খুঁজুন
                               
, ,
           

কলম্বিয়ায় সামরিক বিমান বিধ্বস্তে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ
কলম্বিয়ায় সামরিক বিমান বিধ্বস্তে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৬

কলম্বিয়ার দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলে সোমবার (২৩ মার্চ) সামরিক বাহিনীর একটি কার্গো বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৬ জনে পৌঁছেছে। রয়টার্সকে দুই সামরিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে এখনও মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে। এটি সাম্প্রতিক সময়ে কলম্বিয়ার বিমান বাহিনীর সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনাগুলোর একটি।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) জানিয়েছেন, লকহিড মার্টিন নির্মিত হারকিউলিস সি-১৩০ পরিবহন বিমানটি পেরুর সীমান্তবর্তী পুয়ের্তো লেগুইসামো এলাকা থেকে উড্ডয়নের সময় দুর্ঘটনার শিকার হয়।

দমকলকর্মী এদুয়ার্দো সান হুয়ান কায়েহাস জানিয়েছেন, উড্ডয়নের সময় রানওয়ের শেষ প্রান্তে বিমানটি কোনো কিছুর সঙ্গে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। পরে নিচে পড়ে যাওয়ার সময় ডানার এক অংশ একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খায়। দুর্ঘটনার পর বিমানটিতে আগুন ধরে যায় এবং এতে থাকা কোনো বিস্ফোরক জাতীয় বস্তু বিস্ফোরিত হয়।

দূরবর্তী এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে উদ্ধারকাজে অংশ নেন। ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, মোটরসাইকেলের পেছনে আহত সেনাদের দ্রুত নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পরে সামরিক যানবাহন ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও দুর্গম এলাকায় হওয়ায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হয়।

কলম্বিয়ার বিমান বাহিনী প্রথমে জানায়, বিমানে মোট ১২১ জন ছিলেন-যার মধ্যে ১১০ জন সেনা এবং ১১ জন ক্রু সদস্য। তবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যের সঙ্গে এই সংখ্যার পার্থক্যের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কার হয়নি।

প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো তার মেয়াদের শেষ সময়ে সামরিক বাহিনীর আধুনিকায়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার সমালোচনা করেছেন। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘আর কোনো বিলম্ব মেনে নেওয়া হবে না; আমাদের তরুণদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বেসামরিক বা সামরিক প্রশাসনের কেউ যদি এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম না হন, তবে তাদের সরিয়ে দিতে হবে।’

আসন্ন ৩১ মে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কয়েকজন প্রার্থী শোক প্রকাশ করেছেন এবং ঘটনার তদন্ত দাবি করেছেন।

লকহিড মার্টিনের এক মুখপাত্র জানান, তদন্তে সহায়তার জন্য প্রতিষ্ঠানটি কলম্বিয়ার পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

হারকিউলিস সি-১৩০ বিমান প্রথম ১৯৫০-এর দশকে চালু হয়। কলম্বিয়া ১৯৬০-এর দশকের শেষদিকে প্রথম এই মডেল সংগ্রহ করে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে পাওয়া নতুন মডেলের মাধ্যমে পুরোনো কিছু সি-১৩০ আধুনিকায়ন করা হয়েছে।

দেশটির ছয় দশক ধরে চলা অভ্যন্তরীণ সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সেনা পরিবহনে এই বিমানগুলো নিয়মিত ব্যবহার করা হয়, যেখানে এখন পর্যন্ত চার লাখ পঞ্চাশ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার বিধ্বস্ত বিমানটির টেইল নম্বর সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরবরাহ করা তিনটি বিমানের প্রথমটির সঙ্গে মিলে যায়।

এর আগে ফেব্রুয়ারির শেষদিকে বলিভিয়ার বিমান বাহিনীর আরেকটি হারকিউলিস সি-১৩০ এল আল্টো শহরে বিধ্বস্ত হয়। এতে ২০ জনের বেশি নিহত এবং ৩০ জন আহত হন। দুর্ঘটনার পর বিমানের কার্গো থেকে ছড়িয়ে পড়া ব্যাংকনোট ঘিরে স্থানীয়দের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।

সূত্র: রয়টার্স

‘জুলাই অভ্যুত্থান দমনে আ.লীগের অপরাধের প্রমাণ পেয়েছে ট্রাইব্যুনালের সংস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৬:১৬ অপরাহ্ণ
‘জুলাই অভ্যুত্থান দমনে আ.লীগের অপরাধের প্রমাণ পেয়েছে ট্রাইব্যুনালের সংস্থা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দমনে দল হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অপরাধের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের পাশাপাশি অন্যান্য ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের অপরাধের সংশ্লিষ্টতার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এজন্য ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার একটি অভিজ্ঞ তদন্ত দল কাজ করছে। তবে এই তদন্ত শেষ করতে সময় লাগবে বলে জানান তিনি।

আমিনুল ইসলাম বলেন, অনেকগুলো বিষয় নিয়ে কাজ করছে তদন্ত দল।

এর আগে, ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর জানান, তদন্তে অপরাধের সতত্যা মিললে বিচারে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের পাশাপাশি দলটির সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার সুযোগ রয়েছে ট্রাইব্যুনাল আইনে। এই বিচার ট্রাইব্যুনাল আইন এবং সন্ত্রাস বিরোধী আইন এই দুই আইনেই করা সম্ভব। এবং এ দুটি আইনই বিভিন্ন সময়ে সংশোধন করে সংগঠন কিংবা দলের বিচারের ক্ষেত্র প্রস্তুত করে গেছে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারই।

প্রসিকিউশন জানায়, দলটির প্রধান মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাসহ অন্যান্য নেতাদের মানবতাবিরোধী অপরাধের তথ্য–প্রমাণ আওয়ামী লীগের বিচারের ক্ষেত্রেও প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হবে।

কালের আলো/এসএকে

নেইমারকে আবারও মাঠে ফেরার অনুরোধ করলেন তার বাবা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
নেইমারকে আবারও মাঠে ফেরার অনুরোধ করলেন তার বাবা

নরওয়ের বিপক্ষে হারের পর বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। সেই সঙ্গে শেষ হয়েছে নেইমারের আন্তর্জাতিক ফুটবল ক্যারিয়ার। তাই বিদায় বেলায় মাঠে বসে অঝোরেই কাঁদছিলেন এই তারকা ফুটবলার। তবে এবার নেইমারকে নতুন করে শুরু করার পরামর্শ দিয়েছেন তার বাবা সিনিয়র নেইমার।

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে দেওয়া দীর্ঘ বার্তায় ছেলে নেইমারের ফুটবলজীবনের শুরু থেকে বর্তমান পর্যন্ত নানা স্মৃতি তুলে ধরেন তার বাবা।

তিনি লেখেন, ‘বাবা, কী অসাধারণ এক যাত্রা! কত সুন্দর একটি পথ; যেখানে ছিল চ্যালেঞ্জ, ছিল কষ্ট, কিন্তু ছিল ঈশ্বরের অশেষ আশীর্বাদও।’

নেইমারের বাবা জানান, জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তাদের পরিবার নিজেদের বিশ্বাস ও খ্রিস্টান ধর্মীয় মূল্যবোধকে প্রাধান্য দিয়েছে। অনেক সময় প্রত্যাশার বিপরীতে গিয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হলেও তারা বিশ্বাস রেখেছেন, আর সেই বিশ্বাসের প্রতিদানও পেয়েছেন।

ছেলের ক্যারিয়ারের প্রতিটি ধাপের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, প্রথম গোল, প্রথম সাফল্য, পেশাদার ফুটবলে অভিষেক, বড় বড় স্টেডিয়াম, শিরোপা, ব্রাজিল জাতীয় দল এবং বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি; সবকিছুরই সাক্ষী তিনি। তবে তার কাছে সবচেয়ে বড় অর্জন একজন বাবা হিসেবে প্রতিটি মুহূর্তে সন্তানের পাশে থাকতে পারা।

বার্তার একপর্যায়ে ছেলেকে উদ্দেশ্য করে তিনি অনুরোধ করেন, বাবা, ফুটবল খেলা চালিয়ে যাও। আবারও বল পায়ে খেলার আনন্দ খুঁজে নাও, মাঠে হাসিমুখে ফিরে এসো। ঈশ্বর তোমাকে সুস্থ করে আরেকটি সুযোগ দিয়েছেন।

তিনি আরও লেখেন, সমালোচনা, প্রত্যাশা কিংবা জীবনের নানা চাপ নিজের কাঁধে বহন করো না। সব সিদ্ধান্ত মানুষের হাতে থাকে না, কিছু সিদ্ধান্ত শুধুই ঈশ্বরের। আজকের একটি সিদ্ধান্ত তোমার পুরো জীবনকে সংজ্ঞায়িত করে না। একটি স্বপ্ন পূরণ না হলেও তার মানে এই নয় যে সেটি শেষ হয়ে গেছে।

ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে নেইমারের বাবা বলেন, সামনের দিনগুলোকে ভয় পেয়ো না। আজকে বাঁচো, অনুশীলন করো, খেলো, হাসো, সন্তানদের সময় দাও, পরিবারকে ভালোবাসো। বাকিটা ঈশ্বরের ওপর ছেড়ে দাও।

বার্তার শেষাংশে তিনি বলেন, ট্রফি, গোল কিংবা খ্যাতির চেয়েও তিনি দেখেছেন ঈশ্বরের অলৌকিক আশীর্বাদ। তার বিশ্বাস, নেইমারের জীবনে আরও অনেক সুন্দর অধ্যায় এখনও লেখা বাকি। মনে রেখো, পৃথিবী তোমাকে ভালোবাসার আগেই ঈশ্বর তোমাকে ভালোবেসেছেন।

তিনি আরও বলেন, আর বাবা হিসেবে আমি সবকিছু আবারও করতে প্রস্তুত; প্রতিটি সফর, প্রতিটি ত্যাগ, প্রতিটি নির্ঘুম রাত, প্রতিটি দুশ্চিন্তা এবং প্রতিটি প্রার্থনা।

কালের আলো/এসএকে

সভ্য ও উন্নত সমাজের পূর্বশর্ত নারী ও শিশুর নিরাপত্তা: রাজশাহীর জেলা প্রশাসক

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৯ অপরাহ্ণ
সভ্য ও উন্নত সমাজের পূর্বশর্ত নারী ও শিশুর নিরাপত্তা: রাজশাহীর জেলা প্রশাসক

রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেছেন, একটি সভ্য, অমানবিকতামুক্ত এবং উন্নত সমাজের প্রধান পূর্বশর্ত হলো নারী ও শিশুর নিরাপত্তা এবং তাদের অধিকার নিশ্চিত করা। নারী ও শিশুরা কেবল একটি পরিবারের সদস্য নয়, তারা রাষ্ট্রের মূল্যবান সম্পদ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতা সপ্তাহ পালন উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায়  প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, সম্প্রতি রামিসার মতো শিশুদের ওপর ঘটে যাওয়া নৃশংস ঘটনা পুরো সমাজকে স্তম্ভিত করে দিয়েছে, যা নৈতিকতার ভিত্তিকে নাড়িয়ে দেয়। এমনকি খোদ প্রশাসনের কর্মকর্তারাও অনেক ক্ষেত্রে নিজ নিজ সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন। ভুক্তভোগী পরিবারের বিচার চাওয়ার বিষয়ে অনীহা বা শঙ্কা একটি এলার্মিং পরিস্থিতি তৈরি করছে, যদিও সরকার এক মাসেরও কম সময়ে বিচারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে কঠোর আইন, পাচার বিরোধী আইন এবং অ্যাসিড নিক্ষেপ বিরোধী আইনের মতো অনেক আইন রয়েছে। তবে কেবল রাষ্ট্রের পক্ষে বা এককভাবে আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। অ্যাসিড নিক্ষেপ প্রতিরোধের আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই অপরাধটি এখন সমাজ থেকে প্রায় নির্মূল হয়েছে। একইভাবে নারী ও শিশু নির্যাতনকারীদের শুধু আইনের আওতায় আনলেই হবে না, তাদেরকে সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে এবং ঘৃণিত অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।

অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে যৌথ পরিবারের সংখ্যা কমে গিয়ে নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি বা একক পরিবারের আধিক্য বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশুদের মনিটরিং বা সঠিক নির্দেশনার অভাব দেখা দিচ্ছে। এর পাশাপাশি মোবাইল প্রযুক্তির অপব্যবহার, ডিজিটাল আসক্তি এবং মাদকের বিস্তার এই সামাজিক সমস্যাকে আরও ঘনীভূত করছে। সামাজিক সম্মানের ভয়ে অনেক সময় নির্যাতনের ঘটনা চেপে রাখা হয়, যা অপরাধীকে পার পাওয়ার সুযোগ করে দেয়।

সরকার ইতোমধ্যে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় যাবজ্জীবন ও মৃত্যুদণ্ডের মতো কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পরিবার থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহা. সবুর আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহ. আনোয়ারুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন  মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক ইসরাত জাহান। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, এনজিও প্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতা সপ্তাহ পালন উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর হতে র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে শেষ হয়।

অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন জেলা প্রশাসক।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি