পৈতৃক জেলা সুনামগঞ্জ, নিজের সাবেক কর্মস্থল ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন এলাকায় মানুষের মাঝে আনন্দ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। তারা সবাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

কালের আলো/এসআর/এমটিএম

প্রশাসককে সঙ্গে নিয়ে রাতের নগর ব্যবস্থাপনা যাচাই করলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
প্রশাসককে সঙ্গে নিয়ে রাতের নগর ব্যবস্থাপনা যাচাই করলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর নাগরিক সেবার বাস্তব চিত্র সরেজমিনে দেখতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টনকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনে বের হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) গভীর রাতে প্রশাসককে সঙ্গে নিয়ে তিনি নিজেই গাড়ি চালিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখেন।

জানা গেছে, রাজধানীর সড়ক, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ফুটপাত, সড়কবাতি, যান চলাচল এবং নগরসেবার সামগ্রিক অবস্থা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী। বিভিন্ন স্থানে থেমে তিনি সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে তথ্য নেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। রাতের নগর ব্যবস্থাপনা বাস্তবে কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তা দেখতেই এ আকস্মিক পরিদর্শন বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, নগরবাসীর দৈনন্দিন ভোগান্তি কমাতে সেবার মান বাড়ানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী গুরুত্ব দিচ্ছেন। সে কারণেই তিনি রাতে মাঠপর্যায়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং কোথায় কী ধরনের সমস্যা রয়েছে, তা সরাসরি দেখছেন।

এর আগে পবিত্র ঈদুল আজহার সময়ও একইভাবে রাতে রাজধানী পরিদর্শনে বের হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সে সময় কোরবানির পশুর বর্জ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অপসারণে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত করা হয়। দায়িত্ব পালনে গাফিলতির বিষয়ে সরকারের কঠোর অবস্থানের বার্তা হিসেবে সেই সিদ্ধান্ত ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

 

চীন-ভারত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো উদ্বেগ নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
চীন-ভারত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো উদ্বেগ নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গরের সঙ্গে বৈঠকে চীন ও ভারতের বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। সুতরাং এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো উদ্বেগ নেই বলেই তিনি মনে করেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর। বৈঠক শেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এ সময় সাংবাদিকরা জানতে চান, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং এই অঞ্চলের অন্য দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোনো উদ্বেগ আছে কি না, বিশেষ করে চীন ও ভারতের বিষয়ে।

জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এই বিষয়ে কোনো আলোচনাই হয়নি।

সুতরাং আমি ধরে নেব, এ বিষয়ে তাদের কোনো উদ্বেগ নেই।’

বাংলাদেশের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ২১টি বোয়িং বিমান কেনার বিষয়টি আলোচনায় ছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, সেটা তো তাদের বলেছিই।

আমরা কেবল বিমানের (বাংলাদেশ বিমান) মাধ্যমেই বোয়িং কিনছি না, আমাদের বেসরকারি সংস্থাও কিনেছে।’

রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে আমরা যে সাহায্য পাই, তার অর্ধেকের বেশি আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। মিয়ানমারের ওপর চাপ ইত্যাদি বিষয়ে আমরা আলোচনা করিনি। তবে আমরা আশা করব, যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্য অব্যাহত থাকবে। এই সমস্যার সমাধানে আমরা যে বহুপাক্ষিক অ্যাপ্রোচ নিয়েছি, তাতে শুধু তারা নয়, অন্যান্য রাষ্ট্রও যুক্ত থাকবে।

উল্লেখ্য, ঢাকা সফরের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন বিশেষ দূত।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) মার্কিন বিশেষ দূত রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করবেন। আগামী শনিবার সফরের শেষ দিন তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এ ছাড়া সফরকালে আরও কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ময়মনসিংহ বিভাগে প্রথমবারের মতো হচ্ছে নৌযান শুমারি

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
ময়মনসিংহ বিভাগে প্রথমবারের মতো হচ্ছে নৌযান শুমারি

সারা দেশের মতো ময়মনসিংহ বিভাগেও প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নৌযান শুমারি-২০২৬। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে ‘নৌযান শুমারি-২০২৬’ বিষয়ক অংশীজন অবহিতকরণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর বিভাগীয় পরিসংখ্যান কার্যালয়, ময়মনসিংহ।

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. আজাদ জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার এস. এম. হুমায়ুন কবির সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি এবং জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান।

সেমিনারে বিভাগীয় পরিসংখ্যান কার্যালয়ের যুগ্ম পরিচালক মো. ফিরোজ ইবনে ইউসুফ পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে শুমারির সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরেন। তিনি জানান, নৌযান শুমারি-২০২৬-এর মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের সমুদ্রগামী ও অভ্যন্তরীণ নৌপথে চলাচলকারী সব ধরনের নৌযানের সংখ্যা, ধরন এবং কাঠামোগত বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত একটি সমন্বিত জাতীয় তথ্যভাণ্ডার (ডেটাবেজ) তৈরি করা। এই তথ্যভাণ্ডার নৌ-নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, নৌ-দুর্ঘটনা হ্রাস এবং নৌ-শ্রমিকদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) তাঁর বক্তব্যে বলেন, নৌযান শুমারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ। এই ডেটাবেজের মাধ্যমে সরকার নৌখাতে আরও কার্যকরভাবে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সক্ষম হবে। এ কার্যক্রমে পুলিশ বিভাগের সার্বিক সহযোগিতারও আশ্বাস দেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার এস. এম. হুমায়ুন কবির সরকার বলেন, নৌযান শুমারি-২০২৬ সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই শুমারি সফল করতে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

নৌযান সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমিতির নেতৃবৃন্দ শুমারির জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক এবং জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক শুমারির প্রচারণায় সার্বিক সহযোগিতা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সেমিনারে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ