খুঁজুন
                               
শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ২৬ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

যুব গেমস আয়োজনে সাফল্যে প্রধানমন্ত্রীকেই কৃতিত্ব সেনাপ্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
যুব গেমস আয়োজনে সাফল্যে প্রধানমন্ত্রীকেই কৃতিত্ব সেনাপ্রধানের

বিশেষ প্রতিবেদক, কালের আলো:

দেশের সর্ববৃহৎ ইভেন্ট শেখ কামাল দ্বিতীয় বাংলাদেশ যুব গেমস’র সফল আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেই কৃতিত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান ও বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের (বিওএ) সভাপতি জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, দিকনির্দেশনা এবং অনুপ্রেরণার কারণেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও অলিম্পিক এসোসিয়েশন দেশের সর্ববৃহৎ ইভেন্ট এই যুব গেমস আয়োজন করতে সক্ষম হয়েছে।’

আরও পড়ুন: উৎসবের আবহে যুব গেমসের আলো ঝলমলে উদ্বোধন, স্মার্ট খেলোয়াড় তৈরির রূপরেখা প্রধানমন্ত্রীর

রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে শেখ কামাল বাংলাদেশ যুব গেমস’র দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সেনাপ্রধান ও বিওএ সভাপতি জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমি শুরুতেই মহান আল্লাহ’র নিকট শুকরিয়া আদায় করছি। যার অশেষ রহমতে শেখ কামাল দ্বিতীয় বাংলাদেশ যুব গেমস আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে এবং আমরা সকলেই সুস্থ থেকে আজকের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পেরেছি। আমি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি। যিনি আমার ওপর আস্থা রেখে সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। সেই সাথে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন ও অলিম্পিক এসোসিয়েশনের উন্নয়নে সর্বাত্মক সহায়তা, পৃষ্ঠপোষকতা এবং অনুপ্রেরণা প্রদান করেছেন।’

আরও পড়ুন: যুব গেমস হবে জৌলুসময় ও আনন্দময় : যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

তিনি বলেন, ‘আমি সব সময় বলে থাকি এবং আজও বলছি, বাংলাদেশের আজকের যে উন্নয়ন ও বিশ্ব দরবারে আমাদের যে সম্মান অর্জন হয়েছে এর কোন কিছুই হতো না যদি না বাংলাদেশ স্বাধীন হতো। তাই আমি এই মাহেন্দ্রক্ষণে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতে চাই আমাদের স্বাধীনতার মূল রূপকার হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। যার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আমরা পেয়েছি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। বঙ্গমাতাসহ বঙ্গবন্ধু পরিবারের সকল সদস্য ও জাতীয় চার নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। বিশেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছি, বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ পুত্র বাংলাদেশের আধুনিক ক্রীড়ার রূপকার শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের প্রতি, যার নামে নামকরণ করা হয়েছে এ যুব গেমসের। আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি ৩০ লক্ষ শহীদদের। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা পেয়েছি। আমি আরও স্মরণ করছি সশ্রদ্ধ বাহিনীর সকল শহীদদের যারা স্বাধীনতার সময় এবং পরবর্তী সময়েও দেশে ও বিদেশে মাতৃভূমির জন্য প্রাণ উৎসর্গ করেছে।’

বিওএ সভাপতি বলেন, ‘ফেব্রুয়ারি মাস ভাষার মাস। ফেব্রুয়ারি মাস আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মাস। এই মাসে আমি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি সকল ভাষা শহীদদের। তাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। তাদের পরিবারের প্রতি রইলো গভীর সমবেদনা।’

বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য উন্নয়নের অগ্রযাত্রা আজ সর্বত্র দৃশ্যমান
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, ‘সকল শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য উন্নয়নের অগ্রযাত্রা আজ সর্বত্র দৃশ্যমান। দেশের ক্রমাগত উন্নয়নের পাশাপাশি আমাদের ক্রীড়াঙ্গনে রচিত হয়েছে অনেক সাফল্যের অধ্যায়। যার সুযোগ্য নেতৃত্ব ও অনুপ্রেরণায় রয়েছেন আমাদের প্রিয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শত ব্যস্ততার মাঝেও আজকের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আমাদের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি প্রমাণ করে তিনি কী পরিমাণ ক্রীড়া অনুরাগী এবং ক্রীড়াকে তিনি সব সময় প্রাধান্য দিয়ে থাকেন।’

তিনি বলেন, ‘শেখ কামাল দ্বিতীয় বাংলাদেশ যুব গেমসের প্রধান পৃষ্ঠপোষকও প্রধানমন্ত্রী। ২০১৮ সালে প্রথম শেখ কামাল দ্বিতীয় বাংলাদেশ যুব গেমস অনুষ্ঠিত হয়। তখন আমরা ২১ টি বিভাগে খেলাধূলার আয়োজন করেছিলাম। এবার আমরা আরও তিনটি খেলা বাড়িয়েছি। জিমন্যাস্টিকস, রাগবি ও সাইক্লিং। প্রথম এই যুব গেমসে খেলোয়াড়ের সংখ্যা ছিল ৩৬ হাজার ৫৯৪। আর এবারের সংখ্যা ৬০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে, সবাইকে অভিনন্দন।’

প্রতিযোগিদের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের সভাপতি বলেন, ‘জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে তোমরা কৃতিত্ব ও দক্ষতার প্রমাণ দিয়েই তোমরা চূড়ান্ত পর্বে উন্নীত হয়েছে। চূড়ান্ত পর্বে তোমরা সেরাটা দিতে পারবে সেই কামনাই করি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আগামীতেও তোমরা আরও কৃতিত্ব দেখিয়ে এগিয়ে যাবে। সর্বদা মনে রাখবে নিয়মিত অনুশীলন, কঠোর শৃঙ্খলা ও কঠোর পরিশ্রমের কোন বিকল্প নেই।

আমরা প্রত্যাশা করছি তোমাদের মাঝ থেকেই আগামী দিনের তারকা বেরিয়ে আসবে। যারা আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধি করবে। খেলাধূলা যুব সমাজের বিনোদনের জন্য সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম, এ বিষয়ে কোন বিতর্কের সুযোগ নেই। বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে ক্রীড়াঙ্গনকে আরও জনপ্রিয় ও ভালো প্রতিযোগিমূলক মনোভাব প্রান্তিক পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছি। উন্নত দেশের মতো বাংলাদেশও সারা বিশ্বের ক্রীড়াঙ্গনে আমাদের চিহ্ন ভবিষ্যতে রাখতে পারবে’-যোগ করেন যুব গেমসের সাংগঠনিক কমিটির কো চেয়ারম্যান ও স্টিয়ারিং কমিটির এই নির্বাহী চেয়ারম্যান।

কালের আলো/এমএএএমকে

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আজ লন্ডন যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৯:১৯ পূর্বাহ্ণ
স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আজ লন্ডন যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শনিবার (০৯ মে) যুক্তরাজ্য যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

চিকিৎসকের পরামর্শে অস্ত্রোপচারের ফলো-আপ হিসেবে কেমব্রিজের একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে রাষ্ট্রপতির প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরোয়ার আলম শুক্রবার (০৮ মে) এ তথ্য জানান।

সরোয়ার আলম জানান, মো. সাহাবুদ্দিনকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইট শনিবার সকালে লন্ডনের উদ্দেশ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবে।

রাষ্ট্রপতির সহধর্মীনি ড. রেবেকা সুলতানাসহ পরিবারের সদস্য, রাষ্ট্রপতির চিকিৎসক ও বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ সফরে তার সফরসঙ্গী হবেন।

স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আগামী ১৮ মে বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে রাষ্ট্রপতির দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১৮ অক্টোবরে সিঙ্গাপুরে মো. সাহাবুদ্দিনের কার্ডিয়াক বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ভোররাতে ছিনতাইকারীর কবলে বরযাত্রীর মাইক্রোবাস, সর্বস্ব লুট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
ভোররাতে ছিনতাইকারীর কবলে বরযাত্রীর মাইক্রোবাস, সর্বস্ব লুট
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিয়ে বাড়ি থেকে ফেরারপথে ছিনতাইকারীর কবলে পড়েছে বরযাত্রীদের বহনকারী মাইক্রোবাস। এ সময় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে লুট করা হয় নগদ টাকা, অলংকার, গহনাসহ সব। শুক্রবার (৮ মে) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে উপজেলার নূনাছড়া এলাকায় পাশে এ ঘটনা ঘটেভুক্তভোগীদের একজন জনি বণিক (২৯) জানান, একটি বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে তারা মাইক্রোবাসযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে নূনাছড়া এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ বিকট শব্দ শোনা যায়। পরে গাড়িচালক গাড়িটি থামালে তারা কয়েকজন নিচে নেমে মোবাইলের লাইট জ্বালিয়ে গাড়ি থেকে কিছু পড়ে গেছে কি না তা খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন।এ সময় হঠাৎ মহাসড়কের পাশের জমি থেকে ৫ থেকে ৬ জন সশস্ত্র দুর্বৃত্ত বেরিয়ে আসে। তাদের হাতে রামদা, কিরিচ ও ছুরি ছিল। দুর্বৃত্তরা ভয়ভীতি দেখিয়ে গাড়িতে থাকা যাত্রীদের জিম্মি করে ৫টি মোবাইল ফোন, মানিব্যাগে থাকা প্রায় ৩০ হাজার টাকা, নগদ অর্থ এবং স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। তিনি আরও জানান, গাড়ির বাইরে থাকা তিনজনকে ধাওয়া করলে তারা প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে পাশের একটি মসজিদে গিয়ে আশ্রয় নেন। পরে মসজিদের ভেতর থেকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা সীতাকুণ্ড মডেল থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সকালে কুমিরা হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।এ বিষয়ে কুমিরা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রব্বানী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

কালের আলো/এসআইপি

বিএনপিই প্রথম শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যার স্বীকৃতি দিয়েছিল: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৯:৩৫ অপরাহ্ণ
বিএনপিই প্রথম শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যার স্বীকৃতি দিয়েছিল: তথ্যমন্ত্রী

দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিএনপির বিবৃতিতেই সর্বপ্রথম শাপলা ট্র্যাজেডিকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল, বলে দাবি করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে শাপলা স্মৃতি সংসদ আয়োজিত ‘শাপলার শহীদগাঁথা: স্মরণ ও মূল্যায়ন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনার পর বিএনপি সাহসিকতার সঙ্গে এটিকে গণহত্যা হিসেবে তুলে ধরেছিল। তিনি দাবি করেন, বর্তমান সরকার ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, বিগত সরকারের সময়ে এ ঘটনার প্রকৃত তথ্য আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তার অভিযোগ, সে সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয় এবং শাপলা চত্বরের ঘটনার সত্য চাপা দেওয়ার চেষ্টা চলে।

একই অনুষ্ঠানে ১১-দলীয় ঐক্যের নেতারাও বক্তব্য দেন। তারা শাপলা চত্বরের ঘটনাকে ‘ফ্যাসিবাদের নির্মম উদাহরণ’ হিসেবে উল্লেখ করে বিচার দাবি করেন।

অনুষ্ঠানে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, শাপলা চত্বরে অভিযান চালানোর সময় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে ব্যাপক শক্তি প্রয়োগ করা হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, এখন পর্যন্ত তদন্তে ৭২ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে এবং আরও অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে’র ঘটনা এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান একই রাজনৈতিক ধারাবাহিকতার অংশ, যা কর্তৃত্ববাদবিরোধী আন্দোলনের প্রতিফলন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ