খুঁজুন
                               
, ,
           

সালমান এফ রহমানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ২৩ জুলাই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫১ অপরাহ্ণ
সালমান এফ রহমানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ২৩ জুলাই

বিদেশি প্রতিষ্ঠানে পণ্য রপ্তানির আড়ালে প্রায় সাড়ে ২৮ লাখ মার্কিন ডলার পাচারের অভিযোগে করা মামলায় বেক্সিমকো গ্রুপের কর্ণধার সালমান এফ রহমানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ২৩ জুলাই ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার (১ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালত এই তারিখ নির্ধারণ করেন।

এদিন মামলাটির অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির জন্য তারিখ নির্ধারণ ছিল। তবে আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. সজিবুল ইসলাম শুনানি পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করেছেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

অপর আসামিদের মধ্যে রয়েছেন বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান এ এস এফ রহমান, অটাম লুপ ও পিয়ারলেস গার্মেন্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াসিউর রহমান, পরিচালক রেজিয়া আক্তার, আরআর গ্লোবাল ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান এবং আহমেদ শাহরিয়ার রহমান।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) অনুসন্ধানে জানতে পারে, বেক্সিমকো গ্রুপের অটাম লুপ অ্যাপারেলস লিমিটেড এবং পিয়ারলেস গার্মেন্টস লিমিটেডের মাধ্যমে এই অর্থ পাচার করা হয়েছে। অটাম লুপ অ্যাপারেলসের ক্ষেত্রে জনতা ব্যাংকের লোকাল অফিস শাখা থেকে তিনটি এলসির বিপরীতে পণ্য রপ্তানি করা হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ২৮ লাখ ৩২ হাজার ৪২৮ মার্কিন ডলার দেশে আনা হয়নি।

তদন্তে আরও জানা যায়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘আরআর গ্লোবাল ট্রেডিং এফজেডই’-এর ঠিকানায় এসব পণ্য পাঠানো হয়। প্রতিষ্ঠানটির মালিকানায় রয়েছেন সালমান এফ রহমানের ছেলে আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান (এ এস এফ রহমান) এবং এ এস এফ রহমানের ছেলে আহমেদ শাহরিয়ার রহমান। অর্থাৎ, একই পরিবারের সদস্যদের নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানে পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে অর্থ বিদেশে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই ঘটনায় ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইমের উপ-পরিদর্শক গোলাম মোস্তফা মামলা করেন। পরে ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইমের পুলিশ পরিদর্শক মো. ছায়েদুর রহমান তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

কালের আলো/এসএকে

লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার, কার্যক্রম চালাতে পারবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ
লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার, কার্যক্রম চালাতে পারবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করেছে সরকার। কয়েকটি শর্ত সাপেক্ষে হাসপাতালটির কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৭ জুলাই) স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-২ শাখার সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন থেকে এ আদেশ জারি করা আদেশে এ অনুমতি প্রদান করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের কার্যালয় থেকে ১৯ জুলাই জারি করা এক নির্দেশনায় হাসপাতালটির বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল।

ওই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন সন্তোষজনক বিবেচিত হওয়ায় এবং নির্ধারিত শর্ত পূরণের ভিত্তিতে লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করে হাসপাতালটির কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে হাসপাতালটির জন্য কয়েকটি শর্তও উল্লেখ করা হয়েছে।

এগুলো হচ্ছে, The Medical Practice and Private Clinics and Laboratories (Regulation) Ordinance, 1982–এর বিধান যথাযথভাবে প্রতিপালন করতে হবে।

পাশাপাশি লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী চিকিৎসক নার্স নিয়োগের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, লাইসেন্নসের শর্ত প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে সরকার বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

গত ১১ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আদ্-দ্বীন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের নির্দেশনা জারি করেছিল। তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে হাসপাতালটির লাইসেন্স পুনর্বহাল করা হলো।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

ডেপুটি স্পিকারের নাম-প্যাড জালিয়াতি, সতর্কতা জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
ডেপুটি স্পিকারের নাম-প্যাড জালিয়াতি, সতর্কতা জারি

Oplus_131072

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকারের স্বাক্ষর, দাপ্তরিক প্যাড, সরকারি লোগো ও স্মারক নম্বর জাল করে একটি ডিও পত্র তৈরি এবং তা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরে দাখিল করে অনৈতিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে।

বিষয়টি জাতীয় সংসদ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর এ বিষয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) সংসদ সচিবালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় সুস্পষ্টভাবে জানিয়েছে, প্রচারিত ও দাখিল করা ওই পত্রটি জাতীয় সংসদ কর্তৃক ইস্যু করা হয়নি এবং এর সঙ্গে জাতীয় সংসদের কোনো প্রকার সংশ্লিষ্টতা নেই। রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান জাতীয় সংসদের নাম, লোগো, প্যাড কিংবা অন্য কোনো সরকারি পরিচয় জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যবহার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা একটি মারাত্মক আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, বিষয়টি নজরে আসার পরপরই জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ইতোমধ্যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ভবিষ্যতে এ ধরনের জালিয়াতি এড়াতে সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে বিশেষ সতর্কতা জারির অনুরোধ জানানো হয়েছে। জাতীয় সংসদের নামে কোনো ডিও বা সরকারি পত্র প্রাপ্ত হলে সংশ্লিষ্ট যেকোনো কর্তৃপক্ষকে সংসদ সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত শাখার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে পত্রের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সর্বসাধারণ, সব সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে সংসদ সচিবালয় কর্তৃপক্ষ।

কালের আলো/এসএকে

বাড়িওয়ালা-ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহ করছে ডিএমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:০৪ অপরাহ্ণ
বাড়িওয়ালা-ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহ করছে ডিএমপি

ঢাকা নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশি সেবা আরও কার্যকর করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) পরিচালনা করছে সিটিজেন ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিআইএমএস)। এই ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে রাজধানীর বাড়িওয়ালা, ভাড়াটিয়া ও মেস সদস্যদের মৌলিক তথ্য নিবন্ধন, সংরক্ষণ ও হালনাগাদ করা হচ্ছে।

নগরজুড়ে নিরাপত্তা জোরদারে ডিএমপি ২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর রমনা থানা থেকে সফ্‌টওয়্যারভিত্তিক সিআইএমএস কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে। ২০১৭ সালে এটি রাজধানীর সব থানায় সম্প্রসারিত হয় এবং ২০১৯ সালে নাগরিকদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে চালু করা হয় সিআইএমএস মোবাইল অ্যাপ।

বর্তমানে সিআইএমএস ডাটাবেজে প্রায় ৩৬ লাখ ৭৩ হাজার ২৩৮টি পরিবারের নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে; যেখানে ৫০ লাখেরও বেশি নাগরিকের তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে। এই কার্যক্রম একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং ব্যক্তি থেকে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজধানীতে বসবাসরত সব নাগরিকের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কেন সিআইএমএস-এ নিবন্ধন করবেন?

সিআইএমএস’র মাধ্যমে নাগরিকদের সঠিক ও হালনাগাদ তথ্য সংরক্ষণ করা হয়; যা বিট পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করে। একইসঙ্গে অপরাধ প্রতিরোধ, তদন্ত, হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তি শনাক্তকরণ, সন্দেহভাজন ব্যক্তির পরিচয় যাচাই এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত তথ্য সংগ্রহ ও ব্যবহার সহজ হয়।

নিবন্ধন করবেন যেভাবে

ঢাকা মহানগরের প্রতিটি থানা ও পুলিশ ফাঁড়িতে সিআইএমএস নিবন্ধন ফরম পাওয়া যায়। নাগরিকরা ফরম সংগ্রহ করে যথাযথভাবে পূরণ করে সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দিতে পারবেন। ফরম জমা দেওয়ার আগে নিজের কাছে একটি ফটোকপি সংরক্ষণ রাখা উত্তম।

ডিএমপির প্রতিটি থানা একাধিক বিটে বিভক্ত এবং প্রতিটি বিটে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিট অফিসার রয়েছেন। প্রয়োজনে নাগরিকরা সরাসরি বিট অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশি সহায়তা গ্রহণ করতে পারেন। ঠিকানা পরিবর্তন হলে নতুন ঠিকানার সংশ্লিষ্ট থানায় পুনরায় নিবন্ধন করতে হবে।

বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়াদের জন্য সুবিধা

সিআইএমএস-এ নিবন্ধনের মাধ্যমে বাড়িওয়ালারা ভাড়াটিয়ার পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেন, ফলে অপরাধী বা প্রতারকদের আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ কমে যায় এবং বাড়িওয়ালাও অযথা হয়রানির ঝুঁকি থেকে মুক্ত থাকেন।

অন্যদিকে, ভাড়াটিয়ারা সংশ্লিষ্ট বিট অফিসারের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান, প্রয়োজনে দ্রুত আইনগত সহায়তা গ্রহণ করতে পারেন এবং পরিচয় যাচাইয়ের ক্ষেত্রেও সুবিধা লাভ করেন।

অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা

সিআইএমএস ডাটাবেজ অপরাধ তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নিবন্ধিত তথ্যের মাধ্যমে পলাতক অপরাধী শনাক্ত, সন্দেহভাজন ব্যক্তির তথ্য যাচাই এবং অপরাধ প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে। একইসঙ্গে বিট পুলিশিং কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হচ্ছে এবং জনগণ ও পুলিশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ডিএমপির আহ্বান

নিরাপদ, স্মার্ট ও অপরাধমুক্ত ঢাকা গড়ে তুলতে রাজধানীর সব বাড়িওয়ালা, ভাড়াটিয়া ও মেস সদস্যকে সিআইএমএস-এ নিবন্ধন সম্পন্ন করার জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ আন্তরিক আহ্বান জানাচ্ছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি